দেশে হিজড়া ১০ হাজার

বাংলাদেশে তৃতীয় লিঙ্গ হিসেবে স্বীকৃত হিজড়ার সংখ্যা প্রায় ১০ হাজার।

সংসদ প্রতিবেদকবিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
Published : 28 Feb 2016, 12:57 PM
Updated : 28 Feb 2016, 12:57 PM

সংসদে এই তথ্য জানিয়ে সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী প্রমোদ মানকিন বলেছেন, সুবিধাবঞ্চিত এই জনগোষ্ঠীর জীবনমানের উন্নয়ন ঘটিয়ে তাদের সমাজের মূল স্রোতধারায় আনতে সরকারের নানা পদক্ষেপ নিয়েছে।

গত বছরই হিজড়াদের তৃতীয় লিঙ্গ হিসেবে স্বীকৃতি দেয় সরকার।

প্রান্তিক এই জনগোষ্ঠীর সংখ্যা ও তাদের কল্যাণে সরকারের পদক্ষেপ জানতে মুহিবুর রহমান মানিক রোববার সংসদে প্রশ্ন রেখেছিলেন।

প্রতিমন্ত্রী জানান, দেশে বর্তমানে হিজড়ার সংখ্যা ৯ হাজার ৮৯২ জন।

তাদের বিষয়ে পদক্ষেপ তুলে ধরে তিনি বলেন, ৫০ বছরের বেশি বয়সী অক্ষম ও অস্বচ্ছল বয়স্ক হিজড়াদের মাসে ৫০০ টাকা করে ভাতা দেওয়া হয়। এছাড়া হিজড়াদের জীবনমানেরর উন্নয়নে প্রাথমিক স্তরে ৩০০ টাকা, মাধ্যমিক স্তরে ৪৫০, উচ্চ মাধ্যমিক স্তরে ৬০০ এবং উচ্চস্তরে এক হাজার টাকা করে উপবৃত্তি দেওয়া হয়।

১১ হাজার শিক্ষা প্রতিষ্ঠান জরাজীর্ণ

বর্তমানে বাংলাদেশে জরাজীর্ণ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ১০ হাজার ৯৬০ বলে সংসদে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ।

সংসদ সদস্য আনোয়ারুল আবেদীন খানের এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী একইসঙ্গে বলেন, জরাজীর্ণ প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে ৮ হাজার ৫৪০টিতে নতুন ভবন নির্মাণ করা হয়েছে।

মাদ্রাসা শিক্ষাবোর্ড অনুমোদিত ইবতেদায়ী, দাখিল ও আলিম স্তরের মাদ্রাসার সংখ্যা ১৬ হাজার ২৮২টি বলে জানান মন্ত্রী। এর মধ্যে তিনটি সরকারি মাদ্রাসা রয়েছে।

নাহিদ জানান, চলতি অর্থবছরে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের বাজেট হতে মাদ্রাসা খাতে ২ হাজার ২৩৬ কোটি ৭৯ লাখ বরাদ্দ করা হয়েছে। 

শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে আদায় করা বাড়তি টাকা ফেরত না দিলে সংশ্লিষ্ট শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান মন্ত্রী।

গণপূর্তের ৫০৩ একর জমি বেদখল

গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের অধীন ৫০৩ একর জমি বেদখল অবস্থায় আছে বলে সংসদে জানিয়েছেন দপ্তরের মন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন।

আনোয়ারুল আবেদীন খানের এক প্রশ্নের জবাবে গৃহায়ণ ও গণপূর্তমন্ত্রী বলেন, “আদালতে মামলা থাকায় এসব জমি উদ্ধারে অভিযান চালানো যাচ্ছে না।” 

সংরক্ষিত আসনের এমপি সেলিনা বেগম জানতে চান, ঢাকা শহরের পরিত্যক্ত বাড়ি সংসদ সদস্যদের মধ্যে বরাদ্দ দেওয়া হবে কি না?

জবাবে মন্ত্রী বলেন, ঢাকা শহরে পরিত্যক্ত বাড়ির সংখ্যা ৬ হাজার ৪০৬টি। এসব বাড়ি মুক্তিযুদ্ধের শহীদ পরিবার ও যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধাদের বরাদ্দ দেওয়া হয়। অন্য কাউকে বরাদ্দ দেওয়ার সুযোগ নেই।  

রুস্তম আলী ফরাজীর এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, রাজউক আওতাধীন এলাকায় ঝুঁকিপূর্ণ ৩২১টি ভবন চিহ্নিত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনকে বলা হয়েছে।

ইসরাফিল আলমের এক প্রশ্নের জবাবে সংসদ কাজে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের দায়িত্ব পাওয়া মন্ত্রী মতিয়া চৌধুরী বলেন, ‘ওয়ারেন্ট অব প্রিসিডেন্স ১৯৮৬’ অনুযায়ী সংসদ সদস্যদের মর্যাদাক্রম ত্রয়োদশ। ১৯৭২ সালে তা ছিল অষ্টাদশ।

তৌফিক ইমরোজ খালিদী
প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক