হুমায়ুন আজাদ হত্যা চেষ্টা মামলায় সাঈদীর রিমান্ড

হুমায়ুন আজাদ হত্যা চেষ্টা মামলায় জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আবারো দুই দিনের পুলিশ হেফাজতে নেওয়ার আদেশ হয়েছে।

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
Published : 1 August 2010, 09:10 AM
Updated : 1 August 2010, 09:10 AM
ঢাকা, আগস্ট ০১ (বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম)- হুমায়ুন আজাদ হত্যা চেষ্টা মামলায় জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আবারো দুই দিনের পুলিশ হেফাজতে নেওয়ার আদেশ হয়েছে।
রোববার ঢাকার মহানগর হাকিম এসকে তোফায়েল হাসান এ আদেশ দেন।
২০০৪ সালে রমনা থানায় অজ্ঞাত পরিচয় আসামিদের বিরুদ্ধে মামলাটি করেন হুমায়ুন আজাদের ভাই মঞ্জুর কবির।
তিন দফায় ছয়দিন জিজ্ঞাসাবাদ (রিমান্ড) শেষ হলে তদন্ত কর্মকর্তা পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) পরিদর্শক মো. মোস্তাফিজুর রহমান আরো পাঁচদিন জিজ্ঞাসাবাদে নেওয়ার আবেদন জানান।
এ সময় সাঈদীর পক্ষে রিমান্ড বাতিল চেয়ে জামিন আবেদন করা হলে শুনানি শেষে বিচারক তা নাকচ করেন।
রিমান্ড আবেদনে বলা হয়, এর আগে রিমান্ডে দেলাওয়ার হোসেন সাইদীর কাছ থেকে হুমায়ুন আজাদ হত্যা চেষ্টার অনেক তথ্য পাওয়া গেছে। ঘটনা আরো পরিষ্কার হওয়ার জন্য তাকে জেএমবি প্রধান সাইদুর রহমান এবং জেএমবির সাংগঠনিক প্রধান ভাগ্নে শহীদের মুখোমুখি করা দরকার। তাই তাকে আরো পাঁচদিন রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদ করা জরুরি।
আরো বলা হয়, ২০০৩ সালের ২০ নভেম্বর দৈনিক ইত্তেফাকের ঈদ সংখ্যায় ড. হুমায়ুন আজাদের লেখা উপন্যাস 'পাক সার জমিন সাদ বাদ' প্রকাশিত হয়। এরপর থেকেই সাঈদী তার বিভিন্ন ওয়াজ মাহফিল, জাতীয় সংসদ ও অন্যান্য জায়গায় হুমায়ুন আজাদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন উসকানিমূলক বক্তব্য দেন। তাকে কটাক্ষ করে দেশে ব্লাসফেমি আইন করার মতামত দেন।
২০০৪ সালের ২৭ ফেব্র"য়ারি রাতে বাংলা একাডেমীর বইমেলা থেকে বাসায় ফেরার পথে একাডেমীর উল্টো দিকের রাস্তায় হুমায়ুন আজাদকে হত্যার উদ্দেশ্যে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে মারাত্মক জখম করে দুর্বৃত্তরা।
চিকিৎসাধীন অবস্থায় হুমায়ুন আজাদ সাংবাদিকদের কাছে এ আক্রমণের পিছনে মৌলবাদি জঙ্গি সংগঠন এবং দেলওয়ার হোসাইন সাঈদীর জড়িত থাকার কথা বলেন।
হুমায়ুন আজাদ ২০০৪ সালের ১১ আগস্ট জার্মানির মিউনিখে মারা যান।
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম/পিবি/ডিডি/২১০৩ ঘ.
তৌফিক ইমরোজ খালিদী
প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক