তার
মতে, সরকারের শেষ বছরে এসে দেশের মানুষ বহু প্রতীক্ষিত এই সেতু নির্মাণের শুরু
দেখতে চায়।
আর
তাই কথা না বলে কাজ দেখাতে চাইছেন ওবায়দুল কাদের।
যোগাযোগমন্ত্রী
শনিবার সিলেটে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে বলেন, “পদ্মা সেতু নিয়ে আর কোনো কথা
বলতে আমি রাজি নই।এটা নিয়ে মানুষ বিরক্ত।
“সবাই
এখন দৃশ্যমান কাজ দেখতে চায়। সরকারের বাকি মেয়াদের মধ্যেই এই দৃশ্যমান কাজ শুরু
হবে।”
বিশ্ব
ব্যাংক দুর্নীতির অভিযোগ তুলে ২৯১ কোটি ডলারের এই প্রকল্পে ১২০ কোটি ডলার ঋণ এখনো
দেয়নি।
দুর্নীতির
অভিযোগ তুলে প্রকল্পে অর্থায়নও বাতিল করেছিল সংস্থাটি। পরে সিদ্ধান্ত বদলালেও
দুর্নীতি দমন কমিশনের তদন্ত পর্যবেক্ষণের পরই অর্থ দেয়ার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে বলে
জানিয়েছে।
ওবায়দুল
কাদের আশা করছেন, বিশ্ব ব্যাংকের অর্থ পাওয়া যাবে কি না, তা আগামী ফেব্রুয়ারির
মধ্যে নিশ্চিত হওয়া যাবে।
তিনি
বলেন, “বিশ্ব ব্যাংক পদ্মা সেতুর অর্থায়ন না করলে বিকল্প পথে এ সরকারের আমলেই পদ্মা
সেতুর কাজ শুরু করা হবে।”
“বিকল্প
অর্থায়ন দেশের অথবা দেশের বাইরেরও হতে পারে। ফেব্রুয়ারি মাসের মধ্যেই সেটা পরিষ্কার
হয়ে যাবে।”
শনিবার
সকালে সিলেটের সুরমা নদীর ওপর কাজিরবাজার সেতুর নির্মাণ কাজ পরিদর্শনের সময় পদ্মা
প্রকল্প নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের মুখে পড়েন মন্ত্রী।
১১১
কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিতব্য কাজিরবাজার সেতু কাজ অক্টোবরের মধ্যেই শেষ হবে বলে
জানান তিনি।
সেতু পরিদর্শনের সময় মন্ত্রীর সঙ্গে ছিলেন সিলেট সিটি কর্পোরেশনের মেয়র বদরউদ্দিন আহমদ কামরান,
সংসদ সদস্য ইমরান আহমদ, মাহমুদ-উস সামাদ চৌধুরী, শফিকুর রহমান চৌধুরী ও সিলেটের জেলা
প্রশাসক খান মোহাম্মদ বিলাল।