ক্যারল গিলিগান: নারীর ও পুরুষের নৈতিকতা সমান

মোনেম অপু
Published : 9 Oct 2014, 05:06 AM
Updated : 9 Oct 2014, 05:06 AM
নারীবাদী যত্ন নৈতিকতা—৩য় অংশ
মার্কিন মনস্তত্ত্ববিদ ক্যারল গিলিগান (Carol Gilligan, জন্ম ২৮ নভেম্বর, ১৯৩৬) এর In a Different Voice: Psychological Theory and Women's Development প্রকাশিত হয় ১৯৮২ সালে। বইটি মানব মনস্তত্ত্ব ও নারী-পুরুষের মানসিক ও নৈতিক বিকাশ সম্বন্ধে আমাদের ভাবনায় একটি বিপ্লব সাধন করেছে। এই ভিন্ন উচ্চারণ নারীবাদী নৈতিকতা তত্ত্বায়নের অঙ্গনে একটি বড় মাপের ক্ষেত্র তৈরি করেছে, যা নারীবাদী নৈতিকতা গঠনে প্রভাব বিস্তার করে চলেছে। আঠার ও উনিশ শতকের নারীবাদী চিন্তকদের—যেমন মেরী উলস্টনক্রাফ্ট, হ্যারিয়েট বীচার—লেখায় যত্ন-নৈতিকতার লক্ষণ খুঁজে পাওয়া গেলেও বিষয়টিকে স্পষ্টভাবে প্রথম উপস্থাপন করেন গিলিগান। কিন্তু গিলিগান নিজে প্রভাবিত হয়েছেন মার্কিন সমাজতত্ত্ববিদ ও মনোবিশ্লেষক জুলিয়া ন্যান্সি কডোরো (জন্ম ২০ জানুয়ারি ১৯৪৪) দ্বারা। ন্যান্সি বলেন, আমাদের পরিচয় (identity) ও বিষয়ীতা/আত্মসত্ত্বা (subjectivity) নির্মিত হয় সম্পর্ক-সূত্রে বাঁধা দুপ্রান্তের মধ্যে দেয়া-নেয়ার মাধ্যমে। তিনি নারীবাদী দৃষ্টিকোন থেকে মনোসমীক্ষণের কাজ করেছেন এবং পিতা-পুত্রের সম্পর্কের চেয়ে নারী-সন্তান সম্পর্কের উপর বেশী জোর দিয়েছেন। গিলিগান সেখান থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে প্রখ্যাত মার্কিন মনস্তত্ত্ববিদ লরেন্স কোহ্‌লবার্গের (Lawrence Kohlberg, ১৯২৭-১৯৮৭) মনোবিকাশ ও নৈতিকতার স্তরভেদ সম্বন্ধীয় তত্ত্বের বিপরীতে পাল্টা তত্ত্ব নির্মাণ করেছেন।

গিলিগান কোহ্‌লবার্গের নর-নারীর মনস্তাত্ত্বিক ও নৈতিক বিকাশ সম্বন্ধীয় তত্ত্বকে একচোখা বলে আখ্যায়িত করেছেন, এবং দাবী করেছেন যে, নারীর স্বতন্ত্র ও নিজস্ব সত্ত্বাবোধ এবং স্বতন্ত্র-নিজস্ব নৈতিকতাবোধ রয়েছে। এই উপলব্ধি কোনভাবেই পুরুষের চিন্তার ও তত্ত্বের চেয়ে খাটো নয়। কোহ্‌লবার্গের দাবী, নৈতিক বিকাশের বা উৎকর্ষতা সাধনের পথে তিনটি স্তর রয়েছ। তবে সর্বোচ্চ স্তরে বহু সংখ্যক পুরুষ উপনীত হতে পারলেও নারীদের মধ্য থেকে খুব কম সংখ্যকই সেখানে উঠতে পারে। এর বিপরীতে গিলিগান বলেন, পুরুষের মনস্তাত্ত্বিক কাঠামো জাত নৈতিকতাকে পরম মানদণ্ড হিসেবে ধরার কারণেই তিনি এ ভুল করেছেন। পুরুষ ইচ্ছা, চিন্তা, সার্বজনীন সূত্র ইত্যাদিকে উচ্চে প্রতিষ্ঠিত করেছে নিজের মনস্তাত্ত্বিক কাঠামোর ভিত্তিতে ও তাকেই আবার আরোপ করেছে নারীদের উপর একচোখাভাবে। কিন্তু মানবজাতির সকলেই পুরুষ নয়; আর নারীদেরকে পুরুষ হতেই বা হবে কেন? পুরুষরূপ কি পূর্ণতর মানবরূপ? গিলিগান নারীর মনস্তাত্ত্বিক ও নৈতিক বিকাশেও পুরুষের ক্ষেত্রের মতোই তিনটি স্তর রয়েছে বলে মনে করেন, যে বিন্যাসের বিচারে বহু সংখ্যক নারী সর্বোচ্চ স্তরে উপনীত হয়ে থাকে। এই বিন্যাসকে মানদণ্ড ধরে পুরুষকে বিচার করলে সর্বোচ্চ স্তরে উঠার ক্ষেত্রে পুরুষরাও চরমভাবে ব্যর্থ বলে পরিগণিত হবে। তিনি স্বীকার করেন যে, কোহ্‌লবার্গের তত্ত্ব ঐতিহ্যগত ধারায় শিক্ষিত সমাজে বহুলভাবে গৃহীত হয়েছে; কিন্তু তিনি দৃঢ়তার সাথে একথাও বলেছেন যে, কোন তত্ত্ব বহুলভাবে গৃহীত হলেই তা সত্য হয়ে যায় না। কোহ্‌লবার্গের তত্ত্ব পুরুষের প্রতি পক্ষপাতযুক্ত; তার তত্ত্বে পুরুষের কণ্ঠস্বরই প্রাধান্য পেয়েছে, নারীদের কণ্ঠস্বর অবহেলিত হয়েছে, তাদের উচ্চারণের প্রতি সুবিচার করা হয়নি।

কোহ্‌লবার্গের দেখান, দৈহিকভাবে মানুষ যেমন বিভিন্ন স্তর পার হয়ে বড় হয়, তেমনই নৈতিক সক্ষমতার ক্ষেত্রেও বিকাশের নানা স্তর রয়েছে। তিনি তিনটি প্রধান স্তরকে যথাক্রমে preconventional (প্রাক-রীতি), conventional (রীতিগত) ও postconventional (রীতি-উত্তর) স্তর নামে আখ্যায়িত করেছেন। নৈতিকতার প্রিকনভেনশনাল স্তরে ছেলেমেয়য়েরা পিতা-মাতা ও কর্তৃপক্ষের নিকট থেকে জানতে পারে কোনটি ভাল ও কোনটি মন্দ এবং তারা তা মেনে চলে শাস্তি এড়ানোর উদ্দেশ্যে। ফলে এই স্তরে নৈতিক ভাবনা নিজের দিকে নিবদ্ধ থাকে—এটা হয়ে উঠে কর্তৃপক্ষকে অনুসরণ করা ও নিজেকে শাস্তি থেকে রক্ষা করা। কৈশোরে উপনীত হলে তারা সংবদ্ধতা তৈরি করে ও পরিবার, বন্ধবর্গ, ধর্ম ও জাতির অনুগত হয়। ফলশ্রুতিতে, এই কনভেনশনাল স্তরে নৈতিকতা গড়ে উঠে গোষ্ঠির অন্যান্য সদস্যদের কাছে গ্রহণীয় হওয়াকে এবং তাদের রীতিগত নৈতিক মানদণ্ড ও নিয়ম অনুসরণকে ভিত্তি করে। যদি কৈশোরেই কেউ আরও পরিণত হতে চেষ্টা করে তবে সে রীতি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত প্রমিত নৈতিক নিয়মগুলোকে পরীক্ষা করতে শুরু করতে পারে। সে মূল্যায়ন করে দেখতে পারে এই গৃহীত নৈতিক নিয়মগুলো প্রত্যেকের কল্যাণে আসছে কি-না, ন্যায়সঙ্গত কি-না ও প্রত্যেকের অধিকারকে সংরক্ষণ করছে কি-না। এই সর্বোচ্চ স্তরে—অর্থাৎ নৈতিক বিকাশের পোস্টকনভেনশনাল স্তরে—কল্যাণ, ন্যায় ও অধিকার সম্পর্কিত সার্বজনীন নীতির উপর নৈতিকতা প্রতিষ্ঠিত হয়।

মানুষের উপর পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে পাওয়া গিয়েছে বলে দাবী করে কোহ্‌লবার্গ বলেন যে, নৈতিক উন্নয়নের অগ্রযাত্রাটি এরকম: রীতি-পূর্ব স্তরে নিজের দিকেই দৃষ্টিকে কেন্দ্রীভূত রাখা, তারপর রীতিগত স্তরে ঐতিহ্যগত বিধিবিধানের উপর এবং রীতি-উত্তর স্তরে সার্বজনীন নীতির উপর নজর দেয়া। তার মতে, সকলেই সমভাবে এগুতে পারে না; অনেকে সর্বোচ্চ স্তরে উঠতে পারলেও অধিকাংশই প্রথম স্তরেই আজীবন থেকে যায়, আবার অনেকে কেবল দ্বিতীয় স্তর পর্যন্তই উঠতে পারে। তিনি আরও দেখেছেন যে, এই আত্ম-কেন্দ্রীকতা থেকে ক্রমেই সার্বিক নীতি ভিত্তিক চিন্তার স্তরে উপনীত হবার ক্ষেত্রে ছেলেরা মেয়েদের চেয়ে অনেক এগিয়ে। নারীরা যারা প্রথম স্তর অতিক্রম করেন তাদের অধিকাংশই দ্বিতীয় স্তরেই থেকে যান যেখানে পরিবার ও সমাজের সাথে সম্পর্কিত থাকা ও রীতি মেনে চলা গুরুত্ব পেয়ে থাকে। কিন্তু প্রচুর সংখ্যক পুরুষ "উপরে" গিয়ে নিষ্পক্ষ নীতির স্তরে উন্নীত হয়। মোট কথা, কেহ্‌লবার্গের তত্ত্ব আমাদেরকে যা বুঝিয়েছে তা হলো, মোটের উপর মেয়েরা নৈতিকতার বিচারে কম বিকশিত।

এরপরই গিলিগানের প্রবেশ তার ভিন্ন উচ্চারণ নিয়ে। তিনি এই তত্ত্বের মীমাংসার বিরোধিতা করেন; এবং উপস্থিত হলেন নৈতিক বিকাশের আরেকটি ভিন্ন ও বিকল্প পথ নিয়ে। তিনি প্রশ্ন করেন, এই যে আত্মমুখীতা থেকে সার্বজনীনতার দিকে চিন্তাগত নীতিতাত্ত্বিক অগ্রগতি—এটিকে নৈতিক উন্নয়ন বিচারের পরম মানদণ্ড হিসেবে নিতে হবে কেন? পুরষ রূপ বা পুরুষ মনস্তত্ত্ব মানুষের আদর্শ রূপ বা পরম তত্ত্ব নয়। মানব সমাজের সকলেই পুরুষ নয় এবং পুরুষ মনস্তত্ত্ব থেকে জাত নৈতিকতার মানদণ্ড নারীর উপর আরোপযোগ্য নয়। তিনিও নারীদের জীবনের বেলায়ও তিনটি নৈতিকতা-স্তরের কথা বললেন: প্রথম স্তরে নারী নিজের প্রতি যত্নবান, দ্বিতীয় স্তরে উপনীত হয়ে সে অন্যদের প্রতি যত্নবান; এবং সর্বোচ্চ স্তরে সে নিজের ও অন্যদের প্রতি যত্নের ক্ষেত্রে একটি ভারসাম্য অর্জন করে।

গিলিগান দাবী করেন, নৈতিকতার প্রিকনভেনশনাল স্তরে নারী শিশু আঘাত প্রাপ্তির আশংকায় নিজের প্রতি যত্নবান থাকে; সে নৈতিকতা বলতে বুঝে নিজের প্রতি যত্নবান হওয়া। যখন সে নৈতিক বিকাশের দ্বিতীয় স্তরে উঠে—কনভেনশনাল স্তর—তখন সে পরিবার ও বন্ধুদের দ্বারা গৃহীত রীতি ও নিয়মগুলোকে গ্রহণ করে। নারীর জন্য এর অর্থ হচ্ছে, অন্যদের ভালর জন্য তাদের প্রতি মমতাপূর্ণ ও যত্নবান হওয়াকে সে দায়ীত্ব মনে করে, এমনকি তা করতে গিয়ে নিজের প্রয়োজনকে অবহেলাও করে। কনভেনশনাল স্তরে নারী নৈতিকতাকে দেখে দায়ীত্বশীলতা হিসেবে—যাদের সাথে সে সম্পর্কজালে আবদ্ধ হয়ে আছে তাদের সাথে সম্পর্ক রক্ষা করা যেন তার উপর নির্ভরশীলরা বিপন্ন বা ক্ষতিগ্রস্ত না হয়। এরপর যদি সে আরও উন্নত নৈতিকাবস্থার দিকে যেতে চায় তবে সে পোস্টকনভেনশনাল স্তরে উঠতে পারে। পোস্টকনভেনশনাল স্তরে সে তার আগের গ্রহণ করা নৈতিক মানদণ্ড ও সংস্কারগুলোকে খতিয়ে দেখে; তার বিচারের মুখোমুখী হয় সেই নীতিগুলো যা তাকে অন্যের যত্নের জন্য তার নিজের প্রয়োজনকে ত্যাগ করতে বলে। এখানে এসে সে নিজেকে দেখে অন্য সত্ত্বাদের সাথে সম্পর্কিত একটি আত্মসত্ত্বা হিসেবে, যেখানে অন্যদের প্রতি যত্নবান হওয়াটা নিজের প্রতি যত্নবান হওয়ার সাথে গভীরভাবে নির্ভরশীল। এই স্তরে সে নিজের প্রতি যত্ন ও অন্যদের প্রতি যত্নের মধ্যে এমন একটি ভারসাম্য তৈরি করে যা নিজ ও অপর উভয়ের জন্যই অপরিহার্য্য ও কল্যাণকর।

গিলিগানের মতে, নারী যেভাবে নৈতিকতাকে দেখে তা পুরুষের দেখা থেকে ভিন্ন। নৈতিক সিদ্ধান্ত নেবার সময় নারী সম্পর্ককে বেশী গুরুত্ব দেয়; তার কাছে নৈতিকতা হচ্ছে তার সাথে সম্পর্কিত জনদের প্রতি যত্নের বিষয়। অন্যদিকে, পুরুষ এটিকে দেখে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি মানুষদের উপর দৃষ্টিকে বেশি নিবদ্ধ করে; তার কাছে নৈতিকতা হচ্ছে নিয়মনীতি অনুসরণের বিষয়, যা সেসব ব্যক্তির উপর আরোপ করা যায়। নারীরা ব্যক্তিগত সম্পর্ককে বড় করে দেখে, পুরুষরা দেখে থাকে পক্ষপাতমুক্ত বিধি-নীতিকে। নারীরা উৎসাহী যত্ন ও ব্যক্তিগত সম্পর্ক রক্ষার দিকে, আর পুরুষের উৎসাহ ন্যায়, কর্তব্য, ব্যক্তির অধিকারের দিকে। তাহলে পুরুষের নীতি-দর্শন বড়, নাকি নারীর যত্ন-দর্শন? পুরুষের ন্যায়বিচার বড়, নাকি নারীর মমতা? পুরুষের ব্যক্তি-স্বাতন্ত্র্য বড়, নাকি নারীর সম্পর্ক? গিলিগান বলেন, ব্যাপারটা মোটেই পুরোপুরি 'হয় এদিক নয় ওদিক' এমন নয়। পুরুষের মধ্যেও যত্নচিন্তা রয়েছে, আবার নারীর মধ্যেও ন্যায়চিন্তা বিদ্যমান। গিলিগান সুপারিশ করেছেন, মানবজাতির জন্য সর্বোত্তম নৈতিকতা দর্শন হবে সেটিই যেটি এই দুটিকে সমন্বিত করবে। তিনি যত্ন- ও ন্যায়-নৈতিকতার মধ্যে একটি সঙ্গতি চান ও এজন্য কাজও করেছেন; কিন্তু তা সত্ত্বেও তিনি নারী ও সম্পর্কগত নৈতিকতার মধ্যকার সংম্পৃক্ততাকে কখনোই সম্পূর্ণভাবে পরিত্যাগ করেননি। তিনি দাবী করেছেন, নারীর নৈতিকতা পুরুষের নৈতিকতার সমান শক্তিমান, সমান মানের। তিনি বিশ্বাস করেন, মানবসমাজের জন্য সম্পর্ক ও যত্ন খুবই গুরুত্বপূর্ণভাবে প্রয়োজনীয় নৈতিক গুণ বা পূণ্য। আমাদের বর্তমান ব্যবস্থা মানুষকে ঠেলে দিচ্ছে বিচ্ছিন্নতা, অনৈতিক প্রতিযোগীতা, উগ্র ব্যক্তিস্বাতন্ত্র্য, দূরত্ব, ও অত্যুগ্র স্বাধীনতাবোধের দিকে। এতে আমাদের সমাজ ভেঙ্গে পড়ছে, সম্পর্কের আন্তর্জাল ছিন্নবিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ছে। আমাদের জীবনে এখন যত্ন-পুণ্য জরুরী প্রয়োজন, যেন সমাজ একটি বিচ্ছিন্ন ব্যক্তিদের সমাহারে পরিণত না হয়। এরূপ সমাহার হচ্ছে নিঃসঙ্গ, নিঃসম্পর্কিত, ভালবাসাশূন্য, অযত্নশীলদের সমাহার, যেখানে সবাই কেবল অধিকার আর ন্যায়বিচার নিয়েই ব্যস্ত থাকে, কিন্তু কেউই কারও যত্ন পায় না, না কারও যত্ন তারা করে।

অসমাপ্ত

নারীবাদী যত্ন নৈতিকতা—১ম অংশ
নারীবাদী যত্ন নৈতিকতা—২য় অংশ : নৈতিকতার নারী-পুরুষ!
নারীবাদী যত্ন নৈতিকতা—৩য় অংশ : ক্যারল গিলিগান: নারীর নৈতিকতা পুরুষের নৈতিকতার সমান
নারীবাদী যত্ন নৈতিকতা—৪র্থ অংশ : নেল নোডিংস: যত্নের রূপতত্ত্ব
নারীবাদী যত্ন নৈতিকতা—৫ম অংশ : নেল নোডিংস: অরিজিনাল কন্ডিশন
নারীবাদী যত্ন নৈতিকতা—৬ষ্ঠ অংশ : নেল নোডিংস: নৈতিক যত্ন শিক্ষা
নারীবাদী যত্ন নৈতিকতা—৭ম অংশ : নেল নোডিংস: যত্ন দিতে ও নিতে শেখা
তৌফিক ইমরোজ খালিদী
প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক