বাংলাদেশিদের পর্যবেক্ষক দলে না রাখতে দূতাবাসগুলোতে চিঠি

বিভিন্ন দূতাবাসের কর্মকর্তা যেসব বাংলাদেশি ‘বিদেশি পর্যবেক্ষক’ হিসেবে নির্বাচন কমিশনের অনুমোদন নিয়েছেন, তাদের নির্বাচন পর্যবেক্ষক দলে না রাখার আহ্বান জানিয়ে বিদেশি মিশনগুলোকে চিঠি দিয়েছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

নিজস্ব প্রতিবেদকবিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
Published : 31 Jan 2020, 02:42 PM
Updated : 31 Jan 2020, 07:08 PM

সব কূটনৈতিক মিশনে বৃহস্পতিবার পাঠানো চিঠিতে বলা হয়, ২০১৮ সালের বিদেশিদের জন্য নির্বাচন পর্যবেক্ষণ নীতিমালা অনুযায়ী, দূতাবাসের কোনো বাংলাদেশি কর্মী আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষক হিসাবে নির্বাচন পর্যবেক্ষণ করতে পারবে না।

”ফলশ্রুতিতে ঢাকায় কূটনৈতিক মিশনগুলো আসন্ন সিটি করপোরেশন নির্বাচনে বাংলাদেশি নাগরিকদের তাদের পর্যবেক্ষক দলে অন্তর্ভুক্ত না করার বিষয়টি খুবই প্রশংসনীয় হবে।”

শনিবারের ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের ভোট পর্যবেক্ষণে ১০টি পশ্চিমা দেশের দূতাবাস থেকে নিয়োগ করা ৭৪ জনকে অনুমতি দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। এদের মধ্যে ২৮ জন বাংলাদেশি, যারা বিভিন্ন দূতাবাসে চাকরি করেন।

দূতাবাসের নাম

বিদেশি নাগরিক

বাংলাদেশি নাগরিক

মোট

যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাস

১৮

২৭

ব্রিটিশ হাইকমিশন

১২

ইউরোপীয় ইউনিয়ন

নেদারল্যান্ড দূতাবাস

সুইজারল্যান্ড দূতাবাস

জাপান দূতাবাস

ডেনমার্ক দূতাবাস

নরওয়ে দূতাবাস

অস্ট্রেলিয়ান হাইকমিশন

কানাডিয়ান হাইকমিশন

 

৪৬

২৮

৭৪

নির্বাচন পর্যবেক্ষণ নীতিমালা অনুযায়ী আন্তর্জাতিক সংস্থা/কূটনৈতিক মিশনের বিদেশি কর্মকর্তা/কর্মচারীকে বিদেশি পর্যবেক্ষক ও স্থানীয়দের স্থানীয় পর্যবেক্ষক হিসেবে গণ্য করা হবে। তার জন্য দেশি ও বিদেশিদের জন্য আলাদা নীতিমালা অনুযায়ী আবেদন করতে হবে।

কিন্তু ঢাকা সিটির ভোটের ক্ষেত্রে এবার দেশি কর্মীদের বিদেশি পর্যবেক্ষক হিসেবে আবেদন করেছে দূতাবাসগুলো। নির্বাচন কমিশন সেভাবেই তাদের জন্য পরিচয়পত্র ইস্যু করেছে। বিষয়টি ঠিক হয়নি বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক একজন নির্বাচন কমিশনার।

এই ভুলের দায়ভার দূতাবাসগুলোর নেওয়া উচিৎ বলে মনে করছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন।

সকালে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, “‘আনফরচুনেটলি’ বিভিন্ন মিশন তাদের কর্মচারী যারা বাংলাদেশের নাগরিক তাদেরকেও আন্তর্জাতিক ‘অবজার্ভার’ নিয়োগ করেছে- এটা সম্পূর্ণ ‘ভায়োলেশন অব দ্য ল’। এজন্য আমরা বলেছি, মিশনগুলো ‘শুড ফলো দেওয়ার কোড অব কন্ডাক্ট’।

তৌফিক ইমরোজ খালিদী
প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক