শুক্রবার ঝিনাইদহ ক্যাডেট কলেজের সুবর্জয়ন্তীর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে মুহিত বলেন, “স্বাধীনতার সুবর্জয়ন্তীতে আমাদের দেশ মধ্য আয়ের এবং ডিজিটাল হবে- প্রধানমন্ত্রী আমাদের এ স্বপ্ন দেখিয়েছেন।
“আমি সেভাবে বলি না। আমি বলি ২০২১ সালে শান্তি, সম্মৃদ্ধি ও সুখ পাব আমরা। সে লক্ষ্যেই এগিয়ে যাচ্ছি।”
তবে স্বাধীনতার ৫০ বছরেও দেশে সব ক্ষেত্রে সমতা আসবে বলে মনে করেন না ক্ষমতাসীন দলের এই নেতা।
তিনি বলেন, “বাংলাদেশ অসম্ভবকে সম্ভব করে। স্বাধীনতার ৪০ বছর পর নানা ধরনের অসুবিধা সত্বেও আমরা সম্ভাবনাময় দেশ হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছি।”
অনুষ্ঠানের এক ফাঁকে পদ্মা সেতু নিয়ে কয়েকজন সাংবাদিকের প্রশ্নেরও জবাব দেন মুহিত।
আগের দিনের মতোই তিনি বলেন, অর্থায়নের বিষয়ে এ মাসের মধ্যেই বিশ্ব ব্যাংক অবস্থান জানাবে বলে তিনি আশা করছেন।
তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু অনুষ্ঠানে বলেন, “আমরা স্বাধীনতার সময় যে স্বপ্ন দেখেছিলাম তা পূরণ করতে পারিনি। তাই এখনো দারিদ্র্য, পরিবেশের অভিঘাত ও সাম্প্রদায়িকতার বিরুদ্ধে যুদ্ধ চলছে।”
তিনি বলেন, অর্নীতিবিদরা বাংলাদেশকে উদীয়মান অর্থনীতির তালিকায় রাখছেন। ২০২০ থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে বাংলাদেশ শীর্ষ অর্থনীতির দেশগুলোর কাতারে চলে আসবে।
তিন দিনের এই সুবর্জয়ন্তী অনুষ্ঠানে সাবেক ও বর্তমান শিক্ষার্থীদের মিলনমেলায় পরিণত হয়েছে ঝিনাইদহ ক্যাডেট কলেজে।
আয়োজকরা জানান, প্রায় দেড় হাজার সাবেক শিক্ষার্থীকে এ অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। এ প্রতিষ্ঠানে বর্তমানে প্রায় ৩০০ ছাত্র রয়েছে।
সন্ধ্যায় কুষ্টিয়ার শিলাইদহের কুঠিবাড়িতে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের নোবেল প্রাপ্তির শতবর্ষ পূর্তির অনুষ্ঠানে যোগ দেয়ার কথা অর্থমন্ত্রী ও তথ্যমন্ত্রীর।