বর্ণিল গামছায় রাঙানো ফুটপাথ

দূর থেকে দেখেলে প্রথমে মনে হয় আঁকা ছবি। কাছে গেলে ভ্রম ভাঙে। বলছি রাজধানীর শ্যামলীর সরকারি শিশু পল্লীর সীমানা প্রাচীরের কথা। ভ্রাম্যমাণ বিক্রেতাদের ঝুলিয়ে রাখা রঙবেরঙয়ের হাজারো গামছা শোভা বাড়াচ্ছে সে দেয়ালের।
  • শ্যামলীর শিশু পল্লীর দেয়াল ঘেঁষে বসা এই গামছা বিক্রেতাদের অধিকাংশের বাড়ি চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুর উপজেলার চৌডালা ইউনিয়নে।

    শ্যামলীর শিশু পল্লীর দেয়াল ঘেঁষে বসা এই গামছা বিক্রেতাদের অধিকাংশের বাড়ি চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুর উপজেলার চৌডালা ইউনিয়নে।

  • বিক্রেতা মো. ইসমাইল হোসেন জানান, এই গামছাগুলো তারা সংগ্রহ করেন দেশের বিভিন্ন জায়গা থেকে। তবে সবচেয়ে বেশি গামছা আনেন কুষ্টিয়ার কুমারখালী, নরসিংদীর শেখেরচর, বাবুরহাট এবং সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়া থেকে।

    বিক্রেতা মো. ইসমাইল হোসেন জানান, এই গামছাগুলো তারা সংগ্রহ করেন দেশের বিভিন্ন জায়গা থেকে। তবে সবচেয়ে বেশি গামছা আনেন কুষ্টিয়ার কুমারখালী, নরসিংদীর শেখেরচর, বাবুরহাট এবং সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়া থেকে।

  • শ্যামলীর এই গামছা বিক্রেতাদের দাবি, ঢাকার বিভিন্ন জায়গার থেকে এখানে গামছার দাম তুলনামূলকভাবে কম, মানও অনেক ভালো। উৎপাদকদের কাছ থেকে তারা সরাসরি সংগ্রহ করেন এসব গামছা।

    শ্যামলীর এই গামছা বিক্রেতাদের দাবি, ঢাকার বিভিন্ন জায়গার থেকে এখানে গামছার দাম তুলনামূলকভাবে কম, মানও অনেক ভালো। উৎপাদকদের কাছ থেকে তারা সরাসরি সংগ্রহ করেন এসব গামছা।

  • জাহিদুল ইসলাম বাবু জানান, মান ও আকারভেদে প্রতিটি গামছা তারা বিক্রি করেন ৫০ থেকে ২৫০ টাকায়। ছোটো গামছাগুলোর দাম ৫০ থেকে ১০০ টাকা, মাঝারিগুলো ১২০ থেকে ১৫০ টাকা এবং ছয় হাত দৈর্ঘ্যের সবচেয়ে বড়গুলো ১৬০ থেকে ২৫০ টাকায় বিক্রি করেন তারা।

    জাহিদুল ইসলাম বাবু জানান, মান ও আকারভেদে প্রতিটি গামছা তারা বিক্রি করেন ৫০ থেকে ২৫০ টাকায়। ছোটো গামছাগুলোর দাম ৫০ থেকে ১০০ টাকা, মাঝারিগুলো ১২০ থেকে ১৫০ টাকা এবং ছয় হাত দৈর্ঘ্যের সবচেয়ে বড়গুলো ১৬০ থেকে ২৫০ টাকায় বিক্রি করেন তারা।

  • দোকান পরিচালনার খরচ নেই বলে সামান্য লাভেই এখানে গামছা বিক্রি করেন বলে জানালেন বিক্রেতা জাহিদুল ইসলাম বাবু। প্রতিটি গামছায় গড়ে ২০-৩০ টাকার মত লাভ থাকে বলে জানালেন তিনি।

    দোকান পরিচালনার খরচ নেই বলে সামান্য লাভেই এখানে গামছা বিক্রি করেন বলে জানালেন বিক্রেতা জাহিদুল ইসলাম বাবু। প্রতিটি গামছায় গড়ে ২০-৩০ টাকার মত লাভ থাকে বলে জানালেন তিনি।

  • প্রতিদিন সকাল ৯টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত চলে গামছার বিকিকিনি।

    প্রতিদিন সকাল ৯টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত চলে গামছার বিকিকিনি।

  • করোনাভাইরাস মহামারীর কারণে প্রায় তিনমাস বন্ধ থাকার পর গত জুন থেকে আবার এখানে বসছেন এই গামছা বিক্রেতারা। তবে বিক্রি আগের চেয়ে অনেক কম বলে জানালেন তারা।

    করোনাভাইরাস মহামারীর কারণে প্রায় তিনমাস বন্ধ থাকার পর গত জুন থেকে আবার এখানে বসছেন এই গামছা বিক্রেতারা। তবে বিক্রি আগের চেয়ে অনেক কম বলে জানালেন তারা।

  • বিক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেল, দিনে দুই থেকে আড়াই হাজার টাকার গামছা বিক্রি করতে পারেন প্রত্যেকে। তবে বৃষ্টির দিনে ব্যবসায় মন্দা যায়।

    বিক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেল, দিনে দুই থেকে আড়াই হাজার টাকার গামছা বিক্রি করতে পারেন প্রত্যেকে। তবে বৃষ্টির দিনে ব্যবসায় মন্দা যায়।

  • একজন বিক্রেতা জানান, প্রতিদিন সকালে এসে ক্রেতা আকর্ষণের জন্য দেয়ালে গামছাগুলো ঝুলিয়ে দেন। কিন্তু হঠাৎ বৃষ্টি শুরু হলে তড়িঘড়ি গামছা গোছাতে বিপত্তি বাঁধে।

    একজন বিক্রেতা জানান, প্রতিদিন সকালে এসে ক্রেতা আকর্ষণের জন্য দেয়ালে গামছাগুলো ঝুলিয়ে দেন। কিন্তু হঠাৎ বৃষ্টি শুরু হলে তড়িঘড়ি গামছা গোছাতে বিপত্তি বাঁধে।

  • বিক্রেতারা জানান, তারা সারাদিন গামছা নিয়ে বসে থাকলেও বিকেলের দিকে বিক্রি বেশি হয়। অফিস ফেরত মানুষেরা তাদের গামছা বেশি কেনেন।

    বিক্রেতারা জানান, তারা সারাদিন গামছা নিয়ে বসে থাকলেও বিকেলের দিকে বিক্রি বেশি হয়। অফিস ফেরত মানুষেরা তাদের গামছা বেশি কেনেন।

Print Friendly and PDF