খবর > কিডজ > পৃথিবীর যতকিছু

  • ছোট্ট পাখি স্নোয়ি প্লোভার

    ছোট্ট পাখি স্নোয়ি প্লোভার পাখিটার নাম স্নোয়ি প্লোভার। যেমন নাম তেমনি দেখতে। মনে হয় যেন বরফের ছোট একটা বল। নরম আর মসৃণ। সাগরের পানির একদম সঙ্গে বাস করে। পানির মধ্যে গিয়ে লাফালাফি করে। খেলাটাও খুব মজার। ঢেউ নেমে পানি সরে গেলে দল বেধে স্নোয়ি প্লোভাররা লাফিয়ে লাফিয়ে পানিকে তাড়া করে, যেই আবার ঢেউ আসে ওমনি সবাই মিলে দে ছুট।

  • ডোরা যার পরিচয়

    ডোরা যার পরিচয় আচ্ছা তোমরা একজন আরেকজনকে কীভাবে চিনতে পারো? চেহারা দেখে তাই তো? খুবই স্বাভাবিক আমাদের এক এক জন মানুষের চেহারা এক এক রকম। জেব্রাদের বেলায় বিষয়টা খুব মজার। ওদের তো আর চেহারা দেখে বোঝার জো নেই কে কোনটা, তবে এই সমস্যারও চমৎকার একটা সমাধান রয়েছে। প্রতিটি জেব্রার গায়ের সাদা কালো ডোরার দাগ একেক রকমের। এই ডোরা দাগ দেখেই বুঝা যায় কোনটা কে, আর কার কে কী হয়। এটাকে আমরা তুলনা করতে পারি মানুষের আঙ্গুলের ছাপের সঙ্গে, একজনের ছাপের দাগ যেমন কিছুতেই আরেকজনের সঙ্গে মিলবে না তেমনি একটা জেব্রার ডোরা কিছুতেই অন্য জেব্রার হবে না।

  • তোমার নামের অর্থ কী?

    তোমার নামের অর্থ কী? কোনো কিছুর নাম যে শুধু একটা চিহ্নিতকারী শব্দ তা কিন্তু নয়। নাম একজন মানুষের পরিচয়, তার অবস্থা সব বুঝায়। ও বাবা বেশ কঠিন কথা হয়ে গেলো! তবে ভেবে দেখো একটা জায়গার নাম কলাবাগান। সেখানে বাগান দূরে থাক একটা কলাও চোখে পড়ে না। তাহলে একবার কি আমাদের মনে আসবে না, এই নামটা কোথা থেকে এলো?

  • হালুম ছাড়া সিংহ

    হালুম ছাড়া সিংহ আচ্ছা তোমরা কি সুকুমার রায়ের বাবু ‘রাম সাপুড়ে’ ছড়াটি পড়েছিলে? সেখানে একটা সাপের আবদার করা হয়েছিল তার কথা মনে আছে কি? ঐ যে—

  • ধাঁধাঁয় বাড়ে বুদ্ধি

    ধাঁধাঁয় বাড়ে বুদ্ধি ধাঁধাঁ, এ শব্দটার সঙ্গে আমরা সবাই পরিচিত। ধাঁধাঁ নানান ধরণের হতে পারে যেমন, তিন অক্ষরের নাম তার পানিতে বাস করে মধ্যের অক্ষর কেটে দিলে আকাশেতে উড়ে। এটা একটা খুবই সহজ ধাঁধাঁ। এর উত্তর হলো, চিতল ও চিল। চিতল মাছ পানিতে বাস করে। আর মধ্যের অক্ষর ‘ত’ এটাকে বাদ দিলে চিল হয় যা আকাশে উড়ে। এটা ছিল একটা কথার ধাঁধাঁ। তবে ধাঁধাঁ বলতে আমরা অনেক কিছু বুঝাই যেমন ছবির ধাঁধাঁ, অংক, আবার ধরো রুবিস কিউবের মতো মিলানোর ধাঁধাও।

  • লাল বিড়াল পান্ডা

    লাল বিড়াল পান্ডা ছবিটা দেখো, কেমন গোলগাল, লেজ ফোলা দেখতে এই বিড়ালটা! কিন্তু একি! এই বিড়ালের মুখ তো একদম বিড়ালের মতো না, মুখটা কেমন ভাল্লুকের মতো। এই অদ্ভুত সুন্দর প্রাণীটার নাম হলো, লাল পান্ডা। কেউ কেউ একে ছোট পান্ডা, বিড়াল পান্ডা ইত্যাদিও ডেকে থাকে।

  • পর্যটক পাখি

    পর্যটক পাখি শীত আসলে কী কী জিনিস সঙ্গে আসবেই বলো দেখি। লেপ, কম্বল, পিঠা, ছুটি, বেড়ানো আর? আর হলো অতিথি পাখি।

  • প্রাণীদের বিশেষ গুণ

    প্রাণীদের বিশেষ গুণ পৃথিবীতে কত রকমের প্রাণী আছে। কারও দুইটা পা, কারও চারটা পা, কারও লেজ আছে, কারও নাই। তবে নিজ নিজ পরিবেশের সঙ্গে মানিয়ে নেওয়ার জন্য এবং নিজেকে রক্ষা করার জন্য প্রতিটা প্রাণীর মধ্যে কিছু অনন্য সাধারণ বিষয় আছে যা তাকে নিজ পরিবেশে শক্তিশালী করে রাখে।

  • নীল মার্লিন মাছ

    নীল মার্লিন মাছ মাছটার নাম ব্লু মার্লিন। বাংলা নীল মার্লিন বলা যায়। তবে বাংলায় এ মাছের নাম পাওয়া বেশ শক্ত। কারণ আমাদের ছোট্ট বঙ্গোপসাগরে এই মাছগুলো সহজে পা দেয় না। ওদের প্রিয় বড় বড় সমুদ্র। যে সমুদ্র গভীর আর বিশাল। তাই সমগ্র মহাসমুদ্র অঞ্চলেই সহজেই চোখে পড়বে ব্লু মার্লিন মাছটা। তবে সমুদ্রটা হতে হবে উষ্ণ। গরম গরম পানি ব্লু মার্লিনের খুব পছন্দ।

  • মাছেরা যেভাবে শ্বাস নেয়

    মাছেরা যেভাবে শ্বাস নেয় যে কোনো জীব তা সে যতই ছোট হোক বেঁচে থাকার পূর্বশর্ত হল বাতাস থেকে শ্বাস নেওয়া। শ্বাস নেওয়া বলতে মূলত বাতাস থেকে অক্সিজেন টেনে নেওয়াকেই বোঝায়। আর শ্বাস ত্যাগ করাকে বলে নিশ্বাস ত্যাগ করা। এর মাধ্যমে আমরা বাতাসে কার্বন ডাই অক্সাইড ত্যাগ করি। এটাই একটা সাধারণ প্রক্রিয়া যা সব জীব করে থাকে।

  • পিচ্চি তিমি বেলুগা

    পিচ্চি তিমি বেলুগা তিমি বলতেই আমাদের মনে পরে বিশাল একটা মাছের কথা। গল্প উপন্যাসে সেই প্রাণীটির বিশালত্ব কতভাবেই না বোঝানো হয়েছে। যেমন একবার এক নাবিক সমুদ্রে হারিয়ে গেল। এরপর সে খুঁজে পেল একটা দ্বীপ। সেই দ্বীপে উঠে বেশ এলাকা জুড়ে ঘুরোঘুরি করার পরে সে বুঝতে পারলো দ্বীপটা বেশ নড়াচড়া করে। একসময় দ্বীপটা পুরো ভেসে উঠায় নাবিক বুঝতে পারলেন এটা দ্বীপ নয়। এটা একটা তিমি মাছ!

  • পিঁপড়ার আছে কত কথা

    পিঁপড়ার আছে কত কথা পিঁপড়া আমাদের আশেপাশে সবখানেই আছে। এক দুবার পিপড়ার কামড় খাইনি এমন ঘটনা আমাদের জীবনে ঘটেনি। পিঁপড়ার লম্বা সারির পিছু নেওয়া বা পিঁপড়ার বাড়ি খুঁজে বের করার মতো কাজ আমরা কম বেশি সবাই করেছি। চলো জানা যাক পিঁপড়াদের নিয়ে দারুণ তথ্য।

  • কথা জড়িয়ে দেওয়া বাক্য

    কথা জড়িয়ে দেওয়া বাক্য আচ্ছা তোমরা কি খুব দ্রুত পাঁচবার “পাখি পাকা পেঁপে খায়” এ কথাটা বলতে পারবে? আচ্ছা তাহলে শুরু করা যাক এক. পাখি পাকা পেঁপে খায়, দুই পাখি পাপা পেঁপে খায়, তিন. পাখি কাকা কেকে খায়… … হল তো উচ্চারণ! দ্রুত বলতে গিয়ে দুইবারেই একদম পেঁচিয়ে পরে ধপাস!

