• স্টার্কের পর এবার মার্শকে নিয়েও অনিশ্চয়তা
    পায়ের পেশির চোটে মাঠের বাইরে চলে গেছেন মিচেল মার্শ। সেরে উঠতে লেগে যেতে পারে কয়েক সপ্তাহ। তাই শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে পাঁচ ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজে এই পেস বোলিং অলরাউন্ডারের খেলা নিয়ে তৈরি হয়েছে অনিশ্চয়তা।
  • পাকিস্তান সফর শেষ মার্শের, আইপিএলে খেলার আশা
    শঙ্কা ছিল, শেষ পর্যন্ত সেটাই সত্যি হলো। পাকিস্তানের বিপক্ষে চলমান সীমিত ওভারের সিরিজ থেকে ছিটকে গেলেন মিচেল মার্শ। আইপিএলে অবশ্য এখনও খেলার আশা করছেন অস্ট্রেলিয়ান এই অলরাউন্ডার।
  • পাকিস্তান সিরিজে মার্শকে নিয়ে শঙ্কা
    এমনিতেই পাকিস্তানের বিপক্ষে সাদা বলের সিরিজে অভিজ্ঞদের অনেককেই পাচ্ছে না অস্ট্রেলিয়া। এবার মিচেল মার্শের খেলা নিয়েও জেগেছে শঙ্কা। নিতম্বে চোট পাওয়া এই পেস বোলিং অলরাউন্ডার প্রথম ওয়ানডেতে খেলতে পারছেন না, এটা নিশ্চিত।
  • বাংলাদেশ-আফগানিস্তান ম্যাচে মার্শ-ওয়ার্ন স্মরণ
    ২৪ ঘণ্টারও কম সময়ে ক্রিকেট হারিয়েছে অস্ট্রেলিয়ার দুই কিংবদন্তিকে। নিজের সময়ের সেরা উইকেটরক্ষক রডনি মার্শের পর চলে গেছেন সব সময়ের সেরা লেগ স্পিনার শেন ওয়ার্ন। মার্শের মৃত‍্যুতে শোকার্ত সাবেক-বর্তমান ক্রিকেটাররা। আর ভক্ত-সমর্থক-অনুরাগী থেকে শুরু করে সবাই যেন স্তব্ধ হয়ে গেছেন ক্রিকেটের বর্ণময় চরিত্র ওয়ার্নের মৃত‍্যুতে।
  • অস্ট্রেলিয়ান গ্রেট রড মার্শের চিরবিদায়
    হার্ট অ্যাটাকের পর এক সপ্তাহ ধরে জীবন-মৃত্যুর সঙ্গে লড়াইয়ে পেরে উঠলেন না রড মার্শ। পৃথিবীর মায়া কাটিয়ে অসীমে পাড়ি জমালেন অস্ট্রেলিয়ার সাবেক এই কিপার-ব্যাটসম্যান।
  • হার্ট অ্যাটাকের পর হাসপাতালে অস্ট্রেলিয়ান গ্রেট রড মার্শ
    খেলার কথা ছিল একটি চ্যারিটি ম্যাচে। কিন্তু হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে তাতে আর অংশ নেওয়া হলো না রড মার্শের। হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে অস্ট্রেলিয়ার সাবেক এই কিপার-ব্যাটসম্যানকে।
  • কোভিড পজিটিভ হেড, শঙ্কায় দলে নেওয়া হলো তিনজনকে
    চলতি অ্যাশেজ সিরিজে কোভিডের থাবা চলছেই। মেলবোর্ন থেকে অস্ট্রেলিয়া দলের সিডনি উড়াল দেওয়ার আগ মুহূর্তে জানা গেছে, কোভিডে আক্রান্ত হয়েছেন ট্রাভিস হেড। পিছিয়ে গেছে তাই গোটা দলের যাত্রা। আরও কোভিড আক্রান্ত হওয়ার শঙ্কায় কাভার হিসেবে অস্ট্রেলিয়া দলে যুক্ত করা হয়েছে মিচেল মার্শ, নিক ম্যাডিনসন ও জন ইংলিসকে।
  • টি-টোয়েন্টির বর্ষসেরার লড়াইয়ে দুই কিপার-ব্যাটসম্যানের সঙ্গে দুই অলরাউন্ডার
    ছেলেদের ক্রিকেটে আইসিসির ২০২১ সালের বর্ষসেরা টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটারের সংক্ষিপ্ত তালিকায় দুই কিপার-ব্যাটসম্যানের সঙ্গে জায়গা পেয়েছেন দুই অলরাউন্ডার। মোহাম্মদ রিজওয়ানের সঙ্গে লড়াইয়ে আছেন জস বাটলার, ভানিন্দু হাসারাঙ্গা ও মিচেল মার্শ।
  • নিন্দার কাঁটা মাড়িয়ে নন্দিত প্রহরে মার্শ
    মিচেল মার্শ ডানা মেলে দিলেন। উড়তে চাইলেন যেন। রুখবে তাকে কে! তিনি বাঁধনহারা। গ্লেন ম্যাক্সওয়েলের শটে বল যখন বাউন্ডারিতে, মার্শ তখন ছুটলেন ড্রেসিং রুমের দিকে। তবে যেতে আর পারলেন কোথায়! সতীর্থরা মাঠে ছুটে এলেন আরও আগেই। মার্শ হারিয়ে গেলেন তাদের আলিঙ্গনে। বিশ্বজয়ের উল্লাস। প্রথম টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ শিরোপার অনির্বচনীয় অনুভূতি। আর, এক বুক তৃপ্তি। যে দিনটির অপেক্ষায় তিনি ছিলেন!
  • ফাইনালের নায়ক মিচেল মার্শ
    মুখোমুখি হওয়া প্রথম বলেই ছক্কা, পরের দুটিতে চার। এরপর আর মিচেল মার্শকে থামায় কে! দুর্বার গতিতে ছুটলেন তিনি। গুঁড়িয়ে দিলেন নিউ জিল্যান্ডের বোলিং লাইন আপ। অপরাজিত ইনিংসে অস্ট্রেলিয়াকে এনে দিলেন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের প্রথম শিরোপা।
  • ওয়ার্নার-মার্শের ব্যাটে সেমির খুব কাছে অস্ট্রেলিয়া
    ক্যারিবিয়ান বিধ্বংসী ব্যাটিং লাইনআপকে সেভাবে জ্বলে উঠতে দিলেন না বোলাররা। ব্যাটিং সহায়ক উইকেটে লক্ষ্যটা থাকল নাগালে। ডেভিড ওয়ার্নার ও মিচেল মার্শের বিস্ফোরক ইনিংসে তা সহজেই তাড়া করে ফেলল অস্ট্রেলিয়া। দুর্দান্ত জয়ে সেমি-ফাইনালের পথে আরেকটু এগিয়ে গেল অ্যারন ফিঞ্চের দল।
  • টেস্ট ক্রিকেটে চোখ রেখে বিশ্বকাপে মার্শ
    টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ দিয়ে অস্ট্রেলিয়ার নির্বাচকদের নজর কাড়তে চান মিচেল মার্শ। ব্যাট হাতে দারুণ কিছু করে ফিরতে চান টেস্ট দলে।
  • শুধু ছক্কার ঝড়ে হাত পাকাচ্ছেন মার্শ
    বল আসছে, মিচেল মার্শ উড়িয়ে মারছেন। একটির পর একটি। দিনের পর দিন। এভাবেই চলছে। নিজের সাম্প্রতিক ব্যাটিং সাফল্যের পেছনে এই অনুশীলনকেই কৃতিত্ব দিচ্ছেন অস্ট্রেলিয়ান অলরাউন্ডার। অনুশীলনে ছক্কার পর ছক্কা মেরেই মাঠে গাঁথছেন তিনি রানের মালা।
  • ‘আইসিসি প্লেয়ার অব দা মান্থ’ লড়াইয়ে সাকিব
    জিম্বাবুয়েতে স্বাগতিকদের তিন সংস্করণে হারানোর পেছনে সাকিব আল হাসানের ছিল গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা। সেই পারফরম্যান্সের জন্য ‘আইসিসি প্লেয়ার অব দা মান্থ’-এর সংক্ষিপ্ত তালিকায় জায়গা পেয়েছেন বাঁহাতি এই অলরাউন্ডার।
  • অদ্ভুত শেষ ওভারে ব্যর্থ রাসেল, জয় অস্ট্রেলিয়ার
    শেষ ওভারে ওয়েস্ট ইন্ডিজের প্রয়োজন ১১ রান। মিচেল স্টার্কের করা ওভারের প্রথম চার বলে সিঙ্গেলের সুযোগ থাকলেও নিলেন না আন্দ্রে রাসেল। পঞ্চম বলে ফুল টস পেয়েও হলো না চার-ছক্কা। শেষ বলটি অবশ্য ছক্কায় ওড়াতে পারলেন, তবে ততক্ষণে সব শেষ। নিজেই সব দায়িত্ব নিয়ে পেরে উঠলেন না রাসেল। সিরিজ হারার পর অবশেষে প্রথম জয়ের মুখ দেখল অস্ট্রেলিয়া।
  • রাসেল ঝড়ের পর অস্ট্রেলিয়ার নাটকীয় ধসে উইন্ডিজের জয়
    ১৪৬ রান তাড়া করে ১০ ওভারে ১০৫, ম্যাচের উত্তেজনার কিছু আর বাকি থাকে? কিন্তু ক্রিকেটে যে শেষ কথা বলে কিছু নেই, সেটিই আরেকবার প্রমাণ হলো সেন্ট লুসিয়ায়। হঠাৎ ধসে এলোমেলো হয়ে গেল অস্ট্রেলিয়া। তাদের মুঠো থেকে বের করে আনা রোমাঞ্চকর জয়ে সিরিজে এগিয়ে গেল ওয়েস্ট ইন্ডিজ।
  • অস্ট্রেলিয়া দলে ম্যাক্সওয়েল-মার্শ
    মানসিক স্বাস্থ্যজনিত কারণে আচমকা সাময়িক বিরতিতে যাওয়া গ্লেন ম্যাক্সওয়েল ফিরছেন আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে। দক্ষিণ আফ্রিকা সফরের ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি দলে ডাক পেয়েছেন এই অলরাউন্ডার। সেখানে তার সঙ্গী মিচেল মার্শ।
  • মার্শের বোলিং চমক, বাটলারের লড়াই
    বোলিংয়ে একটি বিকল্প বাড়ানো আর লম্বা সিরিজের শেষ ম্যাচে  মূল ফাস্ট বোলারদের একটু বিশ্রামের সুযোগ দেওয়া। মূলত এই ভাবনা থেকেই একাদশে ফেরানো হলো মিচেল মার্শকে। কিন্তু সহকারীর ভূমিকায় এসে তিনিই হয়ে উঠলেন কেন্দ্রীয় চরিত্র। দুর্দান্ত বোলিংয়ে কাঁপিয়ে দিলেন ইংলিশ ব্যাটিং। কিন্তু একজন দাঁড়িলে গেলেন ব্যাট হাতে। দারুণ ব্যাটিংয়ে জস বাটলার কিছুটা উদ্ধার করলেন ইংল্যান্ডকে।
  • মার্শ-খাওয়াজা মিডল-অর্ডারে মানিয়ে নেবে, বিশ্বাস কোচের
    দুই টপ অর্ডার ব্যাটসম্যান শন মার্শ ও উসমান খাওয়াজা দলের প্রয়োজনে খেলছেন মিডল অর্ডারে। অস্ট্রেলিয়ার কোচ জাস্টিন ল্যাঙ্গারের বিশ্বাস, নতুন ব্যাটিং পজিশনে মানিয়ে নিতে পারবেন দুই বাঁহাতি ব্যাটসম্যান।
  • কোহলির সেঞ্চুরিতে সমতা ফেরাল ভারত
    দারুণ সেঞ্চুরিতে দ্বিতীয় ওয়ানডেতে অস্ট্রেলিয়াকে লড়াইয়ের পুঁজি এনে দিলেন শন মার্শ। তবে বিরাট কোহলির আরেকটি মাস্টারক্লাস সেঞ্চুরিতে জয় তুলে নিলো ভারত। বাঁচিয়ে রাখলো ওয়ানডে সিরিজ জয়ের আশা।
  • মিলার, দু প্লেসির সেঞ্চুরিতে সিরিজ দ. আফ্রিকার
    বাজে শুরুর পর রেকর্ড জুটিতে দলকে পথ দেখালেন ডেভিড মিলার ও ফাফ দু প্লেসি। তাদের দুই সেঞ্চুরিতে লড়াইয়ের পুঁজি পেল দক্ষিণ আফ্রিকা। লড়াকু সেঞ্চুরিতে আশা দেখিয়েছিলেন শন মার্শ। তবে ডেল স্টেইন ও কাগিসো রাবাদার দাপুটে বোলিংয়ে সিরিজ জিতে নিয়েছে অতিথিরা।
  • রয়-বাটলারের কাছে যথেষ্ট হলো না মার্শের সেঞ্চুরি
    জেসন রয়ের দুর্দান্ত সেঞ্চুরি। জস বাটলারের ব্যাটেও ঝড়। প্রথম ৫ জুটিতেই পঞ্চাশের রেকর্ড। যোগফলেও ইংল্যান্ডের রেকর্ড সংগ্রহ। তবে অসাধারণ ব্যাটিংয়ে সেটিকেও চ্যালেঞ্জ জানিয়েছিলেন শন মার্শ। আশা জাগিয়েছিলেন অভাবনীয় এক জয়ের। শেষ পর্যন্ত পারেননি মার্শ, পারেনি অস্ট্রেলিয়া। সিরিজ জয়ের পথে ইংল্যান্ড এগিয়েছে আরেক ধাপ।
  • স্টার্ক-হেইজেলউড গুঁড়িয়ে দিলেন ইংল্যান্ডকে
    বাতাসে ছিল উত্তেজনার রেণু। অপেক্ষা ছিল রোমাঞ্চকর শেষ দিনের। কিন্তু শেষ দিনে লড়াই একটুও জমতে দিলেন না অস্ট্রেলিয়ার পেস আক্রমণের দুই সেনানী। শুরুতে পুরোনো বলে জশ হেইজেলউডের ছোবল, পরে নতুন বলে মিচেল স্টার্কের। শেষ দিনে প্রথম সেশনেই শেষ ইংল্যান্ড।
  • মার্শের আলোয় রাঙা অ্যাডিলেড
    অ্যাশেজের দল ঘোষণার দিন যেন ঝড় বয়ে গিয়েছিল অস্ট্রেলিয়ার ক্রিকেট আঙিনায়। কত আলোচনা-সমালোচনা, যার বেশিরভাগ জুড়ে ছিল শন মার্শ ও টিম পেইনের দলে থাকা। অ্যাডিলেড টেস্টের দ্বিতীয় দিনে সেই দুজনই অস্ট্রেলিয়ার নায়ক।