নদী দূষণমুক্ত রাখতে ঢাকায় চারটি ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট হবে

ঢাকার চারপাশের নদীগুলো পানি দূষণমুক্ত রাখতে একটি মহাপরিকল্পনার আওতায় চারটি সুয়ারেজ ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট নির্মাণ করা হবে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার মন্ত্রী তাজুল ইসলাম।

সংসদ প্রতিবেদকবিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
Published : 15 Jan 2020, 01:05 PM
Updated : 15 Jan 2020, 01:05 PM

বুধবার সংসদে এক প্রশ্নে তিনি বলেন, “ঢাকার চারপাশে নদীর পানি দূষণমুক্ত রাখতে ঢাকা ওয়াসা ইতোমধ্যে একটি সুয়ারেজ মাস্টারপ্ল্যান প্রণয়ন করেছে। সে আলোকে রাজধানীর চারপাশে চারটি সুয়ারেজ ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট নির্মাণ করা হবে।

“মাস্টারপ্ল্যানের অংশ হিসেবে বর্তমানে ‘দাশেরকান্দি সুয়ারেজ ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট’ নামে একটি পয়ঃশোধানাগার নির্মাণাধীন রয়েছে, যা সমাপ্ত হলে সরাসরি পয়ঃবর্জ্য নদীতে গিয়ে যে দূষণ হয় তা অনেকাংশে বন্ধ হবে।”

আরেক প্রশ্নে তাজুল বলেন, “ডেঙ্গু ও ম্যালেরিয়া রোগ প্রতিরোধের ব্যবস্থা চলমান আছে। ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের ৭৫টি ওয়ার্ডে ওয়ার্ডভিত্তিক প্রতিদিন সকাল ৮টা থেকে ১১ টা পর্যন্ত মশার লার্ভা নিধনের জন্য লার্ভিসাইডিং ও বিকালে উড়ন্ত মশা নিধনের জন্য এডাল্টিসাইড কার্যক্রম নিয়মিত চলছে। এ ছাড়াও প্রতি ওয়ার্ডে প্রতিদিন ১৫টি হোল্ডিংয়ে পরিদর্শনপূর্বক এডিস মশার প্রজননস্থল ধ্বংস করা হচ্ছে।”

তিনি আরও বলেন, “ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের আওতাধীন ওয়ার্ডসমূহে মশক নিধন কার্যক্রম নির্ধারিত কর্মপরিকল্পনা অনুযায়ী বছরব্যাপী পরিচালনা করা হচ্ছে। মশক নিধন কার্যক্রম জোরদার করার পাশাপাশি সকল পর্যায়ে জনসচেতনমূলক কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়। যেমন- অ্যাডভোকেসি সভা, র‌্যালি, লিফলেট বিতরণ, মাইকিং, ইলেক্ট্রনিক্স ও প্রিন্ট মিডিয়ার এবং মসজিদের খতিব/ইমামদের মাধ্যমে সচেতনতামূলক বার্তা প্রচার।”

সরকারি দলের মামুনুর রশীদের প্রশ্নের জবাবে স্থানীয় সরকারমন্ত্রী বলেন, “বর্তমানে ঢাকা ওয়াসা রাজধানীর সমস্ত পানির পাইপ লাইন পরিবর্তন করে আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে দক্ষিণ এশিয়ার সেবা সংস্থাগুলোর মধ্যে সর্ব প্রথম ডিসট্রিক্ট মিটারেড এরিয়া (ডিএমএ) পদ্ধতি চালু করেছে। এর ফলে পানির অপচয় বা সিস্টেম লস কোথাও কোথাও শতকরা ৫-৭ ভাগ পর্যন্ত নেমে এসেছে, যা পূর্বে ৪০ ভাগ পর্যন্ত ছিল।”

মন্ত্রী জানান, এডিবির অর্থায়নে বর্তমানে পাইপ লাইন পরিবর্তন প্রকল্পের কাজ প্রায় শতকরা ৫০ ভাগ কাজ সম্পন্ন হয়েছে। বাকী কাজ চলমান রয়েছে।

তৌফিক ইমরোজ খালিদী
প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক