হাসনাত কোথায়, প্রশ্ন অ্যামনেস্টির

গুলশানের হলি আর্টিজান বেকারিতে কমান্ডো অভিযানের পর উদ্ধার পাওয়া আবুল হাসনাত রেজাউল করিম কোথায় কীভাবে আছেন, তা অবিলম্বে তা পরিবারকে জানানোর আহ্বান জানিয়েছে অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল। 

নিউজ ডেস্কবিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
Published : 11 July 2016, 01:19 PM
Updated : 31 July 2016, 07:30 PM

আন্তর্জাতিক নিয়ম মেনে অভিযোগ দায়েরের মাধ্যমে দ্রুত আদালতে তোলা না হলে অবিলম্বে তাকে মুক্তি দেওয়ারও দাবি জানিয়েছে আন্তর্জাতিক এই মানবাধিকার সংগঠনটি।

অ্যামনেস্টির দক্ষিণ এশিয়া বিভাগের ক্যাম্পেইনার অরা ফ্রিম্যান সোমবার এক বিবৃতিতে এই দাবি জানান।

আবুল হাসনাত রেজাউল করিমকে নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে ফ্রিম্যান বলেন, পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, গোয়েন্দা পুলিশ হাসনাতকে নিজেদের হেফাজতে নিয়েছিল।     

অন্যদিকে পুলিশ বলছে, যাদের উদ্ধার করা হয়েছিল তাদের প্রত্যেককে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।

এই পরিস্থিতিতে হাসনাতের অবস্থান সম্পর্কে জানানোর পাশাপাশি তার সঙ্গে পরিবার ও আইনজীবীদের সাক্ষাত এবং প্রয়োজনীয় চিকিৎসার সুযোগ দেওয়ার দাবি জানিয়েছে অ্যামনেস্টি। 

গুলশানের হলি আর্টিজানে কমান্ডো অভিযানের পর যাদের উদ্ধার করা হয়েছিল তাদের মধ্যে হাসনাতের মত তাহমিদ হাসিব খান নামে আরেকজনের সন্ধান পাওয়া যাচ্ছে না বলে পরিবারের তথ্য।  

গুলশানের ওই ক্যাফেতে ১ জুলাইয়ের জিম্মি দশার একটি ভিডিওচিত্র প্রকাশের পর নর্থ-সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষক হাসনাতের বিরুদ্ধে হামলায় সম্পৃক্ততার সন্দেহের কথা উঠে আসে ফেইসবুকে।

নিষিদ্ধ সংগঠন হিজবুত তাহরিরের সঙ্গে যোগাযোগের কারণে হাসনাতকে নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয় অব্যাহতি দিয়েছিল বলে গণমাধ্যমের খবর। ক্যাফেতে নিরাপত্তা বাহিনীর অভিযানে যে পাঁচ হামলাকারী নিহত হন, তাদের মধ্যে নিবরাজ ইসলামও ঢাকার এই বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র।

অন্যদিকে ব্যবসায়ী শাহরিয়ার খানের ছেলে তাহমিদ কানাডার একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়েন। একদিন আগে দেশে ফিরে হামলার দিন ইফতারের পর বন্ধুদের সঙ্গে তিনি ওই ক্যাফেতে গিয়েছিলেন বলে পরিবারের ভাষ্য।

গুলশানের ঘটনায় দায়ের করা মামলায় জীবিত অবস্থায় যে ৩২ জনকে উদ্ধারের কথা বলা হয়েছে, সে তালিকায় হাসনাত ও তাহমিদের নাম রয়েছে। তবে যে মামলা পুলিশ করেছে, সেখানে তাদের আসামি করা হয়নি।

তৌফিক ইমরোজ খালিদী
প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক