বরিশালের গৌরনদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন সাংবাদিক মোল্লা ফারুক হাসান।

)<div class="paragraphs"><p>বরিশালের গৌরনদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন সাংবাদিক মোল্লা ফারুক হাসান।</p></div>
সমগ্র বাংলাদেশ

পিটিয়ে সাংবাদিকের পা ভেঙে দেওয়ার অভিযোগ ছাত্রলীগ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে

Byবরিশাল প্রতিনিধি

বরিশালের গৌরনদী উপজেলায় ছাত্রলীগ নেতার নেতৃত্বে এক সাংবাদিকের পা ভেঙে দেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় করা মামলায় ছাত্রলীগের ১৩ নেতাকর্মীকে আসামি করা হয়েছে।

শনিবার উপজেলার টরকী ভিক্টোরিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সামনে হামলার শিকার হন সাংবাদিক মোল্লা ফারুক। তিনি এখন গৌরনদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন।

পরদিন রোববার আটজনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত আরও চার থেকে পাঁচজনকে আসামি করে মামলা করেন ফারুক। 

আসামিদের মধ্যে পাঁচজন মঙ্গলবার বরিশাল জ্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিম আদালতে উপস্থিত হয়ে জামিন প্রার্থনা করেন। শুনানি শেষে বিচারক মাহফুজুর রহমান তাদের জামিন আবেদন মঞ্জুর করেন বলে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই আব্দুল হক জানান।

জামিনপ্রাপ্তরা হলেন- ছাত্রলীগ কর্মী গৌরনদী পৌর সভার ৩ নম্বর ওয়ার্ড বড় কসবা এলাকার সজীব তালুকদার (৩৫), একই এলাকার সাইমুন তালুকদার (৩৫), হেলাল তালুকদার (২২), দক্ষিণ রামসিদ্দি এলাকার রাব্বি সরদার (৩৫), নন্দনপট্টি গ্রামের শাহ আলম কাজীর ছেলে অন্তর কাজী (৩৫)।

মামলার প্রধান আসামি গৌরনদী পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ড ছাত্রলীগের সভাপতি ও বড় কসবা এলাকার রাশেদ হাওলাদার (৩৫), ১ নম্বর ওয়ার্ড সুন্দরদী এলাকার শামীম দেওয়ান (৩২) ও বড় কসবা এলাকার সালাম খান (৩৫) পলাতক রয়েছে বলে জানান গৌরনদী মডেল থানার এসআই কে এম আব্দুল হক।

তিনি বলেন, তিনজনকে গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে। 

হামলার শিকার সাংবাদিক মোল্লা ফারুক ১ নম্বর ওয়ার্ড সুন্দরদী এলাকার বাসিন্দা। তিনি স্থানীয় একটি পত্রিকার গৌরনদী প্রতিনিধি, অনলাইন নিউজ পোর্টাল বরিশাল মেট্রোর নির্বাহী সম্পাদক এবং স্মার্ট ভিডিও ও ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট নামের একটি প্রতিষ্ঠানের কর্ণধার।

মামলার বাদী ফারুক মোল্লা বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “বিজয় দিবসের কর্মসূচি উদযাপনের অনুষ্ঠান ফেইসবুকে লাইভ করি। এ সময় ৩ নম্বর ওয়ার্ড ছাত্রলীগের সভাপতি রাশেদ হাওলাদারের নাম বলা হয়নি। পরদিন শনিবার রাব্বি নামে একজন ফোন দিয়ে রাশেদসহ তাদের নাম কেন প্রচার করা হয়নি তা আমার কাছে জানতে চান। তখন আমি বলি, এটি ভুলে করা হয়নি, ভবিষ্যতে প্রচার করা হবে।”

ফারুক আরও বলেন, “শনিবার বিকেলে বাড়ি থেকে টরকী বন্দরে আমার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের উদ্দেশে রওনা হই। তখন ছাত্রলীগ নেতা রাশেদ হাওলাদার ও তার সহযোগীরা মোটরসাইকেল নিয়ে পথরোধ করে।

“একপর্যায়ে বিজয় দিবসের প্রকাশিত সংবাদে রাশেদের নাম না আসার অজুহাতে আমাকে দুই দফা মারধর করা হয়। তারা লাঠি ও রড দিয়ে পেটানোয় পায়ের হাড়ে চিড় ধরেছে।”

পুলিশ জানায়, আসামিদের বিরুদ্ধে হত্যাচেষ্টা ও চুরির অভিযোগ আনা হয়েছে।

SCROLL FOR NEXT