  • মিষ্টি প্রাণী কোয়ালা

    মিষ্টি প্রাণী কোয়ালা কোয়ালা প্রাণীটাকে তোমরা হয়তো অনেকেই চিনো না। আর চিনবেই বা কীভাবে? কোয়ালা সারা পৃথিবীতে বাস করে শুধুমাত্র অস্ট্রেলিয়ার পূর্বাঞ্চলে। খুব কম এলাকায় থাকে বলে সমগ্র অস্ট্রেলিয়া অঞ্চলে কোয়ালাদের খুব ভালোবাসার সঙ্গে রাখা হয়।

  • অসামাজিক প্রাণী কাটাচুয়া

    অসামাজিক প্রাণী কাটাচুয়া কাটাচুয়া প্রাণীটা দেখতে খুব মিষ্টি ছোট্ট একটা বলের মতো। তবে দেখতে মিষ্টি হলেও সে মোটেই বলের মতো নরম কোমল কিছু নয়। কাটাচুয়ার পুরোটা পিঠ জুড়ে থাকে শক্ত, সূচালো কাঁটা। শুধু মুখ বুক আর পেট বাদে কাটাচুয়ার পুরো শরীর জুড়েই শুধু কাঁটা আর কাঁটা। তাই এইসব নরম অংশকে রক্ষা করতে কাটাচুয়ারা পুরো শরীরটাকে পেঁচিয়ে একটা বলের মত বানিয়ে রাখে। এই বলের উপরিভাগে থাকে শুধুই কাঁটা।

  • উড়তে না পারা পাখিটা

    উড়তে না পারা পাখিটা বলো তো, পৃথিবীর সবচেয়ে বড় পাখির নাম কী? তোমরা যারা ইতিমধ্যে স্কুলে যাওয়া শুরু করেছো তারা হয়তো পাখিটির নাম জানো। পৃথিবীর সবচেয়ে বড় পাখির নাম উটপাখি। ইংরেজিতে বলে অস্ট্রিচ (Ostrich)।

  • ধনঞ্জয়

    ধনঞ্জয় আমাদের যুগে ইন্টারনেট নামে বিশাল একটা সুবিধা রয়েছে। আমরা বোতামে ক্লিক করলেই হাজার খানেক লিঙ্ক বের হয়ে আসে আর যা জানতে চাই তা জেনে ফেলতে পারি চট করেই। কিন্তু মাত্র দুই যুগ আগেও এই অবস্থাটা ছিলো না। এমনকি এক যুগ আগেও যখন ইন্টারনেট হাটি হাটি পা পা অবস্থায় ছিলো তখনও চাইলেই এত তথ্য হাতের মুঠোয় চলে আসতো না।

  • পার্বত্য সিংহ

    পার্বত্য সিংহ তোমরা কি কখনও এমন কোনো ক্যাপ মাথায় দিয়েছো বা টি-শার্ট পরেছো যেখানে ছোট্ট করে লাফিয়ে পড়তে প্রস্তুত এমন একটি সিংহের ছবি থাকে। তাহলে হয়তো এও দেখেছো এর সঙ্গেই লেখা থাকে ‘পুমা’ (puma)? পুমা পৃথিবীর সেরা স্পোর্টস ব্রান্ডগুলোর একটি।

  • পরিশ্রমী শামুক

    পরিশ্রমী শামুক শামুক নামের প্রাণীটির সঙ্গে তোমরা কম-বেশি সবাই পরিচিত। চোখে যদি নাও দেখে থাকো তার নাম হরহামেশাই শুনে থাকবে। এই তো, যে কোনো কাজ করতে একটু দেরি করলেই মা বলে উঠেন, এমন শামুকের গতিতে আগালে হবে? শামুক প্রাণীটি জগত-বিখ্যাত তার শ্লথ গতির জন্য। অনেকে তাই একে কুঁড়েও ভাবে।

  • বুদ্ধিমান বোতল-নাক ডলফিন

    বুদ্ধিমান বোতল-নাক ডলফিন তোমরা ডলফিন বলতে যে প্রাণীটিকে চিনো তাদের পরিবারের নাম হচ্ছে Delphinidae। এই পরিবারের সবচেয়ে জনপ্রিয় সদস্যের নাম বোতল-নাক ডলফিন। তোমরা প্রায়ই টেলিভিশনে লম্বা নাকের হাসি হাসি চেহারার এই ডলফিনকে সুইমিং পুলের পানি থেকে শূন্যে লাফিয়ে উঠে বা বল নিয়ে খেলা করতে দেখে থাকবে। এরা যেমন বুদ্ধিমান, তেমনি মজাদার এবং বন্ধুত্বসুলভ প্রাণীও। আর আমরা সবাই তো জানিই, দেখতে মাছের মতো এবং বাস পানিতে হলেও ডলফিন কিন্তু মাছ নয়। তিমির মতো ডলফিনও একটি স্তন্যপায়ী প্রাণী।

  • মৃতসাগরের গল্প

    মৃতসাগরের গল্প শিরোনাম শুনে নিশ্চয়ই বিভ্রান্ত লাগছে। সাগর আবার মৃত হয় কীভাবে? তবে পৃথিবীতে সত্যিই একটি সাগরের নাম dead sea বা মৃতসাগর।

  • আলো জ্বলা প্রবাল

    আলো জ্বলা প্রবাল পৃথিবীর মোট আয়তনে তিন ভাগই পানি। তবে পানির এই এলাকাটা যে কত বিশাল তা শুধু এর বিস্তৃতি দিয়ে বুঝানো সম্ভব নয়। কেননা সমুদ্রের এলাকা শুধু এর বিস্তৃতিতে সীমাবদ্ধ নয়। এর গভীরতা বিস্তৃতির থেকে অনেক বেশি। এই গভীরতাও আবার অনেক স্তরে বিভক্ত। প্রতিটি গভীরতার ধরণ আবার আলাদা। তাই বিশাল সমুদ্রের অতলে কোথায় কোন প্রান্তে কী বিস্ময় অপেক্ষা করছে তা কেউ জানে না।

  • জাগুয়ার নাকি বাঘ নয়?

    জাগুয়ার নাকি বাঘ নয়? দক্ষিণ আমেরিকা বা আমাজন অঞ্চলের বনভূমি নিয়ে লেখা কোনো বই পড়লে বা অনুষ্ঠান দেখলে তোমরা লক্ষ্য করবে বার বার জাগুয়ারের কথা বলা হয়। কী এই জাগুয়ার? জাগুয়ার হলো দক্ষিণ আমেরিকার বাঘ। কিন্তু আমরা তো বাঘ বলতে চিনি রয়েল বেঙ্গল টাইগারকে। আর জাগুয়ার দেখতে মোটেই রয়েল বেঙ্গলের মতো নয়। তবে জাগুয়ার আবার কেমন বাঘ?

  • পেঙ্গুইনের রাজা

    পেঙ্গুইনের রাজা পেঙ্গুইন প্রাণীটিকে তোমরা সবাই চিনো। এই অদ্ভুত পাখিটি দুইপায়ে হেলে দুলে বরফের মধ্যে হাঁটে আবার পানিতেও সাঁতার কাটে। তবে উড়তে পারে না মোটেই। পৃথিবীর সব পেঙ্গুইনের বাস হচ্ছে উত্তর ও দক্ষিণ মেরু সংলগ্ন স্থানগুলোতে। সেখানে তারাবিশাল বিশাল দল নিয়ে মজা করে বাস করে, শিকার করে বাচ্চা-কাচ্চা বড় করে। পৃথিবীতে বেশ অনেকগুলো প্রজাতির পেঙ্গুইন আছে। এদের মধ্যে রাজা বা এম্পেরর পেঙ্গুইন হলো পৃথিবীতে বসবাসকারী পেঙ্গুইন প্রজাতিগুলোর মধ্যে সবচেয়ে লম্বা ও স্বাস্থ্যবান। তাই তো এদের নামকরণ করা হয়েছে পেঙ্গুইন সম্রাট।

  • সাগরতলের বন্ধুত্ব

    সাগরতলের বন্ধুত্ব সাগর তলায় একটা অন্যরকম দুনিয়া আছে। সে দুনিয়ায় এমন সব জীব আছে যাদের কথা তোমরা কখনও শুনোনি। শুনবেই বা কীভাবে? সাগরের তলা এখনও একটি অজানা দুনিয়া। এই দুনিয়া এত বিশাল ও গভীর যে জীববিজ্ঞানীরাও এখন পর্যন্ত সব প্রাণীর পরিচয় জেনে উঠেননি। যাদের পাওয়া গিয়েছে তাদের সম্পর্কেও সবকিছু এখনও জানা হয়নি। এইসব জীবদের মধ্যে প্রতিনিয়ত নানান রকমের ঘটনা ঘটে, যা আমাদের কাছে খুবই অভিনব। এরকম একটি ঘটনার কথাই তোমাদের আজ বলবো।