হিলালী কোথায়, খুঁজে দিন- আকুতি পরিবারের

নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসের জমি কেনার নামে কোটি কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে দুদকের করা মামলার আসামি আমিন মো. হিলালীকে খুঁজে পেতে সরকারের প্রতি চেয়ে আছে তার পরিবার।

নিজস্ব প্রতিবেদকবিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
Published : 3 July 2022, 02:23 PM
Updated : 3 July 2022, 02:27 PM

রোববার এক সংবাদ সম্মেলনে হিলালীর ছোট ভাই রফিকুল ইসলাম হিলালী বলেন, “পুরো ঘটনার তদন্ত করা হোক। আমার ভাই দোষী হয়ে থাকলে আইন অনুযায়ী যা হবার তাই হবে, কিন্তু ভাইয়ের অবস্থান জানতে চাই।”

আমিন মো. হিলালী

আশালয় হাউজিং অ্যান্ড ডেভেলপার্স লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক হিলালী (৫৬) শুক্রবার থেকে নিখোঁজ, তার মোবাইল ফোনও বন্ধ।

হিলালীর খোঁজ না পেয়ে তার পরিবার উত্তরা পশ্চিম থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছে। তার ভাই বলছেন, দুদকের করা ওই মামলায় জামিন নেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন হিলালী। এসময়ই নিখোঁজ হন।

হিলালীকে দুদক গ্রেপ্তার করেনি। জিডি হওয়ার পর তার খোঁজ পেতে পুলিশ চেষ্টা চালাচ্ছে বলে জানিয়েছেন ডিএমপির উত্তরা বিভাগের উপ কমিশনার মোহাম্মদ মোর্শেদ আলম।

রোববারের সংবাদ সম্মেলনে রফিকুল বলেন, তিনি কোথায় আছেন, তারা কোনো খোঁজ পাচ্ছেন না।

“আমরা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে অনুরোধ করছি আমিন মো. হিলালীকে খুঁজে বের করার জন্য।”

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, তার ভাই যদি স্বেচ্ছায় দেশের বাইরেও চলে যায়, তাও আইন শৃঙ্খলা বাহিনী খুঁজে বের করুক।

হিলালীর দুই সন্তানই দেশের বাইরে থাকেন। তার স্ত্রী অসুস্থ বলে জানান রফিকুল।

“শুধু নয়, আমার ভাইও অসুস্থ। মানুষটা কোথায় গেল আমরা কেউ জানতে পারছি না।”

রফিকুল বলেন, তার ভাইয়ের কোনো শত্রু থাকার কথা তাদের জানা নেই।

তিনি দাবি করেন, আশালয় হাউজিং অ্যান্ড ডেভেলপার্স লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসাবে তার ভাই নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়কে জমির দলিল করে দিয়েছেন শুধু। এর বাইরে আর কিছুতে তার কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই।

“তার বিরুদ্ধে যে অভিযোগ আনা হয়েছে সেখানে নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য ৫ হাজার কাঠা জমি কেনার জন্য ৫০০ কোটি টাকা তারা দিয়েছে, তার মধ্যে আবার ৩০৪ কোটি টাকা তাদেরই ঘুষ দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। এরমধ্যে ৭৩ কোটি সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়া হয়েছে। সে হিসাবে পূর্বাচলের কাছে জমির দাম ২ লাখ টাকা কাঠা পড়ে, যা অবিশ্বাস্য।”

“উনার বিরুদ্ধে যদি কোনো অভিযোগ থেকে থাকে, তাহলে তা জনসম্মুখে বলা হোক,” বলেন রফিকুল।

তৌফিক ইমরোজ খালিদী
প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক