bdnews24.com - Home https://bangla.bdnews24.com/ The RSS feed of bdnews24.com en Bangladesh News 24 Hours Ltd. 2017-09-13 09:34:43.0 2017-09-13 09:34:43.0 Home customGroupedContent 1 2 Home 11thparliamentaryelection একাদশ সংসদ নির্বাচন news-bn 10654 1572411 জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম 2018-12-17 19:11:08.0 2018-12-17 20:10:52.0 ‘লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড’ নেই: মাহবুব তালুকদার ভোটের মাঠে সমান সুযোগ নেই: মাহবুব তালুকদার ভোটের মাঠে সবার সমান সুযোগ নিশ্চিতের কথা সিইসি কে এম নূরুল হুদা বলার দুদিনের মাথায় ভিন্ন কথা শোনালেন তার সহকর্মী। ভোটের মাঠে সবার সমান সুযোগ নিশ্চিতের কথা সিইসি কে এম নূরুল হুদা বলার দুদিনের মাথায় ভিন্ন কথা শোনালেন তার সহকর্মী নির্বাচন কমিশনার মাহবুব তালুকদার। false https://bangla.bdnews24.com/11thparliamentaryelection/article1572411.bdnews false https://d30fl32nd2baj9.cloudfront.net/media/2018/12/17/ec-mahbub-talukdar.jpg/ALTERNATES/w300/EC-Mahbub-talukdar.jpg নির্বাচন ভবনে নিজের কক্ষে মাহবুব তালুকদার
তিনি সাংবাদিকদের বলেছেন, নির্বাচনে ‘লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড’ হয়েছে বলে মনে করেন না তিনি।

৩০ ডিসেম্বর অনুষ্ঠেয় একাদশ সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার আগে থেকে বিএনপি অভিযোগ করে আসছিল, ভোটের সবার সমান সুযোগ নিশ্চিত হচ্ছে না।

তফসিল ঘোষণা শেষে প্রচার শুরুর পরও বিএনপি ও জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট ইসিতে দফায় দফায় অভিযোগ দিয়ে একই কথা বলে আসছে।

সিইসি কে এম নূরুল হুদা

সিইসি কে এম নূরুল হুদা

এর মধ্যেই শনিবার প্রধান নির্বাচন কমিশনার নূরুল হুদা এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, সবার জন্য সমান সুযোগ নিশ্চিত হয়েছে।

সোমবার বিকালে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের একটি প্রতিনিধি দল ইসির সঙ্গে বৈঠক করে পুনরায় একই অভিযোগ জানানোর পর মাহবুব তালুকদার একটি লিখিত বক্তব্য দেন।

এই নির্বাচন কমিশনার তার কক্ষে সাংবাদিকদের বলেন, “সকালে আমাকে চারজন সাংবাদিক কিছু প্রশ্ন করেন। আমি তাদের প্রশ্নগুলো লিখে দিতে বলেছিলাম। এখন লিখিতভাবে সেসব প্রশ্নের উত্তর দিচ্ছি। আর কোনো প্রশ্ন আমি নেব না বা উত্তর দেব না।”

প্রশ্ন: আপনার মতে নির্বাচনে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড আছে কি?

উত্তর: আমি মোটেই মনে করি না নির্বাচনে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড বলে কিছু আছে। লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড কথাটা এখন একটা অর্থহীন কথায় পর্যবসিত হয়েছে।

প্রশ্ন: সিইসি বলেছেন, নির্বাচনে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড আছে। আপনি তার বিরোধিতা করছেন?

উত্তর: আমি কখনই তার বক্তব্যের বিরোধিতা করি না। তিনি তার কথা বলেন। আমি প্রয়োজনে আমার ভিন্ন মত প্রকাশ করি। আপনারা তো সাংবাদিক। আপনারা দেশের সব খবর রাখেন। সব কিছু দেখেন। আপনারা নিজেদের বিবেককে জিজ্ঞাসা করুন, নির্বাচনে এখন লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড আছে কি না? তাহলে উত্তর পেয়ে যাবেন।

প্রশ্ন: সারাদেশ থেকে বিরোধী দলের প্রচারে বাধা দেওয়ার নানা অভিযোগ আসছে। এ অবস্থায় অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ নির্বাচন কী সম্ভব?

উত্তর: আমি আশাবাদী মানুষ। এখনও যে সময়টুকু আছে তাতে অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ নির্বাচনের প্রতিশ্রুতি পালন করতে হবে। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট, ইলেকটোরাল ইনকোয়ারি কমিটির বিচারকদের আরও বেশি কার্যকর ভূমিকা পালন করা উচিত। আমি মনে করি, সেনাবাহিনী মাঠে নামলে পরিস্থিতি আশাব্যঞ্জকভাবে পাল্টে যাবে।

প্রশ্ন: সিইসি বলেছেন, সব দলের অংশগ্রহণে নির্বাচন অংশগ্রহণমূলক ও সুষ্ঠু হবে। আপনিও কি তাই মনে করেন?

উত্তর: সব দল অংশগ্রহণ করলেই অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন বলা হয়। সুষ্ঠু নির্বাচনের সঙ্গে এর সম্পর্ক নেই। নির্বাচন অংশগ্রহণমূলক হওয়া একটি প্রাথমিক প্রাপ্তি। আসল কথা হচ্ছে নির্বাচন গ্রহণযোগ্য হচ্ছে কি না এবং বিশ্বাসযোগ্য হচ্ছে কি না? নির্বাচন গ্রহণযোগ্য ও বিশ্বাসযোগ্য না হলে অংশগ্রহণমূলক হলেও কোনো লাভ নেই।

প্রশ্ন: নির্বাচনে জনপ্রশাসন ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী কি নির্বাচন কমিশনের নিয়ন্ত্রণে আছে?

উত্তর: নির্বাচন আমরা সরাসরি করি না। রিটার্নিং অফিসার, সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর মাধ্যমে করা হয়। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর শীর্ষ কর্মকর্তাবৃন্দ নির্বাচন কমিশনের নিয়ন্ত্রণে আছে। তাদের বাহিনীর সদস্যরা কতটা তাদের নিয়ন্ত্রণে আছে, তা তারা বলতে পারবেন।

প্রশ্ন: বর্তমান অবস্থায় আপনার কি কোনো মেসেজ আছে?

উত্তর: আমার বক্তব্য হচ্ছে জাতীয় নির্বাচন এক বিশাল কর্মযজ্ঞ। প্রার্থী, ভোটার এমনকি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কেউ আইনের বাইরে যাবেন না। আইনকে নিজস্ব ধারায় চলতে দিন। নির্বাচনে আচরণবিধি মেনে চলুন। নির্বাচনকে সাফল্যমণ্ডিত করতে সহায়তা করুন।

প্রথম আলো, ইত্তেফাক, মানবজমিন ও ডেইলি স্টারের চারজন সাংবাদিকের নাম উল্লেখ করে করে তাদের এসব প্রশ্নের উত্তর লিখিত উত্তর পড়ে শোনান মাহবুব তালুকদার।

নির্বাচন কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর ইভিএমসহ বিভিন্ন বিষয়ে কমিশনের সিদ্ধান্তের সঙ্গে ভিন্নমত পোষণ করে আলোচনায় রয়েছেন লেখক মাহবুব তালুকদার।

গত ১৫ অক্টোবর কমিশন সভা বর্জন করে বেরিয়ে এসেছিলেন মাহবুব তালুকদার

গত ১৫ অক্টোবর কমিশন সভা বর্জন করে বেরিয়ে এসেছিলেন মাহবুব তালুকদার

ইভিএম নিয়ে বিরোধিতা করে ‘নোট অব ডিসেন্ট’ দিয়ে এবং সভা বর্জনও করেছিলেন তিনি।

নির্বাচন কমিশনার মাহবুব তালুকদারকে ‘বিএনপির মনোনীত’ হিসেবে দেখেন ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের নেতারা।

নির্বাচন কমিশন গঠনের সময় রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে সংলাপ করে তাদের প্রস্তাবিত নাম নেওয়া হয়েছিল। তখন বিএনপির তালিকায় মাহবুব তালুকদারের নাম ছিল বলে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের জানিয়েছিলেন।  

আরও খবর

অপমানিত বোধ করেছি, তাই সভা বর্জন: মাহবুব তালুকদার  

মাহবুব তালুকদারের প্রস্তাবগুলো অযৌক্তিক: কবিতা

মাহবুব তালুকদারের প্রস্তাবগুলো অযৌক্তিক: কবিতা

আমি তো মূর্তি হয়ে বসে থাকতে পারি না: মাহবুব তালুকদার

আমি তো মূর্তি হয়ে বসে থাকতে পারি না: মাহবুব তালুকদার

মাহবুব তালুকদারের আপত্তিতে ‘গণতন্ত্রের বিউটি’ দেখছেন কাদের

নির্বাচন কমিশনার মাহবুব তালুকদারের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা চান বিচারপতি মানিক  

দ্বিমত হতে পারে, মতবিরোধ নয়: মাহবুব তালুকদার

]]>
1572408 https://d30fl32nd2baj9.cloudfront.net/media/2018/12/17/ec-mahbub-talukdar.jpg/ALTERNATES/w300/EC-Mahbub-talukdar.jpg নির্বাচন ভবনে নিজের কক্ষে মাহবুব তালুকদার
2 2 Home politics_bn রাজনীতি news-bn 198 1572422 নিজস্ব প্রতিবেদক, বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম নিজস্ব প্রতিবেদক, বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম 2018-12-17 19:24:31.0 2018-12-17 20:48:51.0 স্বেচ্ছাচারিতা কী করে হল, প্রশ্ন প্রধানমন্ত্রীর স্বেচ্ছাচারিতা কী করে হল, প্রশ্ন প্রধানমন্ত্রীর জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের নির্বাচনী ইশতেহারে দেশে গত দশ বছরে ‘কল্পনাতীত স্বেচ্ছাচারিতার’ যে অভিযোগ করা হয়েছে তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের নির্বাচনী ইশতেহারে দেশে গত দশ বছরে ‘কল্পনাতীত স্বেচ্ছাচারিতার’ যে অভিযোগ করা হয়েছে তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। false https://bangla.bdnews24.com/politics/article1572422.bdnews false https://d30fl32nd2baj9.cloudfront.net/media/2018/12/17/shekh-hasina.jpg/ALTERNATES/w300/shekh-hasina.jpg ছবি : পিআইডি
সোমবার সকালে ঐক্যফ্রন্টের নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণার কয়েক ঘণ্টা পর বিকালে রাজধানীতে এক অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “দশ বছরে আমরা যে পরিবর্তনটা এনেছি, সেই পরিবর্তনটা অনেকের চোখে পড়ে না। যখন মানুষ ভালো থাকে, মানুষের ভাগ্য পরিবর্তন হয়, তখন তারা বলে এটা নাকি স্বেচ্ছাচারিতা। স্বেচ্ছাচারিতা কী করে হল- এটা আমার প্রশ্ন। কী দেখতে পেল তারা?”

ঐক্যফ্রন্টের শীর্ষ নেতা কামাল হোসেনের উপস্থিতিতে সোমবার ঢাকার হোটেল পূর্বাণীতে ৩৫ দফা প্রতিশ্রুতি রেখে নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা করা হয়, যেখানে ক্ষমতায় গেলে ‘রাষ্ট্রের মালিকানা জনগণের হাতে ফিরিয়ে দেওয়া’, যুদ্ধাপরাধীদের বিচার চালিয়ে যাওয়ার মতো প্রতিশ্রতিও এসেছে। 

বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে বিজয় দিবস উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় শেখ হাসিনা বলেন, “তাদের নির্বাচনী ইশতেহারে দেখলাম, তারা ঘোষণা করেছে- স্বেচ্ছাচারিতাকে নাকি পরিবর্তন করবে।

“এ পরিবর্তন কী জঙ্গিবাদ সৃষ্টি, বাংলা ভাই সৃষ্টি, মানি লন্ডারিং, দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন, আবার সন্ত্রাস, আবার ভুয়া ভোটার দিয়ে ভোটার তালিকা, আবার নির্বাচনের নামে প্রহসন, দেশের সমস্ত উন্নয়ন ধ্বংস করে দিয়ে দেশকে সম্পূর্ণভাবে আবার অন্ধকারের দিকে নিয়ে যাওয়া? এই পরিবর্তন তারা আনতে চান? ছিল তো ক্ষমতায়। ৪৭ বছর তো দেশ স্বাধীন হয়েছে। এই ৪৭ বছরের মধ্যে ৩৯ বছর তো এরা ক্ষমতায় ছিল। কী দিয়েছিল মানুষকে? কী পেয়েছে মানুষ?”

মানুষ কিছু না পেলেও বিএনপি-জামায়াত জোটের ভাগ্যের পরিবর্তন হয়েছে বলে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “যাদের কথা শুনেছি, ভাঙা স্যুটকেস ছাড়া কিছুই নাই, তারা কত সম্পদের মালিক। সম্পদ শুধু দেশে নয়, দেশে আবার বিদেশে তাদের সম্পদের মালিকানার বিরাট হিসাব চলে আসছে। ঘুষ-দুর্নীতি করে তারা আঙুল ফুলে কলাগাছ হয়ে গেছে।

“আর আমদের ওপর দুর্নীতির অভিযোগ যখন এনেছিল ওয়ার্ল্ড ব্যাংক, আমি চ্যালেঞ্জ দিয়েছিলাম, সেই চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করেছি, ওয়ার্ল্ড ব্যাংক দুর্নীতি পায়নি। কানাডার ফেডারেল কোর্ট স্পষ্ট বলে দিয়েছিল, ওয়ার্ল্ড ব্যাংকের সব অভিযোগ ভুয়া, বানোয়াট, মিথ্যা। বাংলাদেশের কোনো মানুষের মাথা হেঁট হোক- সেটা করি নাই কখনও। বরং বাংলাদেশের মানুষ বিদেশে গেলে সম্মান, মর্যাদা পাচ্ছে, সেইটুকু করতে সক্ষম হয়েছি। তাহলে স্বেচ্ছাচারিতা কোথায়?”

জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট কী পরিবর্তন করে ফেলবে, তা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন শেখ হাসিনা।

“ওনারা কী পরিবর্তন করে ফেলবে? আজকে যারা এক হয়েছে তারা কারা? একদিকে স্বাধীনতাবিরোধী, যুদ্ধাপরাধী, সে যুদ্ধাপরাধীরা কীভাবে নমিনেশন পায়, যারা বাংলাদেশই চায়নি। আমি আর কারো নাম নিতে চাই না। মনে হয়, যেন নামটাই নেওয়া উচিত না।

“আমার তাদের জন্য করুণা হয়, কারণ তারা দিকভ্রষ্ট। তাদের আর কোনো নীতি নাই। নীতিভ্রষ্ট, আদর্শহীনরা কখনও মানুষকে কিছু দিতে পারে নাই এবং দিতেও পারবে না। আমি বলব এরা বাংলাদেশের আদর্শে বিশ্বাস করে না।”

টানা দুই মেয়াদ সরকারের নেতৃত্ব দেওয়া শেখ হাসিনা বলেন, “আমাদের কী দুর্ভাগ্য, যারা জ্ঞানগর্ভ ভাষণ দেন, যুক্তি দেখান, বুদ্ধি দেন, বড় বড় কথা বলে, আদর্শের বুলি আওড়ায়- আজকে তাদের সব ধরনের উচ্চবাচ্য কোথায় হারিয়ে গিয়ে হাত মিলিয়েছে খুনিদের সাথে, দুর্নীতিবাজ অস্ত্র চোরাকারবারিদের সাথে। কীসের স্বার্থে কেন- এটাই প্রশ্ন।”

আওয়ামী লীগ প্রধান বলেন, “আর এই দুর্নীতিবাজদের সাথে, দশ ট্রাক অস্ত্র চোরাকারবারীতে যারা সাজাপ্রাপ্ত, ২১ অগাস্ট গ্রেনেড হামলায় সাজাপ্রাপ্ত, তাদের উদ্ধার করতে নেমেছে আমাদের কিছু জ্ঞানী-গুণী এবং স্বনামধন্য, যাকে আমরা বলি একবারে আন্তর্জাতিভাবে খ্যাতিসম্পন্ন আইনজীবী।

“তারা উদ্ধারকাজে নেমেছে কাদের? দুর্নীতিবাজ, খুনি, মামলার আসামী, সাজাপ্রাপ্ত এবং যুদ্ধাপরাধীদের। যে যুদ্ধাপরাধীদের আমারা বিচার করেছি, যারা সাজাপ্রাপ্ত তাদেরই ছেলেরা নমিনেশন পায় এদের হাত থেকে।”

ঐক্যফ্রন্টের প্রধানমন্ত্রী কে হবে তা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন সরকারপ্রধান।

“ঐক্যফ্রন্ট হয়েছে। তারা নাকী সরকার গঠন করবে। তো সরকারের প্রধান কে হবে সেটা কিন্তু আজ পর্যন্ত জাতির সামনে দেখাতে পারে নাই।

“একটা প্রশ্ন উঠে যায় তাহলে সরকারপ্রধান কে হবে? এতিমের অর্থ আত্মসাৎকারী সে হবে? না ২১ অগাস্ট গ্রেনেড হামলায় আইভি রহমানের হত্যাকারী সাজাপ্রাপ্ত সে হবে? না যুদ্ধাপরাধী হিসেবে সাজা দিয়েছি তাদের কেউ হবে, সেটা তো স্পষ্ট করে তারা জানায়নি। দেশবাসীকেও সেই সিদ্ধান্ত নিতে হবে, দেশবাসীকেও বেছে নিতে হবে তারা কাকে চায়? দেশের জনগণের ওপরই এ দায়িত্ব ছেড়ে দিলাম।

টানা দুই মেয়াদে সরকারের বিভিন্ন উন্নয়ন কাজের কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, “১০ বছর আগে আমরা দিনবদলের সনদ দিয়েছিলাম। আজকে মানুষের ঠিকই দিন বদলেছে। আজকে যারা একেবারেই হতদরিদ্র ছিল তারাও দুমুঠো খেতে পারছে। যারা গৃহহারা তাদের ঘর তৈরি করে দিচ্ছি। বিনা পয়সা ওষুধ, বই দিচ্ছি, বৃত্তি দিচ্ছি। উচ্চ শিক্ষার সুযোগ করে দিচ্ছি।”

এছাড়া প্রবৃদ্ধি, মাথাপিছু আয় বৃদ্ধি, বিদ্যুৎ উৎপাদন বৃদ্ধির কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, “মানুষের ভেতর পরিবর্তন নিয়ে এসেছি। আমরা ব্যাপকভাবে কাজ করে যাচ্ছি। এরফলে মানুষের মধ্যে আত্মবিশ্বাস সৃষ্টি হয়েছে।”

২০২০ সালে জাতির পিতার জন্মশতবার্ষিকী এবং ২০২১ সালে স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী পালন করা হবে জানিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, “সুবর্ণজয়ন্তী যখন পালন করব তখন দারিদ্র্যমুক্ত বাংলাদেশ ইনশাল্লাহ গড়ে তুলব।

“সেজন্য আরও পাঁচটি বছর সরকারে থাকা একান্তভাবে প্রয়োজন। সেজন্য নৌকা মার্কায় ভোট চাই। বাংলাদেশের এই অগ্রযাত্রা যেন কেউ কেড়ে নিতে না পারে। স্বাধীনতাবিরোধী, ‍খুনি, রাজাকার, আলবদর, আলশামস বাহিনী, বুদ্ধিজীবী হত্যাকারী, গ্রেনেড হামলাকারী, দুর্নীতিবাজ, অস্ত্র চোরাকারবারি, সাজাপ্রাপ্ত খুনি আসামি এরা এদেশকে এগিয়ে নিয়ে যেতে দেবে না।”

”বাংলাদেশকে কেউ আর পেছনে ফেলতে পারবে না মন্তব্য করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “বাংলাদেশ এগিয়ে যচ্ছে। আর কেউ বাংলাদেশকে পেছনে ফেলতে পারবে না।”

দেশের জনগণ নৌকা মার্কায় ভোট দেবে বলে বিশ্বাস শেখ হাসিনার।

“৩০ ডিসেম্বর নির্বাচন। এই নির্বাচনে বাংলাদেশের জনগণের ওপর আমার আস্থা আছে। বিশ্বাস আছে, বাংলাদেশের জনগণ কখনও ভুল করে না। তাদের সাংবিধানিক অধিকার কেউ কেড়ে নিতে পারবে না। সে সাহসও পাবে না। বাংলাদেশের জনগণ আমাদের ভোট দেবে সেটা আমি বিশ্বাস করি।”

আবার ক্ষমতায় এলে দারিদ্র্যের হার আরও ৫ থেকে ৬ শতাংশ কমিয়ে আনার আশাবাদ ব্যক্ত করে তিনি বলেন, “দারিদ্র্যের হার ২১ ভাগে নেমে এসেছে। আগামী ৫ বছর ক্ষমতায় থাকলে দারিদ্র্য ৫/৬ ভাগে কমিয়ে আনতে সক্ষম হব। সেজন্যই দেশের সেবা করার জন্য আমাদের সরকারে থাকা একান্ত প্রয়োজন।”

আওয়ামী লীগের প্রচার সম্পাদক হাছান মাহমুদের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন আওয়ামী লীগ নেতা তোফায়েল আহমেদ, ওবায়দুল কাদের, জাহাঙ্গীর কবীর নানক, আবদুর রহমান, আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, লেখক অধ্যাপক মুনতাসীর মামুন প্রমুখ।

]]>
1572420 https://d30fl32nd2baj9.cloudfront.net/media/2018/12/17/shekh-hasina.jpg/ALTERNATES/w300/shekh-hasina.jpg ছবি : পিআইডি
3 2 Home 11thparliamentaryelection একাদশ সংসদ নির্বাচন news-bn 10654 1572436 জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক, বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক, বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম 2018-12-17 20:06:14.0 2018-12-17 20:06:14.0 মরে গেলেও ভোট বর্জন নয়: কামাল মরে গেলেও ভোট বর্জন নয়: কামাল দেশজুড়ে বিএনপি ও ঐক্যফ্রন্ট নেতাকর্মীদের ওপর ‘হামলার’ ঘটনার তদন্ত করে দুই দিনের মধ্যে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন ঐক্যফ্রন্ট নেতা কামাল হোসেন। দেশজুড়ে বিএনপি ও ঐক্যফ্রন্ট নেতাকর্মীদের ওপর ‘হামলার’ ঘটনার তদন্ত করে দুই দিনের মধ্যে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন ঐক্যফ্রন্ট নেতা কামাল হোসেন। false https://bangla.bdnews24.com/11thparliamentaryelection/article1572436.bdnews false https://d30fl32nd2baj9.cloudfront.net/media/2018/12/17/kamal-hosain-17122018-0002.jpg/ALTERNATES/w300/kamal-hosain-17122018-0002.jpg
সোমবার প্রধান নির্বাচন কমিশনার কে এম নূরুল হুদার সঙ্গে দেখা করে এই দাবি জানিয়ে এসেছেন তিনি।

কামাল বলেন, যত ‘হামলা নির্যাতনই’ হোক, আগামী ৩০ ডিসেম্বর অনুষ্ঠেয় নির্বাচন ঐক্যফ্রন্ট কোনোভাবেই বর্জন করবে না।

“মরে গেলেও আমরা ভোট বর্জন করব না। আমার লাশ নিয়ে ওরা (ঐক্যফ্রন্ট) নির্বাচন কমিশনের ভোটকেন্দ্রে নিয়ে যাবে। আমার আঙ্গুল তো থাকবে, এ আঙ্গুল দিয়ে টিপ দেবে। নির্বাচন হতে হবে। জঘন্য ধরনের আক্রমণ করা হচ্ছে, তবুও আমরা তা (বর্জন) করব না।

সোমবার সকালে ঐক্যফ্রন্টের নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা হওয়ার পর দুপুরে জোটের প্রতিনিধি দল নিয়ে নির্বাচন ভবনে আসেন কামাল। সিইসির সঙ্গে প্রায় আড়াই ঘণ্টা বৈঠক করে বেরিয়ে এসে নিজেদের অবস্থান সাংবাদিকদের সামনে তুলে ধরেন তিনি।

জোটের প্রার্থীদের ভোটের প্রচারে ‘বাধা দেওয়া হচ্ছে’, তাদের পোস্টার ‘ছিঁড়ে ফেলা হচ্ছে’ অভিযোগ করে কামাল হোসেন বলেন, “সবখানে ত্রাসের রাজত্ব সৃষ্টি করা হচ্ছে... এসব করে সরকার যদি ভাবে ভোট বর্জন করা হবে, এ সুযোগ তারা পাবে না। আমরা কমিশনকে বলেছি, ২৪ ঘণ্টার মধ্যে বা দু’দিনের মধ্যে প্রতিবেদন আনতে হবে। এরপরই ব্যবস্থা নিতে হবে।”

ভোটের ন্যূনতম পরিবেশটা যেন অন্তত তৈরি করা হয়, সেজন্য কমিশনকে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার তাগিদ দেওয়া হয়েছে বলে জানান ঐক্যফ্রন্টের নেতা।

তিনি বলেন, “সবখানে একটি দলের পোস্টার রয়েছে, অন্য কারও পোস্টার নেই। আমি বঙ্গবন্ধুর নির্বাচনী এজেন্ট ছিলাম, আমার দীর্ঘ জীবনে এমন পরিবেশ দেখিনি। কমিশনের ক্ষমতা রয়েছে সব হয়রানি বন্ধের। কমিশন যদি পরিবেশ নিশ্চিত না করে, আমাদেরও সিদ্ধান্ত নিতে হবে দুয়েকদিনের মধ্যে।”

কমিশন দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছে জানিয়ে কামাল বলেন, “নির্বাচন কমিশন বিব্রত বোধ করলে হবে না; কমিশনকে দ্রুত পদক্ষেপ নিতে হবে। আমরা সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে দুঃখপ্রকাশ করে পুরো চিত্র বলেছি। আলোচনার শেষ দিকে তারাও বিষয়টি দেখবে বলে জানিয়েছে।”

সিইসি কে এম নূরুল হুদার পাশাপাশি চার নির্বাচন কমিশনার ও ইসি সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ এ বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন।

ঐক্যফ্রন্টের প্রতিনিধি দলে কামাল ছাড়াও বিএনপি মহাসচবি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের কাদের সিদ্দিকী, জেএসডির আ স ম রব, নাগরিক ঐক্যের মাহমুদুর রহমান মান্না, বিএনপি নেতা নজরুল ইসলাম খান, আবদুল মইন খান,  মোস্তফা মহসিন মন্টু, জাফরুল্লাহ চৌধুরী, আব্দুল আউয়াল মিন্টু, জগলুল হায়দার আফ্রিক ছিলেন।

]]>
1572435 https://d30fl32nd2baj9.cloudfront.net/media/2018/12/17/kamal-hosain-17122018-0002.jpg/ALTERNATES/w300/kamal-hosain-17122018-0002.jpg
4 2 Home 11thparliamentaryelection একাদশ সংসদ নির্বাচন news-bn 10654 1572303 নিজস্ব প্রতিবেদক, বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম নিজস্ব প্রতিবেদক, বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম 2018-12-17 15:27:53.0 2018-12-17 19:25:17.0 বিএনপির ৫ চেয়ারম্যানের সাংসদ হওয়ার আশা শেষ বিএনপির ৫ উপজেলা চেয়ারম্যানের সাংসদ হওয়ার আশা শেষ উপজেলা চেয়ারম্যানের পদ থেকে বিএনপির মনোনয়নে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নামা তিনজনের প্রার্থিতা সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে আটকে গেছে। উপজেলা চেয়ারম্যানের পদ থেকে বিএনপির মনোনয়নে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নামা তিনজনের প্রার্থিতা সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে আটকে গেছে। false https://bangla.bdnews24.com/11thparliamentaryelection/article1572303.bdnews false https://d30fl32nd2baj9.cloudfront.net/media/2014/03/09/hc.jpg3/ALTERNATES/w300/HC.jpg
এছাড়া আরও দুইজনের মনোনয়নপত্র স্থগিত করে হাই কোর্ট সোমবার রুল জারি করেছে।

এর ফলে ঢাকা-২০ আসনে বিএনপির প্রার্থী ধামরাই উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান তমিজ উদ্দিন, বগুড়া-৩ আসনের প্রার্থী আদমদিঘী উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল মোহিত তালুকদার এবং বগুড়া-৭ আসনের প্রার্থী শাহজাহানপুর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান সরকার বাদল আর ৩০ ডিসেম্বর নির্বাচনে অংশ নিতে পারছেন না।

ঢাকা-১ আসনের প্রার্থী নবাবগঞ্জ উপজেলা চেয়ারম্যান খন্দকার আবু আশফাক এবং বগুড়া-৭ আসনের প্রার্থী গাবতলী উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মিল্টন মোর্শেদের ভোটের পথও আটকে গেছে।  

তমিজ উদ্দিনের মনোনয়নপত্র নির্বাচন কমিশন বৈধ ঘোষণা করলেও হাই কোর্ট তা স্থগিত করেছিল। কিন্তু তার আবেদনে হাই কোর্টের আদেশ স্থগিত করে দিয়েছিল চেম্বার আদালত। প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বে সাত বিচারকের আপিল বেঞ্চ সোমবার চেম্বার আদালতের স্থগিতাদেশ তুলে নিয়েছে। ফলে হাই কোর্টের আদেশই বহাল থাকছে এবং তমিজ উদ্দিন নির্বাচন করতে পারছেন না।

বগুড়ার মোহিত তালুকদার এবং সরকার বাদলের মনোনয়ন পত্র বাতিলের সিদ্ধান্ত হাই কোর্ট স্থগিত করায় তাদের ভোটের আশা তৈরি হয়েছিল। কিন্তু হাই কোর্টের ওই আদেশ চেম্বার আদালতে স্থগিত হয়ে যায়। আপিল বিভাগ সোমবার ওই স্থগিতাদেশ চলমান রেখেছে।

আপিল আদালতে তিন প্রার্থীর পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী এ জে মোহাম্মদ আলী ও প্রবীর নিয়োগী। নির্বাচন কমিশনের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী মাহবুবে আলম। সঙ্গে ছিলেন আইনজীবী সানজিদ সিদ্দিকী।

সানজিদ পরে সাংবাদিকদের বলেন, “আপিল বিভাগের আদেশের ফলে বিএনপি মনোনীত এ তিন প্রার্থী আর নির্বাচন করতে পারছেন না।”

ওই তিনজনের মধ্যে তমিজ উদ্দিন ও মোহিত তালুকদার উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যানের পদ থেকে ইস্তফা দিয়ে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছিলেন; কিন্তু তা গৃহীত না হওয়ায় প্রার্থিতা বাতিল হয়ে যায়। আর সরকার বাদল পদত্যাগ না করেই প্রার্থী হয়েছিলেন বলে তার মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়।

অন্যদিকে ঢাকা-১ আসনের বিএনপি ও ঐক্যফ্রন্টের প্রার্থী নবাবগঞ্জ উপজেলা চেয়ারম্যান খন্দকার আবু আশফাকের মনোনয়ন পত্র নির্বাচন কমিশনে বৈধতা পেলেও হাই কোর্ট সোমবার তা স্থগিত করে দিয়েছে।

ওই আসনে কুলা প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করা বিকল্প ধারার জালাল উদ্দিনের করা এক রিট আবেদনের শুনানি নিয়ে বিচারপতি জে বি এম হাসান ও বিচারপতি মো. খায়রুল আলমের হাই কোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেয়।

আদালতে আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী এ এম আমিন উদ্দিন। সঙ্গে ছিলেন ব্যারিস্টার শামীম আহমেদ মেহেদী ও ব্যারিস্টার আব্দুল কাইয়ুম।

আদালতের আদেশের পর আমিন উদ্দিন সাংবাদিকদের বলেন, উপজেলা চেয়ারম্যান পদের পদত্যাগপত্র গৃহীত হওয়ার আগেই আশফাক মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছিলেন।

“নির্বাচন কমিশন তার মনোনয়ন পত্র বৈধ ঘোষণা করেছিল। নির্বাচন কমিশনের ওই সিদ্ধান্ত হাই কোর্ট স্থগিত করে দিয়েছে।”

ব্যারিস্টার আব্দুল কাইয়ুম বলেন, কমিশনের সিদ্ধান্ত স্থগিত হওয়ায় আশফাক আপাতত আর নির্বাচন করতে পারছেন না।

বগুড়া-৭ আসনে এবার বিএনপির মূল প্রার্থী ছিলেন দলের চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। কিন্তু দুর্নীতি মামলায় দণ্ডিত হওয়ায় তার নির্বাচনে অংশগ্রহণ নিয়ে অনিশ্চয়তা ছিল। এ কারণে মিল্টন মোর্শেদকে করা হয়েছিল বিকল্প প্রার্থী। পাশাপাশি সরকার বাদলও মনোনয়ন জমা দিয়েছিলেন।

খালেদা জিয়ার মনোনয়নপত্র রিটার্নিং কর্মকর্তা বাতিল করে দেওয়ার পর তিনি উচ্চ আদালতে গিয়েও প্রার্থিতা ফিরে পাননি। এর মধ্যে হাই কোর্টে সরকার বাদলের মনোনয়নপত্র স্থগিত করলে ওই আসনে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে থাকেন মিল্টন মোর্শেদ। কিন্তু ‘পদত্যাগপত্র গৃহীত না হওয়ার’ কারণে তার প্রার্থিতাও স্থগিত করে দেয় হাই কোর্ট।

বগুড়া-৭ আসনের একজন স্বতন্ত্র প্রার্থীর করা রিট আবেদনের শুনানি নিয়ে বিচারপতি জে বি এম হাসান ও বিচারপতি মো. খায়রুল আলমের হাই কোর্ট বেঞ্চ সোমবার বিকেলে এ আদেশ দেয়।

আবেদনকারী পক্ষের আইনজীবী সেলিনা আক্তার সাংবাদিকদের বলেন, গাবতলী উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মিল্টন মোর্শেদ তার মনোনয়নপত্র গৃহীত হওয়ার আগেই মনোনয়নপত্র দাখিল করেছিলেন। এ কারণে তা বাতিল করা হয়।

নির্বাচন কমিশনে আপিল করে মিল্টন প্রার্থিতা ফিরে পেলে ওই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে হাই কোর্টে রিট আবেদন করেন ডাব প্রতীকের প্রার্থী ফেরদৌস আরা বেগম।

“শুনানি নিয়ে হাই কোর্ট নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্ত স্থগিত করে রুল জারি করেছে। ফলে আপাতত মিল্টন আর নির্বাচন করতে পারছেন না।

খালেদা জিয়ার পাশাপাশি বাদল ও মিল্টনের প্রার্থিতা আটকে যাওয়ায় বগুড়া-৭ আসনে বিএনপির ধানের শীষের আর কোনো প্রার্থী থাকল না।

]]>
755030 https://d30fl32nd2baj9.cloudfront.net/media/2014/03/09/hc.jpg3/ALTERNATES/w300/HC.jpg
5 2 Home 11thparliamentaryelection একাদশ সংসদ নির্বাচন news-bn 10654 1572407 জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক, বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক, বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম 2018-12-17 19:01:15.0 2018-12-17 19:34:20.0 ভোট সুষ্ঠু না হলে পরিস্থিতি ভয়াবহ হতে পারে: কামাল ভোট সুষ্ঠু না হলে পরিস্থিতি ভয়াবহ হতে পারে: কামাল আগামী ৩০ ডিসেম্বর সুষ্ঠু নির্বাচন না হলে দেশের অবস্থা ‘ভয়াবহ দিকে মোড় নিতে পারে’ বলে হুঁশিয়ার করেছেন জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের শীর্ষ নেতা কামাল হোসেন। আগামী ৩০ ডিসেম্বর সুষ্ঠু নির্বাচন না হলে দেশের অবস্থা ‘ভয়াবহ দিকে মোড় নিতে পারে’ বলে হুঁশিয়ার করেছেন জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের শীর্ষ নেতা কামাল হোসেন। false https://bangla.bdnews24.com/11thparliamentaryelection/article1572407.bdnews false https://d30fl32nd2baj9.cloudfront.net/media/2018/12/17/kamal-hossain-mzo-17122018-0006.jpg/ALTERNATES/w300/kamal-hossain-MZO-17122018-0006.jpg ঢাকার হোটেল পূর্বাণীতে সোমবার জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের নির্বাচনী ইশতেহার প্রকাশ অনুষ্ঠানে জোটের শীর্ষ নেতা ও গণফোরাম সভাপতি কামাল হোসেন। ছবি: মাহমুদ জামান অভি
সোমবার ঐক্যফ্রন্টের নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণার অনুষ্ঠানে তিনি সরকারের উদ্দেশে বলেন, “নির্বাচনের আর ১০/১২ দিন বাকি আছে। নির্বাচন হতে দেন। সুষ্ঠু ইলেকশন না হতে দেওয়া, জনগণ যেভাবে পরিবর্তন আনতে চায় তা না হতে দেওয়া, জোর করে রাষ্ট্রকে আবারো মানে গত পাঁচ বছর যেটাকে আমি বলি বিনা নির্বাচনে এটাকে এভাবে ভোগ করা হয়েছে…।

‘‘এটা করলে আমি সর্তকবাণী দিতে চাই, তাহলে দেশের অবস্থা ভয়াবহ দিকে মোড় নিতে পারে। যেটা কারো কাম্য নয়।”

নির্বাচন সুষ্ঠু করার জন্য সর্তক দৃষ্টি রাখার এবং নির্ভয়ে সোচ্চার থাকার আহ্বান জানান গণফোরাম সভাপতি কামাল।

ভোটারদের উদ্দেশে তিনি বলেন, “সময় এসেছে দেশের মানুষের রুখে দাঁড়ানোর। ঐক্যবদ্ধ হয়ে দেশের মালিকানা নিজের হাতে নিন। ক্ষমতার মালিক জনগণ এটা সংবিধানের সপ্তম অনুচ্ছেদে লিখে দেয়া হয়েছিল, বঙ্গবন্ধু স্বাক্ষর করেছিলেন। এই মালিকানার জন্য লক্ষ লক্ষ মানুষকে জীবন দিতে হয়েছিল।”

পরিবর্তন এবং জনগণের ‘মালিকানা’ ফিরিয়ে আনতে ৩০ ডিসেম্বর দলে দলে ভোট কেন্দ্রে গিয়ে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান ঐক্যফ্রন্টের নেতা।

তিনি বলেন, “ভোট কেন্দ্রে অবস্থান করে অনিয়ম রুখবে। ভোট শেষ হওয়া পর্যন্ত নিজেদের ভোটে প্রতিনিধি নির্বাচিত হওয়া দেখে বাড়ি ফিরবে। নিজের ভোটাধিকার প্রয়োগের মাধ্যমে এক গণঅভ্যুত্থানের দিন হবে ৩০ ডিসেম্বর। এটা সকলকে মনে রাখবে হবে। ভোটের মধ্য দিয়ে শান্তিপূর্ণভাবে দেশের মালিকানা পুনরুদ্ধার করতে হবে।”

নির্বাচনী কাজে সম্পৃক্ত নেতা-কর্মীদের ‘গণগ্রেপ্তার বেআইনি’ মন্তব্য করে কামাল হোসেন বলেন, “প্রতিদিন গ্রেপ্তার হচ্ছে। সেদিন ৬৮১ জনের একটা গ্রেপ্তারের তালিকা দে্ওয়া হয়েছিল, সেটা ২/৩দিনে এখন ১৯ শ হয়ে গেছে। এটা লজ্জার বিষয়, এটা জাতীয় লজ্জার বিষয়। এটা শুনে আমাদের ১৬/১৭ কোটি মানুষ লজ্জা পাবে… যে স্বাধীনতার জন্য এত জীবন দিয়েছিল, এমনকি বঙ্গবন্ধু, তাজউদ্দিনের মতো নেতাকে জীবন দিতে হল, স্বাধীনতার ৪৭ বছর পরে সেই বাংলাদেশে জনগণকে এভাবে আক্রমণ করা হচ্ছে, গ্রেপ্তার করা হচ্ছে।”

পুলিশ বাহিনীকে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, “বেআইনি হুকুম কোনো হুকুম হতে পারে না। এটা আইন।… বেআইনি আদেশ মানা একটা অপরাধ। এটা আবার স্মরণ করিয়ে দিতে চাই। আইজি সাহেব, আমি বিনীতভাবে বলতে চাই, আপনার একটা সুনাম ছিল- এটাকে রক্ষা করেন। পুলিশ বাহিনীকে এই ধরনের এলোপাতারি অ্যারেস্ট থেকে সরে থাকতে বলেন।”

নির্বাচনের প্রচারে পুলিশ ‘পক্ষপাতমূলক’ আচরণ করছে বলেও অভিযোগ করেন গণফোরাম সভাপতি।

তিনি বলেন, “আমি প্রায় ৫০ বছরের উপরে এসবের সঙ্গে জড়িত আছি। এরকম অবস্থা আমি জীবনে দেখি নাই, আপনারাও দেখেন নাই। আপনারা কী দেখেছেন প্রত্যেক প্রার্থীর ওপর আক্রমন হচ্ছে? এটা এখন হচ্ছে।”

কামাল বলেন, জনগণ যখন রাষ্ট্রের মালিক থাকে না, তখন রাষ্ট্রের মালিক হয়ে পড়ে কায়েমী স্বার্থবাদী দেশি-বিদেশি নানা গোষ্ঠী।

“এটার মাশুল দিতে হয়েছে দেশের জনগণকে। দেশে সীমাহীন দুর্নীতি। হাজার হাজার কোটি টাকার দুর্নীতি। কীভাবে সম্ভব হল? যারা দায়িত্বে আছেন তাদের দায়িত্বহীনতার কারণেই।”

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, “এই ইশতেহারে বাংলাদেশের জনগণের দাবি-দাওয়াগুলো উঠে এসেছে। এটা সাম্প্রতিককালে একটা বৈপ্লবিক ইশতেহার হিসেবে চিহ্নিত হবে বলে আমরা বিশ্বাস করি।”

ঢাকার হোটেল পূর্বাণীতে এ অনুষ্ঠানে ৩৫ দফা প্রতিশ্রুতি রেখে ঐক্যফ্রন্টের নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা করা হয়। ইশতেহার পড়ে শোনান নাগরিক ঐক্যের মাহমুদুর রহমান মান্না।

ইশতেহার ঘোষণার অনুষ্ঠানে মূলমঞ্চে কামালের সঙ্গে মির্জা ফখরুল ও মান্না ছাড়াও জেএসডির আসম আবদুর রব, শহিদ উদ্দিন মাহমুদ স্বপন, কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের কাদের সিদ্দিকী, গণফোরামের সুব্রত চৌধুরী, মোস্তফা মহসিন মন্টু, রেজা কিবরিয়া গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের জাফরুল্লাহ চৌধুরী ছিলেন।

]]>
1572333 https://d30fl32nd2baj9.cloudfront.net/media/2018/12/17/kamal-hossain-mzo-17122018-0006.jpg/ALTERNATES/w300/kamal-hossain-MZO-17122018-0006.jpg ঢাকার হোটেল পূর্বাণীতে সোমবার জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের নির্বাচনী ইশতেহার প্রকাশ অনুষ্ঠানে জোটের শীর্ষ নেতা ও গণফোরাম সভাপতি কামাল হোসেন। ছবি: মাহমুদ জামান অভি
6 2 Home 11thparliamentaryelection একাদশ সংসদ নির্বাচন news-bn 10654 1572264 জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক, বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক, বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম 2018-12-17 12:40:05.0 2018-12-17 15:07:01.0 রাষ্ট্রের মালিকানা ‘ফিরিয়ে দেওয়ার’ প্রতিশ্রুতি ঐক্যফ্রন্টের ইশতেহারে রাষ্ট্রের মালিকানা ‘ফিরিয়ে দেওয়ার’ প্রতিশ্রুতি ঐক্যফ্রন্টের ইশতেহারে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জিতে ক্ষমতায় গেলে ‘রাষ্ট্রের মালিকানা জনগণের হাতে ফিরিয়ে দেওয়ার’ প্রতিশ্রুতি এসেছে ঐক্যফ্রন্টের ইশতেহারে। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জিতে ক্ষমতায় গেলে ‘রাষ্ট্রের মালিকানা জনগণের হাতে ফিরিয়ে দেওয়ার’ প্রতিশ্রুতি এসেছে ঐক্যফ্রন্টের ইশতেহারে। false https://bangla.bdnews24.com/11thparliamentaryelection/article1572264.bdnews false https://d30fl32nd2baj9.cloudfront.net/media/2018/12/17/oikya-front-menifesto-01.jpg/ALTERNATES/w300/oikya-front+menifesto-01.jpg
বিএনপিকে সঙ্গে নিয়ে দুই মাস আগে গঠিত এই জোট বলছে, ২০১৪ সালে ‘নির্বাচনের নামে প্রহসনের’ মধ্য দিয়ে রাষ্ট্রের মালিকানা জনগণ হারিয়েছিল। সেই মালিকানা তারা ৩০ ডিসেম্বর ভোটে জিতে আবার ‘সকল জনগণের’ হাতে ফিরিয়ে দিতে চায়, যার মধ্যে পরাজিতরাও থাকবে।    

ঐক্যফ্রন্টের শীর্ষ নেতা কামাল হোসেনের উপস্থিতিতে সোমবার ঢাকার হোটেল পূর্বাণীতে ৩৫ দফা প্রতিশ্রুতি রেখে এই নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা করা হয়।

সংবাদ সমম্মেলনে গণফোরাম সভাপতি কামাল হোসেনের ডান দিকে ছিলেন বিএনপির মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ও গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী। বাঁ দিকে ছিলেন কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী ও নাগরিক ঐক্যের মাহমুদুর রহমান মান্না।

কামাল হোসেনের প্রারম্ভিক বক্তৃতার পর মান্না ঐক্যফ্রন্টের নির্বাচনী ইশতেহার পড়ে শোনান।

কামাল হোসেন তার সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে বলেন, “২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি নির্বাচনের নামে এই প্রহসনটি হয়েছিল, সেটি সংবিধান বর্ণিত জনগণের প্রত্যেকের ভোটের মাধ্যমে প্রতিনিধি নির্বাচনের বাধ্যবাধকতার সঙ্গে সাংঘর্ষিক। এই নির্বাচনের মাধমে জনগণ এই রাষ্ট্রের মালিকানা হারিয়েছিল।”

গত দশ বছর সরকারে থাকা আওয়ামী লীগের সমালোচনা করে দলটির সাবেক নেতা কামাল বলেন, “জনগণ যখন মালিক থাকে না, তখন রাষ্ট্রের মালিক হয়ে পড়ে কায়েমী স্বার্থবাদী গোষ্ঠী, দেশি বিদেশি নানা গোষ্ঠী। এর মাশুল দিতে হয়েছে এই দেশের মানুষকে। এটা আপনারাও হাড়ে হাড়ে উপলব্ধি করেছেন।”

জোটের ইশতেহার থেকে পড়ে শুনিয়ে মান্না বলেন, “নির্বাচনে জিতে সরকার পরিচালনার দায়িত্ব পেলে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট রাষ্ট্রের সকল নাগরিকের কল্যাণে সরকার পরিচালণা করবে। এই পরিচালনার মূলনীতি হবে ঐক্যমত্য, সকলের অন্তর্ভুক্তি এবং যে কোনো রকম প্রতিহিংসা থেকে মুক্ত থাকা।”

মান্না বলেন, “‘প্রজাতন্ত্রের সকল ক্ষমতার মালিক জনগণ’ সংবিধানের সপ্তম অনুচ্ছেদে বর্ণিত এই নীতির ভিত্তিতে সরকার পরিচালণায় যাবতীয় পদক্ষেপের ভিত্তি হবে রাষ্ট্রের মালিকগণের মালিকানা সুদৃঢ় করা।”

ঐক্যফ্রন্ট প্রতিশ্রুতি দিচ্ছে, রাষ্ট্রের এই মালিকানা কেবল নির্বাচনে জেতা মানুষের হবে না, এই মালিকানা থাকবে পরাজিত দলের নেতা কর্মী সমর্থকদেরও। রাষ্ট্র পরিচালিত হবে নির্বাচনে পরাজিতদের ‘মতামত ও মালিকানা’ নিশ্চিত করে।

ক্ষমতায় গেলে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতার ভারসাম্য আনা, সংসদের উচ্চকক্ষ গঠন করার প্রতিশ্রুতি রয়েছে ঐক্যফ্রন্টের ৩৫ দফার ইশতেহারে।

কেউ যাতে দুই মেয়াদের বেশি প্রধানমন্ত্রী থাকতে না পারে, ‘একদলীয় শাসন; যাতে ফিরে না আসে, সেই ব্যবস্থা ঐক্যফ্রন্ট করবে।

তবে বর্তমান কোনো উন্নয়ন প্রকল্প বন্ধ করা হবে না এবং যুদ্ধাপরাধীদের বিচার কার্যক্রম চলমান থাকবে বলে প্রতিশ্রুতি এসেছে তাদের ইশতেহারে।

ক্ষমতার বিকেন্দ্রীকরণ, দুর্নীতি দমন ও সুশাসন, কর্মসংস্থান ও শিক্ষা, স্বাস্থ্য, জীবনমানের উন্নয়ন, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি, প্রবাসী কল্যাণ, পররাষ্ট্র নীতিসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে ঐক্যফ্রন্ট কী কী করতে চায়- সেসব বিষয়েও বিভিন্ন অঙ্গীকারের কথা এসেছে সেখানে।

কামাল হেসেন বলেন, “এটা জনগণের ইশতেহার। জনগণের কল্যাণ, জনমতের ভিত্তিতে এটা তৈরি করা হয়েছে এবং সাধারণ মানুষের মতামত গ্রহণের ধারা অব্যাহত থাকবে। আমরা ভোটের মাধ্যমে শান্তিপূর্ণভাবে দেশে জনগণের মালিকানা প্রতিষ্ঠায় বিশ্বাস করি।”

জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের পাঁচ দলের মনোনীত প্রার্থীরা আগামী ৩০ ডিসেম্বর অনুষ্ঠেয় একাদশ জাতীয় নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন বিএনপির ‘ধানের শীষ’ প্রতীক নিয়ে।

তিনশ আসনের মধ্যে ২৪২টি আসন বিএনপি নিজেদের জন্য রেখে জাতীয় যুক্তফ্রন্টের শরিকদের ১৯টি আসন ছেড়ে দিয়েছে। এর মধ্যে গণফোরাম সাতটি, জেএসডি চারটি, নাগরিক ঐক্য চারটি ও কৃষক শ্রমিক জনতা লীগ চারটি আসন পেয়েছে। বাকি ৩৯টি আসন জামায়াতসহ ২০ দলীয় জোটকে দিয়েছে বিএনপি।

৩৫ দফায় যা আছে

# ‘সত্যানুসন্ধান ও বিভেদ নিরসন’ কমিশন: ‘মিথ্যা’ মামলা, গুম, খুন, ঘুষ বাণিজ্য ও বিচারবর্হিভূত হত্যার সমাধানে ‘সর্বদলীয় সত্যানুসন্ধান ও বিভেদ নিরসন কমিশন’ গঠন করা হবে। ‘খোলা মনে’ আলোচনা করে ক্ষমা ও ক্ষতিপূরণের মাধ্যমে সেখানে ‘রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের’ অতীতের হয়রানিমূলক মামলার সুরাহা করা হবে।

নাগরিকদের জীবনের নিরাপত্তা ও মত প্রকাশের স্বাধীনতা: বিচারবর্হিভূত হত্যাকাণ্ড ও গুম বন্ধ করবে ঐক্যফ্রন্ট। ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন বাতিল করবে। রিমান্ডের নামে পুলিশ হেফাজতে নির্যাতন, সাদা পোশাকে গ্রেপ্তার বন্ধ করবে, ‘মিথ্যা’ মামলায় অভিযুক্তদের ক্ষতিপূরণ দেবে। মিথ্যা মামলায় ‘সহায়তাকারী’ পুলিশ কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেবে। যৌন হয়রানির ক্ষেত্রে জিরো টোলারেন্স দেখাবে, যৌতুক পুরোপুরি বন্ধ করবে।

সংখ্যালঘু মন্ত্রণালয়: ঐক্যফ্রন্ট ক্ষমতায় গেলে সংখ্যালঘু এবং ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর মানবিক মর্যাদা, অধিকার, নিরাপত্তা ও সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করতে সংখ্যালঘু মন্ত্রণালয় প্রতিষ্ঠা করবে। তাদের ওপর যে কোনো হামলার বিচার হবে বিশেষ ট্রাইব্যুনালে।

যুদ্ধাপরাধের বিচার : যুদ্ধাপরাধীদের বিচার অব্যাহত রাখবে ঐক্যফ্রন্ট।

ক্ষমতার ভারসাম্য: সংসদে একটি উচ্চ কক্ষ সৃষ্টি করা হবে। সবার সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদে (ফ্লোর ক্রসিং) পরিবর্তন আনবে ঐক্যফ্রন্ট।

প্রধানমন্ত্রী ও রাষ্ট্রপতির ক্ষমতার ভারসাম্য: প্রধানমন্ত্রী ও রাষ্ট্রপতির ক্ষমতার ‘ভারসাম্য’ আনার প্রতিশ্রুতি রয়েছে ঐক্যফ্রন্টের ইশতেহারে। পর পর দুই মেয়াদের বেশি প্রধানমন্ত্রী থাকার সুযোগ তারা বন্ধ করবে। সংসদের ডেপুটি স্পিকার বিরোধী দল থেকে নির্বাচিত করার সুযোগ তৈরি করবে।

প্রাদেশিক সরকার :  প্রাদেশিক সরকার প্রতিষ্ঠার যৌক্তিকতা পরীক্ষার জন্য একটি সর্বদলীয় জাতীয় কমিশন গঠন করা হবে।

# বিচারপতি নিয়োগ কমিশন: বিচারপতিসহ সব নিয়োগের ক্ষেত্রে বিরোধী দলীয় সাংসদ ও বিশিষ্ট নাগরিকদের নিয়ে স্বাধীন কমিশন গঠন করবে ঐক্যফ্রন্ট। সকল সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানে ‘উল্লেখযোগ্য’ সংখ্যক নারীর প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করবে।

সংসদে প্রত্যক্ষ ভোটে নারী: সংসদে সংরক্ষিত নারী আসন ১৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১০ শতাংশ করতে চায় ঐক্যফ্রন্ট। তার বদলে প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচনের জন্য ন্যূনতম বিশ শতাংশ নারীকে মনোনয়ন দেওয়ার বাধ্যবাধকতা দেওয়া হবে।

দুর্নীতির তদন্ত: বর্তমান সরকারের সময়ে দুর্নীতির তদন্ত করে বিচারের আওতায় আনা হবে। ন্যায়পাল নিয়োগ করা হবে এবং সংবিধান নির্দেশিত সব দায়িত্ব পালনে ন্যায়পালকে পূর্ণ স্বাধীনতা দেওয়া হবে।

# আর্থিক খাতে দুর্নীতির তদন্ত: আর্থিক খাতে ‘লুটপাটে’ জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেবে ঐক্যফ্রন্ট। ব্যাংকগুলোকে সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার জন্য কেন্দ্রীয় ব্যাংককে ‘সর্বময় ক্ষমতা’ দেবে তারা।

সরকারি চাকরির বয়সসীমা: পুলিশ ও সামরিক বাহিনী ছাড়া সরকারি চাকরিতে বয়সের কোনো সময়সীমা রাখবে না ঐক্যফ্রন্ট। অনগ্রসর জনগোষ্ঠী এবং প্রতিবন্ধী ছাড়া সরকারি চাকুরিতে আর কারও জন্য কোটা থাকবে না।

বেকার ভাতা চালু: ৩০ বছরের বেশি বয়সী শিক্ষিত বেকারদের জন্য ভাতা চালু করতে একটি কমিশন গঠন করা হবে ঐক্যফ্রন্ট ক্ষমতায় গেলে।

ইশতেহার প্রকাশ অনুষ্ঠানের মূলমঞ্চে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, জেএসডির আসম আবদুর রব, শহিদ উদ্দিন মাহমুদ স্বপন, কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী, গণফোরামের সুব্রত চৌধুরী, মোস্তফা মহসিন মন্টু, রেজা কিবরিয়া, নাগরিক ঐক্যের মাহমুদুর রহমান মান্না, গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী ছিলেন।

এছাড়া বিএনপিপন্থি পেশাজীবী নেতা অধ্যাপক এমাজউদ্দিন আহমেদ, অধ্যাপক মাহবুব উল্লাহ, অধ্যাপক মোস্তাহিদুর রহমান, মোস্তফা জামান আব্বাসী, অধ্যাপক সদরুল আমিন, অধ্যাপক দিলারা চৌধুরী, সাংবাদিক মাহফুজউল্লাহ, আবদুল হাই শিকদার উপস্থিত ছিলেন অনুষ্ঠানে।

বিএনপি নেতা রফিকুল ইসলাম মিয়া, আবদুল আউয়াল মিনটু, অধ্যাপক এজেডএম জাহিদ হোসেন, অধ্যাপক সাহিদা রফিক, অধ্যাপক তাজমেরী এ ইসলাম, অধ্যাপক সুকোমাল বড়ুয়া, রুহুল আলম চৌধুরী, শাহজাদা মিয়া, এনামুল হক চৌধুরী, গণফোরামের জগলুল হায়দার আফ্রিক, আওম শফিক উল্লাহ, নাগরিক ঐক্যের শহীদুল্লাহ কায়সার, জাহেদ উর রহমান, গনদলের গোলাম মওলা চৌধুরীও ছিলেন।

]]>
1572263 https://d30fl32nd2baj9.cloudfront.net/media/2018/12/17/oikya-front-menifesto-01.jpg/ALTERNATES/w300/oikya-front+menifesto-01.jpg 1572262 https://d30fl32nd2baj9.cloudfront.net/media/2018/12/17/oikya-front-menifesto-02.jpg/ALTERNATES/w300/oikya-front+menifesto-02.jpg
7 2 Home bangladesh_bn বাংলাদেশ news-bn 199 1572392 নিজস্ব প্রতিবেদক, বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম নিজস্ব প্রতিবেদক, বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম 2018-12-17 18:18:30.0 2018-12-17 18:24:28.0 ‘ভুল’ করবেন না: আহ্বান ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের প্রতি ‘ভুল’ করবেন না: আহ্বান ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের প্রতি আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোট দেওয়ার ক্ষেত্রে ধর্মীয় সংখ্যালঘু সম্প্রদায়কে ‘ভুল’ না করার আহ্বান জানিয়েছে ‘সম্প্রীতি বাংলাদেশ’। আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোট দেওয়ার ক্ষেত্রে ধর্মীয় সংখ্যালঘু সম্প্রদায়কে ‘ভুল’ না করার আহ্বান জানিয়েছে ‘সম্প্রীতি বাংলাদেশ’। false https://bangla.bdnews24.com/bangladesh/article1572392.bdnews false https://d30fl32nd2baj9.cloudfront.net/media/2018/11/04/connection-assembly-chittagong-041118-10.jpg/ALTERNATES/w300/Connection-Assembly-Chittagong-041118-10.jpg
জাতীয় নির্বাচনের আগে গড়ে ওঠা সংগঠনটির আহ্বায়ক পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছেন, এবার ‘ভুল’ করলে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ‘নিজের পায়ে নিজের কুড়াল মারা’ হবে।

যুদ্ধাপরাধী, জঙ্গি এবং তাদের পৃষ্ঠপোষকদের ভোট না দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে আসছে সম্প্রীতি বাংলাদেশ। দণ্ডিত যুদ্ধাপরাধীদের দল জামায়াতে ইসলামীকে জোটে রাখায় বিএনপির সমালোচনায় মুখর সংগঠনটির নেতারা।

সোমবার ঢাকার সিরডাপ মিলনায়তনে সংগঠন আয়োজিত এক আলোচনা সভায় সংস্কৃতিকর্মী পীযূষ বলেন, “এখানে রাখঢাক করে কথা বলার কেউ নেই। এটা পুতুল খেলার নির্বাচন নয়। এর মধ্যে দিয়ে প্রমাণিত হবে বাংলাদেশ তার সঠিক পথে থাকবে কি না? যারা বাংলা, বাংলা ভাষা, বাংলাদেশ ও বঙ্গবন্ধুতে বিশ্বাস করে, তারা কখনও হারতে পারে না।

“স্বাধীনতার পর থেকেই ধর্মীয়, জাতিগত সংখ্যালঘুদের নানাভাবে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করা হয়েছে। আমরা বলতে চাই, গত নির্বাচনে আপনারা কোনো ভুল করেননি, এবারও কোনো ভুল করবেন না। এবার ভুল করা মানে নিজের পায়ে নিজে কুড়াল মারা।”

বাংলাদেশে সাড়ে ১০ কোটি ভোটারদের মধ্যে এক কোটির মতো ধর্মীয় ও জাতিগত বিভিন্ন সম্প্রদায়ের সদস্য।

ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের ভোট পেতে দুই প্রধান রাজনৈতিক শক্তিই নানা প্রতিশ্রুতি দিয়ে থাকে।

ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ নেতারা বলছেন, তাদের আমলেই সংখ্যালঘু সম্প্রদায় নিরাপত্তার মধ্যে বসবাস করতে পারে।  অন্যদিকে বিএনপি নেতাদের দাবি, সংখ্যালঘুদের জন্য আওয়ামী লীগ মায়াকান্না করলেও কাজ কিছুই করে না।  

সম্প্রীতি বাংলাদেশের আহ্বায়ক পীযূষ বিএনপিকে নিয়ে গঠিত জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের নির্বাচনী ইশতেহারে যুদ্ধাপরাধের বিচার চালিয়ে যাওয়ার প্রতিশ্রুতিকে ‘তামাশা’ আখ্যায়িত করেন।

আওয়ামী লীগের শাসনকালে একাত্তরের যুদ্ধাপরাধের বিচার শুরুর পর থেকেই তার বিরোধিতা করে আসছিল বিএনপি। এই বিচারে বিএনপি ও তাদের জোটসঙ্গী জামায়াতের কয়েকজন শীর্ষনেতার সাজা হয়েছে।

জামায়াতকে নিজেদের জোটে রাখার পাশাপাশি বিএনপি কামাল হোসেন নেতৃত্বাধীন জাতীয় ঐক্যফ্রন্টে যোগ দিয়ে ভোটের লড়াইয়ে নেমেছে। নিবন্ধনহীন জামায়াতের নেতাদের নিজেদের ধানের শীষ প্রতীকে ভোটও করতে দিয়েছে বিএনপি।

ঐক্যফ্রন্টের নির্বাচনী ইশতেহার প্রসঙ্গে পীযূষ বলেন, “ঐক্যফ্রন্টের নির্বাচনী ইশতেহার যুদ্ধাপরাধের বিচারের ধারাবাহিকতা বজায় রাখার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে। এটা হচ্ছে বছরের শ্রেষ্ঠ তামাশা!”

দণ্ডিত যুদ্ধাপরাধীদের পক্ষে কামাল হোসেনের জামাতা ডেভিড বার্গম্যানের তৎপরতার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, “কাদের নিয়ে তিনি (কামাল) বিচার করবেন? স্বাধীনতা যুদ্ধে যারা হানাদার বাহিনীর দোসর ছিল তাদের সন্তানদের নিয়ে?

“আর তার মেয়ের স্বামী ডেভিড বার্গম্যানের কথা কী বলব, যখন ট্রাইব্যুনালে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার চলছিল, তখন তিনি বিদেশিদের সাথে লবিং করছিলেন তাদের বাঁচানোর জন্য। এসব খুব বেশিদিন আগের কথা নয়।”

সম্প্রীতি বাংলাদেশের সভায় বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর আতিউর রহমান একটি প্রবন্ধে উপস্থাপন করেন। তাতে আওয়ামী লীগের শাসনকালে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, অর্থনীতি ইত্যাদি ক্ষেত্রে অগ্রগতির চিত্র তুলে ধরা হয়।

সভায় উপস্থিত ছিলেন শহীদজায়া শ্যামলী নাসরীন চৌধুরী, বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের চেয়ারম্যান আব্দুল মান্নান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক চন্দ্রনাথ পোদ্দার, অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আলী শিকদার।

]]>
8 2 Home politics_bn রাজনীতি news-bn 198 1572362 জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক, বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক, বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম 2018-12-17 17:17:42.0 2018-12-17 17:17:42.0 যুদ্ধাপরাধের বিচার অব্যাহত রাখার প্রতিশ্রুতি ঐক্যফ্রন্টের যুদ্ধাপরাধের বিচার অব্যাহত রাখার প্রতিশ্রুতি ঐক্যফ্রন্টের জামায়াত নেতাদের সঙ্গে নিয়ে নির্বাচনে থাকা জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট আগামীতে সরকার গঠনের সুযোগ পেলে একাত্তরের যুদ্ধাপরাধীদের বিচার অব্যাহত রাখার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। জামায়াত নেতাদের সঙ্গে নিয়ে নির্বাচনে থাকা জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট আগামীতে সরকার গঠনের সুযোগ পেলে একাত্তরের যুদ্ধাপরাধীদের বিচার অব্যাহত রাখার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। false https://bangla.bdnews24.com/politics/article1572362.bdnews false https://d30fl32nd2baj9.cloudfront.net/media/2018/12/17/oikya-front-menifesto-02.jpg/ALTERNATES/w300/oikya-front+menifesto-02.jpg
সোমবার ঢাকার হোটেল পূর্বাণীতে সংবাদ সম্মেলন করে ৩৫ দফাসহ প্রতিশ্রুতিসহ ঐক্যফ্রন্টের এই ইশতেহার ঘোষণা করা হয়।

বিএনপিকে নিয়ে গঠিত জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের শীর্ষ নেতা কামাল হোসেনের সভাপতিত্বে এ অনুষ্ঠানে জোটের ইশতেহার পড়ে শোনান নাগরিক ঐক্যের আহবায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না।

ইশতেহারের ৩৫ দফার মধ্যে ৩২ দফায় ‘মুক্তিযুদ্ধ এবং মুক্তিযোদ্ধা’ অংশে বলা হয়, ঐক্যফ্রন্ট ক্ষমতায় গেলে-

>> যুদ্ধাপরাধীদের বিচার কার্যক্রম চলমান থাকবে

>> মুক্তিযুদ্ধের সত্যিকার চেতনা নিয়ে মানুষকে সচেতন করে তোলা হবে

>> সেনাবাহিনীর তত্ত্বাবধানে স্বাধীনতা যুদ্ধে শহীদদের একটি তালিকা প্রস্তুত করা হবে

>> মুক্তিযোদ্ধাদের সঠিক তালিকা প্রণয়ন করে ‘ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা’ দের তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হবে

>> মুক্তিযোদ্ধাদের ভাতা এবং অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধি করা হবে

যুদ্ধাপরাধের বিচার ছিল ২০০৮ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগের ইশতেহারের অন্যতম প্রতিশ্রুতি। তরুণ প্রজন্মের ব্যাপক সাড়ায় সেই নির্বাচনে বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতায় ক্ষমতায় আসে আওয়ামী লীগ। ২০১০ সালের ২৫ মার্চ ট্রাইব্যুনাল গঠনের মধ্য দিয়ে যুদ্ধাপরাধের বহুল প্রতীক্ষিত বিচার শুরু হয়।

ট্রাইব্যুনালের রায়ে পর আপিল শুনানি শেষে জামায়াতের পাঁচ শীর্ষ নেতা এবং বিএনপির একজনের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়েছে এ পর্যন্ত। প্রতিটি রায়ের পর হরতাল ডেকে ব্যাপক সহিংসতা চালিয়েছে জামায়াতকর্মীরা। তাদের সঙ্গ ছাড়ার আহ্বানে সাড়া না দিয়ে বিএনপি নেতারা উল্টো যুদ্ধাপরাধের বিচার প্রক্রিয়া নিয়ে সমালোচনা করেছেন।  

একাত্তরে বাংলাদেশের বিরোধিতায় যুদ্ধাপরাধে নেতৃত্ব দেওয়া জামায়াতের নেতারা বিএনপির সরকারে মন্ত্রিত্বও পেয়ছিলেন, যাকে শহীদের প্রতি ‘চপেটাঘাত’ হিসেবে বর্ণনা করা হয় যুদ্ধাপরাধের এক মামলার রায়ে।

সেই বিএনপিকে সঙ্গে নিয়ে গত অক্টেবরে কামাল হোসেন জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট গঠন করলে ক্ষমতাসীন দলের নেতারা একে ‘সাম্প্রদায়িক জোট’ আখ্যায়িত করেছিলেন।

কামাল হোসেন অবশ্য সে সময় সাংবাদিকদের প্রশ্নে বলেছিলেন, জামায়াতে ইসলামীকে সঙ্গে নিয়ে কোনো ‘বৃহত্তর ঐক্যে’ তিনি যাবেন না।

কিন্তু নির্বাচনের মনোনয়ন প্রক্রিয়ায় দেখা গেল, নিবন্ধন হারানোয় জামায়াতের অন্তত ২২ জন প্রার্থীকে বিএনপি মনোনয়ন দিয়েছে। তাদের মধ্যে যুদ্ধাপরাধীদের আত্মীয় পরিজনরাও আছেন। আসন্ন নির্বাচনে তারা ধানের শীষ প্রতীক নিয়েই ভোট করবেন। 

কামাল হোসেন নিজে নির্বাচন না করলেও তার দল গণফোরাম ও ঐক্যফ্রন্টের অন্য শরিকরাও একই প্রতীকে ভোট করছেন এবার।

গত শুক্রবার শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবসে মিরপুরে বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধে সাংবাদিকরা কামাল হোসেনকে জামায়াত নিয়ে প্রশ্ন করলে ক্ষেপে যান তিনি।

সাংবাদিকদের সামনে ধমকে উঠে তিনি বলেন, “চুপ কর। চুপ কর। খামোশ।” 

এরপর রোববার বিজয় দিবসে জাতীয় স্মৃতিসৌধে সাংবাদিকরা আবারও তাকে একই প্রশ্ন করলে কামাল হোসেন বলেন, “আমরা যদি ঐক্য করি, সে ঐক্যকে সুসংহত করি- ঐক্যবদ্ধ শক্তিকে নিয়ে স্বাধীনতা অর্জন করেছি, স্বাধীনতাকে রক্ষা করতে হবে।

“যে কোনো দিক থেকে যদি কাজে লাগে, সেক্ষেত্রে অবশ্যই জনগণের সে শক্তি আছে, আমরা স্বাধীনতাকে রক্ষা করব।”

 

]]>
1572262 https://d30fl32nd2baj9.cloudfront.net/media/2018/12/17/oikya-front-menifesto-02.jpg/ALTERNATES/w300/oikya-front+menifesto-02.jpg
9 2 Home bangladesh_bn বাংলাদেশ news-bn 199 1572295 জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক, বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক, বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম 2018-12-17 14:49:45.0 2018-12-17 15:18:09.0 নির্বাচন শান্তিপূর্ণ হবে, প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাতে মার্কিন দূতের আশা নির্বাচন শান্তিপূর্ণ হবে, প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাতে মার্কিন দূতের আশা বাংলাদেশে আসন্ন একাদশ জাতীয় নির্বাচন সুষ্ঠু, অবাধ, নিরপেক্ষ ও শান্তিপূর্ণ হবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের নতুন রাষ্ট্রদূত আর্ল রবার্ট মিলার। বাংলাদেশে আসন্ন একাদশ জাতীয় নির্বাচন সুষ্ঠু, অবাধ, নিরপেক্ষ ও শান্তিপূর্ণ হবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের নতুন রাষ্ট্রদূত আর্ল রবার্ট মিলার। false https://bangla.bdnews24.com/bangladesh/article1572295.bdnews false https://d30fl32nd2baj9.cloudfront.net/media/2018/12/17/milar-pm.jpg/ALTERNATES/w300/milar-pm.jpg ছবি: পিআইডি
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে সোমবার গণভবনে সৌজন্য সাক্ষাতে মিলার এ আশার কথা শোনান বলে সাংবাদিকদের জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম।

গত মাসে দায়িত্ব নিয়ে ঢাকায় আসার পর ১১ ডিসেম্বর প্রধান নির্বাচন কমিশনারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে একই কথা বলেছিলেন মার্কিন রাষ্ট্রদূত।

সাক্ষাতে আগামী সাধারণ নির্বাচন ছাড়াও রোহিঙ্গা সমস্যা ও পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হয়েছে বলে জানান ইহসানুল করিম।

প্রধানমন্ত্রীকে মিলার জানান, আগামী সাধারণ নির্বাচনে যুক্তরাষ্ট্র থেকে ৩২ জন পর্যবেক্ষক বাংলাদেশে আসবেন।

রোহিঙ্গা সঙ্কট নিয়ে রাষ্ট্রদূত রবার্ট মিলার বলেন, বাস্তুচ্যুত মিয়ানমারের নাগরিকদেরকে তাদের নিজ বাসভূমে ফেরত পাঠাতে মিয়ানমারের রাখাইনে উপযুক্ত পরিবেশ তৈরি করতে হবে।

রোহিঙ্গা সঙ্কটে যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশকে সহযোগিতা অব্যাহত রাখবে বলে আশ্বস্ত করেন তিনি।

বাংলাদেশের জ্বালানি খাতে যুক্তরাষ্ট্র সহযোগিতা করতে আগ্রহী বলে জানান রবার্ট মিলার।

তিনি বলেন, তার দেশ বাংলাদেশের শিক্ষা খাতকে আরো উৎসাহিত করতে চায়।

বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যেকার সম্পর্কের বিষয়ে রবার্ট মিলার বলেন, দুই দেশের বিদ্যমান দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক এখন অত্যন্ত শক্তিশালী।

সাক্ষাতে প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক আন্দোলনের ইতিহাস ও সংগ্রাম সম্পর্কে নতুন রাষ্ট্রদূতকে অবহিত করে বলেন, গত ৪৭ বছরে বাংলাদেশে একমাত্র তার সরকারের পূর্ণ মেয়াদ শেষে ২০০১ সালে শান্তিপূর্ণভাবে ক্ষমতা হস্তান্তর হয়।

আগামী সাধারণ নির্বাচনের প্রাক্কালে সহিংস ঘটনার বিষয়ে শেখ হাসিনা বলেন, সম্প্রতি তার দল আওয়ামী লীগের দুই কর্মীকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়েছে।

দলের নেতাকর্মীদেরকে এসব বিষয়ে ধৈর্য ধরতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে রাষ্ট্রদূতকে জানান শেখ হাসিনা।

৩০ ডিসেম্বরের নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতায় আসতে পারলে আগামী অর্থবছরে জিডিপি প্রবৃদ্ধি ৮ শতাংশ অর্জনে তার সরকার সক্ষম হবে বলেও মন্তব্য করেন বাংলাদেশের সরকারপ্রধান।

সৌজন্য সাক্ষাতে প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব নজিবুর রহমান, সামরিক সচিব মিয়া মোহাম্মদ জয়নুল আবেদীন, কার্যালয় সচিব সাজ্জাদুল হাসান উপস্থিত ছিলেন।

]]>
1572294 https://d30fl32nd2baj9.cloudfront.net/media/2018/12/17/milar-pm.jpg/ALTERNATES/w300/milar-pm.jpg ছবি: পিআইডি
10 2 Home neighbour_bn প্রতিবেশী news-bn 9517 1572316 নিউজ ডেস্ক বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম নিউজ ডেস্ক বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম 2018-12-17 16:15:39.0 2018-12-17 17:04:41.0 শিখবিরোধী দাঙ্গা: কংগ্রেস নেতার আজীবন কারাদণ্ড শিখবিরোধী দাঙ্গা: কংগ্রেস নেতার আজীবন কারাদণ্ড ইন্দিরা গান্ধী নিহত হওয়ার পর শিখবিরোধী দাঙ্গার ঘটনায় কংগ্রেসের এক জ্যেষ্ঠ নেতাকে আজীবন কারাদণ্ড দিয়েছে ভারতের আদালত। ইন্দিরা গান্ধী নিহত হওয়ার পর শিখবিরোধী দাঙ্গার ঘটনায় কংগ্রেসের এক নেতাকে আজীবন কারাদণ্ড দিয়েছে ভারতের আদালত। false https://bangla.bdnews24.com/neighbour/article1572316.bdnews false https://d30fl32nd2baj9.cloudfront.net/media/2018/12/17/shikh.jpg/ALTERNATES/w300/shikh.jpg আদালত প্রাঙ্গণে কংগ্রেস নেতা সজ্জন কুমার। ছবি: দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস
প্রায় তিন যুগ আগের ওই দাঙ্গার সময় পাঁচ জনকে হত্যা ও একটি গুরুদুয়ারা পুড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ থেকে নিম্ন আদালতে খালাস পেয়েছিলেন ৭৩ বছর বয়সী সজ্জন কুমার।

ওই রায়ের বিরুদ্ধে আপিল শুনানি শেষে দিল্লির বিচারপতি এস মুরালিধর ও বিচারপতি ভিনোদ গোয়েলের হাই কোর্ট বেঞ্চ সোমবার ‘অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র, শত্রুতার উসকানি এবং সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির বিরুদ্ধে ‍তৎপরতার’ দায়ে সজ্জন কুমারকে দোষী সাব্যস্ত করে এই রায় দিয়েছে বলে ভারতীয় গণমাধ্যমের খবর।

১৯৮৪ সালের নভেম্বরের ওই দাঙ্গায় ভারতজুড়ে তিন হাজারের বেশি শিখ নিহত হন। উত্তেজিত জনতা শিখদের ঘরবাড়ি, দোকানপাট জ্বালিয়ে দিয়ে তাদের নির্বিচারে হত্যা করে।

ভারতের তখনকার প্রধানমন্ত্রী কংগ্রেস নেত্রী ইন্দিরা গান্ধী নিজের শিখ দেহরক্ষীদের গুলিতে নিহত হলে ছড়িয়ে পড়ে ওই দাঙ্গা।

সোমবার দিল্লি হাই কোর্টের এই রায়কে ওই দাঙ্গার ঘটনায় এ পর্যন্ত আসা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ রায় হিসেবে বর্ণনা করেছে বিবিসি।

দাঙ্গার সময় কংগ্রেস নেতা সজ্জন কুমার ছিলেন একজন পার্লামেন্ট সদস্য। শিখদের হত্যার জন্য তিনি জনতাকে উসকে দিয়েছিলেন বলে উঠে এসেছে এ মামলার রায়ে।

আদালতের পর্যবেক্ষণে বলা হয়েছে, দোষী হওয়ার পরও ‘রাজনৈতিক পৃষ্ঠপোষকতায়’ নিম্ন আদালত থেকে বিচার এড়াতে সক্ষম হয়েছিলেন সজ্জন।

দিল্লি ছাড়ার ওপর নিষেধাজ্ঞা দিয়ে ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে তাকে আত্মসমর্পণের নির্দেশ দিয়েছে আদালত। 

১৯৮৪ সালের ১ নভেম্বর সেই দাঙ্গার মধ্যে উন্মত্ত জনতা নিরপ্রিত কাউরের বাবাকে তার সামনেই পুড়িয়ে হত্যা করে। ৩৪ বছর পর বিচার পাওয়ায় ক্রন্দনরত নিরপ্রিত আদালতকে ধন্যবাদ জানান।

সজ্জনের আজীবন কারাবাসের রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করে তিনি বলেন, “মৃত্যুদণ্ড হলে এক মূহুর্তেই সে মারা যেত, কিন্তু এখন সে যন্ত্রণাভোগ করবে।”

এ মামলার বিচারে বেশ কয়েকজন প্রত্যক্ষদর্শী আদালতে দেওয়া সাক্ষ্যে বলেছিলেন, তারা দিল্লির সুলতানপুর এলাকায় সজ্জন কুমারকে দেখেছেন উচ্ছৃঙ্খল জনতাকে উত্তেজিত করে তুলতে।

এক নারী প্রত্যক্ষদর্শী আদালতে বলেছিলেন, একদল জনতার সামনে সজ্জন কুমারকে ভাষণ দিতে দেখেছেন তিনি।  এই কংগ্রেস নেতা সেখানে বলেছিলেন “শিখরা আমার মাকে হত্যা করেছে।” ‘মা’ বলতে তিনি ইন্দিরা গান্ধীকে বুঝিয়েছিলেন।

কিন্তু তারপরও নিম্ন আদালতের রায়ে সজ্জন কুমার খালাস পেলে তদন্তকারী সংস্থা সিবিআই হাই কোর্টে আসে।

অমৃতসরের স্বর্ণ মন্দিরে শিখ বিদ্রোহীরা আশ্রয় নেওয়ায় ১৯৮৪ সালের প্রথম দিকে সেখানে সেনাবাহিনী পাঠান প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী।

শিখদের ‘সবচেয়ে পবিত্র’ উপাসনালয়ে ওই অভিযানের কারণে প্রধানমন্ত্রীর ওপর ক্ষিপ্ত হয়েছিলেন তার শিখ দেহরক্ষীরা।

হাই কোর্টের ২০৩ পৃষ্ঠার রায়ে বলা হয়, “১৯৪৭ সালের গ্রীষ্মে ভারত ভাগের সময় শিখ, মুসলিম ও হিন্দুসহ বহু লোক হত্যার শিকার হয়েছিলেন। ৩৭ বছর পর ভারত একই ধরনের আরেকটি শোকাবহ ঘটনা প্রত্যক্ষ করে, ওই বছরের ১ নভেম্বর থেকে ৪ নভেম্বর চার দিনে, পুরো দিল্লিতে ২ হাজার ৭৩৩ জন শিখকে নির্দয়ভাবে খুন করা হয়। তাদের ঘরবাড়ি ধ্বংস করা হয়। দেশের বাকি অংশে আরও কয়েক হাজার শিখকে হত্যা করা হয়।”

]]>
1572317 https://d30fl32nd2baj9.cloudfront.net/media/2018/12/17/shikh.jpg/ALTERNATES/w300/shikh.jpg আদালত প্রাঙ্গণে কংগ্রেস নেতা সজ্জন কুমার। ছবি: দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস
11 2 Home cricket_bn ক্রিকেট news-bn 212 1572281 স্পোর্টস ডেস্ক, বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম স্পোর্টস ডেস্ক, বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম 2018-12-17 14:11:15.0 2018-12-17 14:17:56.0 আদ্যন্ত ব্যাটিংয়ে সর্বোচ্চ রানের বিশ্ব রেকর্ড ল্যাথামের আদ্যন্ত ব্যাটিংয়ে সর্বোচ্চ রানের বিশ্ব রেকর্ড ল্যাথামের ইংল্যান্ডের অ্যালেস্টার কুককে ছাড়িয়ে ‘ক্যারিং ব্যাট থ্রু আউট আ কমপ্লিটেড ইনিংস’ এ সর্বোচ্চ রানের বিশ্ব রেকর্ড গড়লেন নিউ জিল্যান্ডের বাঁহাতি ওপেনার টম ল্যাথাম। ইংল্যান্ডের অ্যালেস্টার কুককে ছাড়িয়ে ‘ক্যারিং ব্যাট থ্রু আউট আ কমপ্লিটেড ইনিংস’ এ সর্বোচ্চ রানের বিশ্ব রেকর্ড গড়লেন নিউ জিল্যান্ডের বাঁহাতি ওপেনার টম ল্যাথাম। false https://bangla.bdnews24.com/cricket/article1572281.bdnews false https://d30fl32nd2baj9.cloudfront.net/media/2018/12/17/latham-02.jpg/ALTERNATES/w300/Latham-02.jpg ছবি: শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট
বিশ্বের সপ্তম ব্যাটসম্যান হিসেবে আদ্যন্ত ব্যাটিং করে ডাবল সেঞ্চুরি করলেন ল্যাথাম। আদ্যন্ত ব্যাটিংয়ে প্রথম ডাবল সেঞ্চুরির কীর্তি ক্রিকেট বিশ্ব দেখে ১৯৩৮ সালে। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে লর্ডস টেস্টে অস্ট্রেলিয়ার বিল ব্রাউন করেছিলেন অপরাজিত ২০৬ রান।

১৯৫০ সালে ইংল্যান্ডের লেন হাটনের ব্যাট থেকে আসে আদ্যন্ত ব্যাটিংয়ে দ্বিতীয় ডাবল সেঞ্চুরি। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ওভালে করেছিলেন অপরাজিত ২০২ রান।

ব্রাউনের সর্বোচ্চ রানের রেকর্ড ১৯৭২ সালে নিজের করে নিয়েছিলেন গ্লেন টার্নার। নিউ জিল্যান্ডের এই ডানহাতি ওপেনার ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে কিংস্টনে অপরাজিত ছিলেন ২২৩ রান।

চতুর্থ ব্যাটসম্যান হিসেবে আদ্যন্ত ব্যাটিংয়ে ডাবল সেঞ্চুরি করেন মারভান আতাপাত্তু। শ্রীলঙ্কার এই ডানহাতি ব্যাটসম্যান ১৯৯৯ সালে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে বুলাওয়ায়োতে করেছিলেন অপরাজিত ২১৬ রান।

ডাবল সেঞ্চুরিয়ানের ছোট্ট এই তালিকায় ২০০৮ সালে জায়গা করে নেন বীরেন্দর শেবাগ। শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ২০০৮ সালে গল টেস্টে ভারতের এই ডানহাতি ব্যাটসম্যান করেছিলেন অপরাজিত ২০১ রান।

গত বছর অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে মেলবোর্ন টেস্টে অপরাজিত ২৪৪ রানের ইনিংসে টার্নারের রেকর্ড নিজের করে নিয়েছিলেন ইংল্যান্ডের অ্যালেস্টার কুক। শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ওয়েলিংটন টেস্টে অপরাজিত ২৬৪ রানের ইনিংসে তাকে ছাড়িয়ে গেলেন ল্যাথাম।

]]>
1572280 https://d30fl32nd2baj9.cloudfront.net/media/2018/12/17/latham-02.jpg/ALTERNATES/w300/Latham-02.jpg ছবি: শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট
12 2 Home politics_bn রাজনীতি news-bn 198 1572277 নিজস্ব প্রতিবেদক, বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম নিজস্ব প্রতিবেদক, বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম 2018-12-17 13:55:16.0 2018-12-17 15:07:25.0 ঐক্যফ্রন্টের প্রতিশ্রুতি ‘ভূতের মুখে রাম নাম’: আ. লীগ ঐক্যফ্রন্টের প্রতিশ্রুতি ‘ভূতের মুখে রাম নাম’: আ. লীগ ঐক্যফ্রন্টের নির্বাচনী ইশতেহারে যুদ্ধাপরাধের বিচার চলমান রাখা এবং দুর্নীতির রোধের যে অঙ্গীকার করা হয়েছে তাকে ‘জাতির সঙ্গে তামাশা’ হিসেবে দেখছে আওয়ামী লীগ। ঐক্যফ্রন্টের নির্বাচনী ইশতেহারে যুদ্ধাপরাধের বিচার চলমান রাখা এবং দুর্নীতির রোধের যে অঙ্গীকার করা হয়েছে তাকে ‘জাতির সঙ্গে তামাশা’ হিসেবে দেখছে আওয়ামী লীগ। false https://bangla.bdnews24.com/politics/article1572277.bdnews false https://d30fl32nd2baj9.cloudfront.net/media/2018/12/17/al-briefing-17122018.jpg/ALTERNATES/w300/AL-briefing-17122018.jpg
সোমবার ঐক্যফ্রন্ট ইশতেহার ঘোষণার পর ধানমণ্ডিতে আওয়ামী লীগ সভানেত্রীর কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রহমান সাংবাদিকদের প্রশ্নে এ কথা বলেন।

সাংবাদিকরা জানতে চেয়েছিলেন, ঐক্যফ্রন্টের ইশতেহারে যুদ্ধাপরাধের বিচার চলমান রাখা এবং দুর্নীতি রোধ করার যে অঙ্গীকার এসেছে, আওয়ামী লীগ তা কীভাবে দেখছে।

জবাবে আব্দুর রহমান বলেন, “যুদ্ধাপরাধীদের উত্তসূরিদের নিয়ে তারা ধানের শীষ প্রতীকে নির্বাচন করছে। আর যুদ্ধাপরাধীরা ঐক্যফ্রন্টের আশ্রয় প্রশ্রয়েই আছে। সুতরাং যুদ্ধাপরাধের বিচার তারা করবে এটা একটা হাস্যকর ব্যাপার, অবিশ্বাস্য।”

একাত্তরে বাংলাদেশের বিরোধিতায় যুদ্ধাপরাধে নেতৃত্ব দেওয়া জামায়াতের সঙ্গ ছাড়ার আহ্বানে কখনও সাড়া দেননি বিএনপি নেতারা। বরং উল্টো যুদ্ধাপরাধের বিচার প্রক্রিয়া নিয়ে বিভিন্ন সময়ে তারা সমালোচনাও করেছেন।  

সেই বিএনপিকে সঙ্গে নিয়ে গত অক্টেবরে সাবেক কয়েকজন আওয়ামী লীগ নেতা যখন জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট গঠন করলেন, ক্ষমতাসীন দলের নেতারা একে ‘সাম্প্রদায়িক জোট’ আখ্যায়িত করেছিলেন।

জোটের শীর্ষ নেতা কামাল হোসেন সে সময় সাংবাদিকদের প্রশ্নে বলেছিলেন, জামায়াতে ইসলামীকে সঙ্গে নিয়ে কোনো ‘বৃহত্তর ঐক্যে’ তিনি যাবেন না।

কিন্তু নির্বাচনের আগে জোটের মনোনয়ন প্রক্রিয়ায় ঐক্যফ্রন্টের শরিকদের চেয়ে জামায়াতই বেশি গুরুত্ব পেয়েছে বিএনপি কাছে।

নিবন্ধন হারানোয় জামায়াতের অন্তত ২২ জন প্রার্থী এবার ভোট করছেন বিএনপির মনোনয়নে বিএনপির প্রতীক ধানের শীষ নিয়ে। কামাল হোসেন নিজে নির্বাচন না করলেও তার দল গণফোরাম ও ঐক্যফ্রন্টের অন্য শরিকরাও একই প্রতীকে ভোট করছেন এবার।

সেই প্রসঙ্গ টেনে আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রহমান বলেন, “যারা যুদ্ধাপরাধীদের আশ্রয় প্রশ্রয় দিয়ে মনোনয়ন পর্যন্ত দিয়েছে, তারা কী করে এই যুদ্ধাপরাধীদের বিরুদ্ধে অবস্থান নেবে? এটা জনগণের সঙ্গে নেহায়েত প্রতারণা ছাড়া আর কিছু না।”

জাতিকে ‘বিভ্রান্ত’ করে এই ইশতেহারের মাধ্যমে ঐক্যফ্রন্ট ভোটারদের সঙ্গে ‘তামাশা করছে’ বলে মন্তব্য করেন ক্ষমতাসীন দলের এই নেতা।

তিনি বলেন, “তারেক জিয়া দুর্নীতির দায়ে দণ্ডিত, খালেদা জিয়া যখন ক্ষমতায় ছিলেন তখন হাওয়া ভবন তৈরি করে দুর্নীতির আখড়া তৈরি করেছিলেন। তিনি (খালেদা জিয়া) নিজে দুর্নীতির দায়ে দণ্ডিত। তাদের মুখে দুর্নীতিমুক্ত সমাজ গড়ার কথা ভূতের মুখে রাম নাম।”

ঐক্যফ্রন্টের প্রতিশ্রুতিকে ‘রাজনৈতিক অপকৌশলের ইশতেহার’ হিসেবে বর্ণনা করে আব্দুর রহমান বলেন, “দেশের মানুষ কোনোভাবেই বিশ্বাস করে না যে তারা দুর্নীতি দূর করবে, এটা ভোটের রাজনীতিতে অবস্থান তৈরি করার জন্য মানুষকে বিভ্রান্ত করার অপকৌশল মাত্র।”

দেশের বিভিন্ন স্থানে বিএনপির প্রার্থীদের ওপর হামলার প্রেক্ষাপটে সুষ্ঠু নির্বাচন নিয়ে কামাল হোসেন যে সংশয় প্রকাশ করেছেন, তার পেছনেও চক্রান্ত দেখতে পাচ্ছেন আওয়ামী লীগের এই কেন্দ্রীয় নেতা।   

তিনি বলেন, “বিচ্ছিন্ন কিছু ঘটনা নিজেরাই ঘটিয়েছে, তাদের মনোনয়ন বাণিজ্যে বিক্ষুব্ধ নেতা-কর্মীরা বিএনপি নেতাদের উপর হামলা চালাচ্ছে। আর তারা এর দায়ভার, দোষ আমাদের উপর চাপানোর চেষ্টা করে নির্বাচন বানচালের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।”

আব্দুর রহমান বলেন, “এই নির্বাচন বানচালের জন্য নানা চক্রান্তের জাল বুনছে তারা। যারা নির্বাচন বানচালের চক্রান্তে আছেন তাদেরকে হুঁশিয়ার করতে চাই, যে কোনো মূল্যে আগামী ৩০ ডিসেম্বর নির্বাচন হবে।“

অন্যদের মধ্যে আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ জাহাঙ্গীর কবির নানক, সাংগঠনিক সম্পাদক আহমদ হোসেন, বিএম মোজাম্মেল হক, আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাসিম, কেন্দ্রীয় সদস্য আনোয়ার হোসেন সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন।

]]>
1572276 https://d30fl32nd2baj9.cloudfront.net/media/2018/12/17/al-briefing-17122018.jpg/ALTERNATES/w300/AL-briefing-17122018.jpg
13 2 Home 11thparliamentaryelection একাদশ সংসদ নির্বাচন news-bn 10654 1572344 চট্টগ্রাম ব্যুরো বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম চট্টগ্রাম ব্যুরো বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম 2018-12-17 16:40:46.0 2018-12-17 20:01:38.0 ‘ভীতি’ ছড়ানো নিয়ে আ.লীগ-বিএনপি পাল্টাপাল্টি দোষারোপ ‘ভীতি’ ছড়ানো নিয়ে আ.লীগ-বিএনপি পাল্টাপাল্টি দোষারোপ নির্বাচন ঘিরে চট্টগ্রামের ভোটারদের মধ্যে ‘ভীতি সৃষ্টি’ করা নিয়ে পাল্টাপাল্টি অভিযোগের আঙুল তুলেছেন আওয়ামী লীগ ও বিএনপির নেতারা। নির্বাচন ঘিরে চট্টগ্রামের ভোটারদের মধ্যে ‘ভীতি সৃষ্টি’ করা নিয়ে পাল্টাপাল্টি অভিযোগের আঙুল তুলেছেন আওয়ামী লীগ ও বিএনপির নেতারা। false https://bangla.bdnews24.com/11thparliamentaryelection/article1572344.bdnews false https://d30fl32nd2baj9.cloudfront.net/media/2018/12/17/al-bnp-01.jpg/ALTERNATES/w300/al-bnp-01.jpg
সোমবার চট্টগ্রাম সার্কিট হাউজে নগরীর ছয়টি আসনের প্রার্থীদের সঙ্গে বিভাগীয় কমিশনার ও রিটার্নিং কর্মকর্তার বৈঠকে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী ভোটারদের মধ্যে ‘ভীতি সৃষ্টির’ জন্য সরকারি দল ও পুলিশ প্রশাসনকে দায়ী করেন।

বিপরীতে ভোটারদের মনে ‘ভয়ের আবহ’ থাকার নেপথ্যে ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারির নির্বাচনের দিন চলা বিএনপি-জামায়াতের তাণ্ডব ও ‘আগুন সন্ত্রাসকে’ দায়ী করেন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল।

প্রয়াত আওয়ামী লীগ নেতা মহিউদ্দিনপুত্র নওফেল একাদশ জাতীয় নির্বাচনে চট্টগ্রাম-৯ আসনে নৌকার কাণ্ডারী। অন্যদিকে আমীর খসরু চট্টগ্রাম-১১ আসনে ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে ভোটের মাঠে রয়েছেন।    

সোমবারের সভায় বিভাগীয় কমিশনারের উদ্দেশ্যে বিএনপি নেতা আমীর খসরু বলেন, “ভোটারদের মধ্যে এ মুহূর্তে সবচেয়ে বড় শঙ্কা- ভোট দিতে যেতে পারব তো? একথা আসলো কেন? এই ‘ফিয়ার সাইকোসিস’ সৃষ্টি কারা করল? এই যে গায়েবি মামলা- এটা কার চিন্তা? এর উদ্দেশ্য কী?

“এমন কী বাধ্যবাধকতা যে বাড়ি থেকে আমাদের দলের নেতাকর্মী, সমর্থক এমনকি এজেন্টদেরও গ্রেপ্তার করে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। প্রার্থীদের প্রচারণার আগে-পরে ওই এলাকায় তাণ্ডব। পুলিশ ভিডিও করছে প্রচারণা। এসব কী দেশের মানুষ দেখছে না?”

পুলিশ ও স্থানীয় প্রশাসনের ভূমিকার সমালোচনা করে তিনি বলেন, “সব থেকে বড় প্রশ্ন আজ কেন একটি দলের জন্য প্রশাসন এ ভূমিকায়? একটা উদাহরণ দেন যে ঘটনার তদন্ত বা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

“সব মন্ত্রী পুলিশ সঙ্গে নিয়ে ঘুরছে। আওয়ামী লীগের একটা লোক গ্রেপ্তার হয়েছে? সব বিরোধীদলের লোক কেন গ্রেপ্তার হবে? কাল থেকে এসব এবং গ্রেপ্তার অভিযান বন্ধ করুন। সব থেকে বড় কথা জনগণ এসব আর বিশ্বাস করছে না।”

আমীর খসরুর বক্তব্যের জবাবে নওফেল বলেন, “ভোটারদের মধ্যে কোনো ভয়-ভীতি দেখছি না। অথচ বারবার এটা যখন বলা হচ্ছে তখন প্রেক্ষাপট দেখা দরকার। ২০১৪ সালে নির্বাচন প্রতিরোধের নামে যে তাণ্ডব, আগুন সন্ত্রাস ও হত্যাকাণ্ড চালানো হয় একটি দলের নেতৃত্বের নির্দেশে- তখনই ভয়ের পরিবেশ সৃষ্টি হয়।

“কেউ ভয়ের কাজ করলে, কোনো তাণ্ডব-হত্যায় সম্পৃক্ত থাকলে তাদের মধ্যেই ভয় আসে। প্রার্থী হিসেবে আমিও শঙ্কিত তারা যদি আবার কিছু ঘটায়। ভোটাররা ভোট দিতে পারবে কিনা? এর কারণ ৫ জানুয়ারির নির্বাচনে শত শত ভোটকেন্দ্র জ্বালিয়ে দেওয়া হয়।”

সুনির্দিষ্ট অভিযোগ ছাড়া হয়রানি ও গ্রেপ্তার নিন্দনীয় উল্লেখ করে তিনি বলেন, “ভোটারদের শঙ্কার আরেকটি কারণ যুদ্ধাপরাধের দায়ে অভিযুক্ত নিবন্ধনহীন এক দলের লোকজন একটি জোটের সাথে যুক্ত হয়ে গেছে।”

এসময় আমীর খসরু বিভাগীয় কমিশনার আবদুল মান্নানের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেন, “উনি রাজনৈতিক বক্তব্য দিচ্ছেন। এটা রাজনৈতিক মঞ্চ নয়।”

তখন বিভাগীয় কমিশনার নওফেলের উদ্দেশ্যে বলেন, “আপনি বলেছেন, আমরা শুনেছি। আপনার নির্বাচনী এলাকার বিষয়ে কিছু বলার থাকলে বলুন। ইভিএম নিয়ে যদি কিছু বলতে চান।”

তখন নওফেল জানান, তার চট্টগ্রাম-৯ আসনে ইভিএম নিয়ে নারী ভোটারদের মধ্যে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে।

সভায় চট্টগ্রাম-১০ আসনে বিএনপির প্রার্থী দলের ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল্লাহ আল নোমান বলেন, “রোববার নয়াবাজারে বিজয় শোভাযাত্রার উদ্বোধনী বক্তব্য দেওয়ার সময় লাঠি ও অস্ত্র নিয়ে হামলা করা হয়। তারা আমাকে গুলি করতে উদ্যত হয়।

“আমার এ অবস্থা হলে নেতাকর্মীদের কী অবস্থা? নির্বাচনের পরিবেশ তো নেইই, পরিবেশের আরো অবনতি হচ্ছে। এভাবে চললে দেশে গণতান্ত্রিক ধারার অবনতি হবে। এর দায় আপনাদের নিতে হবে।”

পোস্টার-ব্যানার ছিঁড়ে ফেলা, নেতাকর্মী-এজেন্টদের বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার, এলাকা ছাড়তে হুমকি এবং নির্বাচনী কাজে জড়িতদের গায়েবি মামলা দেওয়ার অভিযোগ করে নগরীর বিভিন্ন থানার পুলিশ কর্মকর্তাদের অদল-বদল করার প্রস্তাব দেন নোমান।

সভায় চট্টগ্রাম-৮ আসনে আওয়ামী লীগের নৌকা প্রতীকের প্রার্থী বাংলাদেশ জাসদের মইন উদ্দীন খান বাদল বলেন, “দৃষ্টিভঙ্গির ভিন্নতা নিয়ে যেহেতু নির্বাচনে এসেছে পার্থক্য তো আমাদের আছেই। নির্বাচনে জড়িতদের দোষারোপ করে তাদের কাছ থেকে আবার সুষ্ঠু নির্বাচন চাইলে সেটা সম্ভব না।”

আইন অনুসারে কাজ করতে বিভাগীয় কমিশনারসহ নির্বাচনী কর্মকর্তাদের প্রতি আহ্বান জানান বাদল।

সভায় বিএনপির প্রার্থী ইসহাক কাদের চৌধুরী (চট্টগ্রাম-৪) ও আবু সুফিয়ান (চট্টগ্রাম-৮) এবং চট্টগ্রাম-৫ আসনে ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী কল্যাণ পার্টির সৈয়দ মুহাম্মদ ইবরাহিম নির্বাচনী প্রচারে বাধা, নেতাকর্মীদের নির্বাচারে গ্রেপ্তার, পোস্টার-ব্যানার ছিঁড়ে ফেলাসহ বিভিন্ন অভিযোগ করেন।

সভায় বিভাগীয় কমিশনার আবদুল মান্নান বলেন, চট্টগ্রামে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের মধ্যে পারিবারিক ও আত্মীয়তার বন্ধন আছে। আইন শৃঙ্খলা রক্ষার জন্য এটা সহায়ক। চট্টগ্রামের অবস্থা তুলনামূলক ভালো।

“আশাকরি শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান থাকবে। প্রার্থীরা যাতে নির্বিঘ্নে গণসংযোগ করতে পারেন সেটা আমরা দেখব। মানুষ অবশ্যই ভোট দিতে যেতে পারবে। এ নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করবেন না। দেখুন, অপেক্ষা করুন।”

বিরোধী দলের কোনো নেতাকর্মী-সমর্থক যাদের বিরুদ্ধে মামলা বা পরোয়ানা নেই তাদের বিষয়ে পুলিশ প্রশাসনের সাথে আলোচনা করে ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেন তিনি।

সভায় অতিরিক্তি বিভাগীয় কমিশনার শঙ্কর রঞ্জন সাহা, চট্টগ্রামের স্থানীয় সরকার বিভাগের পরিচালক দীপক চক্রবর্তী, উপ-পরিচালক ইয়াছমিন পারভিন তিবরিজী, চট্টগ্রামের আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা মো. হাসানুজ্জামান, অতিরিক্ত ডিআইজি আবুল ফয়েজ এবং নগর পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার আমেনা বেগম উপস্থিত ছিলেন।

জেলার আসনগুলোর প্রার্থীদের  নানা অভিযোগ

চট্টগ্রাম নগরীর বাইরের সংসদীয় আসনগুলোর প্রার্থীদের নানা অভিযোগ শুনলেন ওই ১০টি আসনের রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক ইলিয়াছ হোসেন।

সোমবার জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে প্রার্থীরা তাদের দলীয় প্রচার চালাতে বাধা দেওয়াসহ বিভিন্ন অভিযোগ তুলে ধরেন।

চট্টগ্রামের ১৬টি আসনের মধ্যে ১০টি আসনের রিটার্নিং কর্মকর্তার দায়িত্ব পালন করছেন জেলা প্রশাসক ইলিয়াছ হোসেন। মহানগরের বাকি ছয়টি আসনের দায়িত্বে থাকবেন বিভাগীয় কমিশনার আব্দুল মান্নান।

জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত সভায় চট্টগ্রাম-১৩ আসনে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের প্রার্থী বিএনপি নেতা সরোয়ার জামাল নিজাম অভিযোগ জানান, তার এলাকায় কর্ণফুলী থানায় তার দলের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে ৫০টির বেশি মামলা করা হয়েছে।

তিনি বলেন, “মোহছেন আউলিয়া মাজার জেয়ারত ও আমার বাড়িতে যেতে চেয়েছিলাম। কিন্তু সরকারদলীয় কর্মীরা লাঠিসোঁটা নিয়ে আগে থেকে অবস্থান করায় আমি যেতে পারিনি। গত ১৩ ডিসেম্বর মইজ্জ্যার টেক এলাকায় নির্বাচনী সভা করার জন্য আমি পুলিশ থেকে অনুমতি নিয়েছি।

“তার আগেই সরকার দলীয় লোকজন লাঠিসোটা নিয়ে সেখানে অবস্থান শুরু করে। বিষয়টি আমি কর্ণফুলী থানার ওসিকে জানালে তিনি আমাকে অন্য জায়গায় সভা করার পরামর্শ দেন।”

চট্টগ্রাম- ১২ আসনে ঐক্যফ্রন্ট প্রার্থী এনামুল হক এনাম তার নির্বাচনী এলাকায় প্রচারে বাধা পাওয়ার কোনো অভিযোগ না করলেও তার দলীয় নেতাকর্মীদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে পুলিশ হয়রানি করছে বলে অভিযোগ করেন।

গ্রেপ্তারের অভিযোগ নিয়ে রিটার্নিং কর্মকর্তা ইলিয়াছ বলেন, “বিনা ওয়ারেন্টে কাউকে পুলিশ গ্রেপ্তার করছে না। যাদের বিরুদ্ধে মামলা আছে শুধু তাদের ধরা হচ্ছে।”

মামলা ছাড়া কাউকে গ্রেপ্তার করা হলে বিষয়টি তাকে জানানোর অনুরোধ জানান ডিসি।

চট্টগ্রাম-২ আসনে ঐক্যফ্রন্ট প্রার্থী আজিম উল্লাহ বাহার ও চট্টগ্রাম-৩ আসনের প্রার্থী মোস্তফা কামাল পাশা তাদের এলাকায় প্রচার করতে না দেয়া এবং দলীয় পোস্টার ছিঁড়ে ফেলার অভিযোগ আনেন আওয়ামী লীগের প্রার্থীদের বিরুদ্ধে।

রিটার্নিং কর্মকর্তা ইলিয়াছ বলেন, “এ ধরনের পোস্টার ছেঁড়ার ঘটনা ঘটলে জনগণের মধ্যে বিরূপ প্রভাব পড়বে। আমি প্রার্থীদের বলব, আপনারা আপনাদের কর্মীদের এ ধরনের কাজ করতে নিষেধ করুন।”

এদিকে চট্টগ্রাম-১৬ আসনের বিএনপি প্রার্থী জাফরুল ইসলাম চৌধুরী আওয়ামী লীগ কর্মীরা নিজেরা ‘ঝামেলা’ তৈরি করে পুলিশকে মামলা নিতে বাধ্য করছে বলে অভিযোগ করেন।

তিনি বলেন, “আমরা জানি আপনাদের সীমাবদ্ধতা আছে। সরকারদলীয় কর্মীরা নিজেরা ঝামেলা তৈরি করে পুলিশকে মামলা নিতে বাধ্য করছে। আর ওইসব মামলা দিয়ে দলীয় কর্মীদের গ্রেপ্তার করাচ্ছে।”

সভায় বাঁশখালী উপজেলার এক ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধেও অভিযোগ করেন বিএনপি প্রার্থী জাফরুল।

তিনি বলেন, “বাঁশাখালীর সরল উপজেলার চেয়ারম্যান রশিদ আহমেদ আমাদের দলীয় নেতাকর্মীদের প্রচারণা না করতে ‍হুমকি দিয়ে যাচ্ছেন। এগুলো করে উনি বাঁশখালীতে উত্তেজনা সৃষ্টি করছেন।”

বৈঠকে আওয়ামী লীগের কয়েকজন প্রার্থী উপস্থিত থাকলেও চটগ্রাম-১ আসনের প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন, চট্টগ্রাম-২ আসনের মাহফুজুর রহমান মিতা, চট্টগ্রাম-৪ আসনের দিদারুল আলম, চট্টগ্রাম-১২ আসনের সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদ উপস্থিত ছিলেন না।

পটিয়ায় আওয়ামী লীগের সাংসদ সামশুল হক চৌধুরী বলেন, তার এলাকায় বিএনপি প্রার্থী এনামুল হকের প্রচারে ‘কোনো ধরনের সমস্যা’ সৃষ্টি করা হচ্ছে না।

তিনি পাল্টা অভিযোগ করেন, সম্প্রতি কোলাগাঁও ইউনিয়নের তার নির্বাচনী প্রচারণার কাজে থাকা এক যুবলীগকর্মীর মোটর সাইকেল জ্বালিয়ে দেওয়া হয়েছে।

চট্টগ্রাম-১৫ সাতকানিয়া-লোহাগাড়া আসনে ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে প্রার্থী জামায়াত নেতা আ ন ম শামসুল ইসলামের পক্ষে তার প্রধান নির্বাচনী সম্বন্বয়ক ও দক্ষিণ জেলা জামায়াতর সেক্রেটারি জাফর সাদেক অভিযোগ করেন, উচ্চ আদালত থেকে জামিন নেয়ার পরও শামসুল ইসলামকে কারাগারে আটকে রাখা হয়েছে।

তিনি বলেন, “সরকারদলীয় নেতাকর্মীদের কারণে কোনো প্রকার নির্বাচনী প্রচারণা চালাতে পারছি না আমরা। বিভিন্ন স্থানে আমাদের নেতাককর্মীদের মারধর করে পুলিশে দেওয়া হচ্ছে। পরে তাদের অস্ত্র আইনে চালান দেওয়া হচ্ছে।”

এছাড়া কয়েকদিন আগে তাদের কর্মীদের নির্বাচনী বৈঠকে পুলিশ অভিযান চালিয়ে বেশ কয়েকজনকে আটক করে নিয়ে যাওয়ারও অভিযোগ করেন।

প্রার্থীদের বিভিন্ন অভিযোগ শুনে চট্টগ্রামের পুলিশ সুপার নূরে আলম মিনা বলেন, “আপনারা ঢালাওভাবে অভিযোগ করবেন না। অনেক সময় ছোট্ট একটি ঘটনাকে আপনারা বড় করে ফেলেন।

“কয়েকদিন আগে এক প্রার্থীর নির্বাচনী সভায় কিছুটা সমস্যা হয়। ওই সময় তার ছেলে পড়ে গিয়ে হাতে হাল্কা আঘাত পায়। কিন্তু ওই প্রার্থী আমাকে ফোন করে বলছে, তার ছেলে গুরুতর আহত হয়ে সংজ্ঞাহীন হয়ে গেছে। তার অস্ত্রোপাচার করা হচ্ছে। কিন্তু আমি জানলাম, তার ছেলের তেমন কিছু হয়নি।”

রাখাল বালকের বাঘ আসার প্রবাদ উল্লেখ করে এসপি মিনা বলেন, “আপনারা এভাবে অভিযোগ করলে বড় কোন ঘটনা ঘটে গেলে কেউ যাবে না। তখন ছোট কিছু মনে করে আমরা না গেলে বড় কিছু হয়ে যাবে।”

নির্বাচনে পুলিশ-বিজিবি-সেনা সদস্যদের নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকার কথাও উল্লেখ করেন তিনি।

এসপি মিনা বলেন, “পত্রিকায় দেখেছি, কোনো কোনো দল বলছে, সরকারি বাহিনীর প্রতি তাদের আস্থা নেই। তারা ভোট কেন্দ্র পাহারা দেওয়ার কথা বলছে। এভাবে করে একটি পক্ষকে ক্ষেপিয়ে তোলা হচ্ছে।”

২০১৪ সালের নির্বাচন পূর্ববর্তী ও পরবর্তী সময়ে দক্ষিণ চট্টগ্রামে জামায়াতি তাণ্ডবের বিষয়টিতে ইঙ্গিত করে এসপি বলেন, “যতই কিছু হোক, সব দোষ পড়ে পুলিশের। আগের নিবাচনে আমাদের দুই পুলিশ সদস্যকে খুন করা হয়েছে। বাঁশখালীতে আদালত ভবন ও উপজেলা প্রশাসন কার্যালয় জ্বালিয়ে দেওয়া হয়েছে।

“আগের মতো কেউ কিছু করার চেষ্টা করলে আমরা সমুচিত জবাব দিব। সে ধরনের প্রস্তুতি আমাদের এখন আছে।”

নির্বাচনে পোলিং এজেন্ট ও ভোটারদের মোবাইল ফোন সঙ্গে না রাখার বিষয়টি তুলে ধরে তিনি বলেন, কেন্দ্রে প্রিজাইডিং অফিসার কিংবা নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা প্রধান ব্যক্তি ছাড়া অন্য কারও কাছে মোবাইল ফোন থাকবে না।

“বিভিন্ন সময়ে আমরা দেখেছি পোলিং এজেন্টরা কেন্দ্র থেকে গুজব ছড়িয়ে উত্তেজনা কিংবা মারামারির সৃষ্টি করে।”

জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা ইলিয়াছ হোসেন প্রার্থীদের প্রতিদিনের খরচ লিখে রাখার পরামর্শ দিয়ে বলেন, “আমি যে কোনো সময় তা দেখতে পারি। আপনারা ব্যক্তিগত ও পারিবারিক খরচের বাইরে নির্বাচনে নির্ধারিত খরচের বেশি করবেন না।”

বৈঠকে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক হাবিবুর রহমান, চট্টগ্রাম জেলার নির্বাচন কর্মকর্তা মুনির হোসাইন খান উপস্থিত ছিলেন।

]]>
1572336 https://d30fl32nd2baj9.cloudfront.net/media/2018/12/17/al-bnp-01.jpg/ALTERNATES/w300/al-bnp-01.jpg 1572338 https://d30fl32nd2baj9.cloudfront.net/media/2018/12/17/al-bnp-02.jpg/ALTERNATES/w300/al-bnp-02.jpg 1572339 https://d30fl32nd2baj9.cloudfront.net/media/2018/12/17/al-bnp-03.jpg/ALTERNATES/w300/al-bnp-03.jpg 1572340 https://d30fl32nd2baj9.cloudfront.net/media/2018/12/17/al-bnp-04.jpg/ALTERNATES/w300/al-bnp-04.jpg 1572341 https://d30fl32nd2baj9.cloudfront.net/media/2018/12/17/al-bnp-05.jpg/ALTERNATES/w300/al-bnp-05.jpg 1572342 https://d30fl32nd2baj9.cloudfront.net/media/2018/12/17/al-bnp-06.jpg/ALTERNATES/w300/al-bnp-06.jpg
14 2 Home cricket_bn ক্রিকেট news-bn 212 1572308 অনীক মিশকাত, বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম অনীক মিশকাত, বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম 2018-12-17 15:43:49.0 2018-12-17 20:28:48.0 উইন্ডিজের কাছে উড়ে গেল বাংলাদেশ উইন্ডিজের কাছে উড়ে গেল বাংলাদেশ প্রথম টি-টোয়েন্টিতে ৮ উইকেটে হেরেছে সাকিব আল হাসানের দল।  ক্যারিবিয়ান ঝড়ে স্রেফ উড়ে গেল বাংলাদেশ। ব্যাটিং-বোলিং কোনো বিভাগেই সাকিব আল হাসানের দল পাত্তা পেল না টি-টোয়েন্টির বিশ্ব চ্যাম্পিয়নদের কাছে। দিশাহীন ব্যাটিংয়ের পর এলোমেলো বোলিংয়ে প্রথম ম্যাচে বড় ব্যবধানে হেরেছে বাংলাদেশ।  false https://bangla.bdnews24.com/cricket/article1572308.bdnews false https://d30fl32nd2baj9.cloudfront.net/media/2018/12/17/mushfiq-shakib.jpg/ALTERNATES/w300/Mushfiq-Shakib.jpg
শেলডন কটরেলের দারুণ বোলিংয়ের পর শেই হোপের টর্নেডো ইনিংসে প্রথম টি-টোয়েন্টিতে ৮ উইকেটে জিতে তিন ম্যাচের সিরিজে এগিয়ে গেল ওয়েস্ট ইন্ডিজ। বাংলাদেশের দেওয়া ১৩০ রানের লক্ষ্য ৫৫ বল বাকি থাকতে ছুঁয়ে ফেলে কার্লোস ব্র্যাথওয়েটের দল।

শঙ্কা কাটিয়ে খেললেন সাকিব। দারুণ ফিফটিতে দলকে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিলেন অধিনায়ক। তবে দলকে টানলেন কেবল তিনিই। বাজে ব্যাটিংয়ে লড়াইয়ের পুঁজি পেল না বাংলাদেশ, খেলতে পারল না পুরো ২০ ওভার। সিলেট আন্তর্জাতিক ত্রিকেট স্টেডিয়ামে সোমবার টস জিতে ব্যাট করতে নেমে ১৯ ওভারে ১২৯ রানে গুটিয়ে যায় স্বাগতিকরা।

সাকিবের পঞ্চাশ ছোঁয়া ইনিংসের পাশে নেই তেমন কোনো স্কোর। নেই তেমন কোনো জুটি। আছে উইকেট ছুড়ে আসার অংসখ্য উদাহরণ।

শুরু দেশসেরা ওপেনার তামিম ইকবালের আউট দিয়ে। প্রথম বলে জীবন পাওয়া বাঁহাতি এই ব্যাটসম্যান কটরেলের শর্ট বলে সহজ ক্যাচ দিয়ে ফিরেন। লিটন দাস ও সৌম্য সরকারও ফিরেন শর্ট বল উড়ানোর চেষ্টায়। টপ অর্ডারের তিন ব্যাটসম্যানের কেউ যেতে পারেননি দুই অঙ্কে।

সাকিবের ব্যাটে শুরু থেকেই আসছিল রান। তাই পাওয়ার প্লেতে পঞ্চাশ ছুঁয়ে ফেলে বাংলাদেশ। ভীষণ ঝুঁকিপূর্ণ সিঙ্গেল নিতে গিয়ে রান আউট হয়ে ফিরে যান মুশফিকুর রহিম। ভাটা পড়ে রানের গতিতে।

সাকিব-মাহমুদউল্লাহর ব্যাটে ছিল প্রতিরোধের চেষ্টা। সেটাও খুব একটা সফল হয়নি। ১৯ বলে ১ চারে ১২ রান করে সহ-অধিনায়ক কট বিহাইন্ড হলে ভাঙে ২৫ রানের জুটি।

আরিফুল হক খানিকটা সঙ্গ দিতে পারেন সাকিবকে। ষষ্ঠ উইকেটে নিজেদের সেরা জুটি পায় বাংলাদেশ। সেটিও মাত্র ৩০ রানের। বাঁহাতি স্পিনার ফ্যাবিয়ান অ্যালেনকে স্লগ সুইপে উড়ানোর চেষ্টায় সীমানায় আরিফুল ধরা পড়লে ভাঙে জুটি।

দারুণ বোলিং করা কটরেল ভাঙেন সাকিবের প্রতিরোধ। শর্ট বলে তাকে ফিরতি ক্যাচ দিয়ে শেষ হয় অধিনায়কের ৬১ রানের ইনিংস। সাকিবের ৪৩ বলের ইনিংস গড়া ৮ চার ও দুই ছক্কায়। তার বিদায়র পর বেশিদূর এগোয়নি বাংলাদেশের ইনিংস।

বাঁহাতি পেসার কটরেল ২৮ রানে নেন ৪ উইকেট। কিমো পল ২ উইকেট নেন ২৩ রানে।

ছোট পুঁজি নিয়ে লড়াইও করতে পারেননি স্বাগতিক বোলাররা। এলোমেলো লাইন-লেংথের মাশুল দেন একের পর এক খরুচে ওভারে। মাত্র ৩.১ ওভারে পঞ্চাশ ছুঁয়ে ফেলে ওয়েস্ট ইন্ডিজ।

ঝড়ের শুরুর মেহেদী হাসান মিরাজের করা দ্বিতীয় ওভার দিয়ে। হোপ তিন ছক্কা হাঁকান তরুণ অফ স্পিনারকে। সেই ওভার থেকে আসে ২৩ রান।

দুই বাঁহাতি পেসার আবু হায়দার ও মুস্তাফিজুর রহমান নিজেদের একমাত্র ওভারে দেন ১৫ রান করে। সাইফ উদ্দিন ১৩ রান দিয়ে বিদায় করেন এভিন লুইসকে। ঠিক মতো টাইমিং না করতে পেরে লং অফে আরিফুলের হাতে ধরা পড়ে শেষ হয় এই ওপেনারের ১৮ রানের ইনিংস।

ষষ্ঠ ওভারে ফিরে আবার হোপের ঝড়ের মুখে পড়েন মিরাজ। এক চার আর দুই ছক্কায় তুলে নেন ১৮ রান। দ্বিতীয় ছক্কায় মাত্র ১৬ বলে হোপ তুলে নেন ক্যারিয়ারের প্রথম ফিফটি। টি-টোয়েন্টিতে এটি ওয়েস্ট ইন্ডিজের দ্রুততম আর সব মিলিয়ে তৃতীয় দ্রুততম ফিফটি।

পাওয়ার প্লের ৬ ওভারে ওয়েস্ট ইন্ডিজ তুলে ফেলে ১ উইকেটে ৯১ রান টি-টোয়েন্টিতে যা যৌথভাবে সর্বোচ্চ।

ক্রিস গেইলকে (১৭) পেছনে ফেলে ওয়েস্ট ইন্ডিজের হয়ে দ্রুততম ফিফটির রেকর্ড গড়া হোপকে থামান মাহমুদউল্লাহ। অফ স্পিনারের ফুল লেংথ বল উড়ানোর চেষ্টায় ডিপ এক্সট্রা কাভারে ধরা পড়েন হোপ। ২৩ বলে খেলা তার ৫৫ রানের ইনিংসটি গড়া ছয় ছক্কা আর তিন চারে।

হোপ ফিরলেও ঝড় থামেনি। প্রমোশন পেয়ে চারে নেমে ১৪ বলে তিন ছক্কা আর এক চারে অপরাজিত ২৮ রানের বিস্ফোরক এক ইনিংসে দলকে জিতিয়ে মাঠ ছাড়েন পল। ১৭ বলে তিন চারে ২৩ রানে অপরাজিত থাকেন নিকোলাস পুরান।

দারুণ বোলিংয়ে সুরটা বেঁধে দেওয়া কটরেল জেতেন ম্যাচ সেরার পুরস্কার।

টেস্ট ও ওয়ানডে সিরিজ জেতা বাংলাদেশ ব্যাটিং-বোলিং ব্যর্থতায় টি-টোয়েন্টি সিরিজ শুরু করল বিব্রতকর হার দিয়ে। আগামী বৃহস্পতিবার মিরপুরে হবে দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টি।

সংক্ষিপ্ত স্কোর:

বাংলাদেশ: ১৯ ওভারে ১২৯ (তামিম ৫, লিটন ৬, সৌম্য ৬, সাকিব ৬১, মুশফিক ৫, মাহমুদউল্লাহ ১২, আরিফুল ১৭, সাইফ ১, মিরাজ ৮, আবু হায়দার ১*, মুস্তাফিজ ০; টমাস ১/৩৩, কটরেল ৪/২৮, পল ২/২৩, ব্র্যাথওয়েট ১/১৩, অ্যালেন ১/১৯, পাওয়েল ০/৭)।

ওয়েস্ট ইন্ডিজ: ১০.৫ ওভারে ১৩০/২ (লুইস ১৮, হোপ ৫৫, পুরান ২৩*, পল ২৯*; সাকিব ০/৩৩, মিরাজ ০/৩৭, আবু হায়দার ০/১৫, সাইফ ১/১৩, মুস্তাফিজ ০/১৫, মাহমুদউল্লাহ ১/১৩)

ফল: ওয়েস্ট ইন্ডিজ ৮ উইকেটে জয়ী

ম্যান অব দা ম্যাচ: শেলডন কটরেল

]]>
1572431 https://d30fl32nd2baj9.cloudfront.net/media/2018/12/17/mushfiq-shakib.jpg/ALTERNATES/w300/Mushfiq-Shakib.jpg 1572429 https://d30fl32nd2baj9.cloudfront.net/media/2018/12/17/shakib.jpg2/ALTERNATES/w300/Shakib.jpg 1572430 https://d30fl32nd2baj9.cloudfront.net/media/2018/12/17/soumya.jpg1/ALTERNATES/w300/Soumya.jpg
15 2 Home 11thparliamentaryelection একাদশ সংসদ নির্বাচন news-bn 10654 1572306 নিজস্ব প্রতিবেদক, বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম নিজস্ব প্রতিবেদক, বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম 2018-12-17 15:40:29.0 2018-12-17 15:44:21.0 আপিলেও খুললো না রীতার ভোটের পথ আপিলেও খুললো না রীতার ভোটের পথ মানিকগঞ্জ-৩ আসনে বিএনপির প্রার্থী আফরোজা খান রীতার মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্ত স্থগিত করে হাই কোর্টের দেওয়া আদেশে ‘নো অর্ডার’ দিয়েছে আপিল বিভাগ। মানিকগঞ্জ-৩ আসনে বিএনপির প্রার্থী আফরোজা খান রীতার মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্ত স্থগিত করে হাই কোর্টের দেওয়া আদেশে ‘নো অর্ডার’ দিয়েছে আপিল বিভাগ। false https://bangla.bdnews24.com/11thparliamentaryelection/article1572306.bdnews false https://d30fl32nd2baj9.cloudfront.net/media/2018/12/17/afroza-rita-bnp-manikgonj.jpg/ALTERNATES/w300/Afroza-Rita-BNP-Manikgonj.jpg
আপিল বিভাগের আদেশের ফলে হাই কোর্টের আদেশটি বহাল থাকায় রীতা আর নির্বাচন করতে পারছেন না বলে জানিয়েছেন আইনজীবীরা।

আফরোজা খান রীতা

আফরোজা খান রীতা

প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন সাত বিচারপতির বেঞ্চ সোমবার এ আদেশ দেয়।

খেলাপি ঋণের কারণ দেখিয়ে গত ২ ডিসেম্বর জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা রীতার মনোনয়নপত্র বাতিল করেছিলেন।

এর বিরুদ্ধে আপিল করলে নির্বাচন কমিশন ৯ ডিসেম্বর তা মঞ্জুর করে তাকে বৈধ প্রার্থী ঘোষণা করে।

পরে ইসির আদেশের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে সোনালী ব্যাংক রিট করে।

গত ১২ ডিসেম্বর রিটের শুনানি নিয়ে বিচারপতি জে বি এম হাসান ও বিচারপতি মো. খায়রুল আলমের হাই কোর্ট বেঞ্চ ইসির সিদ্ধান্তে স্থগিতাদেশ দিলে রীতার ভোটের পথ আটকে যায়। 

হাই কোর্টের ওই আদেশের বিরুদ্ধেই রীতা আপিল বিভাগে আবেদন করেছিলেন।

সোমবার আদালতে সোনালী ব্যাংকের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী কাজী আকতার হামিদ। রীতার পক্ষে ছিলেন ব্যারিস্টার আজমালুল হোসেন কিউসি। 

সাবেক মন্ত্রী হারুনুর রশীদ খান মুন্নু মারা যাওয়ায় তার মেয়ে আফরোজা খান রীতা এবার বিএনপি থেকে মনোনয়ন পেয়েছিলেন। তিনি মানিকগঞ্জ জেলা বিএনপির সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন।

]]>
16 2 Home bangladesh_bn বাংলাদেশ news-bn 199 1572266 নিজস্ব প্রতিবেদক, বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম নিজস্ব প্রতিবেদক, বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম 2018-12-17 12:53:56.0 2018-12-17 13:20:24.0 কামালের সাক্ষাতের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়নি বঙ্গভবন কামালের সাক্ষাতের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়নি বঙ্গভবন রাষ্ট্রপতির সাক্ষাৎ চেয়ে কামাল হোসেনের চিঠির বিষয়ে এখনও কোনো সিদ্ধান্ত নেয়নি বঙ্গভবন। রাষ্ট্রপতির সাক্ষাৎ চেয়ে কামাল হোসেনের চিঠির বিষয়ে এখনও কোনো সিদ্ধান্ত নেয়নি বঙ্গভবন। false https://bangla.bdnews24.com/bangladesh/article1572266.bdnews false https://d30fl32nd2baj9.cloudfront.net/media/2018/10/22/kamal-hossain-22102018-0001.jpg/ALTERNATES/w300/kamal-hossain-22102018-0001.jpg গণফোরামের সভাপতি কামাল হোসেন।
১৭ ডিসেম্বর রাষ্ট্রপতির সাক্ষাৎ চেয়ে বিএনপির প্যাডে লেখা একটি চিঠি বঙ্গভবনে পাঠানো হয়েছিল গত ১৩ ডিসেম্বর।

চিঠিতে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের শীর্ষনেতা কামাল হোসেন জোটের ১০ সদস্যের প্রতিনিধি দল নিয়ে ১৭ ডিসেম্বর রাষ্ট্রপতির সঙ্গে দেখা করতে চান জানিয়ে তার ব্যবস্থা করতে অনুরোধ জানানো হয়।  

ওই চিঠির বিষয়ে জানতে চাইলে সোমবার রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব মো. জয়নাল আবেদীন বলেন, “চিঠি পাওয়া গেছে। এখনও কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি।”

বঙ্গভবনের একটি সূত্র বলছে, বিএনপির প্যাডে পাঠানো চিঠিতে স্বাক্ষর করেছেন দলটির চেয়ারপারসনের একান্ত সচিব এ বি এম আবদুস সাত্তার। কিন্তু তাতে লেখা হয়েছে কামাল হোসেন সাক্ষাৎ করতে চান।

বঙ্গভবনের এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “আনুষ্ঠানিকভাবে যদি চিঠির জবাব দিতে হয় তাহলে বিএনপিকে দিতে হবে। কারণ চিঠি বিএনপির নামে। স্বাক্ষর খালেদা জিয়ার একান্ত সচিবের। তাহলে তো আমন্ত্রণ জানাতে হয় বিএনপিকে। অথচ চিঠিতে বলা হয়েছে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে দেখা করতে চান কামাল হোসেন।”

“চিঠিতে বলা হয়েছে কামাল হোসেন রাষ্ট্রপতির সাথে সাক্ষাতের ‘অভিপ্রায় ব্যক্ত’ করেছেন। এখানে ‘অভিপ্রায় ব্যক্ত’ করার বিষয় নেই। রাষ্ট্রপতির সাথে কেউ দেখা করতে চাইলে তিনি সম্মতি দেবেন। সাক্ষাতের বিষয়ে মহামান্য রাষ্ট্রপতি সিদ্ধান্ত নেবেন,” বলেন ওই কর্মকর্তা।

বঙ্গভবনে পাঠানো চিঠিতে আলোচনার বিষয়বস্তু বলা না হলেও বিএনপি নেতারা জানিয়েছেন, একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের এই সময়ে বিরোধী নেতাকর্মীদের ওপর হামলা, মামলা ও হয়রানির বিষয়ে ইসিতে অভিযোগ করেও ফল না পাওয়ায় রাষ্ট্রপতির কাছে প্রতিকার চাওয়ার কথা ছিল ঐক্যফ্রন্ট নেতাদের।

আওয়ামী লীগের রাষ্ট্রপতি প্রার্থী হয়ে বিএনপির বিচারপতি আব্দুস সাত্তারের বিরুদ্ধে ভোটের লড়াইয়ে নামা কামাল হোসেন এবার বিএনপিকে সঙ্গে নিয়ে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট গড়ে নিজের পুরনো দল আওয়ামী লীগের বিপক্ষে নির্বাচন করছেন।

নির্বাচনের প্রচারে সমান সুযোগ পাচ্ছেন না বলে অভিযোগ করে আসছেন গণফোরাম সভাপতি কামাল।

অন্যদিকে জামায়াতে ইসলামীর নেতাদের সঙ্গ ধানের শীষ নিয়ে ঐক্যফ্রন্টের নেতারাও নির্বাচন করায় তা নিয়ে কামালের সমালোচনায় মুখর ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের নেতারা।

]]>
1552691 https://d30fl32nd2baj9.cloudfront.net/media/2018/10/22/kamal-hossain-22102018-0001.jpg/ALTERNATES/w300/kamal-hossain-22102018-0001.jpg গণফোরামের সভাপতি কামাল হোসেন। 1572265 https://d30fl32nd2baj9.cloudfront.net/media/2018/12/17/kamal-letter.jpg/ALTERNATES/w300/Kamal-Letter.jpg
17 2 Home 11thparliamentaryelection একাদশ সংসদ নির্বাচন news-bn 10654 1572301 নিজস্ব প্রতিবেদক, বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম নিজস্ব প্রতিবেদক, বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম 2018-12-17 15:19:28.0 2018-12-17 15:19:28.0 নাদিম মোস্তফার বদলে নজরুলকে ধানের শীষ দেওয়ার নির্দেশ নাদিম মোস্তফার বদলে নজরুলকে ধানের শীষ দেওয়ার নির্দেশ একাদশ জাতীয় নির্বাচনে রাজশাহী-৫ (পুঠিয়া-দুর্গাপুর) আসনে বিএনপির প্রার্থী নাদিম মোস্তফার পরিবর্তে অধ্যাপক নজরুল ইসলামকে ধানের শীষ প্রতীক বরাদ্দ দিতে নির্দেশ দিয়েছে হাই কোর্ট। একাদশ জাতীয় নির্বাচনে রাজশাহী-৫ (পুঠিয়া-দুর্গাপুর) আসনে বিএনপির প্রার্থী নাদিম মোস্তফার পরিবর্তে অধ্যাপক নজরুল ইসলামকে ধানের শীষ প্রতীক বরাদ্দ দিতে নির্দেশ দিয়েছে হাই কোর্ট। false https://bangla.bdnews24.com/11thparliamentaryelection/article1572301.bdnews false https://d30fl32nd2baj9.cloudfront.net/media/2014/03/09/hc.jpg3/ALTERNATES/w300/HC.jpg
নজরুল ইসলামের করা এক রিট আবেদনের শুনানি নিয়ে বিচারপতি জে বি এম হাসান ও বিচারপতি মো. খায়রুল আলমের হাই কোর্ট বেঞ্চ সোমবার এ আদেশ দেয়।

আদালতে আবেদনের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী আশরাফ আলী ও মিনহাজুল হক চৌধুরী। নাদিম মোস্তফার পক্ষে ছিলেন আঞ্জুম আরা বেগম।

মিনহাজুল হক চৌধুরী পরে সাংবাদিকদের বলেন, “নাদিম মোস্তফাকে রিটার্নিং অফিসারের দেওয়া ধানের শীষ প্রতীক বরাদ্দ কেন বাতিল করা হবে না, জানতে চেয়ে রুল জারির পাশাপাশি তার বরাদ্দ স্থগিত করেছে।

“একই সঙ্গে অধ্যাপক নজরুল ইসলামকে ধানের শীষ প্রতীক বরাদ্দের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ফলে ওই আসনে ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী নজরুল ইসলামই।”

রাজশাহী-৫ আসনে নাদিম মোস্তফা এবং নজরুল ইসলাম মনোনয়নপত্র দাখিল করেছিলেন।

গত ২ ডিসেম্বর মনোনয়নপত্র বাছাইয়ের শেষ দিনে খেলাপী ঋণসহ কয়েকটি কারণে নাদিম মোস্তফার মনোনয়ন বাতিল করেন জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা।

তার পরিবর্তে এই আসনে নজরুল ইসলামকে চূড়ান্ত প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করেছিল বিএনপি।

কিন্তু পেশায় আইনজীবী সাবেক সাংসদ নাদিম মোস্তফা নির্বাচন কমিশনে আপিল করে প্রার্থিতা ফিরে পেলে ওই আসনে তাকেই আবার চূড়ান্ত প্রার্থী ঘোষণা করে বিএনপি।

দলীয় হাই কমান্ডের ওই সিদ্ধান্ত চ্যালেঞ্জ করে হাই কোর্টে এই রিট করেছিলেন অধ্যাপক নজরুল ইসলাম।

রিটে উল্লেখ করা হয়, নজরুল ইসলামকে বাদ দিয়ে নাদিম মোস্তফার মনোনয়ন গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশের পরিপন্থী।

]]>
755030 https://d30fl32nd2baj9.cloudfront.net/media/2014/03/09/hc.jpg3/ALTERNATES/w300/HC.jpg
18 2 Home samagrabangladesh সমগ্র বাংলাদেশ news-district 9945 1572222 চাঁদপুর প্রতিনিধি বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম চাঁদপুর প্রতিনিধি বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম 2018-12-17 09:34:33.0 2018-12-17 12:36:50.0 স্ত্রী, দুই সন্তানকে মেরে যুবকের ‘আত্মহত্যা’ চাঁদপুরে স্ত্রী, দুই সন্তানকে মেরে যুবকের ‘আত্মহত্যা’ চাঁদপুর সদর উপজেলায় দুই সন্তান ও স্ত্রীকে হত্যার পর এক যুবকের আত্মহত্যার খবর দিয়েছে পুলিশ। চাঁদপুর সদর উপজেলায় দুই সন্তান ও স্ত্রীকে হত্যার পর এক যুবকের আত্মহত্যার খবর দিয়েছে পুলিশ। false https://bangla.bdnews24.com/samagrabangladesh/article1572222.bdnews false https://d30fl32nd2baj9.cloudfront.net/media/2018/12/17/chandpur.jpg1/ALTERNATES/w300/Chandpur.jpg
চাঁদপুর সদর মডেল থানার ওসি মো নাসিম উদ্দিন জানান, পারিবারিক কলহের জের ধরে সোমবার ভোর রাতে সদর উপজেলার দেবপুর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

ওই পরিবারের চারজন হলেন- মাইনুদ্দিন (২৬), তার স্ত্রী ফাতেমা (২৪) এবং তাদের দুই সন্তান মিথিলা (৫) ও পিয়াম (১)।

প্রতিবেশীদের বরাত দিয়ে ওসি বলেন; “ভোর রাতে মাইনুদ্দিন ও ফাতেমার মধ্যে ঝগড়া হয়। এক পর্যায়ে মাইনুদ্দিন তার স্ত্রীকে বাড়ির পুকুরে চুবিয়ে হত্যা করে।

“এরপর সে ঘরে ঘুমিয়ে থাকা দুই সন্তানকে শ্বাসরোধে হত্যা করে। পরে মাইনুদ্দিন নিজেও ঘরের ভেতর গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যা করে।”

স্থানীয়রা জানান, মাইনুদ্দিন চট্টগ্রামের একটি বেকারিতে কাজ করতেন। রোববার তিনি বাড়িতে আসেন। স্ত্রীর সঙ্গে তার প্রায়ই ঝগড়া হত।

রামপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আল মামুন পাটওয়ারী সাংবাদিকদের বলেন, “রোববার দুপুরে মাইনুদ্দিন তাদের পারিবারিক কবর পরিষ্কার করতে লোক ডেকেছিল। রাতে যে এরকম কিছু ঘটতে পারে আমরা তা কল্পনাও করিনি।”

ওসি মো. নাসিম উদ্দিন বলেন, “পুলিশের একটি দলকে ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।”

]]>
1572246 https://d30fl32nd2baj9.cloudfront.net/media/2018/12/17/chandpur.jpg1/ALTERNATES/w300/Chandpur.jpg 1572260 https://d30fl32nd2baj9.cloudfront.net/media/2018/12/17/chandpur-02.jpg/ALTERNATES/w300/chandpur-02.jpg 1572261 https://d30fl32nd2baj9.cloudfront.net/media/2018/12/17/chandpur-03.jpg/ALTERNATES/w300/chandpur-03.jpg
19 2 Home samagrabangladesh সমগ্র বাংলাদেশ news-district 9945 1572279 গাজীপুর প্রতিনিধি বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম গাজীপুর প্রতিনিধি বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম 2018-12-17 14:04:53.0 2018-12-17 14:13:00.0 কাপাসিয়ার ওসি বদলের দাবি বিএনপি প্রার্থীর কাপাসিয়ার ওসি বদলের দাবি বিএনপি প্রার্থীর বিএনপি নেতাকর্মীদের হয়রানির অভিযোগ তুলে গাজীপুরের কাপাসিয়া থানার ওসিকে সরানোর দাবি করেছেন গাজীপুর-৪ আসনের বিএনপির প্রার্থী শাহ রিয়াজুল হান্নান। বিএনপি নেতাকর্মীদের হয়রানির অভিযোগ তুলে গাজীপুরের কাপাসিয়া থানার ওসিকে সরানোর দাবি করেছেন গাজীপুর-৪ আসনের বিএনপির প্রার্থী শাহ রিয়াজুল হান্নান। false https://bangla.bdnews24.com/samagrabangladesh/article1572279.bdnews false https://d30fl32nd2baj9.cloudfront.net/media/2018/12/17/gazipur-oc.jpg/ALTERNATES/w300/gazipur-oc.jpg
সোমবার কাপাসিয়ায় উপজেলা শহরে সাফাইশ্রী এলাকায় নিজের কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, গত ১৪ ডিসেম্বর স্থানীয় আড়াল বাজার এলাকায় নির্বাচনী প্রচার চালানোর সময় তিনি আওয়ামী লীগের কর্মীদের হামলার শিকার হন। তিনি নিজেসহ ১০/১২ জন কর্মী সেদিন আহত হন।

কাপাসিয়া থানায় এ বিষয়ে অভিযোগ দাখিল করতে গেলে ওসি আবু বকর সিদ্দিক তা নেননি জানিয়ে দ্রুত তার প্রত্যাহার দাবি করেন রিয়াজুল। 

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে ওসি আবু বকর বলেন, “ওই ঘটনায় বিএনপি ও আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে পাল্টাপাল্টি অভিযোগ করা হয়েছে। তাদের অভিযোগ তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।”

সংবাদ সম্মেলনে রিয়াজুল অভিযোগ করেন, ভোটের প্রচার শুরুর দিন থেকেই বিভিন্ন স্থানে তার নেতা-কর্মীদের মারধর করা হচ্ছে। প্রচার কাজের ব্যবহৃত মাইক, গাড়ি ভাংচুর করা হচ্ছে, পোস্টার ছিঁড়ে ও পুড়িয়ে ফেলা হচ্ছে। এ ব্যাপারে স্থানীয় নির্বাচন কর্মকর্তা ও ওসিকে জানানো হলেও কোনো প্রতিকার মেলেনি।

“আজগুবি ও কাল্পনিক ঘটনা সাজিয়ে আমার দলের প্রধান নির্বাচনী এজেন্ট মো. খলিলুর রহমান, সদস্য সচিব সাখাওয়াত হোসেন এবং ওয়ার্ডভিত্তিক সম্ভাব্য নির্বাচনী এজেন্টসহ শত শত নেতা-কর্মীদের নামে মামলা করে গ্রেপ্তারের নামে হয়রানি করা হচ্ছে। এ অবস্থায় আমার টিকে থাকাই দায় হয়ে পড়েছে।” 

জেলা বিএনপির উপদেষ্টা কাজী আফতাব উদ্দিন, থানা বিএনপির আইন বিষয়ক সম্পাদক মো. এমদাদুল হক লাল, কাপাসিয়া সদর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আনোয়ার হোসেন বেপারি সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন ।

বিএনপির প্রার্থীর অভিযোগের বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করলে কালীগঞ্জ-কাপাসিয়া সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার পঙ্কজ দত্ত বলেন, “ফৌজদারি কোনো অপরাধ হলে অবশ্যই অভিযোগ আমলে নেব।তবে নির্বাচনী অভিযোগ হলে তা রিটার্নিং/সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তার মাধ্যমে আসতে হবে।”

সংশ্লিষ্ট দপ্তর থেকে এ পর্যন্ত কোনো অভিযোগ পুলিশ পায়নি বলে দাবি করেন এ কর্মকর্তা।

]]>
1572282 https://d30fl32nd2baj9.cloudfront.net/media/2018/12/17/gazipur-oc.jpg/ALTERNATES/w300/gazipur-oc.jpg
20 2 Home bangladesh_bn বাংলাদেশ news-bn 199 1572284 জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক, বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক, বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম 2018-12-17 14:21:56.0 2018-12-17 14:21:56.0 বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন বিস্ময়কর: ডাচ দূত বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন বিস্ময়কর: ডাচ দূত বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নকে ‘বিস্ময়কর’ বলেছেন ঢাকায় নেদারল্যান্ডসের রাষ্ট্রদূত হেন্ড্রিকাস জি জে (হ্যারি) ভারউইজ। বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নকে ‘বিস্ময়কর’ বলেছেন ঢাকায় নেদারল্যান্ডসের রাষ্ট্রদূত হেন্ড্রিকাস জি জে (হ্যারি) ভারউইজ। false https://bangla.bdnews24.com/bangladesh/article1572284.bdnews false https://d30fl32nd2baj9.cloudfront.net/media/2018/12/17/hasina.jpg/ALTERNATES/w300/hasina.jpg ছবি: পিআইডি
সোমবার সকালে গণভবনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতে তিনি এই মন্তব্য করেন বলে সাংবাদিকদের জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম।

সৌজন্য সাক্ষাতে দুই দেশের সম্পর্ক আরো গতিশীল হচ্ছে বলে মন্তব্য করেন রাষ্ট্রদূত এবং পারস্পারিক বন্ধুত্বের মধ্যে ‘শক্ত অঙ্গীকার’ থাকার কথাও বলেন।

বাংলাদেশ ‘ডেল্টা পরিকল্পনা ২১০০’ নামে দীর্ঘমেয়াদী একটি উন্নয়ন পরিকল্পনা করেছে, যার মাধ্যমে বন্যা মোকাবেলা, নদীভাঙন রোধ ও নদী শাসন, নদী ব্যবস্থাপনা উন্নত করা, শহর ও গ্রামের পানি সরবরাহ এবং বর্জ্য ব্যবস্থাপনা উন্নত করার কৌশল নির্ধারণ করা হয়েছে।

ডেল্টা পরিকল্পনা বাস্তবায়নে সহযোগিতা করছে নেদারল্যান্ডস।

বাংলাদেশের এই পরিকল্পনা বাস্তবায়নে নেদারল্যান্ডসের সহায়তা অব্যাহত রাখার আশ্বাসে দেন নতুন রাষ্ট্রদূত।

বাংলাদেশে কৃষিখাতে আরো উন্নয়ন করার সুযোগ রয়েছে বলেও মন্তব্য করেন হ্যারি।

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে লেখা নেদারল্যান্ডসের রানির একটি চিঠিও নতুন রাষ্ট্রদূত হস্তান্তর করেন বলে জানান প্রেস সচিব।

রাষ্ট্রদূতকে বাংলাদেশে স্বাগত জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মুক্তিযুদ্ধে দেশটির সহায়তার কথা স্মরণ করেন।

পানি ব্যবস্থাপনা ও নদী ভাঙ্গন রোধে ডাচদের সহায়তাও প্রত্যাশা করেন শেখ হাসিনা। সারাদেশে ১০০টি অর্থনৈতিক অঞ্চল গড়ে তোলার কথা উল্লেখ করে সেখানে ডাচদের বিনিয়োগেরও আহ্বান জানান তিনি।

সৌজন্য সাক্ষাতে প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব নজিবুর রহমান, কার্যালয় সচিব সাজ্জাদুল হাসান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

]]>
1572283 https://d30fl32nd2baj9.cloudfront.net/media/2018/12/17/hasina.jpg/ALTERNATES/w300/hasina.jpg ছবি: পিআইডি