‘ভালো কাজের হোটেল’

সুবিধা বঞ্চিত মানুষকে খাবার জোগাতে রাজধানীর কমলাপুর অভ্যন্তরীণ কনটেইনার ডিপো সংলগ্ন ফুটপাথে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ‘ইউথ ফর বাংলাদেশ’ খুলেছে ‘ভালো কাজের হোটেল’। সেখানে এক বেলা খাবার পেতে দরিদ্র মানুষকে কোনো পয়সা দিতে হয় না। শুধু বলতে হয়, কোন ভালো কাজটি তিনি সর্বশেষ করেছেন।
  • ইউথ ফর বাংলাদেশের সঙ্গে যুক্ত আছেন ২৬৫ জন স্বেচ্ছাসেবী। প্রতিদিন তারা দশ টাকা করে চাঁদা দেন। সেই টাকা আর তাদের স্বেচ্ছাশ্রমে চলে সুবিধা বঞ্চিত মানুষের জন্য খোলা এই ‘হোটেল’।

    ইউথ ফর বাংলাদেশের সঙ্গে যুক্ত আছেন ২৬৫ জন স্বেচ্ছাসেবী। প্রতিদিন তারা দশ টাকা করে চাঁদা দেন। সেই টাকা আর তাদের স্বেচ্ছাশ্রমে চলে সুবিধা বঞ্চিত মানুষের জন্য খোলা এই ‘হোটেল’।

  • সপ্তাহে পাঁচ দিন দুপুর দেড়টা থেকে ৩টার মধ্যে সুবিধা বঞ্চিত যে কেউ সেখানে পেতে পারেন দুপুরের খাবার। শনিবার সন্ধ্যা থেকে দেওয়া হয় রাতের খাবার। শুধু শুক্রবার এই হোটেল বন্ধ থাকে। তবে সেদিনও ইউথ ফর বাংলাদেশের স্বেচ্ছাসেবীরা খাবার নিয়ে যান বিভিন্ন এতিমখানায়।

    সপ্তাহে পাঁচ দিন দুপুর দেড়টা থেকে ৩টার মধ্যে সুবিধা বঞ্চিত যে কেউ সেখানে পেতে পারেন দুপুরের খাবার। শনিবার সন্ধ্যা থেকে দেওয়া হয় রাতের খাবার। শুধু শুক্রবার এই হোটেল বন্ধ থাকে। তবে সেদিনও ইউথ ফর বাংলাদেশের স্বেচ্ছাসেবীরা খাবার নিয়ে যান বিভিন্ন এতিমখানায়।

  • ইউথ ফর বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান স্বেচ্ছাসেবী মো. শাওন জানান, এক মাস হল যাত্রা শুরু করেছে তাদের এই ‘ভালো কাজের হোটেল’। এই এক মাসে তারা অন্তত আট হাজার মানুষকে একবেলা খাইয়েছেন।

    ইউথ ফর বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান স্বেচ্ছাসেবী মো. শাওন জানান, এক মাস হল যাত্রা শুরু করেছে তাদের এই ‘ভালো কাজের হোটেল’। এই এক মাসে তারা অন্তত আট হাজার মানুষকে একবেলা খাইয়েছেন।

  • এই ফুটপাতে দিনে ২৫০ থেকে ৩০০ জন সুবিধা বঞ্চিত মানুষকে এক বেলা খাইয়ে যাচ্ছেন ইউথ ফর বাংলাদেশের স্বেচ্ছাসেবীরা।

    এই ফুটপাতে দিনে ২৫০ থেকে ৩০০ জন সুবিধা বঞ্চিত মানুষকে এক বেলা খাইয়ে যাচ্ছেন ইউথ ফর বাংলাদেশের স্বেচ্ছাসেবীরা।

  • সংগঠনের সদস্যরা নিজেদের চাঁদার টাকায় নিজেরাই বাজার করেন। প্রতিদিন রান্না করে নিজেরাই তা প্যাকেটে করে পরিবেশন করেন সুবিধা বঞ্চিত মানুষের মাঝে।

    সংগঠনের সদস্যরা নিজেদের চাঁদার টাকায় নিজেরাই বাজার করেন। প্রতিদিন রান্না করে নিজেরাই তা প্যাকেটে করে পরিবেশন করেন সুবিধা বঞ্চিত মানুষের মাঝে।

  • স্বেচ্ছাসেবীরা রান্না করা খাবার প্যাকেটে ভরে ভ্যানে করে নিয়ে আসেন ভালো কাজের হোটেলে। কোনো দিন মেনুতে থাকে ডিম খিচুড়ি, কোনো কোনো দিন মাংসও থাকে।

    স্বেচ্ছাসেবীরা রান্না করা খাবার প্যাকেটে ভরে ভ্যানে করে নিয়ে আসেন ভালো কাজের হোটেলে। কোনো দিন মেনুতে থাকে ডিম খিচুড়ি, কোনো কোনো দিন মাংসও থাকে।

  • খাবার পরিবেশনের আগে স্বেচ্ছাসেবীরা জেনে নেন খেতে আসা মানুষগুলোর পরিচয় কী। কে কোন ভালো কাজটি করেছেন। সেটা হতে পারে কোনো শিশু বা প্রতিবন্ধীকে রাস্তা পার হতে সহযোগিতা করা, কোনো বৃদ্ধের ব্যাগ বহন করতে সহযোগিতা করা, বা যে কোনো কাজ, যাতে অন্যের উপকার হয়।

    খাবার পরিবেশনের আগে স্বেচ্ছাসেবীরা জেনে নেন খেতে আসা মানুষগুলোর পরিচয় কী। কে কোন ভালো কাজটি করেছেন। সেটা হতে পারে কোনো শিশু বা প্রতিবন্ধীকে রাস্তা পার হতে সহযোগিতা করা, কোনো বৃদ্ধের ব্যাগ বহন করতে সহযোগিতা করা, বা যে কোনো কাজ, যাতে অন্যের উপকার হয়।

  • খাবার খেতে এসে যদি কেউ কোনো ভালো কাজ করার কথা বলতে না পারেন, তাকেও ফেরানো হয় না। ভালো কাজ করার জন্য তাকে উদ্বুদ্ধ করা হয়, তারপর হাতে তুলে দেওয়া হয় খাবারের প্যাকেট।

    খাবার খেতে এসে যদি কেউ কোনো ভালো কাজ করার কথা বলতে না পারেন, তাকেও ফেরানো হয় না। ভালো কাজ করার জন্য তাকে উদ্বুদ্ধ করা হয়, তারপর হাতে তুলে দেওয়া হয় খাবারের প্যাকেট।

Print Friendly and PDF