‘শিশুরা বলবে না বলা কথা’

>>বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
Published : 31 March 2013, 00:59 AM
Updated : 31 March 2013, 04:28 AM

[শিশুদের সংবাদ সেবার প্রথম ওয়েবসাইট Hello -এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে bdnews24.com প্রধান সম্পাদক তৌফিক ইমরোজ খালিদীর বক্তৃতা সংক্ষিপ্ত আকারে দেয়া হলো]  

বাংলা ভাষায় শিশুদের জন্য তৈরি করা জনপ্রিয় সাইট kidz.bdnews24.com চালুর প্রায় ছয় বছর পর পেশাদারি সাংবাদিকতায় তাদের অভিষেকলগ্ন আমাদের জন্য উৎসব। আমাদের এই উদ্যোগের সঙ্গী হিসেবে জাতিসংঘ শিশু তহবিল, ইউনিসেফকে পেয়ে আমরা আনন্দিত; আমি তাদের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবসের এই বেলায় যানজট পেরিয়ে অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়ে আমাদের কৃতজ্ঞতায় আবদ্ধ করেছেন আজকের অতিথিরা।

ধন্যবাদ জানাচ্ছি আমার সহকর্মীদের, যারা এই অস্থির রাজনৈতিক পরিস্থিতির ব্যস্ত, সমস্যাসঙ্কুল সময়ে সবধরনের বিপত্তির মধ্যেও দিনরাত পরিশ্রম করে সাইটটি যথাসময়ে উন্মোচনের জন্য প্রস্তুত করতে সক্ষম হয়েছেন।

bdnews24.com কেবল বাংলাদেশেই নয় বিশ্বে অনেক কিছুই প্রথম করেছে। পেশাদার ও দায়িত্বশীল সাংবাদিকতার প্রতি নিষ্ঠা এবং নীতির কারণে আমরা এসব ‘প্রথম’ উদযোগগুলোকে বাস্তবে রূপ দিতে পেরেছি। ২০০৭ এ শুরু হওয়া এরকমই একটি ‘প্রথম’ উদ্যোগ শিশুদের সাইট – kidz.bdnews24.com । আমরা এবার এমন একটি সংবাদ সেবা চালু করতে পেরে বিশেষভাবে গর্বিত যেটি চলবে শিশুদের জন্য এবং শিশুদের দ্বারা। আমি বিশ্বাস করি এ্‌ই কার্যক্রম ১০ থেকে ১৭ বছর বয়েসী সেইসব শিশুসাংবাদিকের মধ্য থেকে বিশ্বমানের সাংবাদিক গড়ে তুলবে যাদের আমাদের সহকর্মীরা বাংলাদেশ জুড়ে হাজারো আগ্রহীদের মধ্য থেকে অনেক পরিশ্রম করে খুঁজে নিয়েছেন।

শিশুকিশোরদের সংবাদসেবা সাইটের নাম কী হতে পারে এটি শুরু থেকেই আমাদের ভাবনার বিষয় ছিল। শেষ পর্যন্ত বেশ কিছু প্রস্তাব থেকে আমরা ‘হ্যালো’ নামটি বেছে নিই। এর পেছনে আমাদের বেশ কিছু যুক্তি ছিল। আমরা এমন একটি নাম খুঁজছিলাম যা সববয়সের শিশুরা বিনা আয়াসে উচ্চারণ করতে পারবে। পাশাপাশি সেই নাম দৈনন্দিন জীবনের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ হলে আরও ভালো। ‘হ্যালো’ শব্দটি দুটি দাবিই মিটিয়েছে। এর বাইরেও আমরা লক্ষ্য করলাম যে, নামটির আরও কিছু ব্যঞ্জনা রয়েছে। আমরা আমাদের শিশুদের পুরো বিশ্বসমাজের গর্বিত অংশীদার হিসেবে গড়ে তুলতে চাই। সেক্ষেত্রে ‘হ্যালো’ শব্দটি – যে যে অর্থেই হোক না কেন – কাছাকাছি উচ্চারণে উপস্থিত, পৃথিবীর বেশিরভাগ ভাষায়। ব্যুৎপত্তি যে ভাষাতেই হোক না কেন, ‘হ্যালো’ শব্দটি সেইসব ভাষারই নিজস্ব শব্দভাণ্ডারের স্বাভাবিক অংশ হয়ে গেছে।

আসা যাক শব্দার্থে। ‘হ্যালো’ প্রায়শই একটি conversation starter বা কথোপকথন সূচনাকারী শব্দ হিসেবে ব্যবহৃত। আমাদের শিশুকিশোররা, এই সাইটের মাধ্যমে তাদের বহুদিনের না-বলা কথাগুলো বলার সূচনাই তো করবে। আর এর জন্য ‘হ্যালো’র চেয়ে ভালো নাম আর কী হতে পারে।

একটি সচেতন গণমাধ্যমকে সমাজের বৃহত্তর স্বার্থ ও রাষ্ট্রের আইনের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে মান্য কিছু সর্বজনীন রীতিনীতির কথা মাথায় রেখে কাজ করতে হয়। আমরা যখন শিশুদের নিয়ে কাজ করতে উদ্যোগী হই তখন সমাজ, রাষ্ট্র ও বিশ্ব এই তিন প্রেক্ষাপটই আমাদের ভাবনায় ছিল। আমাদের সমাজ যদিও সাধারণত শিশুদের বিষয়ে সংবেদনশীল, এখানে শিশুদের সমস্যাগুলো পূর্ণ মর্যাদা দিয়ে শোনার আগ্রহের ঘাটতি রয়েছে। রাষ্ট্রের বিভিন্ন নীতিমালায় শিশুদের অধিকার স্বীকার করা হলেও, সেসবের বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট সংস্থা বা প্রতিষ্ঠানগুলোর আরও অনেকটা পথ পাড়ি দিতে হবে। আন্তর্জাতিক শিশু অধিকার সনদের বাস্তবায়নে বাংলাদেশ অঙ্গীকারাবদ্ধ। স্বাধীন গণমাধ্যম হিসেবে bdnews24.com মনে করে, এই পরিস্থিতিতে করার মতো প্রচুর কাজ তার হাতে রয়েছে। যদিও সেসব কাজ একটি পেশাদার প্রতিষ্ঠানের জন্য সবসময় বাণিজ্যিক চিন্তা মাথায় রেখে করা সম্ভব হয় না। শুধুই দায়িত্ববোধ থেকে জড়িয়ে যাওয়া এমন একটি উদ্যোগ ইউনিসেফের মতো প্রতিষ্ঠান আমাদের সঙ্গে সংহতি প্রকাশ করেছে সেটি অত্যন্ত আনন্দের বিষয়।

শিশু সাংবাদিকতা কার্যক্রমের নীতিমালা তৈরি করতে গিয়ে আমরা শিশু অধিকার সনদ সামনে রেখেছি। শিশু অধিকার সনদ (সিআরসি) শিশুদের সাংবাদিকতার মৌলিক উদ্দেশ্য ও কাজের ধারার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। তবে প্রাপ্তবয়স্কের দৃষ্টিতে সমাজ ও রাষ্ট্রের যে বিষয়গুলো সংবাদগ্রাহ্য, শিশুদের  ক্ষেত্রেও তা খুব বেশি আলাদা নয়। তাই শিশু অধিকার সনদের বাইরেও অনেক সংবাদের প্রতি শিশুদের আগ্রহী করে তোলার চেষ্টা থাকবে। তাছাড়া, একটি শিশুকে মূলধারার ব্যাকরণসম্মত সাংবাদিকতায় গড়ে তোলার অর্থ তাকে নিজের অধিকার সম্পর্কে আরও সজাগ করে তোলা। সেই সঙ্গে, কোনো পেশায় মৌলিক দক্ষতা অর্জন তাদের ভবিষ্যৎ পেশাজীবনে মূল্যবান অবদান রাখবে। শিশুর ক্ষমতায়নে, তাদের অধিকার রক্ষায় সাংবাদিকতায় তাদের দক্ষতা নিঃসন্দেহে আরও সবল ও সোচ্চার একটি গণতন্ত্রমনা প্রজন্ম তৈরিতে ভূমিকা রাখবে বলে আমাদের প্রত্যাশা।

Ladies and gentlemen,

As much as this venture exposes us to a lot of potential, it also poses multiple challenges.
The new media, as you all know, is now breeding a new generation of citizen reporters. The traditional media is operated from huge platforms; news is provided by TV, radio and newspaper usually with a high urban-centric editorial viewpoint and is not very interactive. The new media and the onliners are thriving with unpaid citizen journalists with a more grassroots clout. I believe the young journalists that we are trying to train and groom will do much better because of being the DIGITAL NATIVES than us the DIGITAL IMMIGRANTS.

Our challenge at this point is to connect their dots with the professionalism that ensures balance and credibility. More voices, including these young ones, will gradually join the news conversation, and we also need to realise that old orders will be gradually crumbling everywhere. With breaking news on your phones and desktops, laptops or iPads, the platform where we work from – bdnews24.com

is a bridge between online and traditional media.

People now subscribe, for example, to feeds from micro-blogging site Twitter. It helps you get updates on your chosen topic, all for free and in a fraction of a second and from anywhere in the world – from Allahabad to Abbottabad, from Tokyo to Toledo.

We hope to create the right climate for these youngsters to take the plunge into this brave new world.

We need to remember that we all are living in a WikiLeakable Glass House. While we the professional journalists try to take an aim at it, I presume these young journalists will not be far behind.

Smart phones are getting smarter almost every month. Tablets, iPads have their own ways of presenting content. So our Hello will have its mobile version. News filed by these 10- to 17-year-olds will reach you wherever you are. 

The changing taste of news consumers will, I am sure, create a new breed of competent professionals that we so profoundly lack in this country.

I will paraphrase Charles Dickens to conclude this:

It is indeed the best of times and the worst of times ... It is indeed the age of Light and the age of Darkness. We have too many choices in terms of media platforms. Some are dangerously slow, yet credible; some are outrageously prompt, yet reckless. Good media can filter questionable content with the fastest speed and then spread it around. If the digital platforms like ours need to wait a few more minutes to provide the accurate information to our readers, so be it. Credibility cannot be downsized, even for the sake of the tempting new, digital media embodying SPEED.

This speed has to be responsible, rational and right.

Thank you.

তৌফিক ইমরোজ খালিদী
প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক