বুধবার
রাত ৯টার দিকে সরকারের প্রধান আইন কর্মকর্তা শাহবাগে গিয়ে একথা আন্দোলনকারীদের
জানান, যিনি যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনালে শুনানিতে প্রসিকিউশনকে সহযোগিতা করেছেন।
মাহবুবে
আলম বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “আমরা (রাষ্ট্রপক্ষ) কী করছি, এটা জনগণকে
জানাতেই সেখানে গিয়েছিলাম।”
যুদ্ধাপরাধের
মামলায় জামায়াত নেতা কাদের মোল্লাকে যাবজ্জীবন সাজা দেয়ার পর তা প্রত্যাখ্যান করে
৩৬ ঘণ্টার বেশি সময় ধরে শাহবাগে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ করছে জনতা, বিশেষ করে
তরুণরা।
তাদের
কী বলেছেন- জানতে চাইলে অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, “আমি ওখানে বলেছি, আমরা চুপ করে
বসে নেই। আমরাও এ রায়ে বিক্ষুব্ধ। আমরা আপিলের প্রস্তুতি নিচ্ছি।”
সুপ্রিম
কোর্ট আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি মাহবুবে আলম বলেন, ছয়টি অভিযোগের মধ্যে একটিতে
কাদের মোল্লাকে বেকসুর খালাস দেয়া হয়েছে। আইন অনুসারে ওই অভিযোগের প্রেক্ষিতে
আপিলের সুযোগ রয়েছে।
“আমরা
রায় পর্যালোচনা করে দ্রুততম সময়ের মধ্যে আপিল দায়ের করার প্রস্তুতি নিচ্ছি।”
অ্যাটর্নি
জেনারেলের আগে রাত ৮টার দিকে শাহবাগে যান ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর
সদস্য ও সংসদ উপনেতা সাজেদা চৌধুরী।
তিনি
বিক্ষোভস্থলে পৌঁছলে আন্দোলনকারীরা ‘মানি না-মানবো না, এই রায়-মানবো না’, ‘কাদের
মোল্লার ফাঁসি চাই, দিতে হবে’ স্লোগানে ফেটে পড়ে।
সাজেদা
বিক্ষোভের মূলমঞ্চে গিয়ে বলেন, “আমাকে প্রধানমন্ত্রী আপনাদের দাবির কথা শুনতে
পাঠিয়েছেন। আপনারা কী চান?”
বিক্ষোভকারীরা
তখন সমস্বরে দাবি তোলে- “ফাঁসি চাই, ফাঁসি চাই, কাদের মোল্লার ফাঁসি চাই।”
স্লোগানের
কারণে এক পর্যায়ে কথা বলতে না পেরে সাজেদা শাহবাগ ছাড়েন।