bdnews24.com - Home https://bangla.bdnews24.com/ The RSS feed of bdnews24.com en Bangladesh News 24 Hours Ltd. 2017-09-13 09:34:43.0 2017-09-13 09:34:43.0 Home customGroupedContent 1 2 Home bangladesh_bn বাংলাদেশ news-bn 199 1530665 নিজস্ব প্রতিবেদক বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম নিজস্ব প্রতিবেদক বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম 2018-08-17 19:44:43.0 2018-08-17 19:53:10.0 আসছে কোরবানির পশু, প্রস্তুত হচ্ছেন ক্রেতা-বিক্রেতা আসছে কোরবানির পশু, প্রস্তুত হচ্ছেন ক্রেতা-বিক্রেতা ভালো দামে বিক্রির আশায় বরাবরের মতো এবারও রাজধানীর হাটগুলোতে কোরবানির পশু আনতে শুরু করেছেন ব্যবসায়ীরা। গত কয়েকদিন ধরেই ট্রাক বোঝাই হয়ে আসছে পশু; আসছে নৌপথেও। ভালো দামে বিক্রির আশায় বরাবরের মতো এবারও রাজধানীর হাটগুলোতে কোরবানির পশু আনতে শুরু করেছেন ব্যবসায়ীরা। গত কয়েকদিন ধরেই ট্রাক বোঝাই হয়ে আসছে পশু; আসছে নৌপথেও। false https://bangla.bdnews24.com/bangladesh/article1530665.bdnews false https://d30fl32nd2baj9.cloudfront.net/media/2018/08/17/cattle-market-gabtoli-17082018-0010.jpg/ALTERNATES/w300/Cattle-market-gabtoli-17082018-0010.jpg গাবতলী পশুর হাটে শুক্রবার ট্রাক থেকে গরু নামাচ্ছেন এক ব্যবসায়ী। ছবি: আসিফ মাহমুদ অভি
শুক্রবার রাজধানীর কয়েকটি হাট ঘুরে বিক্রেতাদের হাঁকডাকই বেশি দেখা গেছে। ক্রেতাও আসছেন, তবে সংখ্যায় কম। হাট ঘুরে পশু দরদামও করছেন। পুরোদমে বেচাকেনা আরও দুই-একদিন পর শুরু হবে মনে করছেন ক্রেতা-বিক্রেতারা।

এবার ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরপোরেশন এলাকায় ১৩টি এবং উত্তর সিটি করপোরেশন এলাকায় ১০টি হাট বসছে।  

এতে করপোরেশনের আয় কমে যাবে কি না জানতে চাইলে দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র মোহাম্মদ সাঈদ খোকন বলেন, “এবার সিটি করপোরেশন গতবারের চেয়ে বেশি রাজস্ব আদায় করবে।”

তবে কমলাপুর স্টেডিয়ামের পাশের খালি জায়গা এবং ব্রাদার্স ইউনিয়ন ক্লাবের পাশের খালি জায়গা ইজারা দেয়নি দক্ষিণ সিটি করপোরেশন। সেখানে সিটি করপোরেশনের নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় হাট বসবে।

রাজধানীর গাবতলী পশুর হাটে বিক্রির অপেক্ষায় গরু। ছবি: আসিফ মাহমুদ অভি

রাজধানীর গাবতলী পশুর হাটে বিক্রির অপেক্ষায় গরু। ছবি: আসিফ মাহমুদ অভি

কমলাপুর হাটে বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই গরু নিয়ে আসছেন অনেকে।

চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গা থেকে ১০টি গরু নিয়ে আসা হাসিবুল ইসলাম বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, গরুগুলো তিনি নিজে পুষেছেন।

“আমি গতবারও এই হাটে আসছিলাম। দাম ভালো পাইছিলাম। এইবারও এই হাটে আলাম (আসলাম)।”

আলমডাঙ্গা থেকে আসা আরেক বিক্রেতা মাহবুবুর রহমান এবার বিক্রির জন্য ৩০টি গরু এনেছেন হাটে। তিনি গতবছর কমলাপুর হাটে গরু বিক্রি করেছিলেন।

শুক্রবার ভোরে হাটে আসা এই বিক্রেতা বলেন, “গতবার প্রত্যাশিত দাম না পেলেও এবার ভালো দাম পাওয়ার আশা করছেন তিনি।

“গতবার হাটে গরু বেশি ছিল। সে কারণে দাম ভালো পাইনি। কিন্তু এবার গরু গতবারের চেয়ে কম। ইন্ডিয়ান গরু না আসলে দাম ভালো পাব।”

এবার হাটের ব্যবস্থাপনা নিয়ে সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর থেকে এই হাটে আসা আক্কাস আলী অভিযোগ করে বলেন,  “বৃহস্পতিবার ভোরে আসার পর পুলিশ হাটে গরু নিয়ে ঢুকতে দেয়নি। পরে গরু ঢোকালেও বিরক্ত করেছে।

ট্রাক থেকে নামিয়ে হাটে নেওয়া হচ্ছে কোরবানির পশু। ছবি: মাহমুদ জামান অভি

ট্রাক থেকে নামিয়ে হাটে নেওয়া হচ্ছে কোরবানির পশু। ছবি: মাহমুদ জামান অভি

“আমি তিরিশটা গরু আনিছি। হাটে ঢুকবার না দিলি এগুলা রাখি কনে? পরে ঢুকাইলেও তারা আইসে দড়ি কাইটে দিছে। এইরাম কইরলে তো সমইস্যা।”

কমলাপুর হাটের সার্বিক প্রস্তুতি এখনও শেষ হয়নি। পুরো হাটে এখনও শেষ হয়নি সামিয়ানা টানানো। ফলে প্রখর রোদে পশুগুলো কষ্ট পাচ্ছে বলে অভিযোগ করলেন বিক্রেতা ইদ্রিস আলীর।

কুষ্টিয়ার দৌলতপুর থেকে আসা ইদ্রিস বলেন, “অহনও শেড দেয় নাই। রইদে আমাগের জীবনই বাইর অয়া যাইতেছে। রইদে অবলা গরুগুলান খুব কষ্ট পাচ্ছে। ক্লান্ত হইয়ে যাচ্ছে।”

কমলাপুর হাটে ঘুরে ঘুরে কোরবানির পশু দেখছিলেন ফারুক হোসেন। তিনি জানান, বাড়ির পাশে হাট তাই দেখতে এসেছেন।

“দেখি কেমন গরু উঠছে। পছন্দ হলে, পরতায় পড়লে কিনেও ফেলতে পারি।”

শাহজাহানপুর মৈত্রী সংঘের মাঠে শুক্রবারও কোরবানির পশু আসছে। সেখানে গরু দেখতে এসেছেন বাসাবোর বাসিন্দা তানভির হাসান।

গরুর দাম বেশি চাওয়া হচ্ছে জানিয়ে তিনি বলেন, “প্রথমদিকে বলে বিক্রেতারা দাম বেশি চাচ্ছে। এখনও তো হাটে গরু পুরোপুরি জমে উঠেনি। বিক্রিও শুরু হয়নি। তারপরও দেখি পছন্দমতো হলে কিনে ফেলব।”

দনিয়া হাটে ঘুরে প্রচুর গরু দেখা গেছে। ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের দুই পাশের খুঁটিতেও গরু বেঁধে রাখা হয়েছে। ট্রাকে করে গরু এনে নামানো হচ্ছে।

সিরাজগঞ্জ থেকে ১৪টি  দেশি গরু নিয়ে এই হাটে এসেছেন আবদুস সাত্তার। তিনি জানালেন, আরও দুই ট্রাকে করে গরু আসবে তার।

“আমারগুলান বেবাক দিশি গরু। কাইল সন্ধ্যায় রওনা হইছি। আইজ ভোরে নাইমলাম। গতবারের চেয়ে তো বেশি দামে গরু কিনিছি। এইখানে ক্যামন দাম পামু বুইজবার পারি না। দেহি কি অয়।”

পাবনার সাঁথিয়ার সোহেল রানা এনেছেন ১৪টি গরু। তার চাওয়া, এবার যেন ভারতের গরু বাংলাদেশে না ঢোকে।

“আমরা কষ্ট করে গরু পালি। ঈদের সময় ইন্ডিয়ার গরু আইসা দাম কমাইয়া দেয়। এইবার যেন তা না হয়। কারণ কৃষকের লাভ হলে সে বিনিয়োগ করবে। গরুর উৎপাদন বাড়বে। উৎপাদন বাড়লে দেশেরই লাভ।”

এবার গরু, মহিষ, ছাগল, ভেড়া মিলিয়ে দেশে এক কোটি ১৬ লাখ ‘কোরবানিযোগ্য’ পশু রয়েছে বলে জানিয়েছে সরকার। এসব গবাদিপশুর মধ্যে ৪৪ লাখ ৫৭ হাজার গরু ও মহিষ এবং ৭১ লাখ ছাগল ও ভেড়া রয়েছে।

আগামী ২২ অগাস্ট বাংলাদেশে কোরবানির ঈদ উদযাপিত হবে।

ঢাকার কোরবানির পশুর হাট

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন এলাকার মেরাদিয়া, উত্তর শাহজাহানপুর মৈত্রী সংঘের মাঠ, জিগাতলা হাজারীবাগ মাঠের পাশের খালি জায়গা, রহমতগঞ্জ খেলার মাঠ, কামরাঙ্গীরচরের বুড়িগঙ্গার পাশের খালি জায়গা, পোস্তগোলা শ্মশানঘাটের কাছের জায়গা, শ্যামপুর বালুর মাঠ পশুর হাটের জন্য ইজারা দেওয়া হয়েছে।

এছাড়া ব্রাদার্স ইউনিয়নের বালুর মাঠ, কমলাপুর স্টেডিয়ামের রাস্তার পাশের খালি জায়গা, আরমানিটোলা খেলার মাঠের আশপাশের জায়গা, ধুপখোলা ইস্ট অ্যান্ড ক্লাব মাঠ, দনিয়া কলেজের সামনের খালি জায়গা, ধোলাইখালের সাদেক হোসেন খোকা মাঠে হাট দক্ষিণ সিটি করপোরেশন নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় পরিচালিত হবে।

অন্যদিকে উত্তর সিটি করপোরেশনের গাবতলী, উত্তরা ১৫ নম্বর সেক্টরের দুই নম্বর ব্রিজের পাশের খালি জায়গা, খিলক্ষেত ৩০০ ফুট সড়কের উত্তরপাশে বসুন্ধরা হাউজিংয়ের খালি জায়গা, খিলক্ষেত বনরূপা আবাসিক এলাকার খালি জায়গা, ভাটারা, ঢাকা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের খেলার মাঠ, মোহাম্মদপুর বুদ্ধিজীবী সড়কের পাশে পুলিশ লাইন্সের খালি জায়গা, মিরপুর ৬ নম্বর সেকশনের ইস্টার্ন হাউজিংয়ের খালি জায়গা, মিরপুর ডিওএইচএসের পাশে সেতু প্রোপার্টিজের খালি জায়গা, উত্তরখান মৈনারটেক শহীদ নগর হাউজিংয়ের খালি জায়গায় বসচে পশুর হাট।

আরও খবর

ভারতীয় গরু কমলেও জমজমাট যশোরের পশুর হাট  

পশুর হাট যেন ‘অস্থির’ না হয়, সতর্ক থাকতে ডিসিদের নির্দেশ  

দেশে কোরবানিযোগ্য পশু ১ কোটি ১৬ লাখ  

]]>
1530625 https://d30fl32nd2baj9.cloudfront.net/media/2018/08/17/cattle-market-gabtoli-17082018-0010.jpg/ALTERNATES/w300/Cattle-market-gabtoli-17082018-0010.jpg গাবতলী পশুর হাটে শুক্রবার ট্রাক থেকে গরু নামাচ্ছেন এক ব্যবসায়ী। ছবি: আসিফ মাহমুদ অভি 1530629 https://d30fl32nd2baj9.cloudfront.net/media/2018/08/17/cattle-market-gabtoli-17082018-0002.jpg/ALTERNATES/w300/Cattle-market-gabtoli-17082018-0002.jpg রাজধানীর গাবতলী পশুর হাটে বিক্রির অপেক্ষায় গরু। ছবি: আসিফ মাহমুদ অভি 1530635 https://d30fl32nd2baj9.cloudfront.net/media/2018/08/17/cattle-market-meradiya-17082018-0010.jpg/ALTERNATES/w300/Cattle-market-meradiya-17082018-0010.jpg ট্রাক থেকে নামিয়ে হাটে নেওয়া হচ্ছে কোরবানির পশু। ছবি: মাহমুদ জামান অভি 1530666 https://d30fl32nd2baj9.cloudfront.net/media/2018/08/17/cattle-market-meradiya-17082018-0003.jpg/ALTERNATES/w300/Cattle-market-meradiya-17082018-0003.jpg 1530667 https://d30fl32nd2baj9.cloudfront.net/media/2018/08/17/cattle-market-gabtoli-17082018-0006.jpg1/ALTERNATES/w300/Cattle-market-gabtoli-17082018-0006.jpg 1530668 https://d30fl32nd2baj9.cloudfront.net/media/2018/08/17/cattle-market-gabtoli-17082018-0009.jpg/ALTERNATES/w300/Cattle-market-gabtoli-17082018-0009.jpg 1530669 https://d30fl32nd2baj9.cloudfront.net/media/2018/08/17/cattle-market-gabtoli-17082018-0011.jpg1/ALTERNATES/w300/Cattle-market-gabtoli-17082018-0011.jpg
2 2 Home neighbour_bn প্রতিবেশী news-bn 9517 1530675 নিউজ ডেস্ক বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম নিউজ ডেস্ক বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম 2018-08-17 20:12:52.0 2018-08-17 20:39:25.0 ইমরানই পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরানই পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী পাকিস্তানের ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলির ভোটে প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হওয়ার পর শনিবারই শপথ নেবেন তিনি। পাকিস্তানের ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলির ভোটে দেশের প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হয়েছেন সাবেক ক্রিকেট তারকা ইমরান খান। শনিবারই শপথ নেবেন তিনি। false https://bangla.bdnews24.com/neighbour/article1530675.bdnews false https://d30fl32nd2baj9.cloudfront.net/media/2018/08/17/imran.jpg/ALTERNATES/w300/imran.jpg
ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলির ভোটে প্রার্থী ছিলেন দুইজন। একজন হচ্ছেন, পাকিস্তান তেহরিক ই-ইনসাফ (পিটিআই) পার্টির নেতা ইমরান খান এবং অপরজন, পাকিস্তান মুসলিম লিগ-নওয়াজ (পিএমএল-এন) এর প্রেসিডেন্ট শাহবাজ শরিফ।

শুক্রবার দুপুর সাড়ে তিনটার দিকে অ্যাসেম্বলির নব নির্বাচিত প্রতিনিধিরা উপস্থিত হওয়ার পর ভোট শুরু হলে প্রত্যাশিতভাবেই তাতে জিতে যান পিটিআই নেতা ইমরান খান। তাকে ভোট দেন ১৭৬ সদস্য। অন্যদিকে, প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী শাহবাজ পান ৯৬ ভোট।

গত জুলাইয়ের নির্বাচনে ইমরান খানের পিটিআই পার্লামেন্টে বেশির ভাগ আসন পেয়েছিল। ছোট দলগুলো নিয়ে তার প্রধানমন্ত্রী হওয়ার বিষয়টি তখনই একরকম নির্ধারিত হয়ে যায়। সেই ছোট দলগুলোর সাহায্যেই শেষ পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রীত্ব নিশ্চিত হল ইমরানের।

প্রধানমন্ত্রী হিসাবে বাড়তে থাকা অর্থনৈতিক সঙকট জর্জরিত একটি দেশ হাতে পাচ্ছেন ইমরান। তবে এ অবস্থা থেকেই একটি ‘নতুন পাকিস্তান’ গড়ে তোলার অঙ্গীকার করেছেন তিনি।

নির্বাচনের আগেই বিবিসি কে ইমরান বলেছিলেন, তিনি নির্বাচিত হলে প্রথমেই অর্থনীতির দিকে নজর দেবেন।

গত ২৫ জুলাইয়ে সাধারণ নির্বাচনের পর ইমরান কাশ্মীর সমস্যা সমাধানের জন্য ভারতের সঙ্গে আলোচনায় বসারও অঙ্গীকার করেছিলেন। সেইসঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে একটি ‘পারষ্পরিক লাভজনক’ সম্পর্ক গড়তে চান বলে জানিয়েছিলেন তিনি।

]]>
1530674 https://d30fl32nd2baj9.cloudfront.net/media/2018/08/17/imran.jpg/ALTERNATES/w300/imran.jpg
3 2 Home bangladesh_bn বাংলাদেশ news-bn 199 1530599 আদালত প্রতিবেদক,  বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম আদালত প্রতিবেদক,  বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম 2018-08-17 17:08:38.0 2018-08-17 17:08:38.0 গুজবের মামলায় ফারিয়া রিমান্ডে গুজবের মামলায় গ্রেপ্তার ফারিয়া ৩ দিনের রিমান্ডে নিরাপদ সড়কের আন্দোলনের মধ্যে ফেইসবুকে ‘উসকানিমূলক পোস্ট দিয়ে গুজব ছড়ানোর’ অভিযোগে গ্রেপ্তার কফিশপ মালিক ফারিয়া মাহজবিনকে তথ্য প্রযুক্তি আইনের এক মামলায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তিন দিনের পুলিশ রিমান্ডে পাঠিয়েছে আদালত। নিরাপদ সড়কের আন্দোলনের মধ্যে ফেইসবুকে ‘উসকানিমূলক পোস্ট দিয়ে গুজব ছড়ানোর’ অভিযোগে গ্রেপ্তার কফিশপ মালিক ফারিয়া মাহজবিনকে তথ্য প্রযুক্তি আইনের এক মামলায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তিন দিনের পুলিশ রিমান্ডে পাঠিয়েছে আদালত। false https://bangla.bdnews24.com/bangladesh/article1530599.bdnews false https://d30fl32nd2baj9.cloudfront.net/media/2018/08/17/faria-mahjabin.jpg/ALTERNATES/w300/Faria-Mahjabin.jpg
পুলিশের রিমান্ড আবেদনের শুনানি করে ঢাকার মহানগর হাকিম এ কে এম মাইনুদ্দীন শুক্রবার এই রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

ঢাকার নর্থ ওয়েস্টার্ন ইউনিভার্সিটিতে লেখাপড়া করা ফারিয়া মাহজাবিন (২৮) ধানমণ্ডিতে নার্ডি বিন কফি হাউজ নামে একটা কফিশপ চালান।

বৃহস্পতিবার রাতে হাজারীবাগ থানাধীন হাজী আফসার উদ্দিন রোডের বাসা থেকে ফারিয়াকে গ্রেপ্তার করা হয় বলে শুক্রবার সকালে র‌্যাবের পক্ষ থেকে জানানো হয়।

র‌্যাবের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ফারিয়া ফেসবুক মেসেঞ্জার ব্যবহার করে ছাত্র আন্দোলনকে ‘ভিন্নখাতে প্রবাহিত ও দীর্ঘায়িত করে আইন-শৃঙ্খলার অবনতি ঘটানোর উদ্দেশ্যে’ বিভিন্ন রকম ‘উসকানিমূলক মিথ্যা তথ্য সম্বলিত আডিও ক্লিপ’ ছড়াচ্ছিলেন।

সরকার শিক্ষার্থীদের দাবি মেনে নেওয়ার পরও ফারিয়া ও তার ‘সহযোগীরা অন্যায়ভাবে বিক্ষোভ কর্মসূচি পরিচালনা এবং রাস্তায় সাধারণ মানুষের ওপর হামলা করার উদ্দেশ্যে অপতৎপরতা’ চালাচ্ছিলেন বলেও সেখানে অভিযোগ করা হয়।

শুক্রবার বেলা ১১টার দিকে র‌্যাব ফারিয়াকে হাজারীবাগ থানায় সোপর্দ করে তার বিরুদ্ধে তথ্য প্রযুক্তি আইনের ৫৭(২) ধারার মামলা দায়ের করে। সেখানে আরেকজনকে আসামি করে তাকে পলাতক দেখানো হয়।  

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এস আই মাজেুদুর রহমান বিকালে ফারিয়াকে আদালতে হাজির করে সাত দিনের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের অনুমতি চান।  শুনানি নিয়ে বিচারক তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। 

এ সময় ফারিয়ার পক্ষে কোনো আইনজীবী আদালতে ছিলেন না বলে আদালত পুলিশের সাধারণ নিবন্ধন কর্মকর্তা এস আই মকবুলুর রহমান বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে জানান।

পুলিশের রিমান্ড আবেদনে বলা হয়, “ছাত্র আন্দোলনে আন্দোলনকারীদের খাবার সরবরাহ, বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে মিথ্যা তথ্য দিয়ে উসকানিমূলক গুজব ছড়িয়েছেন ফারিয়া মাহজাবিন। তার সঙ্গে আরে কে কে জড়িত ছিল তা জানতে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা জরুরি ।”

ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের নেতারা বলে আসছেন, নিরাপদ সড়কের দাবিতে শিক্ষার্থীদের সাম্প্রতিক আন্দোলনকে ব্যবহার করে সরকার হটানোর ষড়যন্ত্র হচ্ছিল।

ওই আন্দোলনের সময় গুজব ছড়ানোর অভিযোগে তথ্য প্রযুক্তি আইনে ঢাকার বিভিন্ন থানায় এ নিয়ে মোট নয়টি মামলা হয়েছে।

এসব মামলায় সব মিলিয়ে মোট ৩০ জনকে আসামি করা হয়েছে, যাদের মধ্যে আলোকচিত্রী শহিদুল আলম, অভিনেত্রী কাজী নওশাবা আহমেদ এবং কোটা সংস্কার আন্দোলনের কর্মীরাও আছেন।

]]>
1530467 https://d30fl32nd2baj9.cloudfront.net/media/2018/08/17/faria-mahjabin.jpg/ALTERNATES/w300/Faria-Mahjabin.jpg
4 2 Home business_bn বাণিজ্য news-bn 213 1530694 নিজস্ব প্রতিবেদক বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম নিজস্ব প্রতিবেদক বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম 2018-08-17 20:50:13.0 2018-08-17 20:50:13.0 সবজির বাজার চড়া সবজির বাজার চড়া কোরবানির আর কয়েক দিন থাকতে শিম, টমেটো ও বেগুনসহ বেশকিছু সবজির দাম বেড়েছে। কোরবানির আর কয়েক দিন থাকতে শিম, টমেটো ও বেগুনসহ বেশকিছু সবজির দাম বেড়েছে। false https://bangla.bdnews24.com/business/article1530694.bdnews false https://d30fl32nd2baj9.cloudfront.net/media/2018/05/08/kitchen-market-08052018-0015.jpg/ALTERNATES/w300/kitchen+market-08052018-0015.jpg
শুক্রবার রাজধানীর কারওয়ানবাজার, রামপুরা, মালিবাগ, শান্তিনগর ও সেগুনবাগিচাসহ বেশকয়েকটি বাজার ঘুরে এমন চিত্র পাওয়া যায়।

ব্যবসায়ীরা বলছেন, শীতের আগাম সবজি হওয়ার কারণে শিমের দাম চড়া, ফুলকপির দাম বেশি হওয়ার একই কারণ। টমেটোর মৌসুম না থাকলেও আগেই মজুদ রাখা থেকে বাজারে বিক্রি হচ্ছে বলে দাম বেশি।

বাজারে মানভেদে প্রতি কেজি শিম বিক্রি হচ্ছে ১২০ থেকে ১৫০ টাকায়। নতুন সবজি হওয়ায় দাম কিছুটা বেশি বলে বিক্রেতারা জানিয়েছেন।

কারওয়ান বাজারের সবজি বিক্রেতা আনোয়ার বলেন, “শিম শীতের সবজি, গত সপ্তাহ থেকে বাজারে শিম এসেছে। শিমের দাম আরও কিছুদিন ১০০ টাকার ওপরে থাকবে। পুরোদমে শিম আসতে শুরু করলে দাম কমবে।”

প্রতিকেজি পাকা টমেটো বিক্রি হচ্ছে ১০০ থেকে ১৪০ টাকা।  গত সপ্তাহেও এ সবজির দাম একই ছিল বলে ক্রেতা-বিক্রিতারা জানিয়েছেন।

বেগুনের দাম বেড়ে বিক্রি হচ্ছে ৬০ থেকে ৮০ টাকা কেজি, গত সপ্তাহে এ সবজিটির দাম ছিল কেজি প্রতি ৪০ থেকে ৫০ টাকা।

চড়া দামে বিক্রি হওয়া আর এক সবজি গাজর ও ফুলকপি। প্রতি কেজি গাজর ৮০ থেকে ১০০ টাকা ও ছোট ও মাঝারি আকারের প্রতিটি ফুলকপি ৪০-৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

একই বাজারের ব্যবসায়ী জহিরুল ইসলাম বলেন, “টমেটো বাজারে পাওয়া গেলেও এগুলো বেশিরভাগ মজুদের মাল। বেগুনের আমদানি কমে গেছে, গাজরও এখন আমদানি করা। ফলে এসব পণ্য সরবরাহ এখন কিছু ব্যবসায়ীর নিয়ন্ত্রণে, যে কারণে দাম চড়া।”

এদিকে করল্লা ও বরবটি কিছুটা বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে। করল্লার কেজি বিক্রি হচ্ছে ৫০ থেকে ৬০ টাকা ও বরবটি বিক্রি হচ্ছে ৪০ থেকে ৫০ টাকা কেজি।

তবে পটল, ঝিঙা, ধুন্দল, চিচিংগা, কাকরল, ঢ়েড়স, মিষ্টি কুমড়া, পেপে, করলার দাম কিছুটা কমেছে। অধিকাংশ বাজারে এসব সবজির কেজি ৩০ থেকে ৩৫ টাকাই পাওয়া যাচ্ছে।

গত সপ্তাহে ৪০ থেকে ৫০ টাকা কেজি বিক্রি হওয়া চিচিংগা, পটল, ঝিঙা, ধুন্দল, কাকরল বিক্রি হচ্ছে  ৩৫ থেকে ৪০ টাকা কেজি। পেপে আগের সপ্তাহের মতো ২০ থেকে ৩০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে। ৪০ থেকে ৫০ টাকা কেজি বিক্রি হওয়া করলার দাম কমে ৩০ থেকে ৪০ টাকায় নেমে এসেছে।

এদিকে একমাসের বেশি সময় ধরে কাঁচামরিচের দামে পরিবর্তন নেই। প্রতি পোয়া কাঁচামরিচ ৩০ থেকে ৪০ টাকা বিক্রি হচ্ছে।

অন্যদিকে গত সপ্তাহের চেয়ে পেঁয়াজের কেজিতে ৫ টাকা কমেছে বলে ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন।

রামপুরা বাজারের ‘আবু তাহের স্টোরের’ বিক্রেতা আবু তাহের মিয়া বলেন, “গত সপ্তাহ পেঁয়াজের দাম বেড়েছিল, দেশী পেঁয়াজ কেজি বিক্রি হয়েছে ৬০ টাকা। এটি আজকে ৫৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ইন্ডিয়ান পেঁয়াজ বাজারে সরবরাহ বাড়ার কারণে দেশী পেঁয়াজের দাম কমেছে। প্রতি কেজি ইন্ডিয়ান পেঁয়াজের দাম ৩৫ টাকা।”

আজহারুল ইসলাম নামে এক ক্রেতা বলেন, “পেঁয়াজের দাম তো কমেনি, আশঙ্কায় আছি দাম আরও বেড়ে যায় কিনা। কারণ ঈদ তো সামনে, ব্যবসায়ীদের তো কোনো ঠিক নাই, হুট করে দাম বাড়াবে, পরে আস্তে আস্তে কমবে।”

এদিকে এসব বাজার ও মানভেদে প্রতি কেজি গলদা চিংড়ি ৯০০ টাকা থেকে এক হাজার টাকা, ইলিশ ৮০০ থেকে সাড়ে ৮০০ টাকা, কাতলা ৩০০ থেকে সাড়ে ৩০০, রুই ২৮০, প্রতি কেজি বোয়াল মাছ ৫০০ থেকে সাড়ে ৫০০ টাকায় বিক্রি হতে দেখা যায়।

আর কেজি প্রতি গরুর মাংস ৪৮০ থেকে ৫০০ টাকা, খাসি ৭০০ থেকে ৮০০ টাকা বিক্রি করছেন ব্যবসায়ীরা। প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগি ১৩০ থেকে ১৪০ টাকা, লেয়ার মুরগি বিক্রি হচ্ছে ২২০ থেকে ২৩০ টাকা কেজি।

আর প্রতি ডজন ফার্মের মুরগির ডিম ১০০ টাকা, যা গত সপ্তাহের চেয়ে ডজনে ৫/১০ টাকা কমেছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

মাছ ও মাংস ব্যবসায়ীরা জানান, পাইকারী বাজারে মাছের দামে কোনো পরিবর্তন হয়নি। মাংসের দামও আগের মত মাংসের মত আছে। কোরবানি ঈদে গরু-ছাগলের দাম বেশি,  এ কারণে মাংসের চাহিদা কিছুটা কমলেও বাজারে দামের ওপর প্রভার পড়েনি।

মালিবাগ কাঁচাবাজারের মাছ ব্যবসায়ী বশিরুল ইসলাম বলেন, “গত এক দেড় মাস ধরে যে দামে মাছ বিক্রি হয়েছে এখন একই দামে বিক্রি হচ্ছে। তবে আবারও ইলিশ ধরা শুরু হয়েছে বলে এই মাছের দাম কিছুটা কমেছে। আর অন্যান্য মাছের দাম অপরিবর্তিত আছে।”

সেগুনবাগিচা কাঁচাবাজারের মা-বাবার দোয়া মাংস বিতানের ব্যবসায়ী মো. সাইফুল জানান, “গরু ও খাসির মাংসের দাম বাড়েনি, কমেওনি। আমরা গরুর মাংস ৪৮০ টাকা এবং খাসি ৭৫০ টাকা কেজি বিক্রি করছি।”

 

একই বাজারের পোল্টি মুরগি ব্যবসায়ী আতাউল গণি বলেন, “সব ধরণের মুরগির দাম কমেছে। প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগি ১৪০ থেকে ১৫০ টাকা বিক্রি হচ্ছে। গত সপ্তাহে এর দাম ১০/২০ টাকা বেশি ছিল। প্রতি কেজি লেয়ার মুরগি বিক্রি হচ্ছে ২৫০ থেকে ২৬০ টাকা।”

তবে কয়েকটি বাজারে ব্রয়লার মুরগি ১৩০ টাকা কেজিতে বিক্রি করতে দেখা যায়।

শান্তিনগরের বাসিন্দা ও ব্যবসায়ী আহমেদ জুবায়ের বলেন, “ঈদের আগে আগে বাজারে মাছ-মাংসের দাম কমার কথা ছিল, কিন্তু কোনো প্রভাব নেই। ঢাকা শহরের মানুষ গ্রামে চলে যাচ্ছে, হয়ত কাপরশু থেকে এসবের দাম কমতে পারে।”

]]>
1492280 https://d30fl32nd2baj9.cloudfront.net/media/2018/05/08/kitchen-market-08052018-0015.jpg/ALTERNATES/w300/kitchen+market-08052018-0015.jpg 1001328 https://d30fl32nd2baj9.cloudfront.net/media/2015/07/24/01_green_vegetable_market_240715_0001.jpg/ALTERNATES/w300/01_Green_Vegetable_market_240715_0001.jpg
5 2 Home bangladesh_bn বাংলাদেশ news-bn 199 1530611 জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক, বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক, বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম 2018-08-17 17:40:35.0 2018-08-17 19:50:03.0 ফ্যানে ঝুলন্ত স্ত্রীর লাশ, স্বামীর গলাকাটা ফ্যানে ঝুলন্ত স্ত্রীর লাশ, স্বামীর গলাকাটা রাজধানীর গোলাপবাগের একটি বাসা থেকে গৃহবধূর ঝুলন্ত লাশ এবং তার স্বামীকে গলাকাটা অবস্থায় উদ্ধার করেছে পুলিশ। রাজধানীর গোলাপবাগের একটি বাসা থেকে গৃহবধূর ঝুলন্ত লাশ এবং তার স্বামীকে গলাকাটা অবস্থায় উদ্ধার করেছে পুলিশ। false https://bangla.bdnews24.com/bangladesh/article1530611.bdnews false https://d30fl32nd2baj9.cloudfront.net/media/2014/08/01/dhaka-medical-file-photo.jpg/ALTERNATES/w300/DHAKA+MEDICAL+FILE+PHOTO.jpg ফাইল ছবি
পুলিশ বলছে, ঝগড়ার জেরে গৃহবধূ জোৎস্না বেগম (৩০) স্বামী স্বপন মিয়ার (৪০) গলাকেটে নিজে আত্মঘাতী হয়েছেন। একইসঙ্গে দুই সন্তানকে চেতনানাশক ওষুধও খাইয়েছিলেন তিনি।

আহত স্বপন এবং এই দম্পতির নবম ও দ্বিতীয় শ্রেণি পড়ুয়া ছেলেকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

যাত্রাবাড়ী থানার ওসি ওয়াজেদ আলী বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে জানান, গোলাপবাগের ২৫/খ/১ নম্বর বাসায় ‍জুমার নামাজের আগে এই ঘটনা ঘটে।

স্বামীর পরকীয়া সম্পর্ক নিয়ে প্রায়ই দুইজনের ঝগড়া হয় জানিয়ে ওসি বলেন, “জোৎস্না ধারালো অস্ত্র দিয়ে স্বামীর গলাকাটে এবং এলোপাতাড়ি কোপায়। এরপর নিজে শোবার ঘরে গিয়ে দরজা লাগিয়ে গলায় ফাঁস দেয়।”

প্রতিবেশীদের কাছ থেকে খবর পেয়ে পুলিশ জোৎস্নার লাশ এবং আহত স্বপন ও তাদের সন্তানদের উদ্ধার করে।

ঢাকা মহানগর পুলিশের ওয়ারী বিভাগের উপ-কমিশনার মো. ফরিদ উদ্দিন বলেন, “পারিবারিক কলহের জেরে জোৎস্না তার স্বামীর গলাকেটে হত্যার চেষ্টা করেছিল।

“বঁটি দিয়ে স্বপনের গলাকেটে ও কুপিয়ে পাশের কক্ষে গিয়ে ফ্যানের সঙ্গে ওড়না পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করে সে।”

প্রতিবেশীদের বরাত দিয় ফরিদ উদ্দিন বলেন, “শুক্রবার সকাল ৯টার দিকে জোৎস্না ও স্বপনের মধ্যে ঝগড়া শুরু হয়ে। সে সময় বড় সন্তানের ঘুম ভেঙ্গে যায়। স্বপনকে কুপিয়ে জখম করে জোৎস্না যখন পাশের কক্ষের দরজা আটকে আত্মহত্যা করেন, তখন বড় সন্তান দরজা ধাক্কাধাক্কি করেছিল।”

স্বপন বেইলি রোডে ‘রিচম্যান’ নামের একটি দোকানের বিক্রিয়কর্মী বলে জানান তিনি।

]]>
829839 https://d30fl32nd2baj9.cloudfront.net/media/2014/08/01/dhaka-medical-file-photo.jpg/ALTERNATES/w300/DHAKA+MEDICAL+FILE+PHOTO.jpg ফাইল ছবি
6 2 Home bangladesh_bn বাংলাদেশ news-bn 199 1530671 নিজস্ব প্রতিবেদক বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম নিজস্ব প্রতিবেদক বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম 2018-08-17 20:08:03.0 2018-08-17 20:08:03.0 হাসিনুরের সন্ধানে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ চান তার স্ত্রী হাসিনুরের সন্ধানে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ চান তার স্ত্রী বরখাস্ত সেনা কর্মকর্তা হাসিনুর রহমানের সন্ধান পেতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হস্তক্ষেপ চেয়েছেন তার স্ত্রী শামীমা আখতার। বরখাস্ত সেনা কর্মকর্তা হাসিনুর রহমানের সন্ধান পেতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হস্তক্ষেপ চেয়েছেন তার স্ত্রী শামীমা আখতার। false https://bangla.bdnews24.com/bangladesh/article1530671.bdnews false https://d30fl32nd2baj9.cloudfront.net/media/2018/08/17/hasinur-press-brief-abducti.jpg/ALTERNATES/w300/Hasinur-Press-Brief-Abducti.jpg
রাজধানীর সেগুনবাগিচায় বাংলাদেশ ক্রাইম রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ অনুরোধ জানান।

হাসিনুরকে কারা তুলে নিয়ে যেতে পারেন, এমন প্রশ্নের জবাবে শামীমা আখতার বলেন, “এই বিষয়ে আমাদের কোনো ধারণা নেই, ধারণা করে কোনো কিছু বলতে চাই না। আমি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর অনুকম্পা কামনা করছি, আমার স্বামীকে খুঁজে বের করে দেওয়ার জন্য তিনি যেন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে নির্দেশ দেন।”

প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাত দিয়ে তিনি বলেন, সাদা পোশাক পরা ১৪/১৫ জন লোক দুটি মাইক্রোবাসে করে এসে হাসিনুরকে উঠিয়ে নিয়ে যায়।

শামীমার দাবি, তার স্বামী সাবেক লেফটেন্যান্ট কর্নেল হাসিনুর নির্দোষ এবং তিনি কোনো অন্যায়ের সঙ্গে জড়িত নন।

গত ৮ অগাস্ট রাত ১০টার দিকে ঢাকার মিরপুর ডিওএইচএসের বাসার পাশ থেকে হাসিনুর রহমানকে তুলে নেওয়ার হয় বলে থানায় অভিযোগ করা হয়েছে।

হাসিনুর সেনাবাহিনীতে চাকরির সময় রাষ্ট্রদ্রোহের মামলায় দণ্ডিত হয়ে পাঁচ বছর কারাদণ্ড ভোগ করে ২০১৪ সালে মুক্তি পান। র‌্যাব-৫ ও র‌্যাব-৭ এর সাবেক অধিনায়ক বিজিবিতেও ছিলেন কিছুকাল।

স্বামীকে তুলে নেওয়ার ঘটনার বিবরণ দিয়ে শামীমা বলেন, সেদিন জাহিদ নামে অবসরপ্রাপ্ত আরেক সেনা কর্মকর্তার ডাকে ১০ নাম্বার রোডে নিজেদের বাসা থেকে হাসিনুর নিচে নেমে যান। জাহিদ ওই সময় তার সঙ্গে আরেকজন বন্ধু রয়েছে বলে জানালেও তার নাম জানাননি।

“১১ নাম্বার রোড থেকে হাসিনুরকে তাকে তুলে নিয়ে যাওয়া হয় বলে সেখানকার একটি বাসার কেয়ারটেকার ফোনে আমার বোনের হাজব্যান্ডকে জানায়।”

মোকতার নামে ওই কেয়ারটেকার ঘটনাটি দেখে ফেলে এবং মোবাইল ফোনে ঘটনার ছবি তুলেন। তাকে আরেকটি গাড়িতে তুলে নিয়ে যাওয়ার আধাঘণ্টা পর মাটিকাটা ইসিবি চত্বরে নামিয়ে দেওয়া হয়। ফোন দিয়ে ছবি তোলায় তা অপহরণকারীরা রেখে দেয় বলে জানান শামীমা।

“হাসিনুরকে তুলে নিয়ে যাওয়ার পর জাহিদের সাথে আর কোনো যোগাযোগ হয়নি।”

এ বিষয়ে পল্লবী থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হলেও পুলিশ কোনো অগ্রগতি জানাতে পারেনি বলে জানান তিনি।

 “জিডির পর বাসায় পুলিশ বা আইনশৃঙ্খলা বাহিনী অন্য কোনো সদস্য যায়নি, তবে থানার তদন্ত কর্মকর্তার সাথে ফোনে একাধিকার কথা হয়েছে।”

এছাড়া হাসিনুর রহমানের সন্ধানে পরিবারের পক্ষ থেকে থেকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, আইজিপি ও সেনা প্রধানের কাছে আবেদন জানানো হয়েছে বলে জানান শামীমা।

সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে শামীমা বলেন, “তার (হাসিনুর) সাথে কারো কোনো ব্যক্তিগত শত্রুতা ছিল না। গত ৪/৫ বছর ধরে তিনি বাসায় আছেন।

“শেয়ার বিজনেস করতেন। বাসায় থেকে বাচ্চাদের স্কুলে আনা-নেওয়া করতেন। কোনো রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের সাথেও তিনি জড়িত ছিলেন না।”

সংবাদ সম্মেলনে হাসিনুর রহমানের শ্যালক ওয়াকিল আহমেদ উপস্থিত ছিলেন।

]]>
1530670 https://d30fl32nd2baj9.cloudfront.net/media/2018/08/17/hasinur-press-brief-abducti.jpg/ALTERNATES/w300/Hasinur-Press-Brief-Abducti.jpg
7 2 Home world_bn বিশ্ব news-bn 200 1530484 >> রয়টার্স >> রয়টার্স 2018-08-17 13:13:04.0 2018-08-17 13:50:42.0 আসাম নাগরিকপঞ্জি: পিতা ভারতীয়, পুত্র নন আসাম নাগরিকপঞ্জি: পিতা ভারতীয়, পুত্র নন নাগরিকপঞ্জি থেকে বাদ পড়া বেশিরভাগই দরিদ্র ও অশিক্ষিত মুসলমান। নামের ভুল বানান, ভুল পদবি এবং বয়সের তথ্য বিভ্রাটে তারা নাগরিকত্ব হারাতে বসেছেন। ভারতের আসাম রাজ্যে ‘অবৈধ বাংলাদেশি’ চিহ্নিত করতে যে নাগরিকপঞ্জি প্রস্তুত করা হচ্ছে সেখানে শুধুমাত্র প্রয়োজনীয় কাগজপত্র হাতে না থাকায় বা কাগজপত্রে ভুল তথ্য থাকায় অনেকে নাগরিকত্ব হারাতে বসেছেন। false https://bangla.bdnews24.com/world/article1530484.bdnews false https://d30fl32nd2baj9.cloudfront.net/media/2018/08/17/riyazul-islam.jpg/ALTERNATES/w300/Riyazul-Islam.jpg আসামে নাগরিকপঞ্জি থেকে বাদ পড়া রিয়াজুল ইসলাম। পাশে তারা ভারতীয় নাগরিক বাবা। ছবি: রয়টার্স
এমন একজন ৩৩ বছরের রিয়াজুল ইসলাম। তার দাবি, ১৯৫১ সালের আগে থেকে তার পরিবার আসামে বসবাস করছে এমন প্রমাণপত্র জমা দেওয়ার পরও নাগরিক তালিকায় তার ও তার মায়ের জায়গা হয়নি। যদিও বাবা এবং পরিবারের বাকি সদস্যদের নাম তালিকায় আছে।

রিয়াজুল ক্ষোভের সঙ্গে বলেন, ভারতীয় প্রমাণ করতে তার বা তার মায়ের হাতে আরও কোনো কাগজ নেই।

আসামের ছোট্ট শহর ধুবরিতে বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, “যদি আমার বাবা ভারতীয় নাগরিক হয় তবে আমি কেন নই? তাদের এর চেয়ে বেশি আর কি প্রমাণ চাই?”

প্রতিবেশী বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী রাজ্য আসামে অনেক বাংলাদেশি অবৈধভাবে বসবাস করছে বলে দাবি ভারতের ক্ষমতাসীন দল বিজেপির।

দুই বছর আগে বিজেপি আসামের ক্ষমতায় আসার পর অবৈধ বাংলাদেশিদের চিহ্নিত করে তাদের ফেরত পাঠানোর লক্ষ্যে আসাম ন্যাশনাল রেজিস্টার অব সিটিজেন্স (এএনআরসি) প্রস্তুতের কাজ শুরু হয়।

তালিকায় জায়গা পেতে হলে আসামের বাসিন্দাদের ১৯৭১ সালের ২৪ মার্চের আগে রাজ্যে আবাস গেড়েছেন এমন প্রমাণপত্র জমা দিতে হয়েছে।

মোট তিন কোটি ২৯ লাখ আবেদনকারীর মধ্যে এ বছর জানুয়ারিতে প্রকাশিত প্রথম তালিকায় মাত্র এক কোটি ৮০ লাখ মানুষের নাম ছিল।

গত ৩০ জুলাই প্রকাশিত সংশোধিত তালিকায় দুই কোটি ৮৯ লাখ মানুষের নাম ঠাঁই হলেও বাকি প্রায় ৪০ লাখ মানুষের নাম তালিকা থেকে বাদ পড়েছে। তাদের কেন বাদ দেওয়া হয়েছে সে বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি।

যদিও যাদের নাম নেই তারা আবারও যথাযথ প্রমাণ নিয়ে আপিল করার সুযোগ পাবেন বলে জানিয়েছে রাজ্য সরকার।

কিন্তু বাদ পড়াদের বেশিরভাগের অবস্থাই রিয়াজুল বা তার মার মত। তাদের হাতে নাগরিকত্ব প্রমাণ হতে পারে এমন বড়াতি আর কোনো কাগজপত্র নেই।

নাগরিকপঞ্জির নামে আসামের সংখ্যালঘু বাঙালি বিশেষত মুসলমানদের ‘উইচ হান্টিং’য়ের শিকার হতে হবে বলে আশঙ্কা অনেক পর্যবেক্ষকের।

খসড়া এ তালিকা ঘিরে ভারতের উত্তর পূর্ব রাজ্যটিতে সংঘাত ও সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়ার শঙ্কাও করা হচ্ছে।

সর্বশেষ তালিকা থেকে বাদ পড়া বেশিরভাগই বাংলা ভাষী মুসলমান।

আসামের অধিকাংশ মানুষ হিন্দু এবং তাদের ভাষা ‘আসামিয়া’।

তালিকা থেকে বাদ পড়েছেন এমন কয়েকজনের কাগজপত্র পরীক্ষা করে রয়টার্স জানায়, তালিকা থেকে বাদ পড়া বেশিরভাগই দরিদ্র ও অশিক্ষিত।

তাদের কেউ কেউ আবেদনপত্রে নামের বানান বা বয়স ভুল লেখার কারণে বাদ পড়েছে।

দরিদ্র জনগোষ্ঠির মধ্যে জন্মসনদ গ্রহণ বা সংগ্রহ করার প্রবণতা অনেক কম। তারা স্কুলে যায় না বা বিবাহের সনদ সংগ্রহ করে না।

এমনকি নামের বানান, পদবি বা নিজের বয়স নিয়েও তারা সচেতন নন বিধায় এখন তারা নাগরিকত্ব প্রমাণ করতে পারছেন না বলে জানান স্থানীয় আইনজীবী আমান ওয়াদুদ। তিনি নিজে এরকম শতাধিক মামলা দেখছেন।

তিনি বলেন, “বেশিরভাগ মুসলমানের পদবি নিয়ে ঝামেলা আছে। যেহেতু তারা অশিক্ষিত এবং পূর্বপুরুষের পদবি নিয়ে সচেতন নন তাই তারা ঘুরিয়ে ফিরিয়ে সেই আলি, আহমেদ আর হুসাইন পদবি ব্যবহার করে।”

তিনি রয়টার্সকে এরকম একটি ঘটনার কাগজপত্র দেখান। সেখানে দেখা যায়, তাজাব আলি (Tajab Ali) নামে এক ব্যক্তি ১৯৬৬ সাল থেকে আসামে বসবাস করছে এমন প্রমাণ হিসেবে কয়েকটি ভোটার লিস্ট জমা দিয়েছেন। কিন্তু ১৯৮৫ সালের ভোটার লিস্টে তার নাম তাজাপ আলি (Tajap Ali) লেখা আছে। সেখানে তার পিতার নামও ভুল লেখা। তার বয়স নিয়েও ভুল তথ্য আছে।

ভারতের বিরোধী দলগুলোর অভিযোগ, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর দল বিজেপি আসলে আগামী বছর জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে মুসলমানদের নাগরিকত্ব বাতিল করে হিন্দু জাতীয়তাবাদ প্রতিষ্ঠা করতে চাইছে।

আসামে বিজেপির মুখপাত্র বিজন মহাজন এ অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।

তবে মোদীর মন্ত্রিসভার জ্যেষ্ঠ সদস্য অরুণ জেটলি সম্প্রতি ফেইসবুকে এক পোস্টে এনআরসি’র প্রয়োজনীয়তা ব্যাখ্যা করতে গিয়ে বলেন, আসামে মুসলিমদের সংখ্যা হিন্দুদের ছাড়িয়ে যাচ্ছে।

]]>
1530483 https://d30fl32nd2baj9.cloudfront.net/media/2018/08/17/riyazul-islam.jpg/ALTERNATES/w300/Riyazul-Islam.jpg আসামে নাগরিকপঞ্জি থেকে বাদ পড়া রিয়াজুল ইসলাম। পাশে তারা ভারতীয় নাগরিক বাবা। ছবি: রয়টার্স
8 2 Home samagrabangladesh সমগ্র বাংলাদেশ news-district 9945 1530616 লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি, বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি, বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম 2018-08-17 17:51:30.0 2018-08-17 18:14:00.0 লক্ষ্মীপুরে পুকুরে ডুবে ৩ শিশুর মৃত্যু লক্ষ্মীপুরে পুকুরে ডুবে ৩ শিশুর মৃত্যু লক্ষ্মীপুর সদরে পুকুরে ডুবে তিন শিশুর মৃত্যু হয়েছে। লক্ষ্মীপুর সদরে পুকুরে ডুবে তিন শিশুর মৃত্যু হয়েছে। false https://bangla.bdnews24.com/samagrabangladesh/article1530616.bdnews false https://d30fl32nd2baj9.cloudfront.net/media/2018/08/17/laxmipur-3-sisu-die.jpg/ALTERNATES/w300/laxmipur-3-sisu-die.jpg মৃত শিশুদের বাড়িতে শোকার্ত প্রতিবেশীরা
শুক্রবার দুপুরে দালাল বাজার ইউনিয়নের মহাদেবপুর গ্রামে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

এ তিন শিশু হলো ওই গ্রামের খলিলুর রহমানের ছেলে বায়েজিদ (৭), ফিরোজ আলমের ছেলে মোহাম্মদ আলী (৬) ও জাহাঙ্গীরের ছেলে ইয়ামিন (৭)। আলী ও ইয়ামিন মামাত-ফুফাত ভাই।

মোহাম্মদ আলীর চাচা মিজানুর রহমান জানান, বাড়ির একটি পুকুর বালু দিয়ে ভরাট করা হচ্ছে। ওই পুকুর পাড়ে বালুর স্তূপে খেলার সময় এ তিনজন পানিতে পড়ে মারা যায়।

লক্ষ্মীপুর সদর থানার ওসি লোকমান হোসেন তিন শিশুর পানিতে ডুবে মৃত্যুার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

]]>
1530639 https://d30fl32nd2baj9.cloudfront.net/media/2018/08/17/laxmipur-3-sisu-die.jpg/ALTERNATES/w300/laxmipur-3-sisu-die.jpg মৃত শিশুদের বাড়িতে শোকার্ত প্রতিবেশীরা
9 2 Home politics_bn রাজনীতি news-bn 198 1530600 জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম 2018-08-17 17:10:46.0 2018-08-17 17:48:40.0 প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য হাস্যকর: ফখরুল প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য হাস্যকর, অর্বাচীনের মতো: ফখরুল বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডে জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়াকে জড়িয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বক্তব্য ‘হাস্যকর ও অর্বাচীনের’ মতো হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডে জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়াকে জড়িয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বক্তব্য ‘হাস্যকর ও অর্বাচীনের’ মতো হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। false https://bangla.bdnews24.com/politics/article1530600.bdnews false https://d30fl32nd2baj9.cloudfront.net/media/2018/08/17/fakhrul-islam-17082018.jpg/ALTERNATES/w300/fakhrul-islam-17082018.jpg
শুক্রবার এক সংহতি সমাবেশে বিএনপির মহাসচিব বলেন, “আমাদের স্বনির্বাচিত, স্বঘোষিত ও অবৈধ সরকারের প্রধানমন্ত্রী সব জায়গায় বিএনপির ভূত দেখতে পান, তিনি সব জায়গায় জিয়া পরিবারের ভূত দেখতে পান। না হলে ১৯৭৫ সালের ১৫ অগাস্টের সেই বিয়োগান্ত ঘটনায় তিনি বেগম খালেদা জিয়াকে কিভাবে যুক্ত করেন?  তিনি কিভাবে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান সাহেবকে তার সঙ্গে যুক্ত করেন?”

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সপরিবারে নিহত হওয়ার আগে তার ধানমণ্ডির বাড়িতে জিয়াউর রহমান ও তার স্ত্রী খালেদা জিয়ার যাওয়া-আসা ছিল জানিয়ে এর কারণ নিয়ে সম্প্রতি প্রশ্ন তোলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে বৃহস্পতিবার এক আলোচনা সভায় তিনি বলেন, ১৯৭৫ সালের ১৫ অগাস্ট বঙ্গবন্ধুকে হত্যায় ‘সরাসরি জড়িত’ থাকার কারণেই জিয়াকে পরে রাষ্ট্রপতি করা হয়েছিল বলে তার বিশ্বাস।

প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় ফখরুল বলেন, “আমরা বলতে চাই যে, আপনি রাজনীতিবিদ। আপনি রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্বে আছেন। আপনার মুখ দিয়ে এই ধরনের অর্বাচীন কথাবার্তা কখনই শোভা পায় না। এটা আপনার স্বভাব। আপনার এই স্বভাবের মধ্য দিয়ে এই ধরনের একেবারে হাস্যকর ও  অর্বাচীন কথাবার্তা বলেন। আমরা তার এই বক্তব্যের তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি, প্রতিবাদ জানাচ্ছি।”

এক এগারোর পদধ্বনি শুনতে পাচ্ছেন বলে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের বক্তব্যের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “উনি মারাত্মক কথা বলেছেন। এরপরেও আপনারা সরকারে আছেন? এখনো পদত্যাগ করছেন না । সরকার আপনাদের, আর আপনারা এক এগারোর পদধ্বনি শুনতে পাচ্ছেন।”

বিএনপি মহাসচিব বলেন, “একটা কথা আমাদের ভুলে গেলে চলবে না এক এগারোর বেনিফিসিয়ারি হচ্ছে আওয়ামী  লীগ। তারা এতো বেনিফিসিয়ারি যে, ক্ষমতায় যাওয়ার আগেই তাদের নেত্রী বিদেশে যাওয়ার আগে বলেছিলেন, ফখরুদ্দীন-মইনউদ্দিন সরকারের সকল কর্মকাণ্ডকে বৈধ করে দেবেন। দিয়েছেনও, সংসদে আইন পাস করেছেন। তাহলে এক এগারোর পদধ্বনি শুনতে পারছেন কেন? তাহলে আপনারা ব্যর্থ হয়েছেন।”

জাতীয় প্রেস ক্লাব মিলনায়তনে বিএনপি সমর্থিত ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন ও ঢাকা সাংবাদিক 

ইউনিয়নের উদ্যোগে নিরাপদ সড়কের দাবিতে আন্দোলনের সময় সাংবাদিকদের ওপর হামলা ও গ্রেপ্তারের প্রতিবাদে এই সংহতি সমাবেশ হয়।

মির্জা ফখরুল বলেন, “দেশে এক অস্বস্তিকর পরিবেশ বিরাজ করছে। সবসময় দমবন্ধ করা একটা পরিবেশ। আপনি চিন্তা করতে পারেন যে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রীদের রাতের বেলা তুলে নিয়ে যাচ্ছে। এরপর রিমান্ডে নিচ্ছে। অপরাধটা কী? তারা সমর্থন দিয়েছিল শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে। উস্কানি দিয়েছে নাকী। 

“আমরা দৃঢ়তার সাথে বলতে চাই, শিক্ষার্থীদের ন্যায়সঙ্গত ও যুক্তিসঙ্গত আন্দোলনকে আমরা প্রথম দিনই সমর্থন দিয়েছি এবং এই সমর্থন অব্যাহত রেখেছি। আজকেও কোটা সংস্কার ও নিরাপদ সড়কের দাবিতে আন্দোলনকে আমরা অবশ্যই সমর্থন করব। জনগণকে আহ্বান করব শুধু নিরাপদ সড়ক নয়, নিরাপদ বাংলাদেশের জন্য আপনারা এগিয়ে আসুন, আপনারা জেগে উঠুন এবং আবার দেশকে স্বাধীন করুন।”

প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের প্রসঙ্গ টেনে গণস্বাস্থ্য সংস্থার ট্রাস্টি ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী বলেন, “আমি প্রধানমন্ত্রীর একজন ভক্ত। ভক্ত বলেই প্রধানমন্ত্রীকে অনুরোধ করছি আপনি অনুগ্রহ করে গতকাল যে বক্তৃতাটা দিয়েছেন সেটা একটু পড়ে দেখেন। আরেকবার নিজে শুনে দেখেন, বক্তৃতাটা রিপ্লে করেন।

“দেখবেন দুই জিনিস আপনার সঙ্গে সঙ্গে মনে হবে- একটা আপনি যে নিয়মিত ওষুধ খান শারীরিক সুস্থতার জন্য সেই ওষুধটা খাননি অথবা আপনার যারা পরামর্শদাতা একটা ভারতীয় গোয়েন্দা কর্তৃপক্ষ ও আরেকটা দেশে আওয়ামী লীগের বিভিন্ন নেতৃবৃন্দ ও চারিদিকে ঘিরে রাখা সদস্যরা, তাদের কথায় আপনি ভুল পথে আছেন।”

জাফরুল্লাহ বলেন, “আপনি (প্রধানমন্ত্রী) বলেছেন, খালেদা জিয়া জড়িত। আপনি তখনকার দিনে তাকে চিনতেন কিনা আমি জানি না, আমি চিনতাম। উনাকে আমি ৭২ সন থেকে চিনতাম। নির্মোহ গৃহবধূ। ৭৫ সনে উনি (খালেদা জিয়া) কী করতেন? কেউ গেলে উনার বাড়িতে- লজ্জায় নম্র বিনীতভাবে বলতেন ভাই আরেকটা বিস্কুট দেই।”

‘‘ এই মহিলা শেখ মুজিব হত্যার সাথে জড়িত- এটা আপনি কী বলছেন? এই জাতীয় কথা বলে আপনি হাস্যকর হচ্ছেন।”

নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না বলেন, “মানুষ পরিবর্তন চায়। তারা বলে আজ আওয়ামী লীগ চলে যাক, পরিবর্তনে কে আসবে। যারা আসবে তারা এর চাইতে ভালো হবে তো। তাদেরকে এখন দেখে আমরা আশা করতে পারি এই দেশ ও সমাজ বদলাব।”

বিএফইউজের সভাপতি রুহুল আমিন গাজীর সভাপতিত্বে সমাবেশে সংগঠনের মহাসচিব এম আবদুল্লাহ, ডিইউজের সভাপতি কাদের গনি চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক শহিদুল ইসলাম, জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক আবদুল হাই শিকদার, আব্দুস শহিদ, সৈয়দ আবদাল আহমেদ, জাতীয় প্রেস ক্লাবের যুগ্ম সম্পাদক ইলিয়াস খান প্রমুখ বক্তব্য দেন।

]]>
1530601 https://d30fl32nd2baj9.cloudfront.net/media/2018/08/17/fakhrul-islam-17082018.jpg/ALTERNATES/w300/fakhrul-islam-17082018.jpg
10 2 Home bangladesh_bn বাংলাদেশ news-bn 199 1530566 নিজস্ব প্রতিবেদক, বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম নিজস্ব প্রতিবেদক, বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম 2018-08-17 15:59:49.0 2018-08-17 16:51:24.0 ঈদযাত্রা স্বস্তির হবে, আশা কাদেরের ঈদযাত্রা স্বস্তির হবে, আশা কাদেরের নতুন সেতু উদ্বোধন এবং সড়কে খোঁড়াখুঁড়ি ‘বন্ধ করায়’ এবার ঈদের সড়কে মানুষের ভোগান্তি গতবারের কম হবে বলে আশা করছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। নতুন সেতু উদ্বোধন এবং সড়কে খোঁড়াখুঁড়ি ‘বন্ধ করায়’ এবার ঈদের সড়কে মানুষের ভোগান্তি গতবারের কম হবে বলে আশা করছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। false https://bangla.bdnews24.com/bangladesh/article1530566.bdnews false https://d30fl32nd2baj9.cloudfront.net/media/2018/08/17/obaidul-quader-mohakhali-bus-tarminal-17082018-0013.jpg/ALTERNATES/w300/obaidul-quader-mohakhali-bus-tarminal-17082018-0013.jpg ঈদযাত্রার প্রথম দিন শুক্রবার মহাখালী বাস টার্মিনাল পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।
ঈদযাত্রার প্রথম দিন শুক্রবার ঢাকার মহাখালী বাস টার্মিনালের পরিস্থিতি দেখতে গিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

কাদের বলেন, “এবারের ঈদে প্রধানমন্ত্রী ২৩টি সেতু উদ্ভোধন করার পর ঢাকা-টাঙ্গাইল-এলেঙ্গা এবার স্বস্তিদায়ক হবে, সহনীয় হবে ভোগান্তি।

“আর ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে ফেনী রেল ওভারপাস… গত ঈদে কিছুটা সমস্যার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছিল। এটাও এবার খুলে দেওয়া হয়েছে।”

ঢাকা-টাঙ্গাইল পথে  ‘অন্যান্য সমস্যাও’ সমাধান করা হয়েছে জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, “রাস্তায় খোঁড়াখুঁড়ি বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। আমার বিশ্বাস এবারের ঈদযাত্রা স্বস্তিদায়ক হবে। সব মিলিয়ে গত ঈদের চেয়ে এবারে ঈদ স্বস্তিদায়ক হবে।”

মহাখালীতে যাত্রীদের সঙ্গে কথা বলে এবার ‘অভিযোগ কম পাওয়া যাচ্ছে’ বলেও দাবি করেন কাদের।

তিনি বলেন, “যাত্রীদের কাছ থেকে অভিযোগ পেয়েছি বেশি ভাড়া নিচ্ছে। সঙ্গে সঙ্গে জিজ্ঞাসা করেছি কোন কাউন্টার? সে বললো, সিরাজগঞ্জের স্টারলাইন। সঙ্গে সঙ্গে এটা বন্ধ করে দিয়েছি। এছাড়া আর কোনও অভিযোগ আসেনি।”

কোরবানির পশুবাহী যানবাহন যথাযথ জায়গায় রাখার পরামর্শ দিয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, “পশুবাহী গাড়িগুলো যথাযথভাবে রাখলে এবং ফিটনেসবিহীন গাড়ি রাস্তায় না নামালে আর কোথাও কোনও সমস্যা থাকবে না। আপনারা পশুবাহী গাড়িগুলো যথাযথ স্থানে রাখবেন।”

‘আবারও চক্রান্তে বিএনপি’

দেশের সাম্প্রতিক ঘটনাপ্রবাহের সূত্র ধরে বিএনপির সমালোচনা করে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেন, দেশের শান্তিময় পরিবেশকে ‘ভয়ঙ্কর রূপ’ দিতে বিএনপি এবং তাদের সহযোগীরা ‘উঠে পড়ে লেগেছে’।

এ বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নে তিনি বলেন, “১/১১’র মত ভয়ঙ্কর পরিস্থিতি সৃষ্টির চক্রান্তটা কিন্তু বিএনপি করছে, মিডিয়ার একটি অংশ তাদের সহযোগিতা করছে। ১/১১ এর কুশিলবদের সঙ্গে মিডিয়ার একটি অংশ ছিল তাদের সহযোগী। এখনও একই ষড়যন্ত্র সেই বিএনপিই করে যাচ্ছে।…”

শুক্রবার মহাখালী বাস টার্মিনাল পরিদর্শনে এসে ঈদে ঘরমুখো যাত্রীদের সঙ্গে কথা বলেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

শুক্রবার মহাখালী বাস টার্মিনাল পরিদর্শনে এসে ঈদে ঘরমুখো যাত্রীদের সঙ্গে কথা বলেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

জনগণ সরকারের উপর ‘খুশি’ মন্তব্য করে কাদের বলেন, “দেশের মানুষ, আমাদের সরকারে উপর খুশি, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপর খুশি, আমাদের উন্নয়ন অর্জনে জনগণ খুশি।

“আমরা জানি জনগণ উন্নয়নের দিকে রায় দিবে, মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে আবারও রায় দিবে। মুক্তিযুদ্ধের প্রতি বিএনপি এবং তাদের দোসররা হুমকি সৃষ্টি করছে।”

‘মোটামুটি স্বস্তিদায়ক‘ নির্বাচন পরিচালনার মত ‘শান্তিময়’ পরিবেশ দেশে বিরাজ করছে মন্তব্য করে কাদের বলেন, “এই শান্তিময় পরিবেশটাকে ভয়ঙ্কর রূপ দেওয়ার জন্য বিএনপি এবং তাদের দোসররা উঠে পড়ে লেগেছে।”

নির্বাচনকালীন সরকারে বিএনপির থাকার কোনো সুযোগ আছে কি না- এ প্রশ্নে ওবায়দুল কাদের বলেন, “পার্লামেন্টে তাদের কোনো প্রতিনিধিত্ব নেই। যখন আসার সুযোগ ছিল তখনও তারা আসেনি। তাদেরকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পর্যন্ত অফার করা হয়েছিল, কিন্তু তারা আসেনি।

“এবার তারা পার্লামেন্টে উপস্থিত নেই। … এবার তাদেরকে ডাকতে হবে এমন কোনও চিন্তা নেই। টেকনোক্র্যাট দল থেকে কেন নেব? বাইরে থেকেও তো নেওয়া যেতে পারে।”

‘সরকার যে পদ্ধতিতে নির্বাচনে যেতে চাইছে, সেই পদ্ধতিতে বিএনপি নির্বাচনে অংশ না নিলে রাজনীতির ভবিষ্যত কী- এমন প্রশ্নের জবাবে কাদের বলেন, “পদ্ধতিটা আমাদের সংবিধানের। পদ্ধতিটা বাংলাদেশের সংবিধানই নির্ধারণ করে দিয়েছে নির্বাচনটা কীভাবে হবে। আর সংবিধানের এই দায়িত্বটা থাকবে নির্বাচন কমিশনের উপর।

“সাংবিধানিকভাবে নির্বাচন পরিচালনার যাবতীয় ব্যবস্থা তারা গ্রহণ করবে। ইতোমধ্যে নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে তাদের সব প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়ে গেছে।”

]]>
1530538 https://d30fl32nd2baj9.cloudfront.net/media/2018/08/17/obaidul-quader-mohakhali-bus-tarminal-17082018-0013.jpg/ALTERNATES/w300/obaidul-quader-mohakhali-bus-tarminal-17082018-0013.jpg ঈদযাত্রার প্রথম দিন শুক্রবার মহাখালী বাস টার্মিনাল পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। 1530543 https://d30fl32nd2baj9.cloudfront.net/media/2018/08/17/obaidul-quader-mohakhali-bus-tarminal-17082018-0011.jpg/ALTERNATES/w300/obaidul-quader-mohakhali-bus-tarminal-17082018-0011.jpg শুক্রবার মহাখালী বাস টার্মিনাল পরিদর্শনে এসে ঈদে ঘরমুখো যাত্রীদের সঙ্গে কথা বলেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।
11 2 Home politics_bn রাজনীতি news-bn 198 1530604 নিজস্ব প্রতিবেদক বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম নিজস্ব প্রতিবেদক বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম 2018-08-17 17:30:03.0 2018-08-17 18:04:30.0 কোনো শক্তি নির্বাচন ঠেকাতে পারবে না: নাসিম কোনো শক্তি নির্বাচন ঠেকাতে পারবে না: নাসিম কোনো শক্তি আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঠেকাতে পারবে না মন্তব্য করে চৌদ্দ দলের মুখপাত্র মোহাম্মদ নাসিম বলেছেন নির্ধারিত সময়ে সংবিধান অনুযায়ীই নির্বাচন হবে। কোনো শক্তি আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঠেকাতে পারবে না মন্তব্য করে চৌদ্দ দলের মুখপাত্র মোহাম্মদ নাসিম বলেছেন নির্ধারিত সময়ে সংবিধান অনুযায়ীই নির্বাচন হবে। false https://bangla.bdnews24.com/politics/article1530604.bdnews false https://d30fl32nd2baj9.cloudfront.net/media/2017/08/14/38_mohammed-nasim_am__130817_13082017_0004.jpg/ALTERNATES/w300/38_Mohammed+Nasim_AM__130817_13082017_0004.jpg মোহাম্মদ নাসিম (ফাইল ছবি)
শুক্রবার রাজধানীর ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইন্সটিটিউশন মিলনায়তনে চৌদ্দ দলের শোক দিবসের আলোচনা সভায় নাসিম বলেন, “নির্বাচনে যে কেউ অংশ নিতে পারে। নির্বাচন করার অধিকার সবার আছে। কিন্তু নির্বাচনের নামে কোনও ফাউল গেইম দেখতে চাই না। নির্বাচন সংবিধান অনুযায়ী হবে এবং সঠিক সময়েই হবে।

“দুনিয়ার কোনো শক্তি আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঠেকাতে পারবে না। নির্বাচন কমিশনকে বলব, আপনারা এগিয়ে যান। একটি সুন্দর নির্বাচনের জন্য আপনারা আপনাদের কাজ চালিয়ে যান।”

নির্বাচন সামনে রেখে দেশে-বিদেশে ‘ষড়যন্ত্র’ হচ্ছে দাবি করে নাসিম বলেন, “চক্রান্ত শুরু হয়ে গেছে।... কিন্তু অতীতের মতো ঐক্যবদ্ধ থেকে শেখ হাসিনার নির্দেশনায় ষড়যন্ত্র মোকাবেলার ক্ষেত্রে চৌদ্দ দল কাজ করছে এবং করবে।”

সুশীল সমাজের সমালোচনা করে নাসিম বলেন, “আজকাল বিভিন্ন জন, বিভিন্ন মানুষ কথা বলেন। কিন্তু যেদিন অধ্যাদেশের মাধ্যমে বঙ্গবন্ধুর হত্যার বৈধতা দেওয়া হল, খুনীদের আশ্রয়-প্রশ্রয় দেওয়া হল, তখন কোথায় ছিল এই সুশীল সমাজ? কেমন ছিল তাদের বক্তব্য?”

“১৫ অগাস্টে হিমালয়সম নেতাকে হত্যা করে যারা উল্লাস করেছিল, বাস্তবে সে হিমালয়ের কিছু হয়নি। হয়েছে ওইসব অন্ধদের, যারা জাতীয় শোক দিবসে কেক কেটে উল্লাস করে। এটা কি গণতন্ত্র? গণতন্ত্র মানে কি হত্যা-ষড়যন্ত্র করা? গণতন্ত্র মানে জঙ্গিবাদ সন্ত্রাস তৈরি করা? গণতন্ত্র মানে কি হাওয়া ভবন তৈরি করা?”

ষড়যন্ত্রকারীদের কোনো ‘উদারতা’ দেখানো হবে না মন্তব্য করে নাসিম বলেন, “উদারতা দেখিয়ে বঙ্গবন্ধুকে হারিয়েছি। উদারতা দেখিয়েছি বলেই শেখ হাসিনার ওপর হামলা হয়েছে। সুতরাং সকল অপরাজনীতি, ষড়যন্ত্র ও অপশক্তিকে আমরা রাজনৈতিকভাবে মোকাবেলা করব, এক্ষেত্রে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না।”

সভায় আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক খালিদ মাহমুদ চৌধুরী বলেন, “মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উন্নত বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয় নিয়ে এগিয়ে চলছে বাংলাদেশ। বিএনপির অপশাসন, দুর্নীত ও হাওয়া ভবন থেকে দেশের মানুষকে স্বস্তি দিতে গঠিত হয়েছিল চৌদ্দ দলীয় জোট।

“সে লক্ষ্য রেখেই আওয়ামী লীগ সভাপতি, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনায় সকল ষড়যন্ত্র মোকাবেলা করার অভিপ্রায়ে কাজ করে যাচ্ছে চৌদ্দ দল।”

অন্যদের মধ্যে সাম্যবাদী দলের সাধারণ সম্পাদক দিলীপ বড়ুয়া, জাসদের (একাংশের) সভাপতি শরীফ নুরুল আম্বিয়া, জাসদ অন্য অংশের সাধারণ সম্পাদক শিরীন আখতার, জাতীয় পার্টি (জেপি) সাধারণ সম্পাদক শেখ শহিদুল ইসলাম, বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক ফজলে হোসেন বাদশা, গণ আজাদী লীগের সভাপতি এসকে শিকদার, কমিউনিস্ট কেন্দ্রের আহ্বায়ক ডা. ওয়াজেদুল ইসলাম খান, গণতন্ত্রী পার্টির সাধারণ সম্পাদক শাহাদাৎ হোসেন এবং ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শাহে আলম মুরাদ আলোচনায় অংশ নেন।

]]>
1379303 https://d30fl32nd2baj9.cloudfront.net/media/2017/08/14/38_mohammed-nasim_am__130817_13082017_0004.jpg/ALTERNATES/w300/38_Mohammed+Nasim_AM__130817_13082017_0004.jpg মোহাম্মদ নাসিম (ফাইল ছবি)
12 2 Home bangladesh_bn বাংলাদেশ news-bn 199 1530477 নিজস্ব প্রতিবেদক, বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম নিজস্ব প্রতিবেদক, বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম 2018-08-17 12:51:45.0 2018-08-17 16:55:46.0 ঈদে বাড়ি ফেরা শুরু ঈদে বাড়ি ফেরা শুরু দীর্ঘ লাইনে দীর্ঘ অপেক্ষার পর গত ৮ অগাস্ট যারা ট্রেনের আগাম টিকেট পেয়েছিলেন, তাদের ঈদযাত্রা শুরু হয়েছে শুক্রবার। দীর্ঘ লাইনে দীর্ঘ অপেক্ষার পর গত ৮ অগাস্ট যারা ট্রেনের আগাম টিকেট পেয়েছিলেন, তাদের ঈদযাত্রা শুরু হয়েছে শুক্রবার। false https://bangla.bdnews24.com/bangladesh/article1530477.bdnews false https://d30fl32nd2baj9.cloudfront.net/media/2018/08/17/eid-journey-kamalapur-station-aam-17082018-0012.jpg/ALTERNATES/w300/eid-journey-kamalapur-station-aam-17082018-0012.jpg রাজধানীর কমলাপুর রেল স্টেশনে শুক্রবার ট্রেনের অপেক্ষায় ঈদে ঘরমুখো যাত্রীরা। ছবি: আব্দুল্লাহ আল মমীন
রেলওয়ের ঈদযাত্রার প্রথম দিন সকাল থেকেই কমলাপুর স্টেশনে ঘরমুখো মানুষের ভিড় ছিল চোখে পড়ার মত। উত্তরবঙ্গগামী ট্রেন নীলসাগর, তিস্তা এবং একতা এক্সপ্রেসে ভিড় ছিল অন্য ট্রেনের তুলনায় বেশি।

রেল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, শুক্রবার বেলা দশটা পর্যন্ত কমলাপুর থেকে ১৮টি ট্রেন ছেড়ে গেছে। এর মধ্যে খুলনাগামী সুন্দরবন সকাল ৬টা ২০ মিনিটে ছাড়ার কথা থাকলেও সেটি সকাল সাড়ে ৭টায় স্টেশন ছেড়ে যায়।

চিলাহাটির নীলসাগর এক্সপ্রেস সকাল ৮টার পরিবর্তে ৮টা ৫০ মিনিটে এবং দেওয়ানগঞ্জের তিস্তা এক্সপ্রেস সাড়ে ৭টার পরিবর্তে সাড়ে ৮টায় ছেড়ে যায়।

তবে দিনাজপুরের একতা এক্সপ্রেস, রংপুরগামী রংপুর এক্সপ্রেস ঠিক সময়েই ছেড়েছে।

প্রিয়জনের সঙ্গে ঈদ করতে ট্রেনে ঢাকা ছাড়ছে মানুষ। ছবি: আব্দুল্লাহ আল মমীন

প্রিয়জনের সঙ্গে ঈদ করতে ট্রেনে ঢাকা ছাড়ছে মানুষ। ছবি: আব্দুল্লাহ আল মমীন

নীলসাগর এক্সপ্রেসের যাত্রী সাব্বির আহমেদ স্ত্রী-সন্তান নিয়ে ঈদ করতে বাড়ি যাচ্ছেন। ভিড় এড়াতে ঈদের পাঁচ দিন আগের টিকেট কেটেছেন তিনি।

“আজকেই ট্রেনে অনেক ভিড়। আজকের পর ট্রেনে ভিড় আরও বেশি হবে। এ কারণে অফিস থেকে দুই দিনের ছুটি বেশি নিয়েছি।”

সকাল ১০টায় দিনাজপুরের উদ্দেশ্যে ছেড়ে যাওয়া একতা এক্সপ্রেসে গ্রামের বাড়ি যাচ্ছেন মিরপুরের গৃহিনী শারমিন আক্তার স্বর্ণা।

“আমার শ্বশুরবাড়ি সাতক্ষীরা। গত ঈদে সেখানে গিয়েছিলাম। এবার দিনাজপুরে বাবার বাড়িতে ঈদ করব। এমনিতে বাসেই যাই, কিন্তু খুব কষ্ট হয়। তাই এবার ট্রেনে যাচ্ছি।”

ওই ট্রেনের আরেক যাত্রী আহসান উল্লাহ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী জারিন তাসরিন রাত্রী বললেন, এবারই তিনি প্রথম ট্রেনে যাচ্ছেন।

“বাসের টিকেট পাইনি। মামা অনলাইন থেকে ট্রেনের টিকেট কেটে দিয়েছে। বাড়ি যাওয়ার আনন্দ তো আছেই, সঙ্গে আরও দুই বান্ধবী থাকায় খুবই মজা হবে।”

কমলাপুরের স্টেশনের ম্যানেজার সিতাংশু চক্রবর্তী জানান, শুক্রবার সারা দিনে ৫৯টি ট্রেন ঢাকা থেকে ছেড়ে যাবে।এর মধ্যে ৩১টি হল আন্তঃনগর ট্রেন।

“আজ  থেকেই ট্রেনের ভিড় মোটামুটি শুরু হয়ে গেছে। সকালে ছেড়ে যাওয়া ট্রেনে ভিড় ছিল। সারাদিনই এমন হবে। এখন পর্যন্ত বড় কোনো ঝামেলা ছাড়াই সবগুলো ট্রেন ছেড়ে গেছে।”

সুন্দরবন, তিস্তা আর নীলসাগর এক্সপ্রেস প্ল্যাটফর্মে আসতে দেরি করায় ছাড়তে কিছুটা বিলম্ব হয়েছে বলে জানান স্টেশন ম্যানেজার।

ঈদযাত্রা নিরাপদ করতে ট্রেনের ছাদে, বাফারে না উঠতে যাত্রীদের প্রতি অনুরোধ করেছেন তিনি।

চাপ বাড়েনি সদরঘাটে

ঈদযাত্রার প্রথম দিন সকালে রেলওয়ে স্টেশন ও বাস টার্মিনালগুলোতে ভিড় বাড়লেও ঢাকা সদরঘাটে যাত্রীর চাপ তেমন বাড়েনি।

বিআইডব্লিউটিএর পরিবহন পরিদর্শক (টিআই) নিয়াজ আহমেদ বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “অন্য শুক্রবারে যে রকম যাত্রী যায়, আজ সে রকমই আছে।”

সকালে চাঁদপুরের যাত্রী বেশি ছিল জানিয়ে তিনি বলেন, বরিশালের উদ্দেশ্যে সকাল ৮টা ও সাড়ে ৮টায় গ্রিন লাইনের দুটি লঞ্চ ছেড়ে গেছে, সেখানেও যাত্রী ছিল ‘স্বাভাবিক’।

প্রিয়জনের সঙ্গে ঈদ করতে ট্রেনে ঢাকা ছাড়ছে মানুষ। ছবি: আব্দুল্লাহ আল মমীন

প্রিয়জনের সঙ্গে ঈদ করতে ট্রেনে ঢাকা ছাড়ছে মানুষ। ছবি: আব্দুল্লাহ আল মমীন

চাঁদপুরগামী এমভি মিতালী লঞ্চের চালক মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, “আজকে তেমন ভিড় নাই। কাল থেকে চাপ বাড়বে বলে মনে হচ্ছে।”

মিতালী লঞ্চে সন্তানকে নিয়ে চাঁদপুর যাচ্ছেন শাহনাজ পারভীন। বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে তিনি বলেন, তার স্বামী সোমবার অফিস ছুটি শেষে যাবেন।

“ঈদের আগে আগে ভিড় বেশি থাকে, তখন বাচ্চ নিয়ে যাওয়া অনেক কষ্ট। তাই একটু আগেই রওয়ানা দিলাম।”

কোতয়ালি থানার পরিদর্শক (অপারেশন) মওদুদ হাওলাদার বলেন, ঈদের যাত্রীদের নিরাপত্তায় সদরঘাটে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রায় তিনশ সদস্য পালা করে দায়িত্ব পালন করবেন।

বিআইডব্লিউটিএর একজন পরিবহন পরিদর্শক বলেন, সদরঘাট দিয়ে প্রতিদিন প্রায় ছয় লাখ দেশের দিক্ষণাঞ্চলের বিভিন্ন গন্তব্যে যাতায়াত করেন।

বাংলাদেশের মানুষ আগামী ২২ অগাস্ট কোরবানি ঈদ উদযাপন করবেন। ঈদের ছুটি শুরু হবে মঙ্গলবার থেকে। তার আগে সোমবার বিকালে ঢাকা থেকে রওনা হওয়া মানুষের ভিড় সবচেয়ে বেশি থাকবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।  

]]>
1530552 https://d30fl32nd2baj9.cloudfront.net/media/2018/08/17/eid-journey-kamalapur-station-aam-17082018-0012.jpg/ALTERNATES/w300/eid-journey-kamalapur-station-aam-17082018-0012.jpg রাজধানীর কমলাপুর রেল স্টেশনে শুক্রবার ট্রেনের অপেক্ষায় ঈদে ঘরমুখো যাত্রীরা। ছবি: আব্দুল্লাহ আল মমীন 1530550 https://d30fl32nd2baj9.cloudfront.net/media/2018/08/17/eid-journey-kamalapur-station-aam-17082018-0014.jpg/ALTERNATES/w300/eid-journey-kamalapur-station-aam-17082018-0014.jpg প্রিয়জনের সঙ্গে ঈদ করতে ট্রেনে ঢাকা ছাড়ছে মানুষ। ছবি: আব্দুল্লাহ আল মমীন 1530547 https://d30fl32nd2baj9.cloudfront.net/media/2018/08/17/eid-journey-kamalapur-station-aam-17082018-0028.jpg/ALTERNATES/w300/eid-journey-kamalapur-station-aam-17082018-0028.jpg প্রিয়জনের সঙ্গে ঈদ করতে ট্রেনে ঢাকা ছাড়ছে মানুষ। ছবি: আব্দুল্লাহ আল মমীন
13 2 Home samagrabangladesh সমগ্র বাংলাদেশ news-district 9945 1530656 গাজীপুর প্রতিনিধি, বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম গাজীপুর প্রতিনিধি, বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম 2018-08-17 19:07:57.0 2018-08-17 19:09:06.0 শ্রমিকদের ঢাকা-ময়মনসিংহ সড়ক অবরোধ প্রত্যাহার শ্রমিকদের ঢাকা-ময়মনসিংহ সড়ক অবরোধ প্রত্যাহার বেতনের দাবিতে গাজীপুর সদরের হোতাপাড়ায় একটি পোশাক কারখানার শ্রমিকদের মহাসড়ক অবরোধ ছয় ঘণ্টা পর প্রত্যাহার করে নিয়েছে। বেতনের দাবিতে গাজীপুর সদরের হোতাপাড়ায় একটি পোশাক কারখানার শ্রমিকদের মহাসড়ক অবরোধ ছয় ঘণ্টা পর প্রত্যাহার করে নিয়েছে। false https://bangla.bdnews24.com/samagrabangladesh/article1530656.bdnews false https://d30fl32nd2baj9.cloudfront.net/media/2018/08/17/gazipur-garments-4.jpg/ALTERNATES/w300/gazipur-garments-4.jpg
গাজীপুর সিটি করপোরেশনের মেয়র মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম ঘটনাস্থলে গিয়ে শ্রমিকদের দাবি পূরণে উদ্যোগের আশ্বাস দিলে তারা কর্মসূচি প্রত্যাহার করে।

ঈদের আগে অগাস্টের ১৫ দিনের বেতনের দাবিতে অ্যালিগেন্টস গ্রুপের কেসিওপিয়া কারখানার নিটিং ও ডায়িং শাখার শ্রমিকরা শুক্রবার সকাল ১০টায় ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ শুরু করে। বিকাল ৪টায় তা প্রত্যাহার করে।

কারখানার শ্রমিক জাহাঙ্গীর আলম বলেন, অগাস্ট মাসের ১৫ দিনের বেতন-ভাতার দাবিতে শুক্রবার সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত সড়ক অবরোধ করে রাখেন তারা।

“পরে গাজীপুর সিটি মেয়র জাহাঙ্গীর আলম এসে স্থানীয় প্রশাসনের সহায়তায় আগামী রোববার অগাস্টের ১০ দিনের বেতন পরিশোধের আশ্বাস দিলে শ্রমিকরা অবরোধ তুলে নেয়।”

অ্যালিগেন্টস গ্রুপের সিনিয়র জেনারেল ম্যানেজার বজলুর রহমান বলেন, “প্রশাসন ও শ্রমিকদের সাথে আলোচনা করে চলতি মাসের ১০ দিনের বেতন পরিশোধের সিদ্ধান্ত হয়েছে।”

হোতাপাড়া শিল্প পুলিশ ক্যাম্পের ওসি হাবিব ইস্কান্দার বলেন, কারখানা কর্তৃপক্ষের সঙ্গে শ্রমিকদের দাবি নিয়ে একাধিকবার আলোচনা করা হয়েছে। পরে অগাস্টের ১০ দিনের বেতন দেওয়ার আশ্বাসে শ্রমিকরা সড়ক ছেড়ে চলে যায়।

গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের মেয়র জাহাঙ্গীর আলম বলেন, “কারখানার মালিকপক্ষের সাথে আলোচনা করে শ্রমিকদের পাওনা পরিশোধের আশ্বাস দেওয়ায় তারা মহাসড়ক থেকে অবরোধ তুলে নেয়।”

ঘটনাস্থলে মেয়রের সঙ্গে ছিলেন শিল্প পুলিশের পুলিশ সুপার সিদ্দিকুর রহমান, শিল্প পুলিশের অতিরিক্ত সুপার নূরে আলম সিদ্দিক, গাজীপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ রাসেল শেখ, জয়দেবপুর থানার ওসি আমিনুল ইসলাম এবং হোতাপাড়া পুলিশ ফাঁড়ির এসআই রফিকুল ইসলাম রফিক।

গাজীপুর ট্রাফিক বিভাগের সহকারী পুলিশ সুপার সালেহ উদ্দিন আহমেদ বলেন, শ্রমিকরা মহাসড়কে অবস্থান নিয়ে মহাসড়কে পুরাতন টায়ারে ও ঝুটে অগ্নিসংযোগ করে অবরোধ করে রাখে।

তিনি জানান, এতে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। এ সময় সড়কের উভয় পাশের অন্তত ২৩ কিলোমিটার এলাকায় যানজটের সৃষ্টি হয় এবং ভোগান্তিতে পড়েন কয়েক হাজার যাত্রী।

কারখানার ফিনিশিং বিভাগের শ্রমিক নাদিম মিয়া ও ফিরোজ বলেন, জুলাই মাসের বেতন অগাস্টের প্রথম সপ্তাহে পেয়ে বাসা ভাড়া, দোকান খরচ ও অন্যান্য জায়গায় খরচ হয়ে গেছে। যে পরিমাণ বোনাস দিচ্ছে তা দিয়ে পরিবার পরিজন নিয়ে ঈদে খরচ করা সম্ভব নয়। এখন ঈদের কেনাকাটার টাকা তাদের হাতে নেই। তাই তারা কারখানা কর্তৃপক্ষকে অগাস্টের ১৫ দিনের বেতন পরিশোধের অনুরোধ জানিয়েছিলেন। কিন্তু কর্তৃপক্ষ বেতন না দেওয়ার ব্যাপারে তাদের সিদ্ধান্তে অটল থাকায় তারা আন্দোলনে নামে।

ঈদে ঘরমুখোদের ভোগান্তি

পরিবার ও স্বজন নিয়ে ঈদের ছুটি কাটাতে ঢাকার ব্যবসায়ী মুজিবুল হক সকালে ঢাকা থেকে ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জের উদ্দেশ্যে রওনা দিয়েছেন। কিন্তু যানজটে আটকে ছিলেন বিকাল পর্যন্ত। প্রচণ্ড গরমে তার শিশু সন্তান অসুস্থ হয়ে পড়েছে।

প্রবাসী আশরাফুল ইসলাম মালয়েশিয়া থেকে দেশে এসেছেন মায়ের চিকিৎসা করাতে।

তিনি বলেন, গাজীপুরের বোর্ড বাজার থেকে মাকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার জন্য বাড়ি থেকে বের হলেও যানজটে আটকে ছিলেন দীর্ঘ সময়।

শেরপুর থেকে কোরবানির গরু নিয়ে রাজধানী ঢাকায় যাচ্ছিলেন শহিদুল ইসলাম নামের এক গরু ব্যবসায়ী।

তিনি বলেন, সকাল ৯টা থেকে যানজটে আটকে যান। তীব্র রোদে গরুগুলো হাঁপিয়ে উঠলে আশপাশ থেকে পানি এনে সেগুলোর উপর ছিটিয়ে দেন।

আলম এশিয়া পরিবহনের বাস চালক শরিফুল ইসলাম বলেন, “ময়মনসিংহ থেকে সকাল সাড়ে ৮টায় রওনা দিয়েছিলাম। মহাসড়কের ভবানীপুর পার হওয়ার যানজটে আটক পড়লে সকল যাত্রীরা নেমে যাওয়ায় গাড়ি ঘুড়িয়ে এখন আবার ময়মনসিংহের উদ্দেশ্যে রওনা দিয়েছি।”

ময়মনসিংহের গৌরীপুর থেকে ডিম নিয়ে চট্টগ্রামের উদ্দেশে রওনা দিয়েছেন ট্রাক চালক আফজাল হোসেন।

তিনি বলেন, সকাল ১০টা থেকে যানজটে আটকে আছেন। প্রচণ্ড গরমে গাড়িতেই তার ডিম নষ্ট হয়ে গেলে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন।

]]>
1530654 https://d30fl32nd2baj9.cloudfront.net/media/2018/08/17/gazipur-garments-4.jpg/ALTERNATES/w300/gazipur-garments-4.jpg 1530652 https://d30fl32nd2baj9.cloudfront.net/media/2018/08/17/gazipur-garments-2.jpg/ALTERNATES/w300/gazipur-garments-2.jpg 1530653 https://d30fl32nd2baj9.cloudfront.net/media/2018/08/17/gazipur-garments-3.jpg/ALTERNATES/w300/gazipur-garments-3.jpg 1530655 https://d30fl32nd2baj9.cloudfront.net/media/2018/08/17/gazipur-garments-5.jpg/ALTERNATES/w300/gazipur-garments-5.jpg
14 2 Home probash_bn প্রবাস news-bn 9556 1530480 মো. শফি উল্লাহ রিপন, সৌদি আরব প্রতিনিধি, বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম মো. শফি উল্লাহ রিপন, সৌদি আরব প্রতিনিধি, বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম 2018-08-17 13:05:49.0 2018-08-17 13:06:56.0 জেদ্দায় সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল চার বাংলাদেশির জেদ্দায় সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল চার বাংলাদেশির সৌদি আরবে সড়ক দুর্ঘটনায় বাংলাদেশি এক পরিবারের চার সদস্যের মৃত্যু হয়েছে, আহত হয়েছেন আরও দুইজন। সৌদি আরবে সড়ক দুর্ঘটনায় বাংলাদেশি এক পরিবারের চার সদস্যের মৃত্যু হয়েছে, আহত হয়েছেন আরও দুইজন। false https://bangla.bdnews24.com/probash/article1530480.bdnews false https://d30fl32nd2baj9.cloudfront.net/media/2018/08/17/saudi.jpg/ALTERNATES/w300/saudi.jpg নিহত মশিউর রহমান ও তার তিন মেয়ে
বৃহস্পতিবার দুপুরে জেদ্দা থেকে তায়েফ যাওয়ার পথে মক্কা চেকপোস্টের আগে ওই পরিবারের গাড়ি দুর্ঘটনায় পড়ে বলে প্রবাসী বাংলাদেশিরা জানান।

জেদ্দায় বাংলাদেশ কনস্যুলেটের শ্রম কাউন্সেলর আমিনুল ইসলাম বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “দুর্ঘটনায় হতাহতের খবর পেয়ে আমরা হাসপাতালে লোক পাঠিয়েছি। পরে বিস্তারিত বলতে পারব।”

নিহতরা হলেন- চট্টগ্রামের সন্দ্বীপ সাঈদভাঙ্গা গ্রামের অহিদুর রহমানের ছেলে মশিউর রহমান (৪৭) এবং তার তিন মেয়ে- সায়মা (১৪), সিনথিয়া (১২) ও সাবিহা (৯)।

মশিউর রহমানের স্ত্রী ও ছেলে আবদুর রহমানকে আহত অবস্থায় কিং আব্দুল আজিজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

ওই পরিবারের ঘনিষ্ঠজনরা জানান, মশিউর জেদ্দার নাজলা এলাকায় পরিবার নিয়ে থাকতেন। তায়েফে তার ব্যবসা ছিল।

মশিউরের ছেলেমেয়েরা সবাই জেদ্দার ‘বাংলাদেশ ইন্টারন্যাশনাল স্কুল অ্যান্ড কলেজ’ এর বাংলা শাখার শিক্ষার্থী ছিল।

প্রবাস পাতায় আপনিও লিখতে পারেন। প্রবাস জীবনে আপনার ভ্রমণ,আড্ডা,আনন্দ বেদনার গল্প,ছোট ছোট অনুভূতি,দেশের স্মৃতিচারণ,রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক খবর আমাদের দিতে পারেন। লেখা পাঠানোর ঠিকানা probash@bdnews24.com। সাথে ছবি দিতে ভুলবেন না যেন!
]]>
1530479 https://d30fl32nd2baj9.cloudfront.net/media/2018/08/17/saudi.jpg/ALTERNATES/w300/saudi.jpg নিহত মশিউর রহমান ও তার তিন মেয়ে
15 2 Home samagrabangladesh সমগ্র বাংলাদেশ news-district 9945 1530598 কক্সবাজার প্রতিনিধি বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম কক্সবাজার প্রতিনিধি বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম 2018-08-17 17:08:38.0 2018-08-17 17:08:38.0 কক্সবাজারে ‘বনরক্ষীদের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত ১ কক্সবাজারে ‘বনরক্ষীদের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত ১ কক্সবাজারে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ অভিযানে যাওয়া বনরক্ষীদের সঙ্গে গ্রামবাসীর বন্দুকযুদ্ধে একজন নিহত হয়েছেন বলে পুলিশ জানিয়েছে। কক্সবাজারে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ অভিযানে যাওয়া বনরক্ষীদের সঙ্গে গ্রামবাসীর বন্দুকযুদ্ধে একজন নিহত হয়েছেন বলে পুলিশ জানিয়েছে। false https://bangla.bdnews24.com/samagrabangladesh/article1530598.bdnews false https://d30fl32nd2baj9.cloudfront.net/bangla-media/2016/09/24/khun-gun.jpg/ALTERNATES/w300/khun+gun.jpg
সদর উপজেলার ঈদগাঁও পুলিশ ফাঁড়ির এসআই মিনহাজ উদ্দিন বলেন, শুক্রবার বেলা ১২টার দিকে বনবিভাগের মেহেরঘোনা রেঞ্জের চান্দের ঘোনা এলাকায় গোলাগুলির এ ঘটনা ঘটে।

নিহত মোস্তাক আহমদ (৩৫) ঈদগাঁও ইউনিয়নের চান্দেরঘোনা এলাকার বাসিন্দা।

বনবিভাগের কর্মকর্তাদের বরাতে এসআই মিনহাজ বলেন, “চান্দেরঘোনা পাহাড়ি এলাকায় কিছু স্থানীয় বাসিন্দা ঝুপড়ি ঘরের মত অবৈধ স্থাপনা গড়ে তোলার খবর পেয়ে বনরক্ষীরা অভিযান চালান।

“তারা ঘটনাস্থলে পৌঁছানো মাত্র অবৈধ স্থাপনা গড়ে তোলা ১৫-২০ জন ধারালো অস্ত্রসশস্ত্র নিয়ে হামলে পড়ে। বনরক্ষীরা বাধা দেওয়ার চেষ্টা করলে হামলাকারীরা গুলি ছোড়ে। বনরক্ষীরা পাল্টা গুলি ছোড়ে। দুই পক্ষের সংঘর্ষে মোস্তাক গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যান।”

এছাড়া একজন এলাকাবাসী ও পাঁচ বনরক্ষী আহত হয়েছেন জানিয়ে তিনি বলেন, তাদের মধ্যে বনরক্ষী আব্দুল মান্নান (৪৩), আব্দুল মতিন (৪০), মো. খোকন (৩২), মোহাম্মদ শহীদুল্লাহ (৩১) ও মো. রশিদ খানকে (৩১) কক্সবাজার সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

একজন এলাকাবাসী আহত হয়েছেন বলে জানালেও পুলিশ তার পরিচয় বলতে পারেননি।

]]>
1217753 https://d30fl32nd2baj9.cloudfront.net/bangla-media/2016/09/24/khun-gun.jpg/ALTERNATES/w300/khun+gun.jpg
16 2 Home ctg চট্টগ্রাম news-bn 10023 1530574 চট্টগ্রাম ব্যুরো বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম চট্টগ্রাম ব্যুরো বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম 2018-08-17 16:29:03.0 2018-08-17 16:29:03.0 চট্টগ্রাম চিড়িয়াখানায় তৈরি হচ্ছে পক্ষীশালা চট্টগ্রাম চিড়িয়াখানায় তৈরি হচ্ছে পক্ষীশালা দর্শনার্থীদের বিভিন্ন পাখি দেখার সুযোগ করে দিতে চট্টগ্রাম চিড়িয়াখানায় তৈরি হচ্ছে পক্ষীশালা। দর্শনার্থীদের বিভিন্ন পাখি দেখার সুযোগ করে দিতে চট্টগ্রাম চিড়িয়াখানায় তৈরি হচ্ছে পক্ষীশালা। false https://bangla.bdnews24.com/ctg/article1530574.bdnews false https://d30fl32nd2baj9.cloudfront.net/media/2018/08/17/natural-mini-aviary-1.jpg/ALTERNATES/w300/natural-mini-aviary-1.jpg চট্টগ্রাম চিড়িয়াখানায় ন্যাচারাল মিনি এভিয়ারি নির্মাণের কাজ চলছে।
৩৪ লাখ টাকায় এই ‘ন্যাচারাল মিনি এভিয়ারি’ নির্মাণের কাজ এরই মধ্যে অর্ধেক শেষ হয়েছে বলে চিড়িয়াখানা নির্বাহী কমিটির সদস্য সচিব ও কাপ্তাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রুহুল আমিন জানিয়েছেন।

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে তিনি বলেন, জেলা প্রশাসকের পরিকল্পনা আর নির্দেশনায় এই ন্যাচারাল মিনি এভিয়ারি নির্মাণ করা হচ্ছে।

“এতে অবকাঠামো খাতে ব্যয় ধরা হয়েছে ২০ লাখ টাকা আর পাখি কেনায় ব্যয় ধরা হয়েছে ১৪ লাখ টাকা।”

রুহুল আমিন বলেন, ছয় প্রজাতির ৩০০ পাখি নিয়ে শুরু হবে এই এভিয়ারি। এর মধ্যে লাভ বার্ড ২০ জোড়া, লাফিং ডাভ ৫০ জোড়া, ফিজেন্ট ১০ জোড়া, রিংনেড প্যারোট ১০ জোড়া, কোকাটেইল ৫০ জোড়া এবং এক জোড়া ম্যাকাও পাখি থাকবে। 

চট্টগ্রাম চিড়িয়াখানায় ন্যাচারাল মিনি এভিয়ারি নির্মাণের কাজ চলছে।

চট্টগ্রাম চিড়িয়াখানায় ন্যাচারাল মিনি এভিয়ারি নির্মাণের কাজ চলছে।

চট্টগ্রাম চিড়িয়াখানায় ন্যাচারাল মিনি এভিয়ারি নির্মাণের কাজ চলছে।

চট্টগ্রাম চিড়িয়াখানায় ন্যাচারাল মিনি এভিয়ারি নির্মাণের কাজ চলছে।

দৈর্ঘে ৬০ ফুট আর প্রস্থে ২৫ ফুট আয়তনের পক্ষীশালাটি আগামী সেপ্টেম্বরের মাঝামাঝি সময়ে চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক উদ্বোধন করবেন বলে জানান রুহুল আমিন।

চিড়িয়াখানায় আগে থেকে কয়েক প্রজাতির বকসহ খাঁচায় কিছু পাখি আছে। 

১৯৮৯ সালে নগরীর ফয়’স লেক এলাকায় ছয় একর জায়গায় নির্মিত হয় চট্টগ্রাম চিড়িয়াখানা।

জেলা প্রশাসনের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত এ চিড়িয়াখানায় বর্তমানে রয়েছে বাঘ, সিংহ, হরিণ, কুমির, অজগর, ভাল্লুক, জেব্রা, উট পাখিসহ প্রায় ৪৭ প্রজাতির প্রাণী।

দীর্ঘদিন বাঘ ও সিংহ ছাড়া থাকা চট্টগ্রাম চিড়িয়াখানায় ২০১৬ সালের ৯ ডিসেম্বর দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে ৩৩ লাখ টাকা খরচ করে আনা হয় এক জোড়া বাঘ। এর আগে ৫ সেপ্টেম্বর ‘অদল-বদল’ প্রক্রিয়ায় রংপুর চিড়িয়াখানায় একটি সিংহী দিয়ে একটি সিংহ আনা হয়। 

সবশেষ গত মার্চে দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে আনা হয় ছয়টি জেব্রা। 

এটিই দেশের একমাত্র চিড়িয়াখানা যার ব্যয় নির্বাহ হয় দর্শনার্থীদের টিকেট বিক্রির টাকায়। টিকেট বিক্রির অর্থ দিয়েই জেব্রাগুলো কেনা হয়েছে।

]]>
1530571 https://d30fl32nd2baj9.cloudfront.net/media/2018/08/17/natural-mini-aviary-1.jpg/ALTERNATES/w300/natural-mini-aviary-1.jpg চট্টগ্রাম চিড়িয়াখানায় ন্যাচারাল মিনি এভিয়ারি নির্মাণের কাজ চলছে। 1530572 https://d30fl32nd2baj9.cloudfront.net/media/2018/08/17/natural-mini-aviary-2.jpg/ALTERNATES/w300/natural-mini-aviary-2.jpg চট্টগ্রাম চিড়িয়াখানায় ন্যাচারাল মিনি এভিয়ারি নির্মাণের কাজ চলছে। 1530573 https://d30fl32nd2baj9.cloudfront.net/media/2018/08/17/natural-mini-aviary-3.jpg/ALTERNATES/w300/natural-mini-aviary-3.jpg চট্টগ্রাম চিড়িয়াখানায় ন্যাচারাল মিনি এভিয়ারি নির্মাণের কাজ চলছে।
17 2 Home bangladesh_bn বাংলাদেশ news-bn 199 1530455 মঈনুল হক চৌধুরী বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম মঈনুল হক চৌধুরী বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম 2018-08-17 10:30:53.0 2018-08-17 10:30:53.0 ভোটের প্রস্তুতিতে ইসি ভোটের প্রস্তুতিতে ইসি তফসিল ঘোষণার আগের প্রস্তুতি অক্টোবরে শেষ করে ফল গেজেট প্রকাশ পর্যন্ত একগুচ্ছ কর্মপরিকল্পনা তৈরির কাজ হাতে নিচ্ছে ইসি সচিবালয়। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে পুরোদমে কাজ গোছাতে শুরু করেছে নির্বাচন কমিশন। false https://bangla.bdnews24.com/bangladesh/article1530455.bdnews false https://d30fl32nd2baj9.cloudfront.net/media/2018/07/29/barisal-city-corporation-elections-mm-290718-0010.jpg/ALTERNATES/w300/barisal-city-corporation-elections-MM-290718-0010.jpg
এ লক্ষ্যে তফসিল ঘোষণার আগে-পরে দুই ধাপের অন্তত ৯০টি কাজ চিহ্নিত করে সে অনুযায়ী এগোচ্ছে সাংবিধানিক সংস্থাটি।

আসছে ৩০ অক্টোবর থেকে ২৮ জানুয়ারির মধ্যে একাদশ সংসদ নির্বাচন করার সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা রয়েছে।

প্রধান নির্বাচন কমিশনার কে এম নূরুল হুদা ইতোমধ্যে বলেছেন, ডিসেম্বরের শেষ দিকে ভোটের জন্য নভেম্বরের শুরুতে তফসিল দেওয়া হতে পারে। কমিশনের বৈঠকে ভোটের তারিখ চূড়ান্ত করা হবে।

সেক্ষেত্রে ডিসেম্বরের শেষে অথবা জানুয়ারির শুরুতে ভোট হবে। শিক্ষার্থীদের সমাপনী পরীক্ষা ও বিশ্ব ইজতেমার সময়কেও বিবেচনায় নেবে কমিশন।

এসব বিষয় মাথায় রেখেই সেপ্টেম্বরে ‘একাদশ সংসদ নির্বাচন পরিচালনায় কর্মপরিকল্পনা ও বাস্তবায়নসূচি’র খসড়া কমিশনে উপস্থাপনের প্রস্তুতি নিচ্ছেন ইসি কর্মকর্তারা।

# দশম সংসদ নির্বাচন হয় ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি। তফসিল ঘোষণা করা হয় ২৫ নভেম্বর। বিএনপিসহ সমমনা কয়েকটি দল ওই নির্বাচন বর্জন করে।

# তার আগে নবম সংসদ নির্বাচনের তফসিল হয় ২০০৮ সালের ২ নভেম্বর। তিন দফা তারিখ পরিবর্তন করে ভোট হয় ২৯ ডিসেম্বর।

ইসির নির্বাচন পরিচালনা শাখার কর্মকর্তারা জানান, প্রথম সংসদ নির্বাচনে ভোটের আগে ৬০ দিন, দ্বিতীয় ৫৪ দিন, তৃতীয় ৪৭ দিন, ৪র্থ ৬৯ দিন পঞ্চম ৭৮ দিন, ষষ্ঠ ৪৭ দিন, সপ্তম ৪৭ দিন, অষ্টম ৪২ দিন, নবম সংসদ নির্বাচন ৪৭ দিন ও দশম সংসদ নির্বাচনে ৪২ দিন সময় হাতে রেখে তফসিল ঘোষণা করেছিল কমিশন।

ক্ষণ গণনা শুরু ৩০ অক্টোবর

ইসি সচিব হেলালুদ্দীন বলেন, গত সংসদের প্রথম অধিবেশন হয়েছিল ২৯ জানুয়ারি। সে হিসাবে এবার ভোটের ৯০ দিনের ক্ষণ গণনা শুরু হবে ৩০ অক্টোবর থেকে।

প্রধান নির্বাচন কমিশনার কেএম নূরুল হুদা (ফাইল ছবি)

প্রধান নির্বাচন কমিশনার কেএম নূরুল হুদা (ফাইল ছবি)

বৃহস্পতিবার তিনি বলেন, “নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহে তফসিল ঘোষণা করার মতো প্রস্তুতি আছে আমাদের। নির্বাচন কমিশন এখনও ওইভাবে আলোচনা করেনি তারিখ নিয়ে। তবে ধারণা করা হচ্ছে, ডিসেম্বরের শেষার্ধে অথবা জানুয়ারির প্রথম দিকে জাতীয় নির্বাচন হবে।”

ইসির কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ভোটের ক্ষণ গণনার শুরু থেকে ফলাফলের গেজেট করা পর্যন্ত অন্তত ৯০টি কাজ চিহ্নিত করে কর্মপরিকল্পনা সাজাচ্ছেন তারা।

প্রথম ধাপে ভোটকেন্দ্রের তালিকা, পুননির্ধারিত সীমানা অনুযায়ী আসনভিত্তিক ভোটার তালিকা চূড়ান্ত করা, স্বচ্ছ ব্যালট বাক্স প্রস্তুত, নির্বাচন সামগ্রী কেনাকাটা, ভোটগ্রহণ কর্মকর্তাদের প্যানেল প্রস্তুত, প্রশিক্ষকদের প্রশিক্ষণ,  নির্বাচনী ম্যানুয়াল তৈরি, মনোনয়নপত্র মুদ্রণসহ আনুষঙ্গিক কাজ সেপ্টেম্বরে-অক্টোবরে শেষ করা হবে। তফসিল ঘোষণার পর শুরু হবে দ্বিতীয় ধাপের কাজ।

হেলালুদ্দীন আহমদ বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, ভোটার তালিকার কাজ শেষ হয়েছে। ভোটকেন্দ্রের খসড়া হয়েছে। দ্রব্য-সামগ্রী কেনার কার্যাদেশ দেওয়া হয়েছে। কমিশনের সভায় এসব কিছুর অগ্রগতি, নির্বচনী কর্মকর্তা, আইন শৃঙ্খলা, আর্থিক বরাদ্দসহ সার্বিক বিষয় আলোচনা হবে।

তফসিলের পর গুরুত্বপূর্ণ কাজ

নির্বাচন ব্যবস্থাপনা ও সমন্বয় শাখার কর্মকর্তারা জানান, তফসিল ঘোষণার পর কর্মকর্তা নিয়োগ, মন্ত্রিপরিষদসহ বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা, রিটার্নিং কর্মকর্তার জন্য পরিপত্র জারি, আচরণবিধি প্রতিপালন, ভোটগ্রহণ কর্মকর্তা নিয়োগ, নির্বাচনী তদন্ত কমিটি গঠন, নির্বাহী ও বিচারিক হাকিম নিয়োগে ব্যবস্থা, ভোটকেন্দ্রের গেজেট প্রকাশ, সাংবাদিক-পর্যবেক্ষকদের অনুমতি, মাঠ পর‌্যায়ে সামগ্রী বিতরণ এবং আইন শৃঙ্খলা বাহিনী ও গোয়েন্দাসংস্থার সঙ্গে বৈঠক থাকবে।

প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের চূড়ান্ত তালিকা পাওয়ার পর ব্যালট পেপার মুদ্রণের ব্যবস্থা নেওয়া হবে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয়সহ আইন শৃঙ্খলাবাহিনীর শীর্ষ কর্মকর্তা, রিটার্নিং কর্মকর্তা, মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তাদের নিয়ে সভা এবং আইন শৃঙ্খলা প্রধানদের সঙ্গে ‘বিশেষ পর্যালোচনা বৈঠক’ কমিশন নির্ধারণ করবে।

দ্বিতীয় দফা বৈঠক করে সেনাসহ আইন শৃঙ্খলাবাহিনীর সদস্য মোতায়েনের ‘টাইমফ্রেম’ নির্ধারণ করা হয়। আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণের জন্য সেনাবাহিনী নিয়োগের সিদ্ধান্ত হলে সশস্ত্রবাহিনী বিভাগকে অনুরোধ করবে ইসি।

সিইসি কে এম নূরুল হুদা ইতোমধ্যে বলেছেন, “আগেও সেনা মোতায়েন হয়েছে। এবারের বিষয়ে সিদ্ধান্ত হয়নি; সেনা মোতায়েন হবে কিংবা সেনা মোতায়েন হবে না- এমন সিদ্ধান্ত এখনই বলা যাবে না। ভোটের আগে পরিস্থিতি বুঝে আমরা সিদ্ধান্ত জানাব।”

সুষ্ঠু, অবাধ, নিরপেক্ষ ও শান্তিপূর্ণভাবে নির্বাচন অনুষ্ঠানে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পাশাপাশি সংবিধানের ১২৬ অনুচ্ছেদ অনুসারে সশস্ত্রবাহিনী নিয়োগ দেয় ইসি। দশম সংসদ নির্বাচনের সময় সেনাবাহিনীর সদস্যরা মাঠে ছিলেন ১৫ দিন।

সাড়ে দশ কোটি ভোটারের নির্বাচন

ইসি কর্মকর্তারা জানান, একাদশ সংসদ নির্বাচনে ১০ কোটি ৪৩ লাখেরও বেশি ভোটার থাকবে। সম্ভাব্য ভোটকেন্দ্র হবে ৪০ হাজারের বেশি।

প্রতিটি কেন্দ্রে একজন করে প্রিজাইডিং কর্মকর্তা, প্রতি ভোট কক্ষে একজন করে সহকারী প্রিজাইডিং এবং প্রতিটি ভোট কক্ষে দুইজন করে পোলিং কর্মকর্তা নিয়োগ করা হয়। এক্ষেত্রে সব মিলিয়ে ৬ লাখের বেশি ভোট গ্রহণ কর্মকর্তা নিয়োজিত থাকবেন।

প্রতি কেন্দ্রে ১৫-১৮ জন নিরাপত্তা সদস্য। নির্বাহী ও বিচারিক হাকিমের নেতৃত্বে আইন শৃঙ্খলাবাহিনীর কয়েক লাখ সদস্য।

একাদশ সংসদ নির্বাচনের জন্য সম্ভাব্য বাজেট রয়েছে ৬৭৫ কোটি টাকা। এর মধ্যে নির্বাচন পরিচালনার চেয়ে আড়াই-তিনগুণ ব্যয় হবে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায়।

ছবিসহ ভোটার তালিকার পর নবম সংসদ নির্বাচনে ৮ কোটি ১০ লাখ ও দশম সংসদ নির্বাচনে ৯ কোটি ১৯ লাখ ভোটার ছিলেন।

]]>
1524041 https://d30fl32nd2baj9.cloudfront.net/media/2018/07/29/barisal-city-corporation-elections-mm-290718-0010.jpg/ALTERNATES/w300/barisal-city-corporation-elections-MM-290718-0010.jpg
18 2 Home samagrabangladesh সমগ্র বাংলাদেশ news-district 9945 1530580 রাজশাহী প্রতিনিধি, বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম রাজশাহী প্রতিনিধি, বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম 2018-08-17 16:37:53.0 2018-08-17 17:35:28.0 রাজশাহীতে ‘মাদকসেবনে বাধা দেওয়ায় হত্যা’ রাজশাহীতে ‘মাদকসেবনে বাধা দেওয়ায় হত্যা’ রাজশাহীতে মাদকসেবনে বাধা দেওয়ায় এক যুবককে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে বলে পরিবার অভিযোগ তুলেছে। রাজশাহীতে মাদকসেবনে বাধা দেওয়ায় এক ভাঙ্গারি ব্যবসায়ীকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে বলে পরিবার অভিযোগ তুলেছে। false https://bangla.bdnews24.com/samagrabangladesh/article1530580.bdnews false https://d30fl32nd2baj9.cloudfront.net/media/2014/04/21/rajshahi_medical.jpg/ALTERNATES/w300/rajshahi_medical.jpg
নিহত আবদুর রাজ্জাক (৩০) চন্দ্রিমা থানার হাজরা পুকুর এলাকার ইসলাম মিয়ার ছেলে। রাজ্জাক ভাঙ্গারির কেনাবেচা করতেন বলে পুলিশ জানিয়েছে।

চন্দ্রিমা থানার ওসি হুমায়ুন কবির বলেন, পিটুনিতে আহত রাজ্জাক শুক্রবার সকালে রাজশাহী মেডিকেলে কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।

“যারা তাকে পিটিয়ে আহত করেন মৃত্যুর আগে রাজ্জাক তাদের আটজনের নাম জানিয়েছেন পুলিশকে। তাদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।”

নিহত রাজ্জাকের ছোট ভাই শাহিনের অভিযোগ, গত ৬ অগাস্ট রাত সাড়ে ৯টার দিকে চা খাওয়ার কথা বলে রাজ্জাকে ডেকে নিয়ে যান একই এলাকার মানিক, খায়রুল, সুমন, জ্যাকি, মোহন, রাসেল ও মাসুম। পরে টহল পুলিশ গিয়ে আহত রাজ্জাককে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যায়।

“রাজ্জাক যাদের নাম বলেছে তারা এলাকায় মাদক সেবন করেন। প্রতিদিন তারা এলাকায় মাদকের আসর বসান। রাজ্জাক এলাকায় এ ধরনের আসর বসাতে নিষেধ করেন। এর জেরে তারা তাকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে পিটিয়ে জখম করেন।”

এ ঘটনায় থানায় মামলা হয়েছে জানিয়ে ওসি হুমায়ুন বলেন, আসামিদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনা হবে।

]]>
775886 https://d30fl32nd2baj9.cloudfront.net/media/2014/04/21/rajshahi_medical.jpg/ALTERNATES/w300/rajshahi_medical.jpg
19 2 Home world_bn বিশ্ব news-bn 200 1530583 নিউজ ডেস্ক বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম নিউজ ডেস্ক বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম 2018-08-17 16:41:39.0 2018-08-17 16:41:39.0 যাজকের মুক্তি, নতুবা নতুন নিষেধাজ্ঞা: তুরস্ককে ট্রাম্প যাজকের মুক্তি, নতুবা নতুন নিষেধাজ্ঞা: তুরস্ককে ট্রাম্প তুরস্কে বন্দি মার্কিন যাজক এন্ড্রু ব্রানসনকে মুক্তি না দিলে দেশটির উপর আরও অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা আরোপের হুমকি দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। তুরস্কে বন্দি মার্কিন যাজক এন্ড্রু ব্রানসনকে মুক্তি না দিলে দেশটির উপর আরও অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা আরোপের হুমকি দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। false https://bangla.bdnews24.com/world/article1530583.bdnews false https://d30fl32nd2baj9.cloudfront.net/media/2018/08/17/pastor.jpg/ALTERNATES/w300/pastor.jpg তুরস্কে বন্দি মার্কিন যাজক এন্ড্রু ব্রানসন। ফাইল ছবি: রয়টার্স
গত দুই বছর ধরে তুরস্ক ব্রানসনকে বন্দি করে রেখেছে। ২১ মাস কারান্তরীণ রাখার পর গত জুলাই থেকে তাকে গৃহবন্দি করে রাখা হয়েছে। ব্রানসনের মুক্তির জন্য যুক্তরাষ্ট্র তুরস্ককে চাপ দিলেও দেশটি তা মানেনি।

আঙ্কারার অভিযোগ ব্রানসনের সঙ্গে দেশটির নিষিদ্ধ ঘোষিত কুর্দিস্থান ওয়ার্কাস পার্টি (পিকেকে) এবং ফেতুল্লাহ গুলেন পন্থি সংগঠনের যোগাযোগ আছে।

যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী ফেতুল্লাহ গুলেনই ২০১৬ সালে তুরস্কে সেনা অভ্যুত্থান চেষ্টার হোতা বলে মনে করেন দেশটির প্রেসিডেন্ট রিজেপ তায়িপ এরদোয়ান।

যুক্তরাষ্ট্র অনেকদিন ধরেই ব্রানসনের মুক্তি দাবি করে আসছে। এ নিয়ে বিরোধের জেরেই মূলত নেটোভূক্ত দুই দেশের সম্পর্কের অবনতি হয়েছে।

সম্প্রতি দুই দেশ পরষ্পরের পণ্যের বিরুদ্ধে শুল্কারোপ করেছে।

এক সপ্তাহ আগে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তুরস্কের ইস্পাত ও অ্যালুমিনিয়ামের উপর দ্বিগুণ শুল্কারোপের ঘোষণা দেন।

যার পরপরই বিশ্বের মুদ্রা বাজারে তুরস্কের মুদ্রা ‘লিরা’র বড়ধরনের দর পতন হয়। ২৪ ঘণ্টায় লিরার দাম প্রায় ২০ শতাংশ পড়ে যায়।

যার নেতিবাচক প্রভাব যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের শেয়ার বাজারগুলোতেও পড়ে। গত সোমবার ডলারের বিপরীতে লিরার দাম সবচেয়ে কম ছিল (১ ডলার= ৭ দশমিক ২৪ লিরা)।

এ অবস্থায় দরপতন ঠেকাতে এরদোয়ান তুরস্কের নাগরিকদের নিজেদের কাছে থাকা ডলার  ও ইউরো বিক্রি করে লিরা কেনার অনুরোধ করেছেন। দেশটির কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকেও বেশ কিছু ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

আর শুল্কারোপের পাল্টা ব্যবস্থা হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রের ইলেক্ট্রোনিক পণ্য বয়কটের ঘোষণা দেওয়ার পাশাপাশি দেশটির বেশ কিছু পণ্যে দ্বিগুণ শুল্কারোপ করেন এরদোয়ান।

দুই দেশের এই কূটনৈতিক বিরোধে বিশ্ববাজারে সংকটের সৃষ্টি হতে পারে বলে শঙ্কা বাজার বিশ্লেষকদের।

এর মধ্যেই শুক্রবার এক টুইটে ট্রাম্প তুরস্কের উপর নতুন করে নিষেধাজ্ঞা আরোপের হুমকি দেন।

এদিন তিনি লেখেন, “তুরস্ক অনেক বছর ধরে যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে সুবিধা নিয়ে আসছে। এখন তারা আমাদের একজন সম্মানিত খ্রিস্টান যাজককে আটকে রেখেছে। আমরা একজন নির্দোষ মানুষের মুক্তির জন্য কোনো মূল্য দেব না, কিন্তু আমরা তুরস্কের ওইসব সুবিধা ছেঁটে ফেলবো।”

 

তার আগে, বুধবার হোয়াইট হাউজ থেকে এক সংবাদ সম্মেলনে ব্র্যানসনকে মুক্তি দিলেও তুরস্কের স্টিলের ওপর শুল্ক বহাল রাখার ঘোষণা দেওয়া হয়।

]]>
1530582 https://d30fl32nd2baj9.cloudfront.net/media/2018/08/17/pastor.jpg/ALTERNATES/w300/pastor.jpg তুরস্কে বন্দি মার্কিন যাজক এন্ড্রু ব্রানসন। ফাইল ছবি: রয়টার্স
20 2 Home samagrabangladesh সমগ্র বাংলাদেশ news-district 9945 1530568 ঝিনাইদহ প্রতিনিধি, বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম ঝিনাইদহ প্রতিনিধি, বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম 2018-08-17 16:02:21.0 2018-08-17 16:03:41.0 ঝিনাইদহে সড়ক দুর্ঘটনায় একজন নিহত ঝিনাইদহে সড়ক দুর্ঘটনায় একজন নিহত ঝিনাইদহ সদর উপজেলায় সড়ক দুর্ঘটনায় একজন নিহত হয়েছেন। এছাড়া পৃথক দুর্ঘটনায় আরও অন্তত ১৫ হয়েছেন। ঝিনাইদহ সদর উপজেলায় সড়ক দুর্ঘটনায় একজন নিহত হয়েছেন। এছাড়া পৃথক দুর্ঘটনায় আরও অন্তত ১৫ হয়েছেন। false https://bangla.bdnews24.com/samagrabangladesh/article1530568.bdnews false https://d30fl32nd2baj9.cloudfront.net/media/2018/08/17/jhenidah-accident.jpg/ALTERNATES/w300/Jhenidah-accident.jpg
সদর থানার ওসি এমদাদুল হক শেখ বলেন, সাধুহাটি বালিকা বিদ্যালয়ের পাশে ঝিনাইদহ-চুয়াডাঙ্গা সড়ক থেকে শুক্রবার সকালে গাড়ির চাকায় পিষ্ট একজনের লাশ উদ্ধার করা হয়।

“অজ্ঞাতপরিচয় গাড়ির চাকায় পিষ্ট হয়ে নিতি নিহত হয়েছেন। তার পরিচয় জানা যায়নি। তার পরনে লুঙ্গি ও গায়ে পাঞ্জাবি রয়েছে।”

পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ঝিনাইদহ সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠিয়েছে।

এছাড়া জেলার কালীগঞ্জ উপজেলার কেয়াবাগান এলাকায় ঝিনাইদহ-যশোর মহাসড়কে বাস দুর্ঘটনায় অন্তত ১৫ জন আহত হয়েছেন।

বারোবাজার হাইওয়ে থানার এসআই কালীপদ পোদ্দার বলেন, শুক্রবার বেলা ১২টার দিকে খুলনা থেকে আসা রূপসা পরিবহনের একটি বাস কুষ্টিয়া যাওয়ার পথে নিয়ন্ত্রণ হারায়। বাসটি রাস্তার পাশের খাদে উল্টে পড়লে অন্তত ১৫ যাত্রী আহত হন।

তাদের কালীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও স্থানীয় বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে বলে তিনি জানান।

]]>
1530567 https://d30fl32nd2baj9.cloudfront.net/media/2018/08/17/jhenidah-accident.jpg/ALTERNATES/w300/Jhenidah-accident.jpg