bdnews24.com - Home https://bangla.bdnews24.com/ The RSS feed of bdnews24.com en Bangladesh News 24 Hours Ltd. 2017-09-13 09:34:43.0 2017-09-13 09:34:43.0 Home customGroupedContent 1 2 Home politics_bn রাজনীতি news-bn 198 1509878 গাজীপুর প্রতিনিধি, বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম গাজীপুর প্রতিনিধি, বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম 2018-06-23 19:07:41.0 2018-06-23 19:09:51.0 এমন কর্ম করব সারা বিশ্ব মনে রাখবে: হাসান সরকার হয়রানি বন্ধ না হলে এমন কর্ম করব সারা বিশ্ব মনে রাখবে: হাসান সরকার কী সেই কর্ম তা স্পষ্ট করেননি গাজীপুরে বিএনপির মেয়র প্রার্থী। পুলিশ ও আইন শৃঙ্খলা বাহিনী নেতাকর্মীদের ‘নির্বিচারে গ্রেপ্তার’ এবং বাড়িতে গিয়ে অভিযানের নামে হয়রানি করছে অভিযোগ করে পাল্টা হুঁশিয়ারি দিয়েছেন গাজীপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী হাসান উদ্দিন সরকার। false https://bangla.bdnews24.com/politics/article1509878.bdnews false https://d30fl32nd2baj9.cloudfront.net/media/2018/06/23/masum-23-06-2018.jpg/ALTERNATES/w300/masum-23-06-2018.jpg
তিনি বলেছেন, “আমি এখনও আবেদন করব, আমি এখনও নিবেদন করব, আপনারা সেই শান্তির পরিবেশ রক্ষা করুন। আর তা যদি নয় হয় আমি পূর্বে একটা ঘোষণা দিয়েছি, আমি এমন একটা কর্ম করব যে তাতে সমাজের ক্ষতি হবে না, কিন্তু চিরদিন যেন এ বিশ্ব স্মরণ করে নির্বাচনের জন্য হাসান উদ্দিন সরকার ওই কর্ম করেছে।”

শনিবার নগরীর পূবাইল এলাকায় গণসংযোগে গিয়ে তিনি বলেন, “আমাকে প্রশাসনিকভাবে হয়রানি করা হচ্ছে। মামলা নেই তারপরও আমার লোকজনকে গ্রেপ্তার করা হচ্ছে, হয়রানি করা হচ্ছে।”

এদিন সকালে ‘পুলিশি হয়রানি, গণগ্রেফতার ও ভয়ভীতি প্রদর্শন প্রসঙ্গে’ নির্বাচন কমিশনে একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন বিএনপির প্রার্থী।

হাসান সরকার বলেন, “আমার নেতা-কর্মীদের বাড়িতে গিয়ে অভিযানের নামে পুলিশ হয়রানি করছে। গেল রাতে গাছা এলাকা থেকে কাউছার নামের এক কর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে। ছাত্রলীগ-যুবলীগের নেতা-কর্মীরা নগরীর পোড়াবাড়ি এলাকা থেকে আমার প্রচারণার দুটি মাইক ছিনিয়ে গেছে।”

নতুন মেয়র ও কাউন্সিলর পেতে আগামী ২৬ জুন ভোট দিতে যাচ্ছে গাজীপুরবাসী। নির্বাচন ঘিরে এখন প্রচার-প্রচারণায় সরগরম ঢাকার পাশের এই নগরী।

মেয়র পদে লড়ছেন সাতজন। ৫৭টি সাধারণ ওয়ার্ডে কাউন্সিলর পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় আছেন ২৫৬ জন, আর ১৯টি সংরক্ষিত মহিলা ওয়ার্ডে কাউন্সিলর প্রার্থী হয়েছেন ৮৪ জন। এই সিটিতে মোট ভোটার ১১ লাখ ৩৭ হাজার ৭৩৬ জন।

মেয়র পদে দলীয় প্রতীকের নির্বাচনে ধানের শীষ প্রতীকে বিএনপির হাসান উদ্দিন সরকারের প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী নৌকা প্রতীকে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের প্রার্থী জাহাঙ্গীর আলম।

শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখতে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের প্রতি আহ্বান জানান হাসান সরকার।

তিনি বলেন, “আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগ ও যুবলীগ নেতা-কর্মীদের উদ্দেশে বলব, আমরা যেন কলহ না করি, বিরোধ না করি, আমার যেন কারও সর্বনাশ করি। আমরা যেন শান্তির পথে চলি।

“২৬ তারিখ নির্বাচন হয়ে গেলে আমরা কিন্তু এখানেই একসাথে থাকব। রাজনীতি মানুষের কল্যাণের জন্য। রাজনীতির কারণে যদি মানুষের মধ্যে সমাজের মধ্যে অশান্তি সৃষ্টি হয়, মুরুব্বিদের মধ্যে অশান্তি সৃষ্টি হয়-সেটা রাজনীতি নয়।”

]]>
1509877 https://d30fl32nd2baj9.cloudfront.net/media/2018/06/23/masum-23-06-2018.jpg/ALTERNATES/w300/masum-23-06-2018.jpg
2 2 Home bangladesh_bn বাংলাদেশ news-bn 199 1509828 জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম 2018-06-23 17:38:54.0 2018-06-23 19:19:00.0 জনগণের কাছে যেতে হবে, নেতাকর্মীদের প্রতি হাসিনা জনগণের কাছে যেতে হবে, নেতাকর্মীদের প্রতি শেখ হাসিনা একাদশ জাতীয় নির্বাচনকে ‘অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ’ বর্ণনা করে টানা তৃতীয় মেয়াদে ক্ষমতায় আসার পথে মানুষের রায়কে গুরুত্ব দেওয়ার কথা বলেছেন আওয়ামী লীগ সভানেত্রী ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। একাদশ জাতীয় নির্বাচনকে ‘অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ’ বর্ণনা করে টানা তৃতীয় মেয়াদে ক্ষমতায় আসার পথে মানুষের রায়কে গুরুত্ব দেওয়ার কথা বলেছেন আওয়ামী লীগ সভানেত্রী ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। false https://bangla.bdnews24.com/bangladesh/article1509828.bdnews false https://d30fl32nd2baj9.cloudfront.net/media/2018/06/23/pm-4600.jpg/ALTERNATES/w300/PM-4600.jpg গণভবনে আওয়ামী লীগের বিশেষ বর্ধিত সভায় বক্তব্য দেন সভানেত্রী শেখ হাসিনা। ছবি: পিআইডি
আসন্ন নির্বাচনকে সামনে রেখে তাই দলের নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ হয়ে ও ত্যাগের মনোভাব নিয়ে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

গণভবনে শনিবার আওয়ামী লীগের বিশেষ বর্ধিত সভায় বক্তব্য দিচ্ছিলেন শেখ হাসিনা।

সভায় আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদ, উপদেষ্টা পরিষদ ও জাতীয় কমিটির সদস্য, ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণের সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক, দেশের বিভিন্ন মহানগরের সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক ও সারা দেশের জেলা ও উপজেলা, পৌরসভা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকরা উপস্থিত ছিলেন।

সেনা নিয়ন্ত্রিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় ২০০৮ সালের ডিসেম্বরে জাতীয় নির্বাচনে আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন জোট নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে ক্ষমতায় আসে। এরপর বিএনপির বর্জনের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠিত ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারির নির্বাচনে জয়ী হয়ে টানা দ্বিতীয় মেয়াদে সরকার গঠন করে আওয়ামী লীগ।

আওয়ামী লীগের ৬৯তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীতে শনিবার বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে নবনির্মিত দলীয় কর্যালয় ভবনের উদ্বোধন করেন দলীয় সভানেত্রী ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ছবি: পিআইডি

আওয়ামী লীগের ৬৯তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীতে শনিবার বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে নবনির্মিত দলীয় কর্যালয় ভবনের উদ্বোধন করেন দলীয় সভানেত্রী ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ছবি: পিআইডি

সংবিধান অনুযায়ী, দশম জাতীয় সংসদের মেয়াদ শেষ হওয়ার আগের ৯০ দিনের মধ্যে একাদশ সংসদ নির্বাচন হতে হবে। সেই হিসাবে, আগামী নির্বাচন হতে হবে ৩০ অক্টোবর থেকে ২৮ জানুয়ারির মধ্যে। সেই প্রস্তুতিই নিচ্ছে নির্বাচন কমিশন।

গণভবনের বর্ধিত সভায় শেখ হাসিনা একাদশ জাতীয় নির্বাচনেও জয়ী হওয়ার প্রতি গুরুত্ব দিয়ে বলেন, “আগামী নির্বাচন আমাদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ত্যাগের মনোভাব নিয়ে কাজ করতে হবে, যেনে এই নির্বাচনে আওয়ামী লীগ আবার জয়লাভ করে সরকার গঠন করতে পারে।”

নির্বাচনে অপ্রীতিকর পরিস্থিতি পরিহার করার তাগিদ দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আমরা বদনাম নিতে চাই না, জনগণের মন জয় করেই কিন্তু ক্ষমতায় আসতে হবে।”

নেতাকর্মীদের দায়িত্বের কথা মনে করিয়ে দিয়ে আওয়ামী লীগ সভানেত্রী বলেন, “আওয়ামী লীগের দায়িত্ব অনেক বেশি। যাকে আমরা নৌকা মার্কা দেবে, যাকে আমরা নির্বাচনে প্রার্থী করবে তার পক্ষে সকলকে কাজ করতে হবে। আপনাদের এখন থেকে জনগণের কাছে যেতে হবে; নৌকা মার্কায় ভোট চাওয়ার জন্য। কে প্রার্থী, কে প্রার্থী না সেটা বড় কথা না। নৌকা মার্কায় ভোট চাওয়ার জন্য জনগণের কাছে যেতে হবে।

“সামনে নির্বাচন। এই কথাটা সব সময় মনে রাখতে হবে; নির্বাচন মানেই এটা চ্যালেঞ্জিং হবে। এটা কিন্তু আমাদের একটানা তৃতীয়বার…এই তৃতীয়বারের নির্বাচনে সকলকে কিন্তু এক হয়ে কাজ করতে হবে।”

সরকারের করা উন্নয়নের চিত্র তুলে ধরে শেখ হাসিনা তৃণমূলের উদ্দেশ্য বলেন, “এত কাজ আমরা করেছি, যে উন্নয়ন আমরা করেছি, এত উন্নয়ন করার ফলে মানুষ যে নৌকায় ভোট দেবে না, তা কিন্তু নয়। যদি না দেয়; তার জন্য দায়ী থাকবেন আপনারা তৃণমূল; এটাই আমার কথা। আপনারা সঠিকভাবে মানুষের কাছে যেতে পারেননি, বলতে পারেননি, বুঝাতে পারেননি, সেবা করতে পারেননি; সেইজন্যই.. নইলে এখানে হারার তো কোনো কথা না।”

বর্ধিত সভায় সভাপিতর বক্তব্যে শেখ হাসিনা বলেন, “এত উন্নয়ন কবে হয়েছে, কোন সরকার করতে পেরেছ? তবে কেন অন্য দল ভোট পাবে? যারা সন্ত্রাস-জঙ্গিবাদের সঙ্গে জড়িত; সেই দল কেন ভোট পাবে, এই প্রশ্নের উত্তর আমি পাই না।”

আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীতে শনিবার সকালে জাতির জনকের প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ছবি: পিআইডি

আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীতে শনিবার সকালে জাতির জনকের প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ছবি: পিআইডি

বিএনপি-জামায়াত ক্ষমতায় আসলে দেশকে ধ্বংস করে দেবে বলে মন্তব্য করে শেখ হাসিনা বলেন, “দলের মধ্যে ঐক্য রাখতে হবে, ত্যাগের মনোভাব নিয়ে কাজ করতে হবে।”

‘দলের বদনাম করলে মনোনয়ন নয়’

আগামী নির্বাচনেও মহাজোট থাকার ঈঙ্গিত দিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, “আমরা মহাজোট করেছি, নির্বাচনের স্বার্থে করেছি…আগামীতেও করব, আমরা বন্ধু হারাব না।”

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে যারা প্রার্থী হওয়ার জন্য কাজ শুরু করে দিয়েছেন তাদের সচেতন করে দিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, “আমি একটা জিনিস লক্ষ্য করছি; অনেক স্বপ্রণোদিত হয়ে প্রার্থী হয়ে গেছেন। তারা প্রার্থী হয়ে, বিএনপি কী সন্ত্রাস করল, দুর্নীতি করল, লুটপাট করল; সেটা বলে না। তার বক্তব্য এসে যায়, আমার আওয়ামী লীগের এমপির বিরুদ্ধে, সংগঠনের বিরুদ্ধে।

“আমি এখানে একটা ঘোষণা দিতে চাই; কেউ যদি আমার দলের.. প্রার্থী হওয়ার অধিকার সকলেরই আছে। কিন্তু, সে প্রার্থী হতে যেয়ে আমার দলকে বদনামে ফেলবে; কোনো মতেই এটা আমি মেনে নেব না। এটা সবাইকে মাথায় রাখতে হবে। যে উন্নয়নের কাজগুলো করছি সেগুলো না বলে, সেগুলো ভুলিয়ে দিয়ে.. কার বিরুদ্ধে কী দোষ আছে; সেইটা খুঁজে জনগণের কাছে যারা বলবেন, তারা কখনো আওয়ামী লীগের নমিনেশন পাবেন না, পরিষ্কার কথা। তারা কখনো আওয়ামী লীগের নমিনেশন পাবেন না।”

নিজের কর্মব্যস্ত জীবনের কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আপনারা বলেন, আমার কী আছে? কোনো বিয়ে-শাদিতে যাই না, কোনো উত্সবে যাই না। আমি সারা দিনরাত দেশের মানুষের জন্য কাজ করে যাচ্ছি।

দলীয় প্রধান হিসেবে শেখ হাসিনা কেন্দ্রীয় নেতাদের সঙ্গে নিয়ে জাতির জন্ক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা জানান।ছবি: পিআইডি

দলীয় প্রধান হিসেবে শেখ হাসিনা কেন্দ্রীয় নেতাদের সঙ্গে নিয়ে জাতির জন্ক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা জানান।ছবি: পিআইডি

“আমি রেকর্ড করছি.. আজ ডিজটাল বাংলাদেশ। যে যখন বক্তৃতা দেন মোবাইল ধরলেই কিন্তু আমি শুনি। ম্যাসেজ আমি পড়ি। কোনো ম্যাসেজ বাদ যায় না। এখনো আমার মোবাইল ফোনে মনে হয় দিনে চারশ-পাঁচশ ম্যাসেজ আসে। আমি যখনই সময় পাই বসে বসে পড়ি আর সমস্যা সমাধানের চেষ্টা আমি করি।”

একই প্রসঙ্গে শেখ হাসিনা আরও বলেন, “আমি এটাই বলব, যারা আমার দলের বিরুদ্ধ কথা বলবে, দলের বদনাম করবে; সে কী এটা বোঝে না যে, তার ভোটও নষ্ট হবে। সে তাহলে কোন মুখে ভোট চাইতে যাবে। পাঁচ বছর দশ বছর ক্ষমতায় থাকার পর সে যদি দলের বদনাম করে, জনগণ তো তাকেও ভোট দেবে না।”

সতর্কবার্তা সাংসদদের জন্যও

বর্তমান সংসদ সদস্যদেরও তাদের কর্মকাণ্ডের ব্যাপারে সাবধান করে দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আমাদের যারা সংসদ সদস্য, তাদেরকে আমি বলব, একটা কথা মনে রাখবেন জনগণ কিন্তু খুব হিসাবী। কে দুর্নীতি করল, জনগণ কিন্তু সেটা মাথায় রাখে। কাজ করতে গেলে টাকা নিলে, এরপর ভোট চাইতে গেলে বলবে, ‘টাকা দিয়ে কাজ নিসি, ভোট দেব কেন?’ ”

নাগরিকদের বোকা না ভাবার পরামর্শ দিয়ে তিনি বলেন, “জনগণের এখন কিন্তু চক্ষু খুলে গেছে। এখন ডিজিটাল যুগ। তারা এখন বিশ্বকে জানতে পারে। যারা সংসদ সদস্য…হাতে এখন খুব বেশি সময় নাই।”

‘প্রার্থী মনোনয়নে গুরুত্ব তৃণমূলের মূল্যায়ন’

তৃণমূলের নেতাকর্মীদের মূল্যায়নের ওপরও আগামীতে মনোনয়ন নির্ভর করবে বলেও স্মরণ করিয়ে দেন প্রধানমন্ত্রী।

“আপনারা নমিনেশন পাবেন কী, পাবেন না; তা নির্ভর করে আপনার এলাকায় আপনারা কতটুকু জনপ্রিয়তা অর্জন করতে পেরেছেন আর কতটুকু তৃণমূল পর্যায়ে আমাদের নেতাকর্মীদের কতটুকু মূল্যায়ন করেছেন; সেটাও কিন্তু আমি বিবেচনা করে দেখব।”

নিজের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে তিনি বলেন, “আমি ছোট বেলা থেকেই তো দেখেছি; আমার বাবা জেলের বাইরে থাকলে কী চেহারা আর ভেতরে থাকলে কী চেহারা। দুঃসময়ে আমার যারা নেতাকর্মী, দুঃসময়ে দলের হাল যারা ধরে রাখে, ওই দুঃসময়ের কর্মীরা তারা যেন অবহেলিত না হয়।”

নিজের পক্ষে জনসমর্থন বৃদ্ধিতে অন্য দলের নেতাকর্মীদের না ভেড়ানোর নির্দেশ দিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, “এখন তো অনেকেই আসবে। আমি আরেকটা সার্ভে করে বের করছি; যেহেতু আমরা ক্ষমতায় বিভিন্ন দল থেকে অনেকেই ছুটে আসে, দলে আসতে। আর, গ্রুপ করার জন্য কোনো বাছ-বিচার নাই, যাকে পাচ্ছে তাকে নিয়ে নিজের শক্তি দেখাতে চায়।

“এরা আসে মধু খেতে, এরা আপনার সাথে থাকতে আসে না। এরা আপনার সাথে থাকতে আসে নাই, আপনার জন্য কাজ করতে আসে নাই। আর যাদের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে; ভাবে যে এখানে আসলে মামলা থেকে বাঁচতে পারবে। আর, আসে কারা? যারা মনে করে ক্ষমতার সাথে থাকতে পারলেই তো পয়সা বানাতে পারব।”

মামলা থেকে রেহাই পেতেও অনেকে আওয়ামী লীগে যোগ দিচ্ছে বলে প্রধানমন্ত্রী উল্লেখ করেন।

“একটা সার্ভে আমরা পুরো বাংলাদেশে করেছি; কাদের কাদের বিরুদ্ধে মামলা আছে আর কারা আমার দলে আছে। সেই তালিকা কিন্তু আমার কাছে আছে। আমি বলব, কেউ যদি তাদের প্রশ্রয় দিয়ে থাকেন, তাদের এখনই বিদায় করেন। কারণ তারা দুঃসময়ে থাকবে না। অনেকই আসবে আপনাদের মধ্যে কোন্দল করে খুন করবে.. নাম হবে দল দলকে খুন করেছে; এই দূরভীসন্ধি নিয়েও কিন্তু অনেকে আসে।

“এটা মনে করবেন; আপনার দলের লোক আপন না, বাইরের লোক আপন হয়ে গেছে, সে কিন্তু আপন হবে না। নিজের যারা তাদের চিনতে হবে। আওয়ামী লীগ সম্পদ গড়ার জন্য না, আওয়ামী লীগ জনগণের ভাগ্য গড়ার জন্য।”

নেতাকর্মীদের উদ্দেশে শেখ হাসিনা আরো বলেন, “আমরা যে কাজ করেছি; তা তো বলতে হবে। ভোটের রাজনীতি করলে তো মানুষকে বলতে হবে, আপনার জন্য এই কাজ আমি করেছি, এই কাজ অব্যাহত রাখতে হবে।”

২০০১ সালে বিএনপি-জামায়াত জোট ক্ষমতাসীন হওয়ার পর কমিউনিটি ক্লিনিক বন্ধ করে দেওয়ার কথা তুলে ধরে শেখ হাসিনা বলেন, “ওরা ক্ষমতায় আসা মানেই জনগণের জন্য দুর্ভোগ; এই কথাগুলো জনগণের কাছে বলতে হবে।”

মাদকের বিরুদ্ধে অভিযান চলবে বলেও জানান তিনি।

“আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি; এই বাংলাদেশে কোনো জঙ্গিবাদের স্থান হবে না, সাথে সাথে এই মাদকেরও কোনো স্থান হবে না। এই মাদকবিরোধী অভিযান অব্যাহত থাকবে।”

শেখ হাসিনা তার বক্তব্যের শুরুতে আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি আবদুল হামিদ খান ভাসানী, প্রথম সাধারণ সম্পাদক শামসুল হক, হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী, জাতীয় চার নেতা, গণতান্ত্রিক সংগ্রামে যারা জীবন দিয়েছেন এবং জাতির জনককে শ্রদ্ধা জানান।

সভায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।

এর আগে সূর্যোদয়ের ক্ষণে বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে কেন্দ্রীয় কার্যালয় ও সারা দেশের কার্যালয়ে জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলনের মধ্য দিয়ে আওয়ামী লীগের ৬৯তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীর কর্মসূচি শুরু হয়।

শেখ হাসিনা সকালে ৯টায় ধানমন্ডির ৩২ নম্বরে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান।

]]>
1509825 https://d30fl32nd2baj9.cloudfront.net/media/2018/06/23/pm-4600.jpg/ALTERNATES/w300/PM-4600.jpg গণভবনে আওয়ামী লীগের বিশেষ বর্ধিত সভায় বক্তব্য দেন সভানেত্রী শেখ হাসিনা। ছবি: পিআইডি 1509832 https://d30fl32nd2baj9.cloudfront.net/media/2018/06/23/pm-4377.jpg/ALTERNATES/w300/PM-4377.jpg আওয়ামী লীগের ৬৯তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীতে শনিবার বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে নবনির্মিত দলীয় কার্যালয় ভবনের উদ্বোধন করেন দলীয় সভানেত্রী ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ছবি: পিআইডি 1509831 https://d30fl32nd2baj9.cloudfront.net/media/2018/06/23/pm-4265.jpg/ALTERNATES/w300/PM-4265.jpg আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীতে শনিবার সকালে জাতির জনকের প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ছবি: পিআইডি 1509830 https://d30fl32nd2baj9.cloudfront.net/media/2018/06/23/pm-4307.jpg/ALTERNATES/w300/PM-4307.jpg দলীয় প্রধান হিসেবে শেখ হাসিনা কেন্দ্রীয় নেতাদের সঙ্গে নিয়ে জাতির জন্ক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা জানান।ছবি: পিআইডি
3 2 Home politics_bn রাজনীতি news-bn 198 1509887 জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম 2018-06-23 19:19:41.0 2018-06-23 19:19:41.0 গাজীপুরে খুলনার মতো হলে পরিণতি ভয়াবহ: মওদুদ গাজীপুরে খুলনার মতো হলে পরিণতি ভয়াবহ: মওদুদ খুলনার মতো গাজীপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচন হলে তার পরিণতি ‘ভয়াবহ’ হবে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মওদুদ আহমদ। খুলনার মতো গাজীপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচন হলে তার পরিণতি ‘ভয়াবহ’ হবে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মওদুদ আহমদ। false https://bangla.bdnews24.com/politics/article1509887.bdnews false https://d30fl32nd2baj9.cloudfront.net/media/2018/06/11/noakhali-moudud.jpg/ALTERNATES/w300/noakhali-moudud.jpg ফাইল ছবি
শনিবার রাজধানীতে এক আলোচনা সভায় তিনি বলেন, “গাজীপুরের নির্বাচন হবে সরকার ও নির্বাচন কমিশনের জন্য একটা এসিড টেস্ট। আমরা দেখব তারা কী করেন?

“গাজীপুরের নির্বাচনে অসম্ভব জনসমর্থন রয়েছে ধানের শীষের পক্ষে। আমরা স্পষ্ট করে বলতে চাই, যদি খুলনা স্টাইলে নির্বাচন করেন গাজীপুরে, এর পরিণতি হবে ভয়াবহ।”

গাজীপুরের নির্বাচন দেখে তিন সিটি নির্বাচনের বিষয়ে সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত করা হবে জানিয়ে মওদুদ বলেন, “আমরা তিনটি সিটি করপোরেশনে মনোনয়ন দেব, সব কিছুই করছি আমরা। কারণ আমরা গণতন্ত্রে বিশ্বাস করি।

“গাজীপুরের নির্বাচনের পরে আমরা ঠিক করব, আমরা চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেব যে, আমরা বাকী তিনটি সিটি করপোরেশন নির্বাচনে অর্থাৎ বরিশাল, সিলেট, ও রাজশাহীর নির্বাচনে অংশগ্রহণ করব কি করব না।”

আগামী ২৬ জুন গাজীপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচনের ভোট হবে।

জাতীয় প্রেস ক্লাবের কনফারেন্স লাউঞ্জে বাংলাদেশ ইয়ুথ ফোরামের উদ্যোগে কারাবন্দি খালেদা জিয়ার সুচিকিৎসা ও মুক্তির দাবিতে এই আলোচনা সভা হয়।

খালেদা জিয়াকে একটি ভিত্তিহীন মামলায় সাজা দিয়ে সরকার আটকে রেখেছে অভিযোগ করে সাবেক আইনমন্ত্রী বলেন, “নিম্ন আদালত নির্বাহী বিভাগের অধীনে চলে গেছে। হাই কোর্ট থেকে অর্ডার দিলেন যে ম্যাজিস্ট্রেট বললেন যে, উনার (খালেদা জিয়া) জামিনের আবেদনগুলো খুব তাড়াতাড়ি করে নিষ্পত্তি করে দেন। সেই ম্যাজিস্ট্রেটের এতো বড় