মিতু হত্যা কেন, উত্তর মেলেনি এক বছরেও

আলোচিত একজন পুলিশ কর্মকর্তার স্ত্রী মাহমুদা আক্তার মিতুকে তার স্কুল পড়ুয়া ছেলের সামনে কার নির্দেশে কেন হত্যা করা হয়েছিল, সেই প্রশ্নের উত্তর এক বছর তদন্তের পরও দিতে পারেনি পুলিশ। 

উত্তম সেন গুপ্ত চট্টগ্রাম ব্যুরোবিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
Published : 4 June 2017, 01:29 PM
Updated : 4 June 2017, 01:29 PM

এ মামলার তদন্ত কর্মকর্তা (আইও) চট্টগ্রাম নগর গোয়েন্দা পুলিশের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার (উত্তর) মো. কামরুজ্জামান বলছেন, তাদের তদন্ত চলছে এবং ‘ভালো অগ্রগতি’ আছে।

কিছু জায়গায় জট ছাড়াতে না পারার মধ্যেই চট্টগ্রামের পুলিশ কমিশনার ইকবাল বাহার বলছেন, তারা জুলাইয়ের মধ্যে আলোচিত এই মামলার অভিযোগপত্র জমা দিতে চান।

গত বছরের ৫ জুন চট্টগ্রামের জিইসি মোড়ে ওই হত্যাকাণ্ডের পর এক মাসের মধ্যে ছয়জন গ্রেপ্তার করে পুলিশ। দুইজন পুলিশের সঙ্গে কথিত ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত হন।

কিন্তু যাকে পুলিশ ওই হত্যাকাণ্ডের ‘মূল পরিকল্পনাকারী’ বলছে, সেই কামরুল ইসলাম শিকদার ওরফে মুছা এবং ‘হত্যাকাণ্ডে সরাসরি অংশ নেওয়া’ কালুর হদিস গত এক বছরেও মেলেনি।

তদন্ত কর্মকর্তা কামরুজ্জামান বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “আমরা তদন্ত করে যাচ্ছি। এটা কন্টিনিউয়াস প্রসেস।”

মুছা ও কালু বাদে সব আসামি গ্রেপ্তারের তথ্য তুলে সিএমপি কমিশনার ইকবাল বাহার বলেন, “যেটুকু ব্যর্থতা আছে তা উৎরে উঠার জন্য প্রাণপণ চেষ্টা করছি। হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত কারণ উদঘাটনে মুছাকে পাওয়াটা আমাদের জন্য বেশি প্রয়োজন, এ জন্য আমরা অপেক্ষা করছি।

“বছর অতিক্রান্ত হয়ে যাচ্ছে, খুব বেশিদিন অপেক্ষা করাটা সমীচীন হবে না। যেহেতু চার্জশীট দিতে হবে, আমরা চাচ্ছি জুলাই মাসের মধ্যে এটা নিষ্পত্তি করতে।”

কিন্তু তদন্তের অগ্রগতি নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে মিতুর বাবা মোশাররফ হোসেন আঙুল তুলেছেন জামাতা সাবেক পুলিশ কর্মকর্তা বাবুল আক্তারের দিকে।

বাবুলের অন্য দুই নারীর সঙ্গে সম্পর্কের যে অভিযোগ মিতুর পরিবার থেকে এখন করা হচ্ছে, সে বিষয়ে ইকবাল বাহার বলেন, “এমন যে কোনো কর্মকাণ্ড, যেটি এ হত্যাকাণ্ডের সাথে সংশ্লিষ্ট, সেটিকে গুরুত্ব দিয়ে মিতু হত্যাকাণ্ডের তদন্তের সাথে নিয়ে আসব।”

তবে মিতু হত্যার তদন্তে এখনও বাবুল আক্তারের সম্পৃক্ততার কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি বলে জানান ইকবাল বাহার।

মাহমুদা আক্তার মিতু

গত বছরের ৫ জুন সকালে নগরীর জিইসি মোড়ে ছেলেকে স্কুল বাসে তুলে দিতে যাওয়ার পথে বাসার অদূরে খুন হন বাবুলের স্ত্রী মাহমুদা আক্তার মিতু। সে সময় পুলিশ সুপার হিসেবে পদোন্নতি পেয়ে পুলিশ সদর দপ্তরে যোগ দিয়ে ঢাকায় ছিলেন বাবুল।

চট্টগ্রামে জঙ্গি দমন অভিযানের জন্য আলোচিত বাবুল আক্তার চট্টগ্রাম নগর গোয়েন্দা পুলিশের অতিরিক্ত উপ-কমিশনারের দায়িত্ব থেকে পদোন্নতি পেয়ে পুলিশ সদর দপ্তরে যোগ দেওয়ার কয়েক দিনের মাথায় খুন হন তার স্ত্রী মাহমুদা আক্তার মিতু।

ছেলেকে স্কুল বাসে তুলে দিতে গতবছর ৫ জুন সকালে চট্টগ্রামের ও আর নিজাম রোডের বাসা থেকে কয়েকশ গজ দূরে জিইসি মোড়ে গিয়েছিলেন মিতু। মোটরসাইকেলে করে আসা কয়েকজন সেখানে ছেলের সামনে তাকে প্রথমে ছুরি মারে ও পরে গুলি করে হত্যা করে।

হত্যাকাণ্ডের পর নগরীর পাঁচলাইশ থানায় অজ্ঞাতপরিচয় আসামিদের বিরুদ্ধে মামলা করেন বাবুল আক্তার। চট্টগ্রামে জঙ্গিবিরোধী অভিযানে বাবুল আক্তারের সম্পৃক্ততাও মিতু হত্যাকাণ্ডের সম্ভাব্য কারণ হতে পারে ধরে নিয়ে তদন্ত শুরু করে পুলিশ। তবে অল্প দিনেই সে ধারণা থেকে সরে আসেন তদন্তকারীরা।

হত্যাকাণ্ড নিয়ে নানা গুঞ্জনের মধ্যে ২৪ জুন রাতে ঢাকার বনশ্রীতে শ্বশুরের বাসা থেকে বাবুল আক্তারকে গোয়েন্দা পুলিশ কার্যালয়ে নিয়ে প্রায় ১৪ ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। তখন তার কাছ থেকে জোর করে পদত্যাগপত্র নেওয়ার খবর ছড়ালেও সে বিষয়ে কেউ মুখ খুলছিলেন না।

তার ২০ দিন পর গত ১৪ অগাস্ট স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল জানান, বাবুলের অব্যাহতির আবেদন তার কাছে রয়েছে। আরও ২২ দিন পর ৬ সেপ্টেম্বর বাবুলকে চাকরি থেকে অব্যাহতি দেয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

পরে ঢাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালে চাকরি নেন সাবেক এই পুলিশ কর্মকর্তা। পুলিশের সন্দেহের তালিকায় তাকে রাখা হয়েছে কি না- সে বিষয়ে কখনোই স্পষ্ট উত্তর দেননি তদন্তকারীরা।

স্ত্রী মিতুর সঙ্গে বাবুল আক্তার

গতবছর ২৬ জুন মো. আনোয়ার ও মো. মোতালেব মিয়া ওরফে ওয়াসিম নামে দুইজনকে গ্রেপ্তারের কথা পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়।

পরে বলা হয়, আদালতে দেওয়া জবানবন্দিতে তারা হত্যাকাণ্ডের মূল ‘পরিকল্পনাকারী’ হিসেবে মুছার নাম বলেছেন। আর হত্যায় ব্যবহৃত অস্ত্রটি সরবরাহ করেন বাবুল আক্তারের সোর্স হিসেবে পরিচিত নগরীর বাকলিয়া এলাকার এহেতেশামুল হক ভোলা।

রাঙ্গুনিয়া উপজেলার ছাত্রলীগ নেতা রাশেদ হত্যাসহ প্রায় ছয় মামলার আসামি মুছা ছিলেন চট্টগ্রাম নগর পুলিশের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার বাবুল আক্তারের সোর্স। ভোলাকেও স্থানীয় অনেকে বাবুলের সোর্স হিসেবে জানতেন।

পুলিশের ভাষ্য, মুছা এবং তার দুই সহযোগী নবী ও কালু হত্যাকাণ্ডে সরাসরি অংশ নেয়। এর মধ্যে নবী ও কালু ছুরিকাঘাত করেন বলে জবানবন্দিতে ওয়াসিম জানিয়েছেন।

পরে বাকলিয়া এলাকা থেকে ভোলা ও তার সহযোগী মনিরকে পয়েন্ট ৩২ বোরের একটি পিস্তলসহ গ্রেপ্তার করে পুলিশ। উদ্ধার করা পিস্তলটিই মিতু হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত হয় বলে পুলিশের ভাষ্য।

ওই ঘটনায় পুলিশের পক্ষ থেকে ভোলা ও মনিরকে আসামি করে অস্ত্র আইনে একটি মামলা করা হয়। মিতু হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয় ভোলাকেও।

ভোলা ও মনিরকে আসামি করে পুলিশ আদালতে অভিযোগপত্র দেওয়ার পর গতবছর ২২ নভেম্বর আদালতে এই অস্ত্র মামলার বিচার শুরু হয়।

ভোলা ছাড়াও হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত মোটর সাইকেরের ‘সরবরাহকারী’ মুছার ভাই সাইদুল আলম শিকদার ওরফে সাকু ও মো. শাহজাহানকে বিভিন্ন সময়ে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। আর নুরুল ইসলাম রাশেদ ও নুরুন্নবী গতবছর ৫ জুলাই পুলিশের সঙ্গে কথিত বন্দুকযুদ্ধে নিহত হন।

পুলিশের পক্ষ থেকে মুছাকে গ্রেপ্তারের চেষ্টার কথা বলা হলেও তার পরিবারের দাবি, হত্যাকাণ্ডের ১৭ দিনের মাথায় মুছাকে বন্দর থানা এলাকায় এক আত্মীয়র বাসা থেকে পুলিশ নিয়ে গেছে।

মুছার স্ত্রী পান্না আক্তার গতবছর ৪ জুলাই সংবাদ সম্মেলন করে দাবি করেন, ২২ জুন বন্দর থানার তৎকালীন ওসি মহিউদ্দিন সেলিমের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল মুছাকে গ্রেপ্তার করেন।

তবে পুলিশ বরাবরই এ দাবি নাকচ করে আসছে। মুছা ও তার সহযোগী কালুর সন্ধান পেতে পাঁচ লাখ টাকা পুরস্কারও ঘোষণা করেছেন চট্টগ্রামের পুলিশ কমিশনার ইকবাল বাহার।

 

ঘটনাক্রম

>> ৫ জুন সকালে খুন হন মিতু।

>> পরদিন ৬ জুন ভোরে চকবাজার বড় গ্যারেজ এলাকা থেকে পুলিশ হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত মোটর সাইকেলটি উদ্ধার করে।

>> ওইদিন বাবুল আক্তার বাদী হয়ে পাঁচলাইশ থানায় একটি হত্যা মামলা করেন।

>> ৮ জুন ও ১১ জুন গোয়েন্দা পুলিশ হাটহাজারি উপজেলা থেকে আবু নসুর গুন্নু ও বায়েজিদ বোস্তামী থানার শীতল ঝর্ণা থেকে শাহ জামান ওরফে রবিন নামে দুইজনকে গ্রেপ্তারের খবর জানায়। পরে পুলিশের পক্ষ থেকে বলা হয়, মিতু হত্যায় তাদের সম্পৃক্ততা পাওয়া যায়নি।

>> ২৪ জুন রাতে ঢাকার বনশ্রীর শশুরবাড়ি থেকে বাবুল আক্তারকে ঢাকা গোয়েন্দা পুলিশের কার্যালয়ে নিয়ে প্রায় ১৪ ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়।

>> ২৬ জুন মো. আনোয়ার ও মো. মোতালেব মিয়া ওরফে ওয়াসিম নামে দুইজনের গ্রেপ্তারের খবর প্রকাশ করে পুলিশ। তারা আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন।

>> ২৮ জুন বাবুল আক্তারের অন্যতম সোর্স এহেতাশামুল হক ভোলা ও তার সহযোগী মো. মনিরকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাদের কাছ থেকে পয়েন্ট ৩২ বোরের একটি পিস্তল উদ্ধার করা হয়, যেটি মিতু হত্যায় ব্যবহৃত হয়েছে বলে পুলিশের ভাষ্য। এ ঘটনায় পুলিশের পক্ষ থেকে ভোলা ও মনিরকে আসামি করে একটি অস্ত্র মামলা করা হয়।

গত ৫ জুন এই স্থানেই হত্যা করা হয় মাহমুদা আক্তার মিতুকে

 

>> ১ জুলাই মোটর সাইকেল সরবরাহ করার অভিযোগে মুছার ভাই সাইদুল আলম শিকদার ওরফে সাক্কু ও শাহজাহান নামে দুইজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

>> ৪ জুলাই মুছার স্ত্রী পান্না আক্তার চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে মুছাকে আদালতে হাজির করার দাবি করেন। ২২ জুন বন্দর থানা এলাকায় তাদের এক পরিচিত জনের বাসা থেকে মুছাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।

>> ৫ জুলাই ভোরে রাঙ্গুনিয়া উপজেলার ঠান্ডাছড়িতে নুরুল ইসলাম রাশেদ ও নুরুন্নবী নামে দুইজন পুলিশের সাথে কথিত বন্দুকযুদ্ধে নিহত হন।

>> ১৩ অগাস্ট স্ত্রীকে নিয়ে ফেইসবুকে স্ট্যাটাস দিয়ে নিজের নিরবতা ভাঙ্গেন বাবুল আক্তার।

>> ৬ সেপ্টেম্বর বাবুল আক্তারকে চাকরি থেকে অব্যাহতি দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

>> ১ নভেম্বর বেসরকারি আদ-দ্বীন হাসপাতালে সহযোগী পরিচালক হিসেবে যোগ দেন বাবুল আক্তার।

>> ২২ নভেম্বর ভোলা ও মনিরকে অভিযুক্ত করে তাদের বিচার শুরু করে আদালত।

>> ১৫ ডিসেম্বর তদন্ত কর্মকর্তার সঙ্গে দেখা করতে চট্টগ্রাম যান বাবুল আক্তার।

>> ২ জানুয়ারি বাবুলের বাবা-মা ও ২৬ জানুয়ারি শ্বশুর মোশারফ হোসেন ও শাশুড়ি সাহেদা মোশারফ নীলা চট্টগ্রাম এসে দেখা করেন তদন্ত কর্মকর্তার সঙ্গে।

>> ১৪ ফেব্রুয়ারি ভোলার লাল মোহন এলাকা থেকে মিতুর হারানো সিম উদ্ধার করে গোয়েন্দা পুলিশ।

বাবুল আক্তার

নানা আলোচনা সমালোচনার মধ্যে চুপ থাকা বাবুল আক্তার হত্যাকাণ্ডের দুই মাস পর ফেইসবুকে স্ত্রীকে নিয়ে একটি স্ট্যাটাস দিয়ে আবার আলোচনায় আসেন।

মিতু হত্যার পর থেকে বাবুল ঢাকায় শ্বশুরবাড়িতে থাকলেও নতুন চাকরিতে যোগ দেওয়ার পর দুই সন্তান নিয়ে মগবাজারে আলাদা বাসা নিয়ে থাকতে শুরু করেন।

হত্যাকাণ্ডের পর বাবুলের শ্বশুর মোশারফ হোসেন জামাতার পক্ষে কথা বললেও পরে তিনি নিজেও বাবুলের দিকে সন্দেহের আঙ্গুল তোলেন।

তখন কোনো মন্তব্য না করলেও গত ২৭ ফেব্রুয়ারি শ্বশুরবাড়ি থেকে বেরিয়ে আসার পেছনে বিয়ের জন্য চাপ দেওয়াসহ শ্বশুড়বাড়ির বিভিন্ন আচরণের বিষয়ে ফেইসবুকে আরেকটি স্ট্যাটাস দেন বাবুল।

মোশাররফ হোসেন তার মেয়ের হত্যাকাণ্ডের পেছনে জামাতার ‘পরকীয়া স্ম্পর্কের’ সন্দেহের ইংগিত করে তদন্তের দাবি জানিয়েছেন।

বাবুলের সঙ্গে গায়ত্রী সিং ও বনানী বিনতে বসির বর্ণি নামে দুই নারীর সম্পর্কের গুঞ্জন নিয়ে মোশাররফ বলেন, “আমরা বিভিন্নভাবে এসব বিষয় জেনেছি এবং তদন্ত কর্মকর্তাকেও বলেছি। পুলিশ এখনো তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করেনি।”

ওই দুইজনকে বাবুলের মুখোমুখি করে জিজ্ঞাসাবাদ করলে অনেক তথ্য বেরিয়ে আসতে পারে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

তবে সবকিছু উড়িয়ে দিয়ে স্ত্রী হত্যার সঠিক তদন্ত চেয়েছেন বাবুল আক্তার।

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে তিনি বলেন, “এটি চলমান প্রক্রিয়া। কতটুকু কি হয়েছে তা তদন্ত কর্মকর্তা ভালো বলতে পারবেন।

“আইওর সাথে প্রতিনিয়ত যোগাযোগ হয়। তবে চাইব দ্রুত সময়ে সঠিক তদন্ত হোক।”

ফিরে দেখা

তৌফিক ইমরোজ খালিদী
প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক