bdnews24.com - Home https://bangla.bdnews24.com/ The RSS feed of bdnews24.com en Bangladesh News 24 Hours Ltd. 2017-09-13 09:34:43 2017-09-13 09:34:43 Home customGroupedContent 1 2 Home bangladesh_bn বাংলাদেশ news-bn 199 1594493 রিয়াজুল বাশার, আবু ধাবি থেকে বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম রিয়াজুল বাশার, আবু ধাবি থেকে বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম Mon, 18 Feb 2019 23:57:07 +0600 Tue, 19 Feb 2019 00:35:23 +0600 আমিরাতের বিনিয়োগ ভাবনায় বাংলাদেশ বাংলাদেশকে বিনিয়োগের নতুন ক্ষেত্র ‘ভাবছে’ আমিরাত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সফরে শ্রম বাজার নিয়ে বাংলাদেশের আগ্রহকেও গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনার আশ্বাস মিলেছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সফরের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশকে বিনিয়োগের নতুন গন্তব্য হিসেবে চিহ্নিত করেছে সংযুক্ত আরব আমিরাত। পাশাপাশি শ্রম বাজার নিয়ে বাংলাদেশের আগ্রহকেও গুরুত্বের সঙ্গে তারা বিবেচনা করছে। false https://bangla.bdnews24.com/bangladesh/article1594493.bdnews false https://d30fl32nd2baj9.cloudfront.net/media/2019/02/18/pm-abudhabi-prince-1.jpg/ALTERNATES/w300/PM-Abudhabi-Prince-1.jpg ছবি: পিআইডি
সোমবার আরব আমিরাতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে দেশটির প্রধানমন্ত্রী ও আবু ধাবির ক্রাউন প্রিন্সের বৈঠকের পর এমন খবর দিয়েছেন পররাষ্ট্র সচিব মো. শহীদুল হক।

দুপুরে আবু ধাবির ক্রাউন প্রিন্সের সঙ্গে বৈঠকের আগে সকালে আবু ধাবি এক্সিজিবশন সেন্টারে শেখ হাসিনার সঙ্গে বৈঠক হয় আরব আমিরাতের ভাইস প্রেসিডেন্ট ও প্রধানমন্ত্রী এবং দুবাইয়ের শাসক শেখ মোহাম্মাদ বিন রশিদ আল মাকতুমের।

বৈঠকের পর পররাষ্ট্র সচিব শহীদুল হক ও প্রেস সচিব ইহসানুল করিম এক সঙ্গে এসে আলোচনার বিষয়বস্তু সাংবাদিকদের কাছে তুলে ধরেন।

পররাষ্ট্র সচিব বলেন, “বাংলাদেশকে ইউএই বিনিয়োগের একটা বড় নতুন ক্ষেত্র হিসেবে চিহ্নিত করেছে- একথা দুবাইয়ের শাসক বারবার বলেছেন। একইসাথে বলেছেন, জনশক্তির বিষয়টি উনারা ওপনেলি কনসিডার করবেন।”

দুপুরে রাজকীয় প্রাসাদে আবু ধাবির ক্রাউন প্রিন্স শেখ মোহাম্মদ বিন জায়েদ আল নাহিয়ানের সঙ্গে বৈঠক করেন শেখ হাসিনা।

ছবি: সাইফুল ইসলাম কল্লোল

ছবি: সাইফুল ইসলাম কল্লোল

পররাষ্ট্র সচিব বলেন, “উনি (ক্রাউন প্রিন্স) বললেন, লেবার মার্কেটের বিষয়টা উনি দেখবেন, বিনিয়োগের বিষয়টা উনি দেখবেন।

“মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সব বিষয়েই যে একটা গুরুত্ব পাবেন, সেটা উনি (নাহিয়ান) বলেছেন।”

ক্রাউন প্রিন্স বাংলাদেশ সফরে আসেবেন বলেও আগ্রহ প্রকাশ করেছেন।

পররাষ্ট্র সচিব জানান, দুবাইয়ের শাসক এবং আবু ধাবির ক্রাউন প্রিন্সের সঙ্গে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর বৈঠকের পর পরই শ্রমবাজার নিয়ে মঙ্গলবার সকালেই দুই দেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের আলোচনা হবে।

“এটাও খুব আনইউজুয়াল। সচরাচর প্রধানমন্ত্রীর সফরের সময় ফরেন অফিস কনসালটেশন হয় না।”

ছবি: পিআইডি

ছবি: পিআইডি

মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলনে যোগ দিয়ে রোববার আবু ধাবি সফরে আসেন শেখ হাসিনা।

গত ৩০ ডিসেম্বরের নির্বাচনে জয়ী হয়ে টানা তৃতীয় মেয়াদে সরকার গঠনের পর এটাই তার প্রথম বিদেশ সফর।

রোববার সকালে আবু ধাবিতে আন্তর্জাতিক প্রতিরক্ষা প্রদর্শনী ও নেভাল ডিফেন্স অ্যান্ড মেরিটাইম সিকিউরিটি প্রদর্শনীতে অংশ নেওয়ার পর দুপুরের পর ব্যবসায়ী ও বিনিয়োগ প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক করেন শেখ হাসিনা।

রোববার বিকালে বাংলাদেশের বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও অর্থনৈতিক অঞ্চল বিষয়ে সংযুক্ত আরব আমিরাতের সঙ্গে সমঝোতা স্মারক সই হয়।

আমিরাতের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে তার লেখা ‘মাই ড্রিম’ বইয়ের বাংলা অনুবাদ ‘আমার স্বপ্ন’ রশিদ আল মাকতুমের হাতে তুলে দেন শেখ হাসিনা।

ফাতিমা বিনতে মুবারকের সঙ্গে বৈঠক

দুবাইয়ের শাসকের সঙ্গে বৈঠকের পর আবু ধাবির বাহার প্যালেসে ইউএই’র প্রতিষ্ঠাতা ও প্রথম প্রেসিডেন্ট এবং আবুধাবির শাসক প্রয়াত শেখ জায়েদ বিন সুলতান আল নাহিয়ানের স্ত্রী শেখা ফাতিমা বিনতে মুবারক আল কেতবির সঙ্গে দেখা করেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী।

পররাষ্ট্র সচিব বলেন, “ওখানে লম্বা বৈঠক হয়েছে। খুবই উঞ্চ ও বন্ধুত্বপূর্ণ পরিবেশে বৈঠক হয়েছে। ওনাদের তরফ থেকে পরিবারের অনেকে উপস্থিত ছিলেন।

তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর কাছ থেকে উনি বাংলাদেশের নারী শিক্ষা ও কর্মসংস্থান নিয়ে জানতে চেয়েছেন। এছাড়া বাংলাদেশে নারীরা যে এখন ব্যবসা করছে এবং এনজিওতে কাজ করছেন- এটা কীভাবে হল ও কীভাবে টেকসই হয়েছে এগুলো উনি জানতে চেয়েছেন।

“আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তাকে ব্যাখ্যা করেছেন।”

শহীদুল হক বলেন, “উনি (ফাতিমা) নিজেও এদেশে নারীর ক্ষমতায়নের উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন। তিনি মনে করেন যে, এখানে বাংলাদেশের কাছ থেকে দুবাইয়ের মহিলাদের শেখার অনেক কিছু আছে যে, কীভাবে ইসলামের মধ্যে থেকে কর্মসংস্থান করা যায়।”

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে ‘খুব স্নেহের সঙ্গে আপ্যায়ন করেছেন’ বলেও জানান তিনি।

মজলিশে শেখ হাসিনা

রয়্যাল প্যালেসে ক্রাউন প্রিন্স নাহিয়ানের সঙ্গে বৈঠকে বঙ্গবন্ধুর আবু ধাবি সফরের সময় ইউএই’র প্রতিষ্ঠাতা ও প্রথম প্রেসিডেন্ট এবং আবুধাবির শাসক প্রয়াত শেখ জায়েদ বিন সুলতান আল নাহিয়ানের সঙ্গে বঙ্গবন্ধুর একটি ছবি প্রধানমন্ত্রী তাকে উপহার দেন।

ছবি: ফোকাস বাংলা

ছবি: ফোকাস বাংলা

পররাষ্ট্র সচিব বলেন, “প্রধানমন্ত্রীকে উনি মজলিশে নিয়ে যান। মজলিশ সপ্তাহে একদিন বসে। সচরাচর মজলিশে উনারা পরিচয় করিয়ে দেন। অতিথি চলে গেলে উনারা বৈঠক করতে থাকেন। কিন্তু উনি প্রধানমন্ত্রীকে বললেন, আপনি আমার পাশেই বসেন।

“বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে তিনি বিশেষ সম্মান দিয়েছেন।”

বিনিয়োগ ও শ্রমবাজার ছাড়াও রোহিঙ্গা সমস্যার সমাধানসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে প্রধানমন্ত্রী ও ক্রাউন প্রিন্স আলোচনা করেছেন বলে তিনি জানান।

“খুবই উঞ্চ একটা সংবর্ধনা ছিল।”

বৈঠকগুলোতে প্রধানমন্ত্রীর মেয়ে সায়মা হোসেন, পররাষ্ট্রমন্ত্রী একে আবদুল মোমেন উপস্থিত ছিলেন।

]]>
1594489 https://d30fl32nd2baj9.cloudfront.net/media/2019/02/18/pm-abudhabi-prince-1.jpg/ALTERNATES/w300/PM-Abudhabi-Prince-1.jpg ছবি: পিআইডি 1594492 https://d30fl32nd2baj9.cloudfront.net/media/2019/02/18/pm-emirates-pm.jpg/ALTERNATES/w300/PM-Emirates-PM.jpg 1594491 https://d30fl32nd2baj9.cloudfront.net/media/2019/02/18/pm-abudhabi-prince-3.jpg/ALTERNATES/w300/PM-Abudhabi-Prince-3.jpg 1594490 https://d30fl32nd2baj9.cloudfront.net/media/2019/02/18/pm-abudhabi-prince-2.jpg/ALTERNATES/w300/PM-Abudhabi-Prince-2.jpg
2 2 Home world_bn বিশ্ব news-bn 200 1594305 নিউজ ডেস্ক, বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম নিউজ ডেস্ক, বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম Mon, 18 Feb 2019 17:06:50 +0600 Mon, 18 Feb 2019 19:22:45 +0600 লেবার পার্টিতে ভাঙন, ৭ এমপির দলত্যাগ লেবার পার্টিতে ভাঙন, ৭ এমপির দলত্যাগ লেবার পার্টির নেতা জেরেমি করবিনের নেতৃত্বের প্রতি অনাস্থা জানিয়ে দল ত্যাগ করেছেন ব্রিটিশ পার্লামেন্টের সাত সদস্য। লেবার পার্টির নেতা জেরেমি করবিনের নেতৃত্বের প্রতি অনাস্থা জানিয়ে দল ত্যাগ করেছেন ব্রিটিশ পার্লামেন্টের সাত সদস্য। false https://bangla.bdnews24.com/world/article1594305.bdnews false https://d30fl32nd2baj9.cloudfront.net/media/2019/02/18/labour-01.jpg/ALTERNATES/w300/Labour-01.jpg
এই সাত এমপি হলেন- চুকা উমুনা, লুইসিয়ানা বার্জার, ক্রিস লেসলি, অ্যাঞ্জেলা স্মিথ, মাইক গেইপস, গ্যাভিন শুকার এবং আন কফি।

স্থানীয় সময় সোমবার সকালে এক সংবাদ সম্মেলনে পদতদ্যাগের ঘোষণা দিয়ে তারা বলেন, এখন থেকে স্বতন্ত্র এমপিদের নতুন একটি দল হিসেবে তারা পার্লামেন্টে বসবেন।

বিবিসি লিখেছে, ব্রেক্সিট প্রশ্নে করবিনের সঙ্গে একমত নন পদত্যাগী সাত লেবার এমপি। পাশাপাশি দলের বর্তমান নেতৃত্বের প্রতি ইহুদি বিদ্বেষের অভিযোগ এনেছেন তারা।

পদত্যাগের কারণ ব্যাখ্যা করতে গিয়ে লুইসিয়ানা বার্জার বলেন, লেবার পার্টি সাংগঠনিকভাবে ‘ইহুদী বিদ্বেষী’ দলে পরিণত হয়েছে এবং এ দলে থাকতে তিনি ‘লজ্জা পাচ্ছেন’।

আর করবিনের দিকে ইংগিত করে ক্রিস লেসলি বলেছেন, “অতি বামরা লেবার পার্টিকে ছিনতাই করে ফেলেছে।”

তাদের পদত্যাগের সিদ্ধান্তে হতাশা প্রকাশ করে লেবার নেতা করবিন তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় বলেছেন, “দলের যে নীতি ২০১৭ সালের নির্বাচনে লাখো মানুষের মধ্যে প্রেরণা জাগালো, সেই নীতির জন্য কাজ করে যেতে তারা ব্যর্থ হলেন।”

সাত এমপির পদত্যাগের ঘটনায় ৩৮ বছরের মধ্যে প্রথমবার ভাঙনের কবলে পড়ল ব্রিটিশ লেবার পার্টি।

এর আগে ১৯৮১ সালে চারজন লেবার এমপি দলত্যাগ করে ‘চার কুচক্রী’ আখ্যা পেয়েছিলেন। সোশাল ডেমোক্রেটিক পার্টি নামে একটি দল গঠন করেছিলেন তারা, তবে সে দল বেশি দিন টেকেনি।  

২০১৫ সালের নির্বাচনে হারের পর টালমাটাল লেবার পার্টির হাল ধরে দলকে অনেকটাই গুছিয়ে আনতে সক্ষম হন বর্ষিয়ান করবিন। ২০১৭ সালের আগাম নির্বাচনে লেবার পার্টি জয়ী হতে না পারলেও পার্লামেন্টে দলের অবস্থানের খানিকটা উন্নতি হয়। 

তবে করবিনের লেবার পার্টিতে কট্টর বামরা শক্তিশালী হতে থাকায় ডানঘেঁষারা চাপের মুখে আছেন। এ নিয়ে দলে টানাপড়েন চলছে দুই বছর ধরে।

ইহুদি বিদ্বেষের বিরুদ্ধে লেবার পার্টি কঠোর অবস্থান নিতে ব্যর্থ হয়েছে বলেও করবিনের সমালোচনা রয়েছে দলের উদারপন্থিদের মধ্যে।

দলত্যাগী এমপি লুইসিয়ানা বার্জার বলেন, পদত্যাগের এই সিদ্ধান্ত খুবই ‘কঠিন আর বেদনাদায়ক’ হলেও এই মুহূর্তে তা জরুরি হয়ে পড়েছিল।

“আমরা দেশের বিভিন্ন অংশের প্রতিনিধিত্ব করি, আমাদের সবার অতীতও এক রকম নয়। ভিন্ন ভিন্ন প্রজন্মে আমাদের জন্ম হয়েছে। কিন্তু আমরা সবাই একই মূল্যবোধ ধারণ করি।

“আজ থেকে আমরা স্বতন্ত্র এমপিদের একটি নতুন গ্রুপ হিসেবে পার্লামেন্টে বসব।”

সাত এমপি আগামী কয়েক দিনের মধ্যে বৈঠক করে দায়-দায়িত্ব ঠিক করে নেবে বলে জানিয়েছেন ক্রিস লেসলি।

যারা লেবার পার্টি ছেড়েছেন, তাদের মধ্যে চুকা উমুনাকে ভবিষ্যতে দলের নেতৃত্বের অন্যতম সম্ভাবনাময় দাবিদার বিবেচনা করা হত। তিনি বলছেন, নতুন একটি রাজনৈতিক আন্দোলন শুরুর আগে পদত্যাগ হল তাদের প্রথম পদক্ষেপ।

স্বতন্ত্র এমপিদের নতুন যে গ্রুপটি তারা গঠন করেছেন, তাতে অন্যদেরও আমন্ত্রণ জানিয়ে চুকা উমুনা বলেছেন, পুরনো রাজনীতি ত্যাগ করে নতুন ধারা তৈরির এখনই সময়।

]]>
1594291 https://d30fl32nd2baj9.cloudfront.net/media/2019/02/18/labour-01.jpg/ALTERNATES/w300/Labour-01.jpg 1594292 https://d30fl32nd2baj9.cloudfront.net/media/2019/02/18/labour-02.jpg/ALTERNATES/w300/Labour-02.jpg 1594290 https://d30fl32nd2baj9.cloudfront.net/media/2019/02/18/labour-03.jpg/ALTERNATES/w300/Labour-03.jpg
3 2 Home bangladesh_bn বাংলাদেশ news-bn 199 1594473 নিজস্ব প্রতিবেদক, বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম নিজস্ব প্রতিবেদক, বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম Mon, 18 Feb 2019 23:00:23 +0600 Mon, 18 Feb 2019 23:30:31 +0600 ধলেশ্বরী দখলে এমপি তাহজিব সিদ্দিকীর কোম্পানির নাম ধলেশ্বরী দখলে এমপি তাহজিব সিদ্দিকীর কোম্পানির নাম মানিকগঞ্জের সিংগাইরে ধলেশ্বরী নদীর জমি দখলদারদের তালিকায় উঠে এসেছে আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্য তাহজিব আলম সিদ্দিকীর নাম। মানিকগঞ্জের সিংগাইরে ধলেশ্বরী নদীর জমি দখলদারদের তালিকায় উঠে এসেছে আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্য তাহজিব আলম সিদ্দিকীর নাম। false https://bangla.bdnews24.com/bangladesh/article1594473.bdnews false https://d30fl32nd2baj9.cloudfront.net/media/2019/02/18/tahzib.jpg/ALTERNATES/w300/Tahzib.jpg
ধলেশ্বরীর প্রায় সাড়ে ১১ একর জমির উপর ‘মানিকগঞ্জ পাওয়ার জেনারেশনস লিমিটেড’ নামে যে বিদ্যুৎকেন্দ্র গড়ে উঠেছে, তাহজিব তার ব্যবস্থাপনা পরিচালক।

ঝিনাইদহ-২ আসনের সংসদ সদস্য তাহজিব আলম সিদ্দিকী ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি নূরে আলম সিদ্দিকীর ছেলে। দশম সংসদে স্বতন্ত্র সদস্য তাহজিব এবার নৌকা প্রতীক নিয়ে নির্বাচিত হন।

ধলেশ্বরী দললে পেন্টা প্রপার্টিজ লিমিটেড ও জাগরণী চক্র নামে আরও দুইটি প্রতিষ্ঠানসহ মোট ৪৬ ব্যক্তির নাম উঠে এসেছে জাতীয় নদী রক্ষা কমিশন ও স্থানীয় ভূমি অফিসের জরিপে; যা প্রতিবেদন আকারে মানিকগঞ্জ জেলা প্রশাসক ও জাতীয় নদী রক্ষা কমিশন হাই কোর্টে দাখিল করেছে।

বিচারপতি মইনুল ইসলাম চৌধুরী ও বিচারপতি আশরাফুল কামালের হাই কোর্ট বেঞ্চে সোমবার এ প্রতিবেদন দুটি উপস্থাপনের পর শুনানি হয়েছে। 

জেলা প্রশাসকের প্রতিবেদনটি আদালতে উপস্থাপন করেন সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল পূরবী সাহা; তার সঙ্গে ছিলেন পূরবী রানী শর্মা। জাতীয় নদী কমিশনের প্রতিবেদন উপস্থাপন করেন আইনজীবী এমদাদুল হক।

আদালতে রিট আবেদনকারী হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশের (এইচআরপিবি)  পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী মনজিল মোরসেদ। তাহজিব সিদ্দিকীর কোম্পানির পক্ষে শুনানিতে ছিলেন রাশনা ইমাম। 

বিবাদী পক্ষের আবেদনে আগামী ২৫ ফেব্রুয়ারি মামলার পরবর্তী শুনানির দিন রেখেছে আদালত।

জেলা প্রশাসকের দেওয়া প্রতিবেদন অনুযায়ী ধলেশ্বরীর প্রায় চার একর (৩.৬৯) জমি রয়েছে ১৯ জনের দখলে।

তারা হলেন, মানিকগঞ্জের সিংগাইরের ধল্লা ইউনিয়নের কলম মিয়া, আবেদ আলী, সামছুল হক, বছিরন, ইব্রাহীম মিয়া, নোমাজ আলী, ইদ্রিস আলী, আছিয়া খতুন, আনোয়ারা বেগম, আলী আকবর, সাহেদ আলী, সামছুদ্দিন, রফিকুল ইসলাম, আব্দুল আলী, জিন্নত আলী, আব্দুল জলিল, সুন্দর আলী, দেলোয়ার হোসেন ও ঢাকার মোহাম্মদপুরের জিয়াউদ্দিন আহাম্মেদ।

তাহজিবের মালিকানাধীন ‘মানিকগঞ্জ পাওয়ার জেনারেশনস লিমিটেড’র দখলে ১১ দশমিক ৩০ একর জমি রয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।

বিষয়টি নিয়ে কথা বলতে সংসদ সদস্য তাহজিব সিদ্দিকীকে বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের পক্ষ থেকে একাধিকবার ফোন করা হলেও তিনি ধরেননি। এসএমএস পাঠিয়েও সাড়া পাওয়া যায়নি।

জেলা প্রশাসকের দেওয়া প্রতিবেদনে নদীর অবৈধ দখল বন্ধে ধল্লা ইউনিয়ন ভূমি অফিসের গৃহীত পদক্ষেপের বিষয়ে বলা হয়, ধল্লা মৌজার ধলেশ্বরী নদী ও নদী ফরশোর এলাকায় ঢাকা নর্দান পাওয়ার জেনারেশনস লিমিটেড (বর্তমানে মানিকগঞ্জ পাওয়ার জেনারেশনস লিমিটেড) অবৈধ দখলের জন্য বালু ভরাট কাজ আরম্ভ করলে মৌখিকভাবে নিষেধ করা হয়। সে নিষেধ না মানলে গত বছরের ৩ মে প্রকল্পের পরিচালককে কারণ দর্শানোর নোটিস দেওয়া হয়।

জেলা প্রশাসক গত বছরের ২০ জুন জমি ব্যবহারের অনুমতি না দিয়ে অবিলম্বে নদী ও নদীর ফরশোরের জমি পূর্বের অবস্থায় ফিরিয়ে দিতে আদেশ দিয়েছিলেন বিদ্যুৎ কোম্পানিটিকে। তারপরও জমি আগের অবস্থায় ফিরিয়ে না দিলে গত বছরের ২৬ জুন জাতীয় নদী রক্ষা কমিশনের চেয়ারম্যান নির্মাণাধীন প্রকল্পের স্থাপনা সাত দিনের মধ্যে অপসারণ এবং দিয়ারা জরিপ বাতিল করতে জেলা প্রশাসককে নির্দেশ দেন।

সে নির্দেশনা অনুযায়ী অবৈধ স্থাপনা অপসারণের জন্য গত বছরের ৩০ জুলাই সাত দিনের সময় দিয়ে সংশ্লিষ্টদের নোটিস দেন জেলা প্রশাসক। এর দুই দিন পর অর্থাৎ ২ আগস্ট জেলা প্রশাসক দিয়ারা জরিপও বাতিল করে।

এদিকে উচ্ছেদের নোটিস পেয়ে এটি চ্যালেঞ্জ করে মানিকগঞ্জ পাওয়ার জেনারেশন লিমিটেডের প্রকল্প পরিচালক হাই কোর্ট রিট আবেদন করেন। তাতে বাদীর পক্ষে রায় হলে সরকারের পক্ষে আপিলের অনুমতি চেয়ে (লিভ টু আপিল) আবেদন করা হয়।

সেই আপিলের শুনানি নিয়ে আদালত অবৈধ স্থাপনা অপসারণে কোনো আইনগত বাধা নেই বলে আদেশ দিলেও এখনও তা দখলমুক্ত করতে পারেনি জেলা প্রশাসন।

জাতীয় নদী রক্ষা কমিশনের প্রতিবেদনের সুপারিশে বলা হয়েছে, মানিকগঞ্জ পাওয়ার জেনারেশনস লিমিটেডের দখলে থাকা ধলেশ্বরী নদীর সকল জমি প্লাবন ভূমির অন্তর্গত। এই কোম্পানির কেনা জমি রেজিস্ট্রি ও বিএস জরিপভুক্ত করে তা জারি করা আইনের সরাসরি লঙ্ঘন ও গর্হিত কাজ। এছাড়াও প্রাকৃতিক জলাধার সংরক্ষণ আইন, ২০০০ অনুযায়ী শাস্তিযোগ্য অপরাধ।

মানিকগঞ্জের ধলেশ্বরী নদীর জায়গা দখল করে ‘ডরিন পাওয়ারের বিদ্যুৎকেন্দ্র’ শিরোনামে দৈনিক বনিক বার্তায় প্রতিবেদন প্রকাশ হলে তা যুক্ত করে হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশ হাই কোর্টে রিট আবেদনটি করে।

ডরিন পাওয়ারের ব্যবস্থাপনা পরিচালকও তাহজিব সিদ্দিকী। এই প্রতিষ্ঠানের একটি কোম্পানি হল ঢাকা নর্দার্ন পাওয়ার জেনারেশনস বা মানিকগঞ্জ পাওয়ার।

রিট আবেদনের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে গত বছরের ২৩ অক্টোবর হাই কোর্ট রুল জারি করে।

ধলেশ্বরী নদীর অবৈধ দখল উচ্ছেদ, অবৈধ স্থাপনা অপসারণে কেন বিবাদীদের নির্দেশ দেওয়া হবে না এবং একইসঙ্গে ধলেশ্বরী নদী দখল করে ‘ডরিন পাওয়ার’র বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনে বিবাদীদের নিষ্ক্রিয়তা কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চাওয়া হয় রুলে।

তখনই ধলেশ্বরীর সীমানা নিরূপন ও অবৈধ দখল চিহ্নিত করে ৬০ দিনের মধ্যে জাতীয় নদী রক্ষা কমিশন ও মানিকগঞ্জ জেলা প্রশাসককে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়।

ওই প্রতিবেদনেই উঠে এসেছে দখলদারদের এ তালিকা ও চিত্র।

আইনজীবী মনজিল মোরসেদ বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “জাতীয় নদী রক্ষা কমিশনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পাওয়ার প্লান্ট কর্তৃপক্ষ দাবি করছিল, বিএস রেকর্ড আছে। সে ব্যাপারে কমিশন অনুসন্ধান করে দেখেছে যে, সিএস, আরএসে নদীর জায়গা। যেহেতু এটা চর ছিল, তাই জেলা প্রশাসন ভূমিহীন কৃষকদের শুধুমাত্র চাষাবাদের জন্য লিজ দিয়েছিল। সেখানে শর্তই ছিল যে, এই জমি হস্তান্তর করা যাবে না। এখানে অন্য কোনো কিছু করা যাবে না।

“কিন্তু পাওয়ার প্লান্ট কর্তৃপক্ষ ওইসব ভূমিহীন কৃষকদের ভয়ভীতি দেখিয়ে, জোর করে সে জমি দলিল করে নিয়েছে। সেই দলিলবলে তারা মালিক হয়ে এখানে একটা দিয়ারা জরিপের জন্য আবেদন করে।

“দিয়ারা জরিপ যখন শুরু হয় তখন জেলা প্রশাসকের পক্ষ থেকে বলা হয়েছিল, এটা নদীর জায়গা, ব্যক্তির নামে জরিপ হবে না। এই কথা বলার পরও জরিপ অধিদপ্তর তড়িঘড়ি করে রেকর্ড করে ব্যক্তির নামে দিয়ে দেয়।”

২০১৭ সালে ‘দ্রুত বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সরবরাহ বিশেষ আইনে’ ডরিন পাওয়ারকে ফার্নেস অয়েলভিত্তিক এ বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণের অনুমোদন দেয় বিদ্যুৎ বিভাগ।

]]>
4 2 Home ctg চট্টগ্রাম news-bn 10023 1594362 মিঠুন চৌধুরী, চট্টগ্রাম ব্যুরো বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম মিঠুন চৌধুরী, চট্টগ্রাম ব্যুরো বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম Mon, 18 Feb 2019 18:46:30 +0600 Mon, 18 Feb 2019 18:48:57 +0600 জীবন সায়াহ্নে ইউনুছের চাওয়া শুধু ‘মুক্তিযোদ্ধা’ স্বীকৃতি জীবন সায়াহ্নে ইউনুছের চাওয়া শুধু ‘মুক্তিযোদ্ধা’ স্বীকৃতি বয়স ও জীবনযুদ্ধে ন্যুব্জ মুক্তিযোদ্ধা ইউনুছ আলীর এখন একটাই চাওয়া মুক্তিযোদ্ধার সরকারি তালিকায় নিজের নাম দেখা। বয়স ও জীবনযুদ্ধে ন্যুব্জ মুক্তিযোদ্ধা ইউনুছ আলীর এখন একটাই চাওয়া মুক্তিযোদ্ধার সরকারি তালিকায় নিজের নাম দেখা। false https://bangla.bdnews24.com/ctg/article1594362.bdnews false https://d30fl32nd2baj9.cloudfront.net/media/2019/02/18/freedom-fighter-yunus-ali-8.jpg/ALTERNATES/w300/Freedom-Fighter-Yunus-Ali-8.jpg
যুদ্ধ শেষে অস্ত্র জমা দেওয়ার পর বরিশালের বাবুগঞ্জ থানার পশ্চিম ভূতের দিয়া গ্রামের বাসিন্দা ইউনুছ নদী ভাঙনে ঘর হারিয়ে গ্রাম ছেড়েছিলেন।

এরপর চট্টগ্রামে এসে লবণ শ্রমিক, কারখানার শ্রমিক, দিনমজুর, রাজমিস্ত্রি, ওয়ার্ড বয় হিসেবে কাজ করার পর এখন নিরাপত্তাকর্মী।

আশায় ছিলেন এইসব পরিচয় ছাপিয়ে মিলবে মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে সরকারি স্বীকৃতি।

জেলা পর্যায়ে যাচাই-বাছাই শুরু হলে বরিশাল গিয়ে বাছাই কমিটির কাছে সাক্ষাৎকারও দেন তিনি। কিন্তু সর্বশেষ গেজেটেও তার নাম আসেনি বলে জানান ইউনুছ। 

চট্টগ্রাম এমএ আজিজ স্টেডিয়ামের জিমনেশিয়ামে চলমান একুশে বইমেলায় বাংলাদেশের মুক্তি সংগ্রাম ও মুক্তিযুদ্ধের গবেষণা কেন্দ্র চট্টগ্রাম’র স্টলে এই মুক্তিযোদ্ধার সঙ্গে বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের কথা হয়।

স্বাধীনতা যুদ্ধের স্মৃতিচারণ করে ইউনুছ আলী বলেন, “আমি বরিশাল, নাইন সেক্টরের (৯ নম্বর সেক্টর) একজন মুক্তিযোদ্ধা। কমান্ডার নুর হোসেনের সাথে যুদ্ধ করছি। যুদ্ধের পরে আর্মস জমা দিছি প্রতাবপুর মিলিশিয়া ক্যাম্পে।

“আমরা তিনটা করে অস্ত্র দিই। দুই কাঁধে দুইটা, হাতে একটা। কারণ আমাদের লোকসংখ্যা যত ছিল, তার তিন গুণ অস্ত্র ছিল। আমরা অপারেশন করি, পাকিস্তান হানাদার বাহিনীরে সারেন্ডার করাইয়া বিপুল পরিমাণ অস্ত্র সংগ্রহ করছি।”

অস্ত্র সমর্পণের তালিকায় নিজের নাম আর জমা দেওয়া অস্ত্রের নম্বরের তালিকাটাও দেখান বর্ষীয়ান ইউনুছ আলী। এসময় তার চোখ ছলছল করে ওঠে।

হুজ্জাৎ আলী খন্দকারের চার ছেলের মধ্যে তৃতীয় ইউনুছ ১৯৭১ সালে ভূতের দিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির ছাত্র ছিলেন, বয়স তখন ২০।

১৯৭১ সালের ৫ মে তিনি চলে যান বাবুগঞ্জ থানার আগরপুর ক্যাম্পে। সেখানেই সাড়ে তিন মাস প্রশিক্ষণ নেন। মুক্তিযোদ্ধা নুর হোসেন নুরু ছিলেন তার কোম্পানি কমান্ডার।

বরিশালের জছশ্রী এলাকায় প্রথম সম্মুখ সমরে অংশ নেন ইউনুছ, যুদ্ধ করেন বামরাইলেও।

ইউনুছ বলেন, “গোরকাঠীর চর অপারেশন করি ৮ই ডিসেম্বরে। ১১ ডিসেম্বর উজিরপুর থানায় অপারেশন করি। পাঞ্জাবিরা আত্মসমর্পণ করে।

“যুদ্ধের সময় রাজাকারও মারছি। এখন কী আর সব বলা যায়?”

স্মৃতিকাতর হয়ে ইউনুছ বলে চলেন, “এরপরও ক্যাম্পে ছিলাম। আর্মির বড় ভাইরা ট্রেনিং করাইত। পরে বলল, তোমরা যে যে কাজে ছিলা সেখানে চলি যাও। পরে লাগলে আবার ডাকিবে।

“ওসমানী সাহেবের একটা সার্টিফিকেট দিল, কিছু টাকা দিল। এগুলি নিয়া আমরা বাড়িতে চলি আসি।”

জীবন সংগ্রামের বর্ণনা দিয়ে তিনি বলেন, “নদী ভাঙনে বাড়িঘর সব নিয়ে যায়। বাবার আর্থিক অবস্থা খুবই খারাপ। নিজে বাঁচার জন্য চট্টগ্রামে চলি আসি। চট্টগ্রামে আসার পরে কোনো কাজকর্ম না পেয়ে ডেইলি লেবার হিসেবে বিভিন্ন জায়গায় কাজ করি।

“মাঝিরঘাটে দীর্ঘদিন লবণের মিলে কাজ করি। এরপর কালুরঘাট পেপসি কোম্পানিতে দৈনিক ভিত্তিতে কাজ করতাম। খুব পরিশ্রমের কাজ। তাই চকবাজার দৈনিক লেবারি কাজ শুরু করলাম। কন্সট্রাকশনের কাজ করি দীর্ঘদিন। হেল্পার থেকে মিস্ত্রি হয়ে গেলাম।”

এরপর ১৯৯৫ সালে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ডেন্টাল বিভাগে অস্থায়ী কর্মীর কাজ নেন ইউনুছ। গত চার বছর ধরে আছেন মেডিকেল কলেজের কান্তা ছাত্রী নিবাসে (ছাত্রী হল) নিরাপত্তাকর্মী হিসেবে।

ইউনুছ আলী বলেন, “২০১১ সালে কুমিল্লার এক বন্ধু, সেও মুক্তিযোদ্ধা। সে বলল- মুক্তিযোদ্ধার বহুত কিছু হয়। তুই যখন জেনুইন মুক্তিযোদ্ধা, তুই দ্যাশে (গ্রামের বাড়িতে) তাড়াতাড়ি চলি যা। দ্যাশে ছাড়া হবে না। যেভাবে করি হোক তালিকার ভিতর নামটা দিয়া আস।

“খোঁজ নিলাম, নুর হোসেন কমান্ডার এখনও জীবিত আছে। টেলিফোন নম্বর নিয়ে নুরু (নুর হোসেন) ভাইকে ফোন করলাম। নুরু ভাই বলল- ‘হায়রে ইউনুছ তুই আইজো বাঁইচা আছো? আমি তো জানি যে তুই মারা গেছো। এজন্য গেজেটে তোর কোনো নাম দেওয়া হয় নাই’।”

কমান্ডার নুর হোসেনের পরামর্শে ঢাকায় মুক্তিযোদ্ধা সংসদের কার্যালয়ে গিয়ে লিখিত আবেদন করেন ইউনুছ। 

এরপর চট্টগ্রামে এলে দেখা করেন মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কেন্দ্রীয় কমান্ড কাউন্সিলের চেয়ারম্যান অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল হেলাল মোর্শেদ খান বীর বিক্রমের সঙ্গে। তিনি মুক্তিযোদ্ধার তালিকায় নাম অন্তর্ভুক্ত করার আশ্বাস দেন বলে ইউনুছ জানান।

বরিশালের বাবুগঞ্জ থানার আগরপুর ক্যাম্পে ইউনুছের মুক্তিযুদ্ধকালীন কমান্ডার নুর হোসেন বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “যুদ্ধের সময় প্রায় আট মাস সে আমার সাথে ছিল। ইউনুছ খুব সাহসী যোদ্ধা ছিল।

“চট্টগ্রামে থাকার কারণে তালিকায় তার নাম ওঠেনি। পরে আমরা চেষ্টা করেছি, কিন্তু এখনও গেজেটে নাম ওঠেনি।”

ইউনুছ ‘খুব ভালো ছেলে’ উল্লেখ করে নুর হোসেন বলেন,  “আপনারা একটু দেখেন, যদি তার নামটা ওঠানো যায়।”

মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কেদারপুর ইউনিয়ন কমান্ডের আহ্বায়ক মো. আবদুর রহিম বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “ইউনুছ আলী ছিলেন সাহসী যোদ্ধা। অনলাইনে আবেদনও করেছিলেন। বাছাই কমিটিতেও সাক্ষাৎকার দিতে আসেন।

“কিন্তু বাছাই কমিটিতে কী হল, এই ভালো যোদ্ধার মতো অনেকে বাদ পড়ে গেল। ইউনুছ আপিল করেছেন। আমরা চেষ্টা করবো তার নাম যেন তালিকাভুক্ত হয়।”

বাংলাদেশের মুক্তি সংগ্রাম ও মুক্তিযুদ্ধের গবেষণা কেন্দ্র চট্টগ্রামের চেয়ারম্যান মুক্তিযোদ্ধা ডা. মাহফুজুর রহমান বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন,  “মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উচিত আমলাতান্ত্রিক জটিলতার ঊর্ধ্বে উঠে বিশেষ কমিটির মাধ্যমে দ্রুত তদন্ত করে এ ধরনের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া।”

চট্টগ্রামেও এমন তিনশ মুক্তিযোদ্ধা আছেন, যাদের নাম তালিকায় নেই বলে জানান এই মুক্তিযুদ্ধ গবেষক।

মুক্তিযুদ্ধের সময় ২০ বছরের তরুণ ইউনুছ এখন প্রায় ৬৮ বছরের পৌঢ়। জীবনের শেষ প্রান্তে দাঁড়িয়ে তিন মেয়ের জনক ইউনুছ আলী বলেন,  “বয়স হয়ে গেছে। এখন দারোয়ানের কাজ করি। তিন মেয়ের মধ্যে বড় জনের বিয়ে হয়েছে। ছোট দুইজন প্রবর্তক স্কুলে পড়ে। ভর্তির টাকাটাও নিজের কাছে ছিল না। ডাক্তার স্যাররা তুলে দিয়েছে।

“মেডিকেলে অনেকে আমারে মুক্তিযোদ্ধা কইয়া ডাকে। আমি তো যুদ্ধ করছি। কিন্তু তালিকায় নাম নাই।” “যদি আমি সত্যিকারের মুক্তিযোদ্ধা হই, আমার নামটা যেন গেজেটভুক্ত করেন,” প্রধানমন্ত্রীর উদ্দেশে আবেদন জানান ইউনুছ।

]]>
1594361 https://d30fl32nd2baj9.cloudfront.net/media/2019/02/18/freedom-fighter-yunus-ali-8.jpg/ALTERNATES/w300/Freedom-Fighter-Yunus-Ali-8.jpg 1594360 https://d30fl32nd2baj9.cloudfront.net/media/2019/02/18/freedom-fighter-yunus-ali-7.jpg/ALTERNATES/w300/Freedom-Fighter-Yunus-Ali-7.jpg 1594359 https://d30fl32nd2baj9.cloudfront.net/media/2019/02/18/freedom-fighter-yunus-ali-6.jpg/ALTERNATES/w300/Freedom-Fighter-Yunus-Ali-6.jpg 1594358 https://d30fl32nd2baj9.cloudfront.net/media/2019/02/18/freedom-fighter-yunus-ali-4.jpg/ALTERNATES/w300/Freedom-Fighter-Yunus-Ali-4.jpg 1594357 https://d30fl32nd2baj9.cloudfront.net/media/2019/02/18/freedom-fighter-yunus-ali-1.jpg/ALTERNATES/w300/Freedom-Fighter-Yunus-Ali-1.jpg
5 2 Home samagrabangladesh সমগ্র বাংলাদেশ news-district 9945 1594488 বরিশাল প্রতিনিধি, বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম বরিশাল প্রতিনিধি, বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম Mon, 18 Feb 2019 23:53:13 +0600 Tue, 19 Feb 2019 00:16:12 +0600 বরিশালে মেডিকেল ল্যাবের মানবভ্রূণ ময়লার স্তূপে বরিশালে মেডিকেল ল্যাবের মানবভ্রূণ ময়লার স্তূপে বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ময়লার স্তূপে ২২টি মানব ভ্রূণ পাওয়া গেছে। বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ময়লার স্তূপে ২২টি মানব ভ্রূণ পাওয়া গেছে। false https://bangla.bdnews24.com/samagrabangladesh/article1594488.bdnews false https://d30fl32nd2baj9.cloudfront.net/media/2019/02/18/barishal-fetus.jpg/ALTERNATES/w300/barishal-fetus.jpg
সোমবার রাত ৯টার দিকে বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের পরিচ্ছন্নতা কর্মীরা একসঙ্গে এই ভ্রূণগুলো উদ্ধার করেন।

ভ্রুণগুলো মেডিকেল শিক্ষার্থীদের শিক্ষা উপকরণ হিসেবে ব্যবহার হত বলে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের দাবি।

বরিশাল সিটি করপোরেশনের পরিচ্ছন্নতাকর্মী মিরাজ হোসেন জানান, রাতে পরিচ্ছন্নতাকর্মীরা হাসপাতালের পশ্চিমে প্রধান পানির ট্যাংকের পাশে থাকা ডাস্টবিনের ময়লা অপসারণ করার সময় ময়লার স্তূপের ভেতর প্লাস্টিকের বালতিতে ভ্রূণগুলো দেখতে পান। পরে তারা বিষয়টি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে জানান।

নাম প্রকাশ না করে হাসপাতালের চিকিৎসকরা জানান, হাসপাতালের গাইনি বিভাগে অনেক মায়ের অপরিণত বাচ্চা হয়। অনেক সময় পরিবারের লোকেরা এসব ভ্রূণ নিয়ে যান; আবার অনেকে হাসপাতালে ফেলে যান। যেসব ভ্রূণ ফেলে যাওয়া হয় সেগুলো দিয়ে মেডিকেল কলেজের শিক্ষার্থীদের ক্লাস নেওয়া হয়। পরে তা কলেজ ও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের নির্দেশে মাটিচাপা দেওয়া হয়।

ভ্রূণগুলোর অধিকাংশের হাত-পা-মাথা রয়েছে।

বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পরিচালক বাকির হোসেন বলেন, “উদ্ধার হওয়া ভ্রুণগুলো ২৫ বছর আগের পুরনো। ফরমালিন দিয়ে সংরক্ষিত ভ্রুণগুলো গাইনি বিভাগের শিক্ষার্থীদের শিক্ষা উপকরণ হিসেবে ব্যবহার হয়ে আসছিল।

বর্তমানে এগুলো নষ্ট হয়ে যাওয়ায় কোনো কাজে আসছে না; তাই এগুলোকে ব্যবহার অনুপোযোগী ঘোষণা করা হয়েছে বলে বাকির হোসেন জানান।

তিনি বলেন, “বাতিল হিসেবে গণ্য ভ্রুণগুলো মাটিচাপা দেওয়ার কথা ছিল; কিন্তু এগুলো কেন ময়লার ভাগাড়ে ফেলা হলো তা গাইনি বিভাগ সংশ্লিষ্টরা ভালো জানেন।”

এ ঘটনা তদন্তে কমিটি গঠন করা হবে বলে জানান পরিচালক বাকির হোসেন।

এদিকে, ভ্রুণগুলো সুরাতহাল করে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানিয়েছেন বরিশাল কোতোয়ালি থানার ওসি নূরুল ইসলাম।

]]>
1594487 https://d30fl32nd2baj9.cloudfront.net/media/2019/02/18/barishal-fetus.jpg/ALTERNATES/w300/barishal-fetus.jpg
6 2 Home samagrabangladesh সমগ্র বাংলাদেশ news-district 9945 1594501 নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি, বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি, বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম Tue, 19 Feb 2019 00:25:38 +0600 Tue, 19 Feb 2019 00:42:47 +0600 নারায়ণগঞ্জে ৩ নারীকে ‘যৌনকর্মী’ আখ্যা দিয়ে বেঁধে নির্যাতন নারায়ণগঞ্জে ৩ নারীকে ‘যৌনকর্মী’ আখ্যা দিয়ে বেঁধে নির্যাতন ‘পাওনা টাকা চাওয়ার জেরে’ নারায়ণগঞ্জের বন্দরে তিন নারীকে ‘যৌনকর্মী’ আখ্যা দিয়ে গাছে বেঁধে নির্যাতনের অভিযোগ পাওয়া গেছে। ‘পাওনা টাকা চাওয়ার জেরে’ নারায়ণগঞ্জের বন্দরে তিন নারীকে ‘যৌনকর্মী’ আখ্যা দিয়ে গাছে বেঁধে নির্যাতনের অভিযোগ পাওয়া গেছে। false https://bangla.bdnews24.com/samagrabangladesh/article1594501.bdnews false https://d30fl32nd2baj9.cloudfront.net/bangla-media/2017/08/05/rape-victim.jpg/ALTERNATES/w300/rape-victim.jpg
গত শনিবার উপজেলার কলাবাগ এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

সোমবার মানবাধিকার কমিশনের তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি ঘটনাস্থলে আসে। পরে বন্দর থানা পুলিশ মামলা গ্রহণ করে।

ঘটনার তিন দিন পর পুলিশ ইউসুফ মেম্বার নামের একজনকে গ্রেপ্তার করেছে।

নির্যাতিতাদের একজন সাংবাদিকদের বলেন, দীর্ঘদিন ধরে তিনি সুদের টাকা দিয়ে সংসারের খরচ চালিয়ে আসছেন। গত কয়েক মাস আগে স্থানীয় বাসিন্দা জীবন ও উম্মে হানীকে তিনি দুই দফায় এক লাখ সাইত্রিশ হাজার টাকা ধার নেন।

“সম্প্রতি পাওনা টাকা ফেরত চাওয়ায় তাদের মধ্যে বিরোধ হয়। বিষয়টি স্থানীয় ইউপি সদস্য ইউসুফকে জানিয়ে তার কাছে সহযোগিতা চাইলে উল্টো তাকে তিনি শাসিয়ে দেন।”

তিনি বলেন, “গত শনিবার (১৬ ফ্রেবুয়ারি) বিকালে জীবন ও তার লোকজন আমার বাড়ি গিয়ে ফাতেমাসহ তার দুই আত্মীয়াকে যৌনকর্মী আখ্যা দিয়ে প্রায় দুই ঘণ্টা গাছের সঙ্গে বেঁধে রেখে লোহার রড ও লাঠি দিয়ে পেটায়।”

এ সময় তিন নারীর চুল কেটে দেওয়া হয়; এক পর্যায়ে তাদের গায়ের কাপড় খুলে নেওয়ারও চেষ্টা করা হয় এবং তার বাড়িতে লুটপাট ও ভাঙচুর চালানো হয় বলে তিনি জানান।

নির্যাতিতা নারী আরও বলেন, “আমাদের মারধর করে গাছের সাথে বেঁধে রাখার পর তারা আমাদের নানাভাবে ভয়ভীতি দেখায়।

“খবর পেয়ে পুলিশ গেলেও কোনো আসামিকে গ্রেপ্তার করেনি। থানায় গেলে পুলিশ মামলা নেয়নি। উল্টো পুলিশ বলে, ইউসুফ মেম্বারের কথা ছাড়া থানায় মামলা হবে না।”

বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে জানতে পেরে জাতীয় মানবাধিকার কমিশন থেকে গঠিত তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি সোমবার দুপুরে নারায়ণগঞ্জে আসে। কমিটির সদস্যরা নির্যাতিতা তিন নারীর জবানবন্দি গ্রহণ করেন এবং পুলিশ প্রশাসনের সঙ্গে কথা বলেন।

কমিটির সদস্যরা কমিশনের চেয়ারম্যান কাজী রিয়াজুল হকের কাছে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলসহ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে সরকারকে সুপারিশ করবেন বলে জানান।

জাতীয় মানবাধিকার কমিশন পরিচালক জেলা ও দায়রা জজ আল মাহমুদ ফায়জুল কবীর বলেন, তিনজন নারীকে ‘মধ্যযুগীয় কায়দায়’ নির্যাতন করা হয়েছে।

“বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় পুলিশ প্রশাসনের সাথে আমরা কথা বলেছি। তারা আমাদের আশ্বস্ত করেছেন অপরাধীদের আইনের আওতায় এনে নায় বিচার করা হবে।” 

তবে পুলিশ নিজে উদ্যোগী হয়েও মামলা করে আসামিদের গ্রেপ্তার করতে পারত বলে তিনি মন্তব্য করেন। 

তদন্ত কমিটির সদস্যরা হলেন জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের অভিযোগ ও তদন্ত বিভাগের পরিচালক নারায়ণগঞ্জ জেলা ও দায়রা জজ আল মাহমুদ ফায়জুল কবীর, কমিশনের উপ-পরিচালক গাজী সালাহ উদ্দিন এবং সদস্য বাঞ্চিতা চাকমা।

এ ব্যাপারে জেলা পুলিশ সুপার হারুন অর রশীদ বলেন, “বিষটি জানার সাথে সাথে বন্দর থানার ওসিকে ব্যবস্থা নিদেশ দেওয়া হয়েছে। শুনেছি এই ঘটনার সাথে স্থানীয় ইউপি মেম্বার ইউসুফ হোসেন নামে একজন জড়িত রয়েছে। ওই ইউসুফ মেম্বারকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অন্য যারা জড়িত তাদেরকে আইনের আওতায় এনে শাস্ত নিশ্চিত করা হবে। নির্যাতিতা নারীদের পক্ষ থেকে মামলা গ্রহণ করা হয়েছে।”

বন্দর থানার ওসি রফিকুল ইসলাম বলেন, এ ঘটনায় নির্যার্তিতা এক নারী বাদী হয়ে  নয়জনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাত আরও ১৫ থেকে ২০ জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেছেন। আসামিদের ধরতে পুলিশের কয়েকটি টিম কাজ করছে। 

]]>
1374856 https://d30fl32nd2baj9.cloudfront.net/bangla-media/2017/08/05/rape-victim.jpg/ALTERNATES/w300/rape-victim.jpg
7 2 Home bangladesh_bn বাংলাদেশ news-bn 199 1594340 নিজস্ব প্রতিবেদক, বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম নিজস্ব প্রতিবেদক, বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম Mon, 18 Feb 2019 18:10:54 +0600 Mon, 18 Feb 2019 18:40:53 +0600 গণমাধ্যম যেন মালিকের স্বার্থে ব্যবহার না হয়: রাষ্ট্রপতি গণমাধ্যম যেন মালিকের স্বার্থে ব্যবহার না হয়: রাষ্ট্রপতি বিভিন্ন ব্যবসায়ী গোষ্ঠীর মালিকানায় থাকা গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠানগুলোকে যাতে মালিকের স্বার্থে ব্যবহার করা না হয়, তা নিশ্চিত করতে বলেছেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ। বিভিন্ন ব্যবসায়ী গোষ্ঠীর মালিকানায় থাকা গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠানগুলোকে যাতে মালিকের স্বার্থে ব্যবহার করা না হয়, তা নিশ্চিত করতে বলেছেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ। false https://bangla.bdnews24.com/bangladesh/article1594340.bdnews false https://d30fl32nd2baj9.cloudfront.net/media/2019/02/18/president-press-council-01.jpg/ALTERNATES/w300/President-Press-council-01.jpg
তিনি বলেছেন, “দেশের বড় বড় ব্যবসায়ী গ্রুপ এখন অনেক গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠানের মালিক। এটা নিঃসন্দেহে গণমাধ্যমের বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে। বেসরকারি খাতের এ উদ্যোগকে আমি স্বাগত জানাই। তবে একইসাথে এটাও মনে রাখতে হবে, এসব গণমাধ্যম যাতে ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের স্বার্থে ব্যবহৃত না হয়।”

সোমবার রাজধানীর একটি হোটেলে বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিল পদক প্রদান অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতির এ বক্তব্য আসে।

তিনি বলেন, “জাতীয় স্বার্থকে প্রাধান্য দিয়ে বস্তুনিষ্ঠ ও নিরপেক্ষ সংবাদ প্রচারের পাশাপাশি বাঙালি সংস্কৃতি ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বিকাশে যাতে এসব প্রতিষ্ঠান কাজ করে, তাও নিশ্চিত করতে হবে। এক্ষেত্রে প্রেস কাউন্সিলকে ‘ওয়াচডগ’ এর ভূমিকা পালন করতে হবে।”

গণমাধ্যমকে ‘নিয়ম মেনে’ প্রতিযোগিতা করার আহ্বান জানিয়ে আবদুল হামিদ বলেন, “গণমাধ্যমের বিকাশের ফলে এ খাতে প্রতিযোগিতাও বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই প্রতিযোগিতা করেই গণমাধ্যকে এগিয়ে যেতে হবে। তবে এসব ক্ষেত্রে সাংবাদিকতার নিয়মনীতি মেনে এবং জাতীয় স্বার্থকে অগ্রাধিকার দিয়ে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।”

রাষ্ট্রপতি বলেন, গণমাধ্যম, গণতন্ত্র ও উন্নয়ন একে অপরের পরিপূরক। একটি ছাড়া অন্যটি অচল। গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে পারে সংবাদমাধ্যম। তবে তা হতে হবে নিয়মনীতি ও শৃঙ্খলার মাধ্যমে। মিথ্যা, উসকানিমূলক বা ‘হলুদ’ সাংবাদিকতা কখনোই গণতন্ত্রের বন্ধু হতে পারে না।

মুদ্রিত সংবাদপত্রে মত অন্যান্য গণমাধ্যমের জন্যও নীতিমাল করতে প্রেস কাউন্সিলকে তাগিদ দেন রাষ্ট্রপতি।

তিনি বলেন, “বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিল সাংবাদিকদের জন্য, বিশেষ করে সংবাদপত্র ও সংবাদপত্রে কর্মরত সাংবাদিকদের জন্য যে নীতিমালা ও আচরণবিধি প্রণয়ন করেছে, তা দেশে হলুদ সাংবাদিকতা প্রতিরোধে সহায়ক হয়েছে বলে আমি মনে করি। অন্যান্য গণমাধ্যমের ক্ষেত্রেও এই নীতিমালা ও আচরণবিধির  প্রযোজ্যতা বিবেচনা করতে হবে।”

নবীন সাংবাদিকদের সৎ ও নিরপেক্ষ থাকার আহ্বান জানিয়ে রাষ্ট্রপতি বলেন, “সাংবাদিকতায় এখন তরুণ শক্তি যুক্ত হচ্ছে। প্রতিবছর দেশের বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি  বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় উচ্চ শিক্ষিত ছেলেমেয়ে সাংবাদিকতাকে পেশা হিসেবে বেছে নিচ্ছে। গণমাধ্যমে তাদের সম্পৃক্ততা এ পেশার মর্যাদা ও বিকাশকে আরো এগিয়ে নেবে বলে আমার দৃঢ় বিশ্বাস।

“তথ্যপ্রযুক্তির জ্ঞানে সমৃদ্ধ এসব নবীন সাংবাদিকের প্রতি আমার আহ্বান, আপনারা মেধা ও দক্ষতার পাশাপাশি সততা ও নিরপেক্ষতাকে হাতিয়ার হিসেবে কাজে লাগাবেন এবং প্রিয় মাতৃভূমির স্বার্থকে সর্বাগ্রে অগ্রাধিকার দেবেন। হবেন জঙ্গিবাদমুক্ত, সন্ত্রাসমুক্ত, অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশের মডেল। আপনাদের হাতে এখন বাংলাদেশের উন্নয়নের চাবিকাঠি।”

প্রেস কাউন্সিলের এ অনুষ্ঠানে সাংবাদিক গোলাম সারওয়ারকে আজীবন সম্মাননা (মরণোত্তর) দেওয়া হয়। গোলাম সারওয়ারের পক্ষে তার জামাতা সম্মাননা পদক নেন।

এছাড়া প্রাতিষ্ঠানিক সম্মাননা ক্যাটাগরিতে দৈনিক ইত্তেফাক, আঞ্চলিক প্রতিষ্ঠান ক্যাটাগরিতে চট্টগ্রামের দৈনিক আজাদী, গ্রামীণ সাংবাদিকতা ক্যাটাগরিতে বগুড়া থেকে প্রকাশিত দৈনিক মুক্তবার্তার সহকারী সম্পাদক মো. মুরশিদ আলম, উন্নয়ন সাংবাদিকতা ক্যাটাগরিতে ফিনানশিয়াল এক্সপ্রেসের বিশেষ প্রতিনিধি মো. জসীম উদ্দিন, নারী সাংবাদিকতা ক্যাটাগরিতে মাদারীপুর থেকে প্রকাশিত দৈনিক সুবর্ণগ্রাম পত্রিকার বার্তা সম্পাদক আয়শা সিদ্দিকা (আকাশী), আলোকচিত্র সাংবাদিকতা ক্যাটাগরিতে নিউ এইজের ফটো সাংবাদিক সনি রামানীকে প্রেস কাউন্সিল পদক দেওয়া হয়।

বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিলের চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. মমতাজ উদ্দিন আহমেদের সভাপতিত্বে অন্যদের মধ্যে তথ্যমন্ত্রী হাছান মাহমুদ, তথ্য মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটির সভাপতি হাসানুল হক ইনু, তথ্য সচিব আবদুল মালেক, প্রেস কাউন্সিলের সদস্য বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের সাবেক সভাপতি মনজুরুল আহসান বুলবুল অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন।

]]>
1594354 https://d30fl32nd2baj9.cloudfront.net/media/2019/02/18/president-press-council-01.jpg/ALTERNATES/w300/President-Press-council-01.jpg 1594353 https://d30fl32nd2baj9.cloudfront.net/media/2019/02/18/president-press-council-02.jpg/ALTERNATES/w300/President-Press-council-02.jpg
8 2 Home campus_bn ক্যাম্পাস news-bn 317 1594481 জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি, বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি, বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম Mon, 18 Feb 2019 23:30:25 +0600 Mon, 18 Feb 2019 23:30:25 +0600 জগন্নাথে ছাত্রলীগের সংঘাত, সাংবাদিকরাও আহত জগন্নাথে ছাত্রলীগের সংঘাত, সাংবাদিকরাও আহত জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের স্থগিত কমিটির নেতা ও তাদের অনুসারীদের সঙ্গে সংগঠনটির অন্য অংশের সংঘর্ষে বেশ কয়েকজন সাংবাদিকও আহত হয়েছেন। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের স্থগিত কমিটির নেতা ও তাদের অনুসারীদের সঙ্গে সংগঠনটির অন্য অংশের সংঘর্ষে বেশ কয়েকজন সাংবাদিকও আহত হয়েছেন। false https://bangla.bdnews24.com/campus/article1594481.bdnews false https://d30fl32nd2baj9.cloudfront.net/media/2019/02/18/jnu-clash.jpg/ALTERNATES/w300/Jnu-Clash.jpg
সোমবার দুপুরে এই সংঘর্ষের সময় গুলিবর্ষণ ও হাতবোমার বিস্ফোরণও ঘটে বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন।

গত ৩ ফেব্রুয়ারি জগন্নাথ ছাত্রলীগের দুই পক্ষের সংঘর্ষের ঘটনায় কমিটির সব কার্যক্রম স্থগিত করে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ।

এরপর স্থগিত কমিটির সভাপতি তরিকুল ইসলাম ও সাধারণ সম্পাদক শেখ জয়নুল আবেদীন রাসেল ক্যাম্পাস এড়িয়ে চললেও নতুন কমিটির দাবিতে বিক্ষোভ চালাচ্ছিল।

এর মধ্যে বুধবার তরিকুল ও রাসেল ক্যাম্পাসে গেলে তাদের অবরুদ্ধ করে ফেলে নতুন কমিটি প্রত্যাশীরা।

তা নিয়ে উত্তেজনা চলার মধ্যে সোমবার দুপুর ১২টার দিকে স্থগিত কমিটির পক্ষের নেতা-কর্মীরা সশস্ত্র অবস্থায় ক্যাম্পাসে গেলে দুই পক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া শুরু হয় বলে শিক্ষার্থীরা জানায়। দুই পক্ষের মধ্যে ইট ছোড়াছুড়ি চলে।

নতুন কমিটি প্রত্যাশীদের অভিযোগ, অন্য পক্ষ রামদা, চাপাতি, চাইনিজ কুড়াল, হাতুড়ি, পিস্তল নিয়ে তাদের উপর হামলা চালায়।

ঘণ্টাখানেক ধাওয়া-পাল্টাধাওয়ার পর সাড়ে ৩টার দিকে তরিকুল-রাসেলের অনুসারীরা বিশ্ববিদ্যালয় ফটকে অবস্থান নেয়। তখনই কয়েক রাউন্ড গুলির আওয়াজ ও কয়েকটি হাতবোমা বিস্ফোরণের শব্দ পাওয়া যায়।

সংঘর্ষের সময় তথ্য সংগ্রহকালে রামদা দিয়ে মাথায় আঘাত করা হয় দৈনিক সংবাদের সাংবাদিক রাকিবুল ইসলামের মাথায়। এছাড়াও হামলার শিকার হন দৈনিক সমকালের লতিফুল ইসলাম, বিডি২৪ রিপোর্ট ডটকমের সানাউল্লাহ ফাহাদ, জয়নুল আবেদীনসহ সাতজন সাংবাদিক।

হামলায় আরও আহত হন ছাত্রলীগের স্থগিত কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক নুরুল আফসার, সাবেক সহ সম্পাদক টুটুল, যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক কাউসার, সাদেক, এমরান, হাসান মোট ৩০ জন।

দুই পক্ষের মুখোমুখি অবস্থানে ক্যাম্পাসে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর নূর মোহাম্মদকে একাধিক বার ফোন দেওয়া হলেও তার ফোন বন্ধ পাওয়া যায়।

স্থগিত কমিটির সাধারণ সম্পাদক রাসেল সাংবাদিকদের জিজ্ঞাসায় বলেন, “ক্যাম্পাসে কী হচ্ছে, তা আমরা জানি না। এটা জানার কথা কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের। কারা কী করছে, সেটার দায় আমাদের উপর এখন বর্তায় না।”

ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সংসদের সভাপতি রেজয়ানুল হক শোভন বলেন, “তাদেরকে (জবি ছাত্রলীগ) একবার স্থগিত করে সংশোধনের সুযোগ দিয়েছি। এব্যাপারে তদন্ত করে কঠিন থেকে কঠিনতর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

সাংবাদিকদের উপর হামলাকে ‘অত্যন্ত দুঃখজনক’ বলে মন্তব্য করেন তিনি।

]]>
9 2 Home bangladesh_bn বাংলাদেশ news-bn 199 1594223 জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক, বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক, বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম Mon, 18 Feb 2019 12:53:44 +0600 Mon, 18 Feb 2019 15:10:46 +0600 অভিজিৎ হত্যায় আসামি হচ্ছেন জিয়া, ফারাবী অভিজিৎ হত্যায় আসামি হচ্ছেন জিয়া, ফারাবীসহ ৬ জন দীর্ঘ চার বছর পর বিজ্ঞান লেখক অভিজিৎ রায় হত্যা মামলার অভিযোগপত্র চূড়ান্ত করেছে পুলিশের কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিট (সিটিটিসি)। দীর্ঘ চার বছর পর বিজ্ঞান লেখক অভিজিৎ রায় হত্যা মামলার অভিযোগপত্র চূড়ান্ত করেছে পুলিশের কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিট (সিটিটিসি)। false https://bangla.bdnews24.com/bangladesh/article1594223.bdnews false https://d30fl32nd2baj9.cloudfront.net/media/2015/02/26/avijit-roy.jpg/ALTERNATES/w300/Avijit+roy.jpg অভিজিৎ রায়
বাংলাদেশকে নাড়িয়ে দেওয়া ওই হত্যাকাণ্ডে ১২ জনের সম্পৃক্ততার তথ্য পেলেও তাদের মধ্যে পাঁচজনের নাম-ঠিকানা না পাওয়ায় এবং একজনের মৃত্যু হওয়ায় অভিযোগপত্রে আসামি করা হচ্ছে মোট ছয়জনকে।

জঙ্গি সংগঠন আনসারুল্লাহ বাংলা টিমের কথিত নেতা সেনাবাহিনীর চাকরিচ্যুত মেজর সৈয়দ জিয়াউল হক এবং ‘উগ্রপন্থি ব্লগার’ সাফিউর রহমান ফারাবীও রয়েছেন এই ছয়জনের মধ্যে।

কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিটের প্রধান মনিরুল ইসলাম সোমবার এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় অভিযোগপত্র আদালতে জমা দেওয়ার আগে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন নিতে হয়। 

“এই মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা অভিযোগপত্র অনুমোদনের জন্য আজ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সচিব বরাবর আবেদন করেছেন। প্রজ্ঞাপনপ্রাপ্তি সাপেক্ষে পূর্ণাঙ্গ কেইস ডেকেট আদালতে পাঠানো হবে।” 

২০১৫ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি রাতে এই স্থানেই খুন হন অভিজিৎ রায়

২০১৫ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি রাতে এই স্থানেই খুন হন অভিজিৎ রায়

২০১৫ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি রাতে স্ত্রী রাফিদা আহমেদ বন্যাকে নিয়ে বইমেলা থেকে ফেরার পথে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসির সামনে জঙ্গি কায়দায় হামলায় ঘটনাস্থলেই নিহত হন যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী অভিজিৎ রায়। চাপাতির আঘাতে আঙুল হারান তার স্ত্রী।

পদার্থবিদ অধ্যাপক অজয় রায়ের ছেলে অভিজিৎ থাকতেন যুক্তরাষ্ট্রে। বিজ্ঞানের নানা বিষয় নিয়ে লেখালেখির পাশাপাশি মুক্তমনা ব্লগ সাইট পরিচালনা করতেন তিনি। জঙ্গিদের হুমকির মুখেও তিনি বইমেলায় অংশ নিতে দেশে এসেছিলেন।

ঘটনার পর শাহবাগ থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন অধ্যাপক অজয় রায়। দীর্ঘ দিনেও ছেলের হত্যার বিচার না পাওয়ায় হতাশা প্রকাশ করে আসছিলেন তিনি। 

ঢাকার মহানগর হাকিম সরাফুজ্জামান আনসারী অভিজিৎ রায় হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য ২৫ মার্চ পর্যন্ত সময় দিয়েছেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তাকে।

আসামি যারা

যে ছয়জনকে অভিজিৎ হত্যার অভিযোগপত্রে আসামি করা হচ্ছে তারা হলেন-

১. বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর চাকরিচ্যুত মেজর বলে কথিত সৈয়দ জিয়াউল হক, যার সাংগঠনিক নাম সাগর ওরফে ইশতিয়াক ওরফে বড় ভাই

২. মো. মোজাম্মেল হুসাইন ওরফে সায়মন ওরফে শাহরিয়ার

৩. মো. আবু সিদ্দিক সোহেল ওরফে সাকিব ওরফে সাজিদ ওরফে শাহাব

৪. মো. আরাফাত রহমান ওরফে সিয়াম ওরফে সাজ্জাদ ওরফে শামস 

৫. আকরাম হোসেন ওরফে আবির ওরফে আদনান ওরফে হাসিবুল ওরফে আব্দুল্লাহ

৬. সাফিউর রহমান ফারাবী

চাকরিচ‌্যুত মেজর জিয়াউল হককে ধরিয়ে দিলে ২০ লাখ টাকা পুরস্কারের ঘোষণা রয়েছে

চাকরিচ‌্যুত মেজর জিয়াউল হককে ধরিয়ে দিলে ২০ লাখ টাকা পুরস্কারের ঘোষণা রয়েছে

‘উগ্রপন্থি ব্লগার’ সাফিউর রহমান ফারাবী সিলেটের অনন্ত বিজয় দাশ হত্যা মামলারও আসামি

‘উগ্রপন্থি ব্লগার’ সাফিউর রহমান ফারাবী সিলেটের অনন্ত বিজয় দাশ হত্যা মামলারও আসামি

এই ছয় জনের মধ্যে জিয়াউল হক ও আকরাম হোসেন ওরফে আবির পলাতক। বাকি চারজন কারাগারে রয়েছেন।

আসামিদের মধ্যে ফারাবী ছাড়া বাকি সবাই আনসারুল্লাহ বাংলা টিমের জঙ্গি বলে তদন্তকারীদের ভাষ্য। 

কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিটের প্রধান মনিরুল বলেন, “জবানবন্দি, প্রাপ্ত তথ্যের বিশ্লেষণে পাশাপাশি গোয়েন্দা তথ্য মিলিয়ে আমরা এই সিদ্ধান্তে উপনীত হয়েছি যে, এই ঘটনাটির মাস্টারমাইন্ড হচ্ছেন সেনাবাহিনী থেকে চাকরিচ্যুত, পলাতক মেজর জিয়া।”

তিনি বলেন, কাউন্টার টেররিজম ইউনিটের তদন্তে এ মামলায় মোট ১১ জনকে চিহ্নিত করা হয়েছে। এর বাইরে সাফিউর রহমান ফারাবী গ্রেপ্তার হয়েছিলেন র‍্যাবের হাতে।

“ফারাবী ফেইসবুকে পোস্ট দিয়ে অভিজিৎ রায়কে হত্যার প্ররোচনা দিয়েছিলেন। এ কারণে প্ররোচনাদাতা হিসেবে তাকে এ মামলায় আসামি দেখানো হচ্ছে।”

গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে থাকা মোজাম্মেল হুসাইন ওরফে সায়মন, আরাফাত রহমান এবং আবু সিদ্দিক সোহেল আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।

মনিরুল বলেন, “তারা তাদের নিজেদের দায়িত্ব এবং অন্য কারা এ ঘটনায় জড়িত ছিলেন, কীভাবে হত্যাকাণ্ড ঘটানো হয়েছে, সবকিছুই জবানবন্দিতে বর্ণনা করেছেন।”

অভিজিৎ ও বন্যা এবং তাদের অনুসরণকারী

অভিজিৎ ও বন্যা এবং তাদের অনুসরণকারী

পুলিশের সিসিটিভি ভিডিওতে দুই সন্দেহভাজন

পুলিশের সিসিটিভি ভিডিওতে দুই সন্দেহভাজন

হদিস মেলেনি ৫ জনের

মনিরুল বলেন, তদন্তে ও ঘটনাস্থলের আশপাশের ভিডিও ফুটেজ দেখে অভিজিৎ হত্যায় সম্পৃক্ততা আছে এরকম মোট ১১ জনকে চিহ্নিত করেছে কাউন্টার টেররিজম ইউনিট। অপারেশন, ইন্টেলিজেন্স ও ট্রেইনিং- এই তিন ভাগে তারা  ওই হত্যা পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করে।

এর মধ্যে হত্যাকাণ্ডে সরাসরি অংশ নেওয়া দলটির নেতৃত্বে ছিলেন মুকুল রানা ওরফে শরিফুল, যিনি ২০১৬ সালের ১৯ জুন ঢাকার খিলগাঁওয়ে পুলিশের সঙ্গে কথিত বন্দুকযুদ্ধে নিহত হন।

বাকি দশজনের মধ্যে পাঁচজনের সাংগঠনিক নাম জানা গেলেও আসল পরিচয় বা ঠিকানা জানা সম্ভব হয়নি। এ কারণে বাকি পাঁচজনের সঙ্গে ফারাবীর নাম যুক্ত করে তদন্ত প্রতিবেদন চূড়ান্ত করেছে কাউন্টার টেররিজম ইউনিট  

মনিরুল বলেন, “তাদের নাম-ঠিকানা পাওয়া গেলে পরে সম্পূরর্ক অভিযোগপত্রের মাধ্যমে তাদের বিচারের আওতায় আনা হবে।”

এছাড়া অভিজিৎ হত্যাকাণ্ডের পর বিভিন্ন সময়ে সন্দেহভাজন হিসেবে সাতজনকে গ্রেপ্তার করা হলেও অপরাধে তাদের সংশ্লিষ্টতার প্রমাণ তদন্তে পাওয়া যায়নি। এ কারণে তাদের অব্যাহতি দেওয়ার আবেদন করা হচ্ছে অভিযোগপত্রে।  

এই সাতজন হলেন- সাদেক আলী ওরফে মিঠু, মোহাম্মদ তৌহিদুর রহমান ওরফে গামা, আমিনুল মল্লিক, মো জাফরান হাসান, জুলহাস বিশ্বাস, মান্না ইয়াহিয়া ওরফে মান্নান রাহি, মো. আবুল বাশার।

ফিরে দেখা

বইমেলার বাইরে হামলায় লেখক অভিজিৎ নিহত

এক বৈঠক ঘিরে সন্দেহ অভিজিতের বাবার

‘হামলার সময় দাঁড়িয়ে দেখছিল পুলিশ’

সিসি ক্যামেরায় অভিজিতের ‘খুনি’

অভিজিৎ হত্যায় সন্দেহভাজনদের নতুন ভিডিও

অভিজিৎ হত্যার প্রতিবেদন শিগগিরই: ডিএমপি কমিশনার  

অভিজিৎ খুনের ‘দায় স্বীকার’ আনসারুল্লাহ জঙ্গির  

একজন সম্পাদককে হত্যার পরিকল্পনা ছিল আনসারুল্লাহর জঙ্গিদের: র‌্যাব

একজন সম্পাদককে হত্যার পরিকল্পনা ছিল আনসারুল্লাহর জঙ্গিদের: র‌্যাব

জিয়াকে ‘ফলো’ করা হচ্ছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

প্রকাশক দীপন হত্যাকাণ্ডের অভিযোগপত্র দাখিল

ব্লগার অনন্ত হত্যা: সম্পূরক অভিযোগপত্রে ফারাবী

‘মাস্টারমাইন্ড’ জিয়া ও তামিম, ধরিয়ে দিলে পুরস্কার  

]]>
931313 https://d30fl32nd2baj9.cloudfront.net/media/2015/02/26/avijit-roy.jpg/ALTERNATES/w300/Avijit+roy.jpg অভিজিৎ রায় 1170833 https://d30fl32nd2baj9.cloudfront.net/media/2016/06/19/avijit_killer.jpg/ALTERNATES/w300/Avijit_killer.jpg অভিজিৎ ও বন্যা এবং তাদের অনুসরণকারী 1202295 https://d30fl32nd2baj9.cloudfront.net/media/2016/08/21/avijit-new-video-pix.jpg/ALTERNATES/w300/avijit+new+video+pix.jpg পুলিশের সিসিটিভি ভিডিওতে দুই সন্দেহভাজন 931333 https://d30fl32nd2baj9.cloudfront.net/media/2015/02/27/40_avijit-roy_murder_260215_0003.jpg/ALTERNATES/w300/40_Avijit+Roy_Murder_260215_0003.jpg ২০১৫ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি রাতে এই স্থানেই খুন হন অভিজিৎ রায় 933532 https://d30fl32nd2baj9.cloudfront.net/media/2015/03/03/22_farabi-shafiur-rahman_030315_0002.jpg/ALTERNATES/w300/22_Farabi-Shafiur-Rahman_030315_0002.jpg ‘উগ্রপন্থি ব্লগার’ সাফিউর রহমান ফারাবী সিলেটের অনন্ত বিজয় দাশ হত্যা মামলারও আসামি 1294600 https://d30fl32nd2baj9.cloudfront.net/media/2017/02/26/major_zia.jpg/ALTERNATES/w300/Major_Zia.jpg চাকরিচ‌্যুত মেজর জিয়াউল হককে ধরিয়ে দিলে ২০ লাখ টাকা পুরস্কারের ঘোষণা রয়েছে
10 2 Home samagrabangladesh সমগ্র বাংলাদেশ news-district 9945 1594285 ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি, বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি, বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম Mon, 18 Feb 2019 16:34:54 +0600 Mon, 18 Feb 2019 16:35:42 +0600 ‘অনাকাঙ্ক্ষিত’ ঘটনা, বললেন বিজিবি প্রধান বহরমপুরের ঘটনা অনাকাঙ্ক্ষিত: বিজিবি প্রধান ঠাকুরগাঁওয়ের বহরমপুর গ্রামে গরু জব্দ করা নিয়ে সংঘর্ষের মধ্যে বিজিবির গুলিতে তিনজনের মৃত্যুর ঘটনাকে ‘অনাকাঙ্ক্ষিত’ হিসেবে বর্ণনা করে ভবিষ্যতে সব পক্ষকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছেন সীমান্ত রক্ষা বাহিনীর মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মো. সাফিনুল ইসলাম। ঠাকুরগাঁওয়ের বহরমপুর গ্রামে গরু জব্দ করা নিয়ে সংঘর্ষের মধ্যে বিজিবির গুলিতে তিনজনের মৃত্যুর ঘটনাকে ‘অনাকাঙ্ক্ষিত’ হিসেবে বর্ণনা করে ভবিষ্যতে সব পক্ষকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছেন সীমান্ত রক্ষা বাহিনীর মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মো. সাফিনুল ইসলাম। false https://bangla.bdnews24.com/samagrabangladesh/article1594285.bdnews false https://d30fl32nd2baj9.cloudfront.net/media/2019/02/18/thakurgaon-bgb-1.jpg/ALTERNATES/w300/Thakurgaon-BGB-1.jpg
সোমবার ঠাকুরগাঁও সার্কিট হাউজে কয়েকজন স্থানীয় বাসিন্দা ও স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে মত বিনিময়ের পর সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন। 

বিজিবি মহাপরিচালক বলেন, “এটি একটি অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা। ওই এলাকার লোকজনের সঙ্গে কথা বলে জেনেছি, তাদের কাছেও এটি অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা, আমাদের কাছেও তাই। ভবিষ্যতে যেন এ ধরনের কোনো ঘটনা না ঘটে সেজন্য এলাকাবাসী এবং বিজিবি উভয়ে সতর্ক থাকবে।”

তিনি বলেন, বাংলাদেশের ৪ হাজার ৪২৭ কিলোমিটার সীমান্ত রক্ষার দায়িত্ব পালন করে আসছে বিজিবি। সীমান্তে বসবাসরত জনগণের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রেখে তাদের সহযোগিতা নিয়েই বিজিবি সেই দায়িত্ব পালন করে থাকে।

জেলা প্রশাসনের ভাষ্য অনুযায়ী, চোরাই গরু ঢুকেছে সন্দেহে বিজিবি সদস্যরা গত ১২ ফেব্রুয়ারি হরিপুর উপজেলার বকুয়া ইউনিয়নের বহরমপুর গ্রামে অভিযান চালিয়ে কয়েকটি গরু জব্দ করে ট্রাকে তুললে গ্রামবাসীর সঙ্গে সংঘর্ষ বাঁধে।

বিজিবি সদস্যরা তখন গুলি চালালে দুই কৃষক এবং একজন এসএসসি পরীক্ষার্থী নিহত হন, আহত হন অন্তত ২০ জন।

বিজিবির দাবি, জব্দ করা গরু বিওপিতে নেওয়ার সময় চোরা কারবারিরা ধারালো অস্ত্র নিয়ে হামলা চালায়। ওই পরিস্থিতিতে  বিজিবি সদস্যরা গুলি চালাতে বাধ্য হয়।

অন্যদিকে স্থানীয়দের অভিযোগ, তাদের ঘরের গরু বিক্রির জন্য বাজারে নেওয়ার সময় বিজিবি সেগুলো জব্দ করে ট্রাকে তোলে। ওই গ্রামে এক মাস ধরেই বিজিবি সদস্যরা গৃহস্থের গরু নিয়ে যাচ্ছিল বলে গ্রামবাসীর অভিযোগ।

ওই ঘটনায় হরিপুর থানায় বিজিবির পক্ষ থেকে দুটি মামলা করা হয়েছে। গুলিতে নিহতদের মধ্যে দুজনসহ মোট ১৯ জনের নাম উল্লেখ করে, অজ্ঞাত পরিচয় আরও ২৫০ জনকে আসামি করা হয়েছে সেখানে।

বিজিবির পক্ষ থেকে গ্রামবাসীর বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলা প্রত্যাহার করা হবে কি না জানতে চাইলে মহাপরিচালক বলেন, “এ বিষয়টি নিয়ে আমরা ডিসি-এসপির সঙ্গে আলোচনা করেছি। বিষয়টি আমরা দেখব ইনশাল্লাহ।”

বহরমপুরের ঘটনা তদন্তে বিজিবির পক্ষ থেকে পাঁচ সদস্যের একটি ‘উচ্চ পর্যায়ের’ তদন্ত কমিটি করা হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, কমিটির প্রতিবেদেনের ভিত্তিতে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

গুলিবর্ষণ ছাড়া অন্য কোনোভাবে সমস্যা মেটানো যেত কি না- সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নে বিজিবির মহাপরিচালক বলেন, “বিষয়টি তদন্তাধীন। তদন্তেই বেরিয়ে আসবে যে কী করা উচিৎ ছিল, কেন গুলি করা হল। তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত কোনো মন্তব্য করতে পারব না।”

ঠাকুরগাঁও আসার কারণ ব্যাখ্যা করে সাফিনুল ইসলাম বলেন, “এখানে এসে বহরমপুর গ্রামের কিছু মানুষের সঙ্গে মতবিনিময় করেছি এবং ডিসি, এসপির সঙ্গে মতবিনিময় করে বিষয়টি অনুধাবন করার চেষ্টা করেছি।”

বিজিবির পক্ষ থেকে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে কোনো সহযোগিতা করা হবে কি না জানতে চাইলে মহাপরিচালক বলেন, “তদন্ত শেষ হওয়ার পর যাকে যে ধরনের সহযোগিতা করা প্রয়োজন, আমরা সর্বাত্মক চেষ্টা করব তা করার।”

তিনি বলেন, “আমরা এ রকম অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার পুনরাবৃত্তি চাই না। আমরা যে যার দায়িত্ব পালন করতে চাই; দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে সাংবাদিকরা যারা আছেন, আপনারা আমাদেরকে সহযোগিতা করবেন, যেন ভবিষ্যতে আমরা সকলে মিলে সীমান্তকে শান্তিপূর্ণ ও নিরাপদ করতে পারি। সীমান্তের জনগণ যেন শান্তিতে বসবাস করতে পারে।”

ঠাকুরগাঁওয়ের জেলা প্রশাসন কেএম কামরুজ্জামান সেলিম, পুলিশ সুপার মনিরুজ্জামান মনির, ঠাকুরগাঁও ৫০ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল তুহিন মো. মাসুদ, বিজিবির ঠাকুরগাঁও অঞ্চলের সেক্টর কমান্ডার সামশুল আরেফিনসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা মতবিনিময়ে উপস্থিত ছিলেন।

]]>
1594284 https://d30fl32nd2baj9.cloudfront.net/media/2019/02/18/thakurgaon-bgb-1.jpg/ALTERNATES/w300/Thakurgaon-BGB-1.jpg 1594283 https://d30fl32nd2baj9.cloudfront.net/media/2019/02/18/thakurgaon-bgb-2.jpg/ALTERNATES/w300/Thakurgaon-BGB-2.jpg
11 2 Home bangladesh_bn বাংলাদেশ news-bn 199 1594146 নিজস্ব প্রতিবেদক, বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম নিজস্ব প্রতিবেদক, বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম Sun, 17 Feb 2019 23:36:55 +0600 Mon, 18 Feb 2019 00:08:37 +0600 ঢাকায় গ্যাস সঙ্কট মঙ্গলবারও ঢাকায় গ্যাস সঙ্কট মঙ্গলবারও মেট্রোরেল প্রকল্পের নির্মাণ কাজের কারণে মঙ্গলবারও ঢাকার অর্ধেক অংশ জুড়ে গ্যাসের সঙ্কট থাকছে। মেট্রোরেল প্রকল্পের নির্মাণ কাজের কারণে মঙ্গলবারও ঢাকার অর্ধেক অংশ জুড়ে গ্যাসের সঙ্কট থাকছে। false https://bangla.bdnews24.com/bangladesh/article1594146.bdnews false https://d30fl32nd2baj9.cloudfront.net/media/2019/02/16/gas-crisis.jpg/ALTERNATES/w300/Gas-Crisis.jpg যান্ত্রিক ত্রুটি মেরামতের জন্য শনিবার ঢাকার আজিমপুর থেকে ধানমন্ডি হয়ে মিরপুর পর্যন্ত এলাকায় বাসাবাড়ি ও সিএনজি ফিলিং স্টেশনে গ্যাস সরবরাহ বন্ধ থাকায় মোহাম্মদপুরের কাদেরাবাদ হাউজিং এলাকায় এক গৃহিনী রান্না করছেন কাঠের চুলায়।
সাভারে একটি সংযোগ লাইনে ত্রুটির কারণে গত শনিবার থেকে আজিমপুর থেকে মিরপুর পর্যন্ত এলাকাজুড়ে গ্যাস সঙ্কট চলছিল।

রোববার দুপুরে পর অনেক এলাকায় গ্যাস আসা শুরু করলেও কিছু এলাকায় স্বল্প চাপ থাকায় গ্রাহকদের অসন্তোষের মধ্যে নতুন করে আরও কয়েকটি এলাকায় মঙ্গলবার গ্যাস সরবরাহ বিঘ্নিত হওয়ার খবর দিল বিতরণ ও বিপণন সংস্থা তিতাস।

এই অবস্থার জন্য দুঃখ প্রকাশ করেছে তিতাস। এর আগে সঙ্কটের সময় তাদের কোনো ঘোষণা না আসায় সমালোচনায় মুখর ছিল নগরবাসী।

তিতাসের জনসংযোগ শাখার কর্মকর্তা গোলাম মোস্তাফা বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “মঙ্গলবার মেট্রোরেল প্রকল্পের আওতায় পাইপলাইন স্থানান্তরের পর টাই-ইন কাজ চলবে। এদিন ঢাকার প্রায় অর্ধেক অংশজুড়ে গ্যাসের চাপ কমবে।

“অনেক এলাকায় সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরের দিন সকাল ৬টা পর্যন্ত আবাসিক, বাণিজ্যিক, শিল্প ও সিএনজি গ্রাহকদের গ্যাস সরবরাহ বন্ধ থাকবে।”

এই এলাকাগুলোর মধ্যে রয়েছে মিরপুর, শ্যামলী, মনিপুরীপাড়া, আগারগাঁও, মোহাম্মদপুর, ধানমণ্ডি, গণভবন, জাতীয় সংসদ ভবন, কলাবাগান, হাজারীবাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, বুয়েট, শাহবাগ, গ্রীনরোড, বঙ্গভবন, গোপীবাগ, স্বামীবাগ, রামপুরা, দক্ষিণ বনশ্রী, নন্দিপাড়া, মগবাজার, সিদ্ধেশ্বরী, সেগুনবাগিচা, মিন্টু রোড, তেজগাঁও, খিলগাঁও, বাসাবো, মতিঝিল, কমলাপুর ও পুরান ঢাকার পুরো এলাকা।

এসএসসি পরীক্ষার মধ্যে শনিবার হঠাৎ করে গ্যাস সঙ্কট দেখা দিলে নগরবাসীর দুর্ভোগ চরমে ওঠে। ঘরে রান্না করতে না পেরে অনেকে রেস্তারাঁয় ছুটলেও সেখানেও খাবার মেলেনি। পাশাপাশি সিএনজি ফিলিং স্টেশনগুলোতেও গ্যাসের জন্য দীর্ঘ সময় লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে হয় যানবাহনগুলোকে।

]]>
1593538 https://d30fl32nd2baj9.cloudfront.net/media/2019/02/16/gas-crisis.jpg/ALTERNATES/w300/Gas-Crisis.jpg যান্ত্রিক ত্রুটি মেরামতের জন্য শনিবার ঢাকার আজিমপুর থেকে ধানমন্ডি হয়ে মিরপুর পর্যন্ত এলাকায় বাসাবাড়ি ও সিএনজি ফিলিং স্টেশনে গ্যাস সরবরাহ বন্ধ থাকায় মোহাম্মদপুরের কাদেরাবাদ হাউজিং এলাকায় এক গৃহিনী রান্না করছেন কাঠের চুলায়।
12 2 Home economy_bn অর্থনীতি news-bn 202 1594264 জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক, বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক, বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম Mon, 18 Feb 2019 15:25:47 +0600 Mon, 18 Feb 2019 15:28:24 +0600 ব্যাংকের সংখ্যা নিয়ে চিন্তিত নন অর্থমন্ত্রী ব্যাংকের সংখ্যা নিয়ে চিন্তিত নন অর্থমন্ত্রী অর্থনীতিবিদ ও ব্যাংকারদের আপত্তির পরও নতুন তিনটি ব্যাংকের অনুমোদনে কোনো সমস্যা দেখছেন না অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। অর্থনীতিবিদ ও ব্যাংকারদের আপত্তির পরও নতুন তিনটি ব্যাংকের অনুমোদনে কোনো সমস্যা দেখছেন না অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। false https://bangla.bdnews24.com/economy/article1594264.bdnews false https://d30fl32nd2baj9.cloudfront.net/media/2019/01/02/ahm-mustafa-kamal-020119-0001.jpg/ALTERNATES/w300/ahm-mustafa-kamal-020119-0001.jpg
তিনি বলছেন, কেন্দ্রীয় ব্যাংক প্রায়োজন মনে করেছে বলেই নতুন ব্যাংকের অনুমোদন দিয়েছে। সেবার মান ঠিক থাকলে ব্যাংকের সংখ্যা নিয়ে চিন্তিত নন তিনি।

২০১২ সালেও আওয়ামী লীগ সরকারের সময় ‘রাজনৈতিক বিবেচনায়’ ১২টি বেসরকারি ব্যাংকের লাইসেন্স দেওয়ার পর সমালোচনা হয়েছিল।

এরপর গত কয়েক বছর ধরেই বিপুল পরিমাণ খেলাপি ঋণ, আর্থিক কেলেংকারি, অনিয়ম আর তারল্য সঙ্কটের কারণে বারবারই আলোচনায় এসেছে দেশের ব্যাংক খাত।

তারপরও গত সরকারের সময় নতুন ব্যাংকের অনুমোদন দেওয়ার বিষয়ে সরকারের শীর্ষ পর্যায়ের চাপ ছিল।, যদিও আগের অর্থমন্ত্রী আবুল মাল মাল আবদুল মুহিত, ব্যাংক খাতের ‘আকার বড় হয়ে যাওয়ায়’ তা ‘সংকোচনের’ কথা বলেছিলেন। 

আর অর্থনীতিবিদ ও ব্যাংকাররা দেশে নতুন কোনো ব্যাংকের প্রয়োজন নেই বলে আসছিলেন।

কিন্তু আওয়ামী লীগ সরকারের টানা তৃতীয় মেয়াদের প্রায় দেড় মাসের মাথায়ই ‘বেঙ্গল’, ‘পিপলস, ও ‘সিটিজেন’ নামের নতুন তিনটি ব্যাংকের অনুমোদন দেয় বাংলাদেশ। এই তিনটিসহ দেশে ব্যাংকের সংখ্যা ৬২তে উন্নীত হতে যাচ্ছে।

নতুন তিন ব্যাংকের উদ্যোক্তাদের সঙ্গেও ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের সংশ্লিষ্টতা রয়েছে।

সচিবালয়ে সোমবার সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে যোগ দেওয়ার আগে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হলে নতুন ব্যাংক নিয়ে প্রশ্নে অর্থমন্ত্রী মুস্তফা কামাল বলেন, “আমি এই মুহূর্তে এ ব্যাপারে কোনো কথা বলব না, তিনটি ব্যাংক সম্বন্ধে আমাকে জানতে হবে। গভর্নর মহোদয়ের সঙ্গে আলাপ করলে আমরা তথ্য পাব, তখন কথা বললে ভালো হবে।”

তবে পরক্ষণেই তিনি বলেন, “সেন্ট্রাল ব্যাংক ডেফিনেটলি প্রয়োজন না থাকলে এ কাজ (নতুন ব্যাংক অনুমোদন) করত না। তাদের হয়ত বিশ্লেষণ আছে, প্রয়োজনীয়তা অনুভব করেছেন এবং সেই প্রয়োজনীয়তার ভিত্তিতে হয়ত তারা করে থাকতে পারেন। কিন্তু বিষয়টি নিয়ে আমি এখনও আলাপ করিনি, আলাপ করে জানাব।”

নতুন করে বেসরকারি ব্যাংক অনুমোদনের বিপক্ষে ছিলেন সাবেক অর্থমন্ত্রী আবুল মাল মুহিত। কিন্তু নতুন সরকার দায়িত্ব আসার কিছুদিনের মধ্যেই কেন ব্যাংকের সংখ্যা বাড়ল?

এই প্রশ্নে অর্থমন্ত্রী বলেন, “বাংলাদেশে কয়টা ব্যাংক আছে এটা বড় ব্যাপার না। ব্যাংকগুলো যদি স্বাভাবিকভাবে চলে, নিয়মনীতি মেনে চলে এবং যা ব্যাংক আছে… সংখ্যা দিয়ে কোনো কিছু হবে না। ব্যাংকের কার্যক্রম যদি থাকে, যে উদ্দেশ্যে ব্যাংক করা, কাস্টমারদের যদি সার্ভিস দিতে পারে এবং নিয়মের মাঝে দিতে পারে, অনিয়মের মাঝে না, তাহলে ইন দ্যাট কেইস নম্বর নিয়ে আমি চিন্তিত না।

“৫০টি না করে আপনি বড় একটা করেন সেই একই কথা হল। আমি মনে করি, নম্বর দিয়ে না, আমাদের চাহিদা আছে কি না… যদি চাহিদা নিরূপণ করে করা হয়ে থাকে ইন দ্যাট কেইস ফাইন। আমার বিশ্বাস সেন্ট্রাল ব্যাংক এবং যারা সংশ্লিষ্ট আছেন তারা সবাই কমপ্লিটলি একটা স্টাডি করে সেই স্টাডির ভিত্তিতেই তারা কাজটি করেছেন।”

নতুন ব্যাংকগুলোর লাইসেন্স পাওয়ার ক্ষেত্রে পেইড আপ ক্যাপিটাল ১০০ কোটি টাকা বাড়িয়ে ৫০০ কোটি টাকা করায় সমর্থন দেন তিনি।

“আস্তে আস্তে যদি তারা বাড়িয়ে নেয় দ্যাট কেইস সেক্টরটা বড় হয়, আমার মনে হয় সেই উদ্দেশ্যেই তারা করেছেন। স্লোলি বা গ্রাজুয়ালি বাড়াতে পারে ইন দ্যাট কেইস সেটা ভালো হবে।”

ক্লাসিফাইড লোনকে ব্যাংকের সমস্যা উল্লেখ করে এই লোনগুলা কীভাবে ক্লাসিফাইড হয়েছে তা দেখতে শিগগিরই স্পেশাল অডিটের ব্যবস্থা করা হবে বলেও জানিয়েছেন তিনি।

ক্লাসিফাইড লোন আশির দশক থেকে হয়ে আসছে জানিয়ে মুস্তফা কামাল বলেন, “আমার মনে হয় প্রথমে ক্লাসিফাইড লোনের পরিমাণ যত বেশি হয় ব্যাংক ইস্টারেস্ট বেড়ে যায়, স্প্রেডটা বেড়ে যায়, এগুলো কমাতে হবে, সেজন্য ক্লাসিফাইড লোনে হাত দিতে হবে।

“দেখতে কীভাবে লোনগুলা ক্লাসিফাইড হল, সেগুলো দেখার জন্য আমরা শিগগিরই স্পেশাল অডিটের ব্যবস্থা করছি, আপনারা দেখতে পাবেন আমরা স্পেশাল অডিট করে কথা বলব।”

]]>
1578273 https://d30fl32nd2baj9.cloudfront.net/media/2019/01/02/ahm-mustafa-kamal-020119-0001.jpg/ALTERNATES/w300/ahm-mustafa-kamal-020119-0001.jpg
13 2 Home cricket_bn ক্রিকেট news-bn 212 1594315 ক্রীড়া প্রতিবেদক, বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম ক্রীড়া প্রতিবেদক, বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম Mon, 18 Feb 2019 17:43:44 +0600 Mon, 18 Feb 2019 18:13:24 +0600 মাহমুদুলের সেঞ্চুরিতে বাংলাদেশের দারুণ জয় মাহমুদুলের সেঞ্চুরিতে বাংলাদেশের দারুণ জয় যুব ওয়ানডে সিরিজের পর টেস্ট সিরিজেও হোয়াইটওয়াশড ইংল্যান্ড। শেষ দিনে তিনশ রান তাড়া করা যে কোনো মানদণ্ডেই কঠিন। সম্ভাবনার পাল্লা তাই হেলে ছিল ইংল্যান্ডের দিকে। কিন্তু মাহমুদুল হাসানের দারুণ সেঞ্চুরি ও তৌহিদ হৃদয়ের সঙ্গে তার জুটিতে সেই চ্যালেঞ্জ জিতল বাংলাদেশ। যুব টেস্ট সিরিজে হোয়াইটওয়াশ করল ইংলিশদের। false https://bangla.bdnews24.com/cricket/article1594315.bdnews false https://d30fl32nd2baj9.cloudfront.net/media/2019/02/18/mahmud-u-19-01.jpg/ALTERNATES/w300/mahmud-u-19-01.jpg
চট্টগ্রামে যুব টেস্ট সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচে ইংল্যান্ড অনূর্ধ্ব-১৯ দলকে ৩ উইকেটে হারিয়েছে বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ দল। শেষ ইনিংসে ৩৩৩ রান তাড়ায় সোমবার শেষ দিনে দলকে জয়ের পথে এগিয়ে নিয়েছে মাহমুদুলের ১১৪ রানের ইনিংস।

সিরিজের প্রথম যুব টেস্টে বাংলাদেশ জিতেছিল ৮ উইকেটে। ২০০৯ সালে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে একমাত্র যুব টেস্ট জয় বাদ দিলে বাংলাদেশের যুব টেস্ট সিরিজ জয় এই প্রথম।

এবার টেস্ট সিরিজের আগে তিন ম্যাচের যুব ওয়ানডে সিরিজেও ইংলিশদের হোয়াইটওয়াশ করেছিল বাংলাদেশ।

১ উইকেটে ৩৪ রান নিয়ে শেষ দিন শুরু করেছিল বাংলাদেশ, প্রয়োজন ছিল আরও ২৯৯ রান। ওপেনার তানজিদ হাসানের ৫১ বলে ৫১ রান দলকে এনে দেয় গতিময় শুরু। তিনে নেমে পারভেজ হোসেন করেন ৮১ বলে ৩৭।

চতুর্থ উইকেটে হৃদয়ের সঙ্গে মাহমুদুলের ১৪২ রানের জুটিতে বাংলাদেশ পায় জয়ের সুবাস। ৬ চার ও ১ ছক্কায় ৭৬ করে আউট হন হৃদয়।

মাহমুদুল দলকে টেনে নেন আরও সামনে। ২২৪ বলে ১১৪ করে যখন আউট হলেন মাহমুদুল, দল তখন জয়ের খুব কাছে। সাতে নেমে ২৫ বলে ২০ রানের কার্যকর ইনিংস খেলেন শাহাদাত হোসেন।

বাংলাদেশ যখন জেতে, দিনের খেলার বাকি তখনও ২৫ বল। ম্যাচের প্রথম ইনিংসে ১০৯ রানে পিছিয়ে থাকা দলের জন্য এই জয় অসাধারণ কিছুই।

ম্যাচ জেতানো সেঞ্চুরির আগে প্রথম ইনিংসেও ৭৬ রান করে ম্যাচের সেরা মাহমুদুল। প্রথম ম্যাচে ৯ ও দ্বিতীয় ম্যাচে ৭ উইকেট নিয়ে সিরিজ সেরা বাঁহাতি স্পিনার মিনহাজুর রহমান।

সংক্ষিপ্ত স্কোর:

ইংল্যান্ড অনূর্ধ্ব-১৯ ১ম ইনিংস : ৩৩৭

বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ ১ম ইনিংস ২২৮

ইংল্যান্ড অনূর্ধ্ব-১৯ ২য় ইনিংস : ২২৩/৮ (ডি.)

বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ ২য় ইনিংস: (লক্ষ্য ৩৩৩, আগের দিন ৩৪/১) ৯৩.৫ ওভারে ৩৩৩/৭ (তানজিদ ৫১, পারভেজ ৩৭, মাহমুদুল ১১৪, হৃদয় ৭৬, আকবর ৫, শাহাদাত ২০, রুহেল ৪*, মিনহাজুর ৩*; ফিঞ্চ ২/৬০, অলড্রিজ ২/৭৯, কাদরি ২/৬১, বল্ডারসন ০/১৯, হলম্যান ১/৪৭, হিল ০/৩৪, গোল্ডসওয়ার্থি ০/৩১)।

ফল: বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ দল ৩ উইকেটে জয়ী

সিরিজ: ২ ম্যাচ সিরিজে বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ দল ২-০তে জয়ী

ম্যান অব দা ম্যাচ: মাহমুদুল হাসান

ম্যান অব দা সিরিজ : মিনহাজুর রহমান

]]>
1594314 https://d30fl32nd2baj9.cloudfront.net/media/2019/02/18/mahmud-u-19-01.jpg/ALTERNATES/w300/mahmud-u-19-01.jpg 1594313 https://d30fl32nd2baj9.cloudfront.net/media/2019/02/18/hridoy-02.jpg/ALTERNATES/w300/hridoy-02.jpg 1594312 https://d30fl32nd2baj9.cloudfront.net/media/2019/02/18/u-19-03.jpg/ALTERNATES/w300/u-19-03.jpg
14 2 Home bangladesh_bn বাংলাদেশ news-bn 199 1594334 জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম Mon, 18 Feb 2019 17:57:03 +0600 Mon, 18 Feb 2019 19:22:30 +0600 একাদশ সংসদ নির্বাচন ‘রেকর্ডে রাখার মতো’: সিইসি একাদশ সংসদ নির্বাচন ‘রেকর্ডে রাখার মতো’: সিইসি একাদশ সংসদ নির্বাচন নিয়ে নানা প্রশ্নের মধ্যে সিইসি কে এম নূরুল হুদা আবারও বলেছেন, এমন ‘সুন্দর’ নির্বাচন বাংলাদেশে আগে হয়নি। একাদশ সংসদ নির্বাচন নিয়ে নানা প্রশ্নের মধ্যে সিইসি কে এম নূরুল হুদা আবারও বলেছেন, এমন ‘সুন্দর’ নির্বাচন বাংলাদেশে আগে হয়নি। false https://bangla.bdnews24.com/bangladesh/article1594334.bdnews false https://d30fl32nd2baj9.cloudfront.net/media/2019/02/18/cec-police-photo.jpg/ALTERNATES/w300/cec-police-photo.jpg
সোমবার আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন নির্বাচন উপলক্ষে আইনশৃঙ্খলা সমন্বয় কমিটির সভায় একথা বলেন তিনি।

গত ৩০ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত জাতীয় নির্বাচনের মতো নির্বাচন আয়োজনের আশা রেখে নূরুল হুদা বলেন, “ওই নির্বাচনে কিন্তু এগুলো (সংঘাত) নির্বাচনকেন্দ্রিক হয়েছে, তা বলব না, বেশির ভাগই ঘটেছে  ভোটকেন্দ্রের বাইরে।

“তবুও একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের চিত্র রেকর্ডে রাখার মতো সুষ্ঠু ও সুন্দর পরিবেশে হয়েছে। এটা আমি দাবি করতে পারি প্রকাশ্যে।”

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ‘ভোট ডাকাতি’ হয়েছে বলে অভিযোগ করেছে বিএনপি নেতৃত্বাধীন জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট। তারা বলছে, ইসি এক্ষেত্রে ছিল সহায়তার ভূমিকায়।

নির্বাচনে অনিয়ম ও সহিংসতার ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত চেয়েছে যুক্তরাষ্ট্রসহ পশ্চিমা দেশগুলো।

আগের নির্বাচনের সঙ্গে তুলনা করে সিইসি বলেন, “২০১৪ সালের নির্বাচনে যেমন সহিংসতা ঘটেছিল, তা একাদশ নির্বাচনে ঘটেনি। যদিও কয়েকটি ঘটনা ৫ জনের প্রাণহানি ঘটেছিল। এইসব প্রাণহানির ঘটনায় ইসি মর্মাহত হয়েছে।”

নির্বাচন সুচারুরূপে করতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ভূমিকার প্রশংসা করে তিনি বলেন, “২০১৪ সালের পরিস্থিতি থেকে ২০১৮ সালে এই রকম বিরল সুষ্ঠু নির্বাচন উত্তরণে আপনারাই ভুমিকা রেখেছেন। এজন্য আপনাদের ধন্যবাদ। একেবারে ধ্বংসপ্রায় অবস্থা থেকে, একটা বিশৃঙ্খল অবস্থা থেকে একটা সুষ্ঠু অবস্থায় আপনারা নিয়ে এসেছেন।”

এর ধারাবাহিকতা আসন্ন ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচন ও উপজেলা নির্বাচনেও অব্যাহত থাকবে বলে আশা প্রকাশ করেন নূরুল হুদা।

একাদশ সংসদ নির্বাচনের পর ২৮ ফেব্রুয়ারি ঢাকা উত্তরে মেয়র পদে উপনির্বাচন এবং উত্তর-দক্ষিণের সম্প্রসারিত ৩৬ ওয়ার্ডে ভোট হবে। ১০ মার্চ থেকে শুরু হচ্ছে উপজেলা পরিষদের ভোট।

ইসি সচিব হেলালুদ্দীন আহমদের সভাপতিত্বে আইনশৃঙ্খলা সমন্বয় কমিটির সভায় ইসির চার কমিশনার মাহবুব তালুকদার, রফিকুল ইসলাম, কবিতা খানম, শাহাদাত হোসেন চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন।

পুলিশ মহাপরিদর্শক, র‌্যাবের মহাপরিচালক, ডিএমপি কমিশনার, বিজিবি, স্থানীয় সরকার, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট বিভাগগুলোর প্রতিনিধিরা দুই ঘণ্টার এই বৈঠকে অংশ নেন।

ঢাকার নির্বাচনকে গুরুত্ব দিতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে আহ্বান জানিয়ে সিইসি বলেন, এই নির্বাচনের বিষয়ে কোনো রকম কোনো বিচ্যুতি হবে না- এমন ব্যবস্থা নিতে হবে। নির্বাচনের সার্বিক আইনশূঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ রাখতে হবে।

“নির্বাচন যাতে প্রশ্নবিদ্ধ না হয়, সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। নির্বাচন যাতে অবাধ হয়, সেটা দেখতে হবে এবং নির্বাচন যাতে গ্রহণযোগ্য হয়, সেটার দিকে সবাইকে সতর্কদৃষ্টি রাখতে হবে।”

কাউন্সিলর পদে বেশি প্রার্থী থাকায় তাকে কেন্দ্র করে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি যাতে অবনতি না হয়, সেদিকে নজর রাখার পরামর্শ দেন তিনি।

পোলিং এজেন্ট নিয়ে অভিযোগ নিয়ে নূরুল হুদা বলেন, “পোলিং এজেন্ট নিয়ে ৯৮ ভাগ অভিযোগের সত্যতা থাকে না। ভোটের দিন অনেক এজেন্ট প্রার্থীর অবস্থা ভালো না দেখলে কেন্দ্র ছেড়ে যান। অনেক দুর্বল প্রার্থী আবার এজেন্টই দিতে পারেন না। এমন বাস্তবতায় ভোট শেষে অনেকে তাদের এজেন্টকে কেন্দ্র থেকে বের করে দেওয়ার অভিযোগ তোলেন, যা অনেকাংশেই সত্য নয়।”

]]>
1594333 https://d30fl32nd2baj9.cloudfront.net/media/2019/02/18/cec-police-photo.jpg/ALTERNATES/w300/cec-police-photo.jpg 1594332 https://d30fl32nd2baj9.cloudfront.net/media/2019/02/18/cec-police-photo-2.jpg/ALTERNATES/w300/cec-police-photo-2.jpg
15 2 Home bangladesh_bn বাংলাদেশ news-bn 199 1594395 নিজস্ব প্রতিবেদক, বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম নিজস্ব প্রতিবেদক, বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম Mon, 18 Feb 2019 20:32:13 +0600 Mon, 18 Feb 2019 20:32:13 +0600 প্রাণিসম্পদের কর্মকর্তার দখল থেকে জিপ উদ্ধার প্রাণিসম্পদের কর্মকর্তার দখল থেকে জিপ উদ্ধার বাংলাদেশ প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের এক কর্মকর্তার অবৈধ দখলে থাকা সরকারি একটি প্রাডো জিপ উদ্ধার করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। বাংলাদেশ প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের এক কর্মকর্তার অবৈধ দখলে থাকা সরকারি একটি প্রাডো জিপ উদ্ধার করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। false https://bangla.bdnews24.com/bangladesh/article1594395.bdnews false https://d30fl32nd2baj9.cloudfront.net/media/2019/02/18/acc-car.jpg/ALTERNATES/w300/acc-car.jpg
অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক ডা. মাহবুবুল হক একটি প্রকল্পের মেয়াদ শেষ হওয়ার পরও ‘অবৈধভাবে’ আট মাস ধরে গাড়িটি ব্যবহার করছিলেন বলে দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রণব কুমার ভট্টাচার্য্য জানিয়েছেন।

দুদকের নির্দেশে সাদা গাড়িটি (ঢাকা মেট্রো-ঘ-১১-৩৫৫৮) সোমবার দুপুরে দুদক প্রধান কার্যালয়ের সামনে এর চালক নিয়ে আসেন বলে জানান তিনি।

দুদকের হটলাইনে আসা এক অভিযোগের প্রেক্ষিতে গাড়িটি ওই কর্মকর্তার অবৈধ দখল থেকে ফিরিয়ে আনার উদ্যোগের মধ্যেই চালক গাড়িটি নিয়ে দুদকে হাজির হন।

চালকের বরাত দিয়ে দুদক কর্মকর্তারা জানান, গত বছরের জুন মাসে ‘হাঁস প্রজনন প্রকল্পের’ মেয়াদ শেষ হয়। কিন্তু এরপরও প্রকল্প পরিচালক মাহবুবুল হক অবৈধভাবে গাড়িটি ব্যবহার করছিলেন।

প্রণব বলেন, “চালকের বেতন ও ওভারটাইম বাবদ মাসে প্রায় ৫০ হাজার টাকা ব্যয় করা হয়েছে। প্রাথমিক তথ্য সংগ্রহের পর গাড়িটি অধিদপ্তর কর্তৃপক্ষের কাছে ফেরত দেওয়া হয়।”

এ বিষয়ে দুদক মহাপরিচালক (প্রশাসন) মোহাম্মাদ মুনীর চৌধুরী বলেন, রাষ্ট্রীয় সম্পদের এ অবৈধ ব্যবহার ক্ষমতার অপব্যবহারের শামিল, যা প্রাতিষ্ঠানিক সুশাসনের পরিপন্থী। দুদক সুশাসন প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে কাজ করছে।

এর আগে দশ বছর ধরে পিডিবির দুই কর্মীর দখলে থাকা দুটি দামি গাড়ি উদ্ধার করে দুদক।

]]>
1594394 https://d30fl32nd2baj9.cloudfront.net/media/2019/02/18/acc-car.jpg/ALTERNATES/w300/acc-car.jpg
16 2 Home politics_bn রাজনীতি news-bn 198 1594341 জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক, বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক, বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম Mon, 18 Feb 2019 18:15:45 +0600 Mon, 18 Feb 2019 19:44:28 +0600 দেশে ফিরেছেন ফখরুল দেশে ফিরেছেন ফখরুল চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুরে যাওয়া বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর দেশে ফিরেছেন। চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুরে যাওয়া বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর দেশে ফিরেছেন। false https://bangla.bdnews24.com/politics/article1594341.bdnews false https://d30fl32nd2baj9.cloudfront.net/media/2016/04/28/mirza-fakhrul-islam-alamgir-03022016-02.jpg/ALTERNATES/w300/Mirza-Fakhrul-Islam-Alamgir-03022016-02.jpg মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর (ফাইল ছবি)
সোমবার বিকাল ৫টায় বাংলাদেশ বিমানের একটি ফ্লাইটে স্ত্রী রাহাত আরা বেগমকে নিয়ে শাহজালাল বিমানবন্দর নামেন তিনি। ।

স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য গত ৪ ফেব্রুয়ারি সিঙ্গাপুরে গিয়েছিলেন বিএনপি মহাসচিব। সেখানে সিঙ্গাপুরে ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি হাসপাতালে তিনি চিকিৎসা করান।

২০১৫ সালে ১৪ জুলাই জামিনে কারাগার থেকে বেরিয়ে আসার পর ফখরুল বেশ কয়েকবার বিদেশে গিয়েছিলেন চিকিৎসার জন্য। নিউ ইয়র্ক, সিঙ্গাপুর ও থাইল্যান্ডে চিকিৎসা করান তিনি।

সর্বশেষ গত বছরের ৩ জুলাই থাইল্যান্ডের ব্যাংককের বামরুনগ্রাদ হসপিটালে স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য গিয়েছিলেন তিনি।

]]>
1143352 https://d30fl32nd2baj9.cloudfront.net/media/2016/04/28/mirza-fakhrul-islam-alamgir-03022016-02.jpg/ALTERNATES/w300/Mirza-Fakhrul-Islam-Alamgir-03022016-02.jpg মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর (ফাইল ছবি)
17 2 Home bangladesh_bn বাংলাদেশ news-bn 199 1594445 নিজস্ব প্রতিবেদক, বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম নিজস্ব প্রতিবেদক, বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম Mon, 18 Feb 2019 21:45:09 +0600 Mon, 18 Feb 2019 21:45:09 +0600 শাজাহান খানের প্রতিবাদ-কৈফিয়ৎ সংসদে শাজাহান খানের প্রতিবাদ-কৈফিয়ৎ সংসদে জাতীয় পার্টির ফখরুল ইমামের বক্তব্যের প্রতিবাদ ও নিন্দা জানিয়ে সড়ক দুর্ঘটনা নিয়ে নিজের কৈফিয়ৎ তুলে ধরেছেন শাজাহান খান। সংসদে জাতীয় পার্টির ফখরুল ইমামের বক্তব্যের প্রতিবাদ ও নিন্দা জানিয়ে সড়ক দুর্ঘটনা নিয়ে নিজের কৈফিয়ৎ তুলে ধরেছেন শাজাহান খান। false https://bangla.bdnews24.com/bangladesh/article1594445.bdnews false https://d30fl32nd2baj9.cloudfront.net/media/2018/12/07/shahjahan-khan.jpg/ALTERNATES/w300/shahjahan-khan.jpg ফাইল ছবি
সড়কে শৃঙ্খলা ফেরানোর চেষ্টায় সরকার শাজাহান খানের নেতৃত্বে ১৫ সদস্যের একটি কমিটি গঠনের পর তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন ফখরুল ইমাম।

সোমবার প্রশ্নোত্তর পর্বে তিনি বলেছিলেন, “বদিকে (আবদুর রহমান বদি) দিয়ে মাদক নিয়ন্ত্রণ আর শাহজাহান খানকে দিয়ে সড়ক নিয়ন্ত্রণ কতটা সম্ভব?

“গরু-ছাগল চিনলে লাইসেন্স দেওয়া যাবে- শাজাহান খানের এই মন্তব্যে সারাদেশে তোলপাড় হয়েছিল। উনার এক হাসি ওই সময় দেশে কী পরিস্থিতি তৈরি করেছিল। তাকে দিয়ে সরকারের কতখানি কমিটমেন্ট রক্ষা হবে?”

বিরোধী দলের এই সংসদ সদস্যের বক্তব্যের পর সংসদের কার্যপ্রণালী বিধির ২৭৪ ধারায় ‘ব্যক্তিগত কৈফিয়ত’ দেন বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশনের কার্যকরী সভাপতি শাজাহান খান, যিনি গত সরকারে নৌমন্ত্রী ছিলেন।

শাজাহান খান বলেন, “সংসদ সদস্য ফখরুল ইমাম মাদক ব্যবসা ও দুর্ঘটনাকে এক কাতারে দাঁড় করিয়ে আমার সম্পর্কে একটি মন্তব্য করেছেন। এটা অত্যন্ত দুঃখজনক ও নিন্দনীয়। আমি এই বক্তব্যের তীব্র নিন্দা জানাই।”

জাতীয় পার্টির সংসদ সদস্য তার ‘বিভ্রান্তিমূলক’ বক্তব্য প্রত্যাহার করবেন বলে আশা প্রকাশ করেন আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্য শাজহান খান। পাশাপাশি ফখরুল ইমামের বক্তব্য অধিবেশনের কার্যবিবরণী থেকে বাদ দিতে স্পিকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন তিনি।

এই আলোচনার সূত্র ধরে শাজাহান খান বলেন, “২০০৯ সালে অধ্যাপক মোজাফ্ফর আহমেদ আমার সম্পর্কে মন্তব্য করেছিলেন- ‘যার হাতে সড়ক পরিবহন জিম্মি তাকে দেওয়া হয়েছে নৌপরিবহনের দায়িত্ব’।

“সেই ঘটনার ৪ বছর পরে এক টক শো’তে জানতে চেয়েছিলাম, আপনার কী সেই ভুল ভেঙেছে? সেদিন তিনি কথাগুলোর উত্তর দেননি। ফখরুল ইমামকেও এই সংসদে দাঁড়িয়ে বলতে হবে তার বক্তব্য ভুল, বিভ্রান্তিকর ও উদ্দেশ্যমূলক ছিল।”

সড়ক পরিবন শ্রমিক নেতা হিসেবে দীর্ঘ দিন কাজের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে তিনি বলেন, “১৯৭২ সাল থেকে আমি এর সঙ্গে সম্পৃক্ত। আমি শ্রমিক রাজনীতি করি, ট্রেড ইউনিয়ন করি। শ্রমিকদের পক্ষে কথা বললে অনেকের গায়ে লাগতে পারে।

“২০১৩/১৪ সালে গার্মেন্টে যখন জ্বালাও-পোড়াও ও ভাংচুর ছিল, তখন প্রধানমন্ত্রী আমাকে দায়িত্ব দিয়েছিলেন। আমি সমস্ত শ্রমিকদের ঐক্যবদ্ধ করে ট্রেড ইউনিয়ন ও বেতন বাড়ানোর কথা বলেছিলাম। তিনি সেই পদক্ষেপ নিয়েছেন। শ্রমিকদের আন্দোলন হতেই পারে, কিন্তু সেই ২০১৩ সালের পরে একটি গার্মেন্টসও ভাংচুর হয়নি, জ্বালাও পোড়াও হয়নি।”

শাজাহান খান বলেন, “দুর্ঘটনা বন্ধ হয়ে যাবে, এটা বলতে চাইলে তা হবে বিভ্রান্তমূলক ধারণা। দুনিয়ার কোনো দেশ নেই যেখানে কম-বেশি দুর্ঘটনা না ঘটে। বিশ্ব ব্যাংক, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ও ইউনিসেফ একই সাথে ১৯২টি দেশের ওপর দুর্ঘটনার প্রতিবেদন করেছে। ২০১১ সালে ১৯২টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান ছিল ৯০তম এবং দুর্ঘটনার হার ছিলো ১৬ দশমিক ৫। আর ২০১৪ সালে সেই রেট কমে এসেছে ১২ দশমিক ৬ এ এবং আমাদের অবস্থান ১০৯।”

বেশ কয়েকটি বছরের দুর্ঘটনার প্রতিবেদন তুলে ধরে সাবেক এই মন্ত্রী বলেন, “২০০২ সালে দেশে ৪ হাজার ৯১৮টি দুর্ঘটনা ছিলো; এতে নিহত হয় তিন হাজার ৩৯৯ জন। ২০১৫ সালে দুই হাজার ৩৯৪টি দুর্ঘটনা ও দুই হাজার ৩৭৬ জন নিহত হয়েছে। জাতীয় পার্টি ও বিএনপির শাসনামলে ট্রেনিং ইন্সটিটিউট ছিল না। শেখ হাসিনার আমলে ১৯৭টি ট্রেইনিং ইন্সস্টিটিউ হয়েছে। আগের মতো টার্মিনাল দখল, মানুষ হত্যার অবস্থা এখন নেই।”

বর্তমান সরকারের নানামুখী পদক্ষেপে দুর্ঘটনা কমে এসেছে দাবি করে তিনি বলেন, “ঢাকা-আরিচা মহাসড়কে ২০১২ সালে দুর্ঘটনা ছিল ৫১৪টি। ২০১৩ সালে তা কমে হয় ২১২টি। বাঁকগুলো সোজা করা এবং ফোর লেন করার জন্য এটা কমে এসেছে।

“দুর্ঘটনা আরও কমাতে হবে। সেই জন্য আমাদের দায়িত্বটা দেওয়া হয়েছে। একাধিক মন্ত্রীসহ শতাধিক ব্যক্তির উপস্থিতিতে আমাকে এই দায়িত্বটা দেওয়া হয়েছে। সেখানে তো কেউ বিরোধিতা করেননি।”

দুর্ঘটনার জন্য শুধু বাসচালককে দায়ী না করার আহ্বান জানিয়ে পরিবহন শ্রমিকদের নেতা শাজহান খান বলেন, “পাটুরিয়ায় সড়ক দুর্ঘটনায় সমাজকল্যাণ সচিব নিহত হয়েছিলেন, সেই দুর্ঘটনায় চালক দায়ী নন।

“প্রধানমন্ত্রী বলেছেন বেল্ট পরতে হবে। তারেক মাসুদ নিহতের ঘটনায় তার স্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর কাছে বলেছিলেন, যারা নিহত হয়েছিলেন কেউ বেল্ট পরেননি। তাহলে এই দায়িত্বটা কার ওপর বর্তাবে? যে গাড়িটি তারেক মাসুদকে বহন করছিল, তিনি (তার চালক) দীর্ঘ সময় গাড়ি চালিয়েছিলেন। সারারাত গাড়ি চালিয়েছেন, দিনের বেলায় তিনি দুর্ঘটনা ঘটিয়েছেন। এই ধরনের বহু রিপোর্ট আমার কাছে রয়েছে।”

এই সব বিষয়গুলো বিবেচনায় নিয়েই সড়কে শৃঙ্খলা আনতে কাজ করবেন জানিয়ে তিনি বলেন, “কিছু কার্যকর ব্যবস্থা নেব। সেই ব্যবস্থার মধ্য দিয়ে বাংলাদেশে দুর্ঘটনার হার আরও কমে যাবে বলে আশা করি।”

]]>
1568558 https://d30fl32nd2baj9.cloudfront.net/media/2018/12/07/shahjahan-khan.jpg/ALTERNATES/w300/shahjahan-khan.jpg ফাইল ছবি
18 2 Home bangladesh_bn বাংলাদেশ news-bn 199 1594380 নিজস্ব প্রতিবেদক, বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম নিজস্ব প্রতিবেদক, বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম Mon, 18 Feb 2019 19:35:36 +0600 Mon, 18 Feb 2019 19:35:48 +0600 বাদল ও স্ত্রীর বিরুদ্ধে দুদকের অভিযোগপত্র অনুমোদন বাদল ও স্ত্রীর বিরুদ্ধে দুদকের অভিযোগপত্র অনুমোদন ব্যবসায়ী লুৎফর রহমান বাদল ও তার স্ত্রী সোমা আলম রহমানের বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে দুই মামলার অভিযোগপত্র অনুমোদন দিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। ব্যবসায়ী লুৎফর রহমান বাদল ও তার স্ত্রী সোমা আলম রহমানের বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে দুই মামলার অভিযোগপত্র অনুমোদন দিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। false https://bangla.bdnews24.com/bangladesh/article1594380.bdnews false https://d30fl32nd2baj9.cloudfront.net/media/2015/10/29/luthfar-rahman-badal.jpg/ALTERNATES/w300/Luthfar+Rahman+Badal.jpg
সোমবার কমিশন এই অনুমোদন দেয় বলে দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রনব কুমার ভট্টাচার্য্য জানিয়েছেন।

আইএফআইসি ব্যাংকের সাবেক পরিচালক বাদলের বিরুদ্ধে ৫৯ কোটি ৭০ লাখ টাকার জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগের মামলাটির অভিযোগপত্র অনুমোদন পেয়েছে।

২০১৭ সালের ২৮ এপ্রিল বাদলের বিরুদ্ধে দুদকের তৎকালীন উপ-পরিচালক শেখ আবদুস ছালাম বাদী হয়ে রাজধানীর রমনা থানা মামলাটি করেন।

পরে দুদকের উপ-পরিচালক মো. মোশারফ হোসেইন মৃধা মামলাটি প্রায় দুই বছর তদন্ত করে প্রতিবেদনে জমা দিলে দুদক অভিযোগপত্র অনুমোদন দেয়।

লুৎফর রহমান বাদল

লুৎফর রহমান বাদল

প্রনব বলেন, “শিগগিরই সংশ্লিষ্ট আদালতে এ অভিযোগপত্র উপস্থাপন করা হবে।”

অন্যদিকে বাদলের স্ত্রী সোমার বিরুদ্ধে ৯২ কোটি ৮২ লাখ টাকার জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে মামলার অভিযোগপত্র অনুমোদন দেওয়া হয়।

২০১৭ সালের ২৯ এপ্রিল দুদকের কর্মকর্তা শেখ আবদুস ছালাম বাদী হয়ে রমনা থানা মামলাটি করেন। এ মামলাটিও উপ-পরিচালক মোশারফ হোসেইন মৃধা তদন্ত করেন।

বাংলাদেশের আর্থিক খাতে আলোচিত নাম লুৎফর রহমান বাদল। বলা হয়, পুঁজিবাজার থেকেই বিত্তশালী হয়ে ওঠেন তিনি। পুঁজিবাজারে কারসাজির ঘটনায় বিভিন্ন সময়ে তার নাম এসেছে। বাদল ক্রীড়া সংগঠক হিসেবেও পরিচিত।

২০১৫ সালের ২৯ অক্টোবর বাদলকে আইএফআইসি ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ থেকে অপসারণ করে বাংলাদেশ ব্যাংক।

বাদল গত কয়েক বছর ধরে বিদেশে অবস্থান করছেন। তার ও সোমার কয়েকশ কোটি টাকার সম্পদ আদালতের আদেশে জব্দ করা হয়েছে।

]]>
19 2 Home ctg চট্টগ্রাম news-bn 10023 1594367 চট্টগ্রাম ব্যুরো চট্টগ্রাম ব্যুরো বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম Mon, 18 Feb 2019 18:51:23 +0600 Mon, 18 Feb 2019 19:21:20 +0600 চট্টগ্রামে তিন দিনেও মেরামত হয়নি গ্যাস লাইনের ফুটো তিন দিনেও মেরামত হয়নি গ্যাস লাইনের ফুটো চট্টগ্রামে খাল খোঁড়ার সময় ফুটো হওয়া গ্যাস লাইন ঠিক হতে কত সময় লাগবে তা নির্দিষ্ট করে বলতে পারছে না কেজিডিসিএল কর্তৃপক্ষ। চট্টগ্রামে খাল খোঁড়ার সময় ফুটো হওয়া গ্যাস লাইন ঠিক হতে কত সময় লাগবে তা নির্দিষ্ট করে বলতে পারছে না কেজিডিসিএল কর্তৃপক্ষ। false https://bangla.bdnews24.com/ctg/article1594367.bdnews false https://d30fl32nd2baj9.cloudfront.net/media/2019/02/17/gas-pipe-leaking-chittagong-170219-6.jpg1/ALTERNATES/w300/Gas-Pipe-Leaking-Chittagong-170219-6.jpg চট্টগ্রাম ইপিজেড এলাকায় চলছে গ্যাস লাইনের ফুটো মেরামত। শুক্রবার সিটি করপোরেশনের খাল খনন কাজের সময় সরবরাহ লাইন ফুটো হয়ে যায়। এতে রোববার বন্দরনগরী বড় একটি অংশে গ্যাস সরবরাহ বন্ধ থাকে। ছবি: সুমন বাবু
চট্টগ্রাম মহানগরীর একটি বড় অংশে সোমবার তৃতীয় দিনেও গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক না হওয়ায় নগরবাসীর ভোগান্তি অব্যাহত রয়েছে।

নগরীর আকমল আলী রোডের খাল পাড় এলাকায় খননের সময় গ্যাস সরবরাহ লাইনটির প্রায় দুই ইঞ্চি ফুটো হয়ে গেছে কেজিডিসিএল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।

কর্ণফুলী গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেডের (কেজিডিসিএল) ব্যবস্থাপনা পরিচালক খায়েজ আহমেদ মজুমদার বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “পাইপ লাইনটি পরিষ্কারের কাজ চলছে, এটি টেকনিক্যাল বিষয় সেজন্য সময় লাগবে।”

কবে নাগাদ মেরামত হয়ে গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক হতে পারে জানতে চাইলে তিনি বলেন, “তা ঠিক সময় ধরে বলা যাবে না। কাজ চলছে, আমরা স্পটে আছি। সারারাতও লাগতে পারে, সকালও হতে পারে। কাজ চলছে, চলবে।”

কেজিডিসিএল ম্যানেজার (কাস্টমার মেনটেইনেন্স) অনুপম দত্ত বলেন, “পাইপ লাইনটি উন্মুক্ত করা গেছে। সিটি করপোরেশন কর্তৃক খাল খননের সময় প্রায় ২৪ ইঞ্চি ব্যাসের পাইপ লাইনটির প্রায় দুই ইঞ্চি পরিমাণ ফুটো হয়েছে।

“এটি মেরামতে কাজ করা হচ্ছে, তবে কবে নাগাদ শেষ হবে তা বলা যাচ্ছে না।”

নগরীর ইপিজেড থানার আকমল আলী রোডের খালপাড় এলাকায় শুক্রবার গভীর রাতে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের উদ্যোগে মাইট্টাল্লা খাল খননের সময় পাইলিংয়ের একটি হুক গ্যাস সরবরাহ লাইনে ঢুকে ফুটো হয়ে যায়।

পাইপলাইনে ত্রুটির কারণে চট্টগ্রাম ইপিজেড, কর্ণফুলী ইপিজেড, বেসরকারি বিদ্যুৎকেন্দ্র (৬০ মেগাওয়াট) ইউনাইটেড পাওয়ার, হালিশহর, পতেঙ্গা, বন্দর, আগ্রাবাদ পুরো এলাকা, সদরঘাট, ফিরিঙ্গী বাজার, আন্দরকিল্লা, হেম সেন লেইন, জামাল খান, চেরাগী পাহাড়সহ বিভিন্ন অংশে আংশিকভাবে গ্যাস সরবরাহ বন্ধ আছে।

তৃতীয় দিনেও গ্যাস সংকটের নগরীর এসব এলাকার বাসাবাড়িতে চুলা জ্বলেনি। অনেকে বিকল্প ব্যবস্থায় কেরোসিন অথবা সিলিন্ডারের চুলায় রান্না করলেও একটি বড় অংশকে হোটেল রেস্তোরাঁ থেকে খাবার কিনতে দেখা গেছে।

]]>
1593937 https://d30fl32nd2baj9.cloudfront.net/media/2019/02/17/gas-pipe-leaking-chittagong-170219-6.jpg1/ALTERNATES/w300/Gas-Pipe-Leaking-Chittagong-170219-6.jpg চট্টগ্রাম ইপিজেড এলাকায় চলছে গ্যাস লাইনের ফুটো মেরামত। শুক্রবার সিটি করপোরেশনের খাল খনন কাজের সময় সরবরাহ লাইন ফুটো হয়ে যায়। এতে রোববার বন্দরনগরী বড় একটি অংশে গ্যাস সরবরাহ বন্ধ থাকে। ছবি: সুমন বাবু
20 2 Home bangladesh_bn বাংলাদেশ news-bn 199 1594254 নিজস্ব প্রতিবেদক, বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম নিজস্ব প্রতিবেদক, বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম Mon, 18 Feb 2019 14:37:33 +0600 Mon, 18 Feb 2019 14:38:20 +0600 সাংসদদের শপথের বৈধতা প্রশ্নে রিট আবারও খারিজ সাংসদদের শপথের বৈধতা প্রশ্নে রিট আবারও খারিজ একাদশ জাতীয় নির্বাচনে জয়ীদের শপথ অবৈধ দাবি করে ২৯০ জনের সাংসদ পদে থাকার বৈধতা প্রশ্নে দায়ের করা রিট আবেদন সরাসরি খারিজ করে দিয়েছে হাই কোর্ট। একাদশ জাতীয় নির্বাচনে জয়ীদের শপথ অবৈধ দাবি করে ২৯০ জনের সাংসদ পদে থাকার বৈধতা প্রশ্নে দায়ের করা রিট আবেদন সরাসরি খারিজ করে দিয়েছে হাই কোর্ট। false https://bangla.bdnews24.com/bangladesh/article1594254.bdnews false https://d30fl32nd2baj9.cloudfront.net/media/2019/01/03/oath-11th-parliament-member-0301201-002.jpg/ALTERNATES/w300/oath-11th-parliament-member-0301201-002.jpg ফাইল ছবি
বিচারপতি শেখ হাসান আরিফ ও বিচারপতি রাজিক আল জলিলের বেঞ্চ সোমবার এ আদেশ দেয়।

আদালতে রিট আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন এম মাহবুবউদ্দিন খোকন ও সাকিব মাহবুব। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটির্নি জেনারেল মোখলেছুর রহমান।

দশম সংসদ বহাল থাকা অবস্থায় একাদশ সংসদের এমপিদের শপথের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে রিট আবেদনটি করেছিলেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী তাহেরুল ইসলাম তৌহিদ।

বিচারপতি মইনুল ইসলাম চৌধুরী ও বিচারপতি মো. আশরাফুল কামালের হাই কোর্ট বেঞ্চ গত ১৭ জানুয়ারি আবেদনটি ‘উত্থাপিত হয়নি’ বলে খারিজ করে দিয়েছিল। পরে ফের রিট আবেদনটি করা হলে গত ৬ ফেব্রুয়ারি শুনানি নিয়ে আদালত ১৮ ফেব্রুয়ারি আদেশের দিন রেখেছিল।

আদেশের পর ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মোখলেছুর রহমান বলেন, “একাদশ জাতীয় নির্বাচনে নির্বাচিত সংসদ সদস্যরা দায়িত্ব নেবেন বলেই গত ৩ জানুয়ারি তারা শপথ নিয়েছেন। সংসদের প্রথম অধিবেশন বসেছে ৩০ জানুয়ারি। সংবিধান অনুযায়ী সংসদের প্রথম অধিবেশন বসার দিন থেকে সংসদ সদস্যরা কার্যভার গ্রহণ করে থাকেন। ফলে আগে শপথ নিলেও তাতে সংবিধান বা আইনের ব্যত্যয় ঘটেনি। ফলে রিট আবেদনটি সরাসরি খারিজ করে দিয়েছে আদালত।

“আদালত বলেছে, ‘সংসদ অধিবেশন শুরু আগে শপথ নেওয়ার মুখ্য উদ্দেশ্য হচ্ছে সরকার গঠন। কারণ রাষ্ট্রপতি সংখ্যাগরিষ্ঠ আসন পাওয়া দলের প্রধানকে সরকার গঠনের আমন্ত্রণ জানিয়ে থাকেন। এ কারণে নির্বাচিত সদস্যরা আগে শপথ নিয়েছেন। আর সংসদ অধিবেশন শুরুর আগে সরকার গঠন করা হয়ে থাকে। অতএব রিট আবেদনটি সরাসরি খারিজ করা হল’।”

অন্যদিকে আদালতের আদেশের বিরুদ্ধে আপিলে যাওয়ার কথা বলেছেন রিটকারীর আইনজীবী বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব মাহবুবউদ্দিন খোকন।

তিনি বলেন, “আমরা মনে করি, শপথ গ্রহণের দিন থেকেই সংসদ সদস্যদের কার্যভার গ্রহণ করা হয়। কিন্তু আদালত সংসদের প্রথম অধিবেশন থেকে সংসদ সদস্যদের কার্যভার গ্রহণ করার কথা বলেছেন। আদালতের এই পর্যবেক্ষণ যথাযথ মনে করছি না। তাই এ আদেশের বিরুদ্ধে আমরা আপিল বিভাগে যাব।”

২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নির্বাচিত সংসদ সদস্যরা ৯ জানুয়ারি শপথ নিয়েছিলেন। বিএনপিবিহীন ওই সংসদের যাত্রা শুরু হয়েছিল ওই বছরের ২৯ জানুয়ারি। সে অনুযায়ী এ বছরের ২৯ জানুয়ারি পর্যন্ত দশম সংসদের মেয়াদ ছিল।

মেয়াদ অবসানের ৯০ দিন আগে থেকে পরবর্তী ৩০ দিনের মধ্যে নতুন নির্বাচন করার সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা অনুসরণ করে গত ৩০ ডিসেম্বর একাদশ সংসদ নির্বাচন হয়। নির্বাচনে বিজয়ীরা গত ৩ জানুয়ারি সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ নেন। এরপর ৭ জানুয়ারি নতুন সরকারও শপথ নেয়।

তার একদিন বাদে গত ৮ জানুয়ারি নতুন এমপিদের শপথ বাতিল করে গেজেট প্রকাশের দাবি জানিয়ে স্পিকার, প্রধান নির্বাচন কমিশনার, মন্ত্রিপরিষদ সচিবকে উকিল নোটিস দেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী তাহেরুল ইসলাম তৌহিদ। তার আইনজীবী হিসেবে মাহবুবউদ্দিন খোকন ওই নোটিস পাঠান।

ওই নোটিসের জবাব না পাওয়ায় নতুন সাংসদদের শপথের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে গত ১৪ জানুয়ারি রিট আবেদন করেন তাহেরুল ইসলাম তৌহিদ।

]]>
1578439 https://d30fl32nd2baj9.cloudfront.net/media/2019/01/03/oath-11th-parliament-member-0301201-002.jpg/ALTERNATES/w300/oath-11th-parliament-member-0301201-002.jpg ফাইল ছবি