‘লকডাউন’ কিংবা মে দিবস, তাতে কী?

ভাইরাস ঠেকাতে দেশে চলছে ‘সর্বাত্মক লকডাউন’, তার মধ্যেই এসেছে শ্রমজীবী মানুষের অধিকার আদায়ের দিন- মে দিবস। পেটের দায়ে মে দিবসেও কাজের সন্ধানে বের হতে হয়েছে নিরুপায় মানুষকে।
  • ঢাকার মিরপুর-১ নম্বর মোড়ে দিনমজুরেরা ভিড় করেন কাজের আশায়। এ কারণে এর নাম হয়েছে শ্রমিকের বাজার। করোনাভাইরাস ঠেকাতে ‘লকডাউনের’ মধ্যে সব বন্ধ, তারপরও শনিবার মে দিবসে সেই বাজারে কাজের আশায় বসেছিলেন অনেক শ্রমিক।

    ঢাকার মিরপুর-১ নম্বর মোড়ে দিনমজুরেরা ভিড় করেন কাজের আশায়। এ কারণে এর নাম হয়েছে শ্রমিকের বাজার। করোনাভাইরাস ঠেকাতে ‘লকডাউনের’ মধ্যে সব বন্ধ, তারপরও শনিবার মে দিবসে সেই বাজারে কাজের আশায় বসেছিলেন অনেক শ্রমিক।

  • মাটিকাটা, ইট-বালু বহনের কাজ করেন তারা। ‘লকডাউন’ ঘোষণার পর থেকে কাজ নেই। প্রতিদিন সকালে কাজের আশায় আসেন, বসে থেকে কাজ না পেয়ে আবার বাড়ি ফিরে যান। ঘরে অনেকের খাবার নেই, পকেটে নেই টাকাও। তাদের একজন বললেন, গাড়ি চললে অন্য জায়গায় গিয়ে কাজ খোঁজা যেত, এখন ‘লকডাউনে’ সেটাও সম্ভব না।

    মাটিকাটা, ইট-বালু বহনের কাজ করেন তারা। ‘লকডাউন’ ঘোষণার পর থেকে কাজ নেই। প্রতিদিন সকালে কাজের আশায় আসেন, বসে থেকে কাজ না পেয়ে আবার বাড়ি ফিরে যান। ঘরে অনেকের খাবার নেই, পকেটে নেই টাকাও। তাদের একজন বললেন, গাড়ি চললে অন্য জায়গায় গিয়ে কাজ খোঁজা যেত, এখন ‘লকডাউনে’ সেটাও সম্ভব না।

  • শনিবার মে দিবসের সকালেও কাজের সন্ধানে মিরপুর-১ নম্বরে এসেছিলেন রাজমিস্ত্রি রবিউল ইসলাম। প্রশ্ন করতেই বললেন, “পেট তো আর লকডাউন মানে না, দিবসও মানে না। কাজ না করলে আমরা খাব কী?”

    শনিবার মে দিবসের সকালেও কাজের সন্ধানে মিরপুর-১ নম্বরে এসেছিলেন রাজমিস্ত্রি রবিউল ইসলাম। প্রশ্ন করতেই বললেন, “পেট তো আর লকডাউন মানে না, দিবসও মানে না। কাজ না করলে আমরা খাব কী?”

  • মে দিবসের সকালে মিরপুর-১ নম্বরে কাজের অপেক্ষায় ইয়াসমিন বেগম। স্বামী মারা যাওয়ার পর টাইলস ও রঙ মিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করেন। তিন মেয়ে নিয়ে মিরপুর গুদারাঘাট এলাকায় থাকেন। আগে দৈনিক ৪০০-৫০০ টাকা আয় ছিল, তা দিয়ে কোনো মতে চলে যেত সংসার। কিন্তু ‘লকডাউনে’ কাজ না থাকায় এখন ‘অনাহারে, অর্ধাহারে’ দিন যাচ্ছে বলে তিনি জানালেন।

    মে দিবসের সকালে মিরপুর-১ নম্বরে কাজের অপেক্ষায় ইয়াসমিন বেগম। স্বামী মারা যাওয়ার পর টাইলস ও রঙ মিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করেন। তিন মেয়ে নিয়ে মিরপুর গুদারাঘাট এলাকায় থাকেন। আগে দৈনিক ৪০০-৫০০ টাকা আয় ছিল, তা দিয়ে কোনো মতে চলে যেত সংসার। কিন্তু ‘লকডাউনে’ কাজ না থাকায় এখন ‘অনাহারে, অর্ধাহারে’ দিন যাচ্ছে বলে তিনি জানালেন।

  • অসুস্থ স্বামীকে নিয়ে মিরপুরে থাকেন নীল বানু। তিনিও টাইলস ও রঙ মিস্ত্রির সহকারী। তিন ছেলে এক মেয়ে সবাই বিয়ে করে আলাদা হয়ে গেছে, এই বয়সে দেখার কেউ নাই। সরকার এই সময়ে বিপাকে পড়া মানুষকে সহায়তা দিলেও এখন পর্যন্ত ‘এক টেহাও পাইনি’ বলে তিনি আক্ষেপ করলেন।

    অসুস্থ স্বামীকে নিয়ে মিরপুরে থাকেন নীল বানু। তিনিও টাইলস ও রঙ মিস্ত্রির সহকারী। তিন ছেলে এক মেয়ে সবাই বিয়ে করে আলাদা হয়ে গেছে, এই বয়সে দেখার কেউ নাই। সরকার এই সময়ে বিপাকে পড়া মানুষকে সহায়তা দিলেও এখন পর্যন্ত ‘এক টেহাও পাইনি’ বলে তিনি আক্ষেপ করলেন।

  • রাজধানীর উত্তর বিশিলে একা থাকেন রাজমিস্ত্রি দেলোয়ার হাওলাদার, পরিবার থাকে বাগেরহাট। ‘লকডাউনের’ মধ্যে মে দিবসের সকালে আরও অনেকের মত কাজের সন্ধানে মিরপুর-১ নম্বরে এসেছিলেন তিনি।

    রাজধানীর উত্তর বিশিলে একা থাকেন রাজমিস্ত্রি দেলোয়ার হাওলাদার, পরিবার থাকে বাগেরহাট। ‘লকডাউনের’ মধ্যে মে দিবসের সকালে আরও অনেকের মত কাজের সন্ধানে মিরপুর-১ নম্বরে এসেছিলেন তিনি।

  • কাজের জন্য শ্রমিকের খোঁজে শনিবার সকালে মিরপুর-১ নম্বরে এসেছিলেন এক ব্যক্তি। অনেক আশা নিয়ে তাকে ঘিরে ধরেন শ্রমিকরা। কিন্তু পারিশ্রমিক নিয়ে বনিবনা না হওয়ায় কাউকে না নিয়েই তিনি চলে যান।

    কাজের জন্য শ্রমিকের খোঁজে শনিবার সকালে মিরপুর-১ নম্বরে এসেছিলেন এক ব্যক্তি। অনেক আশা নিয়ে তাকে ঘিরে ধরেন শ্রমিকরা। কিন্তু পারিশ্রমিক নিয়ে বনিবনা না হওয়ায় কাউকে না নিয়েই তিনি চলে যান।

  • শনিবার মে দিবসের সকালে মিরপুর-১ নম্বর মোড়ে কাজের অপেক্ষায় রঙমিস্ত্রিরা।

    শনিবার মে দিবসের সকালে মিরপুর-১ নম্বর মোড়ে কাজের অপেক্ষায় রঙমিস্ত্রিরা।

  • দিনমজুর হিসেবে কাজ করেন তারা। লকডাউনের মধ্যে শনিবার মে দিবসের সকালেও তাদের বের হতে হয়েছে পেটের তাগিদে। কিন্তু মিরপুর-১ নম্বর মোড়ে দুপুর পর্যন্ত অপেক্ষা করে কাজ না পেয়ে বাড়ি ফিরে যাচ্ছেন তারা।

    দিনমজুর হিসেবে কাজ করেন তারা। লকডাউনের মধ্যে শনিবার মে দিবসের সকালেও তাদের বের হতে হয়েছে পেটের তাগিদে। কিন্তু মিরপুর-১ নম্বর মোড়ে দুপুর পর্যন্ত অপেক্ষা করে কাজ না পেয়ে বাড়ি ফিরে যাচ্ছেন তারা।

Print Friendly and PDF