আইভী থাকবেন, নাকি তৈমুর আসবেন? জনরায়ের অপেক্ষা

প্রায় সোয়া পাঁচ লাখ ভোটারের নারায়ণগঞ্জের দিকে এখন চোখ বাংলাদেশের ১৭ কোটি মানুষের।

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদকমঈনুল হক চৌধুরীবিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
Published : 15 Jan 2022, 06:49 PM
Updated : 15 Jan 2022, 06:53 PM

সেলিনা হায়াৎ আইভী টানা তৃতীয়বার মেয়র পদে থেকে যাবেন, না কি সেই চেয়ারে তৈমুর আলম খন্দকার বসবেন, রোববার ভোটের মাধ্যমে সেই রায় দেবে নারায়ণগঞ্জ নগরবাসী।

তবে তাদের লড়াই ছাপিয়ে যে এই নির্বাচন জাতীয়ভাবেও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে, সে কথা বললেন নির্বাচন পর্যবেক্ষক সংস্থা জানিপপ’র চেয়ারম্যান নাজমুল আহসান কলিমুল্লাহ।

তার ভাষায়, এ সিটি নির্বাচনে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোও নজর রাখছে।

পাঁচ বছর ধরে সমালোচনাবিদ্ধ কে এম নূরুল হুদা নেতৃত্বাধীন নির্বাচন কমিশনের জন্য এই নির্বাচন শেষটা ‘ভালো’ করার চ্যালেঞ্জ, আবার জাতীয় নির্বাচনের আগের বছর রাজধানীর পাশের নগরীর নির্বাচন, দুই মিলিয়ে সবার কাছে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে এই ভোট।

মেয়র এবং সাধারণ ও সংরক্ষিত আসনের কাউন্সিলর মিলিয়ে ১৮৯ জন প্রার্থী হলেও প্রচারের আলোয় আছেন চিকিৎসক আইভী ও আইনজীবী তৈমুর।

দলীয় প্রতীকে অনুষ্ঠিত এই নির্বাচনে আইভী ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের প্রতীক নৌকা নিয়ে লড়ছেন। আর এই সরকারের অধীনে নির্বাচনে না যাওয়ার ঘোষণা দেওয়া বিএনপির নেতা তৈমুর দলের পদ ছেড়ে হাতি প্রতীক নিয়ে হয়েছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী।

নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের নির্বাচন ঘিরে বন্দর নগরীর পুরো এলাকা পোস্টারে পোস্টারে ছেয়ে গেছে। ছবি: মাহমুদ জামান অভি

মহামারীর মধ্যে প্রার্থীদের তুমুল প্রচারে উৎসবের নগরী হয়ে উঠেছিল এই শিল্প নগরী, যদিও করোনাভাইরাস সংক্রমণ বেড়ে গেলেও স্বাস্থ্যবিধি উপেক্ষিতই দেখা গেছে।

তবে রোববার যখন ১৯২টি কেন্দ্রে ৫ লাখ ১৭ হাজার ভোটার যাবেন, তখন তাদের স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলারই তাগিদ দিয়েছে জেলা প্রশাসন।

পাল্টাপাল্টি অভিযোগের মধ্যে প্রচার চললেও গোলযোগ-সহিংসতা ঘটেনি। আর ভোট শান্তিপূর্ণ রাখতে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী মোতায়েনসহ সব প্রস্তুতি নেওয়ার কথা বলেছেন রিটার্নিং কর্মকর্তা মাহফুজা আক্তার।

সব মিলিয়ে ভোটাররাও যে এখন ভোট দিতে মুখিয়ে আছেন, তা স্পষ্ট মিশনপাড়া এলাকার গৃহিণী জোসনা বেগমের কথায়।

“লোকজন বাড়ি আইসা কইয়া গ্যাছে, ‘খালাম্মা আপনারে ভুট দিতে যাইতই হইব, কেউ কিচ্ছু কইলে আমরা আছি’। আমি কইছি, তোমার আঙ্কেল অসুস্থ, তাও যামু।”

তবে নিজের ভোটটি নিজে যেন দিতে পারেন, সেই নিশ্চয়তা চাইছেন অনেক ভোটার। তাদের একজন ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী হাতেম আলী বলেন, “আমাগো খালি নিজের ভোটটা দিবার দিয়েন।”

নারায়ণগঞ্জে এবারের সিটি নির্বাচনের পুরোটাই হবে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন- ইভিএমে। মহামারীর মধ্যে ইভিএমে ভোটের খরা ছিল ঢাকা-১০ আসনের উপনির্বাচনে।

তবে এবার নারায়ণগঞ্জে উৎসবমুখর প্রচারের পর ভোটেও ভোটারের সাড়া আশা করছে ইসি। আইভী আশা করছেন, গত দুই যুগে উন্নয়নের জন্য তাকেই ভোট দেবে নারায়ণগঞ্জবাসী। অন্যদিকে তৈমুরের আশা, নগর কর্তৃপক্ষের বর্তমান নেতৃত্বের ক্ষোভ থেকে মানুষ তাকেই ভোট দেবে।

নারায়ণগঞ্জ সিটি নির্বাচনে দলীয় নেতাদের সঙ্গে নিয়ে শুক্রবার নৌকা প্রতীক হাতে প্রচারে সেলিনা হায়াৎ আইভী। ছবি: মাহমুদ জামান অভি

পৌরসভা থেকে সিটি: আইভীরই হাতেই

নারায়ণগঞ্জ পৌরসভার প্রথম মেয়র আলী আহমেদ চুনকার মেয়ে আইভী বিদেশ থেকে এসে চিকিৎসা পেশা ছেড়ে ২০০২ সালে নারায়ণগঞ্জ পৌরসভার চেয়ারম্যান (তখন পদটির নাম এটাই ছিল) নির্বাচিত হন।

২০১১ সালে নারায়ণগঞ্জ পৌরসভা, কদম রসুল পৌরসভা ও সিদ্ধিরগঞ্জ পৌরসভাকে নিয়ে গঠিত হয় নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন। এরপর প্রথম নির্বাচনে আইভী নিজ দলের নেতা ও বর্তমানে সংসদ সদস্য এ কে এম শামীম ওসমানকে বিপুল ভোটে হারিয়ে প্রথম মেয়র হন। সেবার বিএনপি নেতা তৈমুর প্রার্থী হলেও দলের সিদ্ধান্ত মেনে ভোটের আগের দিন নির্বাচন বর্জনের ঘোষণা দেন।  

স্থানীয় সরকার আইন সংশোধনের পর ২০১৬ সালে অনুষ্ঠিত নির্বাচনে আইভী নৌকা প্রতীক নিয়ে জেতেন। সেবার তার কাছে হারেন বিএনপির ধানের শীষের প্রার্থী সাখাওয়াত হোসেন।

নারায়ণগঞ্জ সিটি নির্বাচনে এবারও আলোচনায় আসে শামীম ওসমানের নাম, যার সঙ্গে আইভীর বিরোধ দীর্ঘদিনের।

ভোটের প্রচারে শামীমের সমালোচনা করেছিলেন আইভী। আবার শামীম নৌকার পক্ষে প্রচারে নামার ঘোষণা দিলে তা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছিলেন তিনি।

শামীমের সঙ্গে তৈমুরের যোগসাজশের অভিযোগও তুলেছে আইভী শিবির। তবে তৈমুর সেই অভিযোগ অস্বীকার করে বলেছেন, “শামীম ওসমানের পাও দিয়া হাঁটার কোনো প্রয়োজন আমার নাই। এটা একটা অপপ্রচার।”

নারায়ণগঞ্জ সিটি নির্বাচনে ভোটগ্রহণের আগের দিন শনিবার সন্ধ্যায় শহরের মাসদাইরে নিজের বাসায় সংবাদ সম্মেলনে নানা অভিযোগ করেন মেয়র প্রার্থী তৈমুর আলম খন্দকার। ছবি: আসিফ মাহমুদ অভি

ভোটারদের কেন্দ্রে চান আইভী, তৈমুরের সন্দেহে প্রশাসন

সুষ্ঠু ভোট হলে জয়ী হবেন বলে আশাবাদী আইভী, তৈমুর দুজনই।

ভোটের আগের দিন শনিবার শহরের দেওভোগে নিজ বাসায় কাটিয়েছেন আইভী। গণমাধ্যমের সামনেও আসেননি।

তবে প্রচারের শেষ দিন শুক্রবার সংবাদ সম্মেলনে আইভী বলেন, “আমি প্রশাসনের কাছে বরাবরই বলে আসছি যে, ভোটের দিন যাতে উৎসবমুখর থাকে।

“আমার নারী ভোটাররা যেন আসতে পারে। আমার ইয়াং ভোটাররা যেন আসতে পারে। কারণ আমি জানি এই ভোটগুলো আমার। আমি নির্বাচনে জিতবই ইনশাল্লাহ।”

আগের দুই বার বড় ব্যবধানে জয়ী আইভী এবারও তেমন ফলই আশা করছেন।

গোলযোগ যেন কেউ বাঁধাতে না পারে, সে দিকে প্রশাসনকে নজর রাখতে বলেছেন ক্ষমতাসীন দলের প্রার্থী আইভী,

“আমার বিজয় সুনিশ্চিত জেনে কেউ যদি সহিংতা করে, তাহলে আমার মনে হয় সেটা ঠিক হবে না। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে অনুরোধ করব, এই ব্যাপারে যেন সজাগ থাকে তারা।”

ওদিকে নানা অভিযোগ নিয়ে বারবারই সংবাদ সম্মেলন করছেন তৈমুর। শনিবারও দুই বার সাংবাদিকদের সামনে আসেন তিনি।

ভোটের আগমুহূর্তেও বিএনপির নেতা-কর্মীদের গ্রেপ্তার ও হয়রানি করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করে সুষ্ঠু ভোটের স্বার্থে তা বন্ধ করতে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ চেয়েছেন তিনি।

শনিবার শহরের মাসদাইর নিজের বাসায় সংবাদ সম্মেলনে তৈমুর বলেন, “আমি ভোটকেন্দ্র ঝুকিপূর্ণ মনে করছি না, পুলিশের আচরণকে ঝুঁকিপূর্ণ মনে করছি। প্রশাসনের আচরণকে ঝুঁকিপূর্ণ ও নির্বাচন কমিশনের আচরণকে ঝুঁকিপূর্ণ বলে মনে করছি।”

“নির্বাচনের মাঠে যাই হোক না কেন, মাঠে থাকব, গ্রেপ্তার হলে হব। মরে গেলেও নির্বাচন চালিয়ে যাব,” বলেন তিনি।

ভোটকেন্দ্রে সিসি ক্যামেরা স্থাপনের দাবিও জানান তিনি।

সিটি নির্বাচন সামনে রেখে নারায়ণগঞ্জ খানপুর সরকারি বালক ও বালিকা বিদ্যালয়ে শুক্রবার ইভিএমে ভোটের মহড়ায় অংশ নিচ্ছেন একজন ভোটার। ছবি: মাহমুদ জামান অভি

রিটার্নিং অফিসারের আশ্বাস, তবে সিসি ক্যামেরা বন্ধ

নারায়ণগঞ্জে শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর ভোটের আশ্বাস দিয়েছেন এই নির্বাচনের রিটার্নিং কর্মকর্তা মাহফুজা আক্তার।

শনিবার শহরের মর্গ্যান গার্লস স্কুল ও কলেজ থেকে ইভিএমসহ ভোটের সরঞ্জাম বণ্টনের সময় রিটার্নিং কর্মকর্তা মাহফুজা আক্তার সাংবাদিকদের বলেন, “সুষ্ঠ নির্বাচনের স্বার্থে সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে।আমাদের প্রস্তুতি ভালো, পরিবেশও সন্তোষজনক আছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তো নিয়োজিত আছেই।”

তৈমুর ক্যামেরা রাখার দাবি করলেও ভোটকেন্দ্রে সিসি ক্যামেরা বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত জানান তিনি।

এর পক্ষে যুক্তি দেখিয়ে রিটার্নিং কর্মকর্তা বলেন, “কেন্দ্রে যদি সিসি ক্যামেরা কাজ করে, তাহলে তো কেন্দ্রের ভেতরে বুথের গোপনীয়তা রক্ষা হল না। কাজেই কেন্দ্রে সিসি ক্যামেরা বন্ধ থাকবে।”

মাহফুজা জানান, ভোটের সুষ্ঠু পরিবেশ রক্ষায় স্ট্রাইকিং ফোর্স, মোবাইল ফোর্স, টহল বাহিনী, সবাই থাকবে। র‌্যাব, বিজিবি, পুলিশ, আনসার নিয়োজিত রয়েছে।

ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনে নিয়ে যদি কোনোরকম ত্রুটি দেখা দেয়, সেজন্য পুরো সিটি করপোরেশনের ৪৮ জনের কারিগরি দল প্রস্তুত থাকবে বলে জানান তিনি।

জেলা প্রশাসন ও পুলিশের আশ্বাস

নারায়ণগঞ্জের জেলা প্রশাসক মোস্তাইন বিল্লাহ আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্থিতিশীল রাখার পাশাপাশি স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার ওপর জোর দেন।

এক মতবিনিময় সভায় তিনি বলেন, “সবাই নির্বিঘ্নে ভোটকেন্দ্রে এসে ভোট দিতে পারবেন। করোনা প্রটোকল মেনে ভোট দিতে হবে। ভোটকেন্দ্রে সুরক্ষাসামগ্রী থাকবে। আমরা সে ব্যাপারে সচেতন আছি।”

আচরণবিধি প্রতিপালনে প্রশাসনের তৎপরতার হালনাগাদ তথ্য তুলে ধরে তিনি বলেন, এখন পর্যন্ত ২০০ মামলা করা হয়েছে। একজনকে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে এবং লক্ষাধিক টাকা জরিমানা করা হয়েছে নির্বাচনের আচরণবিধি লঙ্ঘনের জন্য।

নারায়ণগঞ্জ সিটি নির্বাচনের দিন ভোটকেন্দ্রে প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা করলে কঠের ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন জেলার পুলিশ সুপার জায়েদুল আলম।

ভোটের দিন বহিরাগত কাউকে সিটি কর্পোরেশন এলাকায় প্রবেশ করতে দেওয়া হবে না জানিয়ে তিনি বলেন, “কাউকে ভোট কেন্দ্র দখল, ভোট কেন্দ্রে প্রভাব বিস্তার করতে দেওয়া হবে না।”

এ নির্বাচনে ঝুঁকি বিবেচনায় ১৯২টি ভোট কেন্দ্রের মধ্যে ৩০টি কেন্দ্রকে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে জানিয়ে এসব কেন্দ্রে নিরাপত্তা সদস্য বাড়ানো হতে পারে বলে জানান তিনি।

জাতীয় পর্যায়ে কী প্রভাব?

জাতীয় নির্বাচন পর্যবেক্ষণ পরিষদের (জানিপপ) চেয়ারম্যান নাজমুল আহসান কলিমুল্লাহ বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “ঢাকার লাগোয়া এ সিটি নির্বাচনকে ঘিরে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলো নজর রাখছে।

“কারণ, দুই বছরের মধ্যে দ্বাদশ সংসদ নির্বাচন হবে। একটি নির্বাচন কমিশনের বিদায়ের সময়ের ভোট এটি, নতুন একটি কমিশনও গঠিত হতে যাচ্ছে। এমন পরিস্থিতিতে নারায়ণগঞ্জের ভোটের সাফল্য-ব্যর্থতার প্রভাব সবখানে থাকবে।”

তিনি জানান, বর্তমান ইসির সময়ে নির্বাচন ব্যবস্থা নিয়ে নানা ধরনের সমালোচনার মধ্যে বিদায় বেলা সুষ্ঠু ভোট উপহার দিতে পারলে তা কমিশনের জন্যও সুখকর হবে।

নির্বাচন কমিশনার রফিকুল ইসলাম বলেন, নিজেদের মেয়াদে সব কটি নির্বাচনই সমান গুরুত্ব দিয়ে করেছেন তারা। বিদায়ের আগে বড় নির্বাচন হিসেবে নয়, সুষ্ঠু ও ভালো নির্বাচনের জন্যই নারায়ণগঞ্জে সব ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হয়েছে।

তবে ভোটকেন্দ্রে অনিয়ম, দখল, একজনের ভোট আরেকজন দেওয়াসহ নানা ধরনের অভিযোগ এলেও তা প্রতিরোধে সংশ্লিষ্ট প্রিজাইডিং কর্মকর্তা, আইনশৃঙ্খলাবাহিনীর সদস্য এবং প্রার্থী ও ভোটারের ইতিবাচক ভূমিকা থাকতে হবে বলে মনে করেন তিনি।

“নিজের প্রার্থী বা দল জিতলে নির্বাচন ভালো এবং ব্যক্তিস্বার্থ রক্ষার মরিয়া- এ ধরনের প্রবণতা দুর করতে হবে,” বলেন তিনি।

ইসি সচিবালয়ের অতিরিক্ত সচিব অশোক কুমার দেবনাথ বলেন, “আমরা বেশ গুরুত্ব দিচ্ছি। ভোটের সুষ্ঠু ও উৎসবমুখর পরিবেশ থাকবে আশা করি। নতুন বছরে সুন্দর নির্বাচন হবে। ইভিএমে ভোটার উপস্থিতিও ভালো হবে আমাদের প্রত্যাশা।”

তৌফিক ইমরোজ খালিদী
প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক