তথ্য না দিলে শাস্তি: বিটিআরসি

তথ্য দিতে একটি ব্লগের অপারগতা প্রকাশের দুই দিনের মাথায় নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিটিআরসি জানিয়েছে, আইন অনুযায়ী তথ্য না পেলে জরিমানা ও শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেয়ার এখতিয়ার তাদের রয়েছে।

নিজস্ব প্রতিবেদকবিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
Published : 24 March 2013, 09:06 AM
Updated : 24 March 2013, 09:09 AM

রোববার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বাংলাদেশ টেলিযোগোযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন এ কথা জানায়।

গত বৃহস্পতিবার ছয় ব্লগারের তথ্য চেয়ে আমারব্লগ ডটকমকে চিঠি দেয় বিটিআরসি। অবশ্য ওই ব্লগ কর্তৃপক্ষ তথ্য দিতে অপারগতা প্রকাশের পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট ব্লগারদের আইনি সহায়তা দেয়া হবে বলে জানিয়ে দেয়।

বিটিআরসির সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ আইন অনুযায়ী তথ্য প্রযুক্তির যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করতে টেলিযোগাযোগ লাইসেন্সধারী, ইন্টারনটে ব্যবহারকারী কোন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান থেকে প্রয়োজনীয় তথ্য পাওয়ার এখতিয়ার তাদের রয়েছে।’

তারা জানিয়েছে, ইন্টারনেটের মাধ্যমে অপপ্রচার বাংলাদেশ দণ্ডবিধি ২৯৫/২৯৫(ক)/২৯৮ ধারা ও আইসিটি অ্যাক্ট ২০০৬ এর ৫৭ ধারার পরিপন্থী ও শাস্তিযোগ্য অপরাধ।

আইন অমান্যকারীর আর্থিক জরিমানা ও শাস্তির বিধান রয়েছে বলেও জানিয়েছে বিটিআরসি।

বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহার করে ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাতের অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে এরই মধ্যে একটি কমিটি গঠিত হয়েছে। এই কমিটি সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার সুপারিশ করবে।

এর আগে গত ২০ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ধর্মীয় বিদ্বেষ ছড়ানোর অভিযোগে ১২টি ব্লগ ও ফেইসবুক পেইজ বন্ধ করে দেয় বিটিআরসির সাইবার ক্রাইম প্রতিরোধে বিশেষ টিম (বিডি-সিএসআইআরটি)।

বন্ধ করে দেয়া ব্লগের মধ্যে রয়েছে সোনার বাংলা ব্লগ, শাহবাগের আন্দোলনকারীরা যাকে জামায়াত-শিবির পরিচালিত বলে অভিযোগ তুলেছিলেন।

গত বছরের ২৫ জানুয়ারি সাইবার ক্রাইম প্রতিরোধে একটি বিশেষ টিম গঠন করে বিটিআরসি। বাংলাদেশ কম্পিউটার সিকিউরিটি ইনসিডেন্ট রেসপন্স টিম (বিডি-সিএসআইআরটি) নামে এই টিম সে সময় থেকে সাইবার ক্রাইম সনাক্তে কাজ শুরু করে।

একই বছরের ২২ এপ্রিল থেকে contact@csirt.gov.bd ঠিকানায় সাইবার ক্রাইম প্রতিরোধে অভিযোগ ও পরামর্শ নেয়া শুরু হয়। অভিযোগ পাওয়া মাত্র তদন্ত করে গুরুত্ব বুঝে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেয় বিটিআরসি।

বাংলাদেশে ২০১০ সালের ২৯ মে প্রথমবারের মতো ফেইসবুক ব্লক করেছিল সরকার। তবে কয়েকদিন পর তা খুলে দেয়া হয়।

তৌফিক ইমরোজ খালিদী
প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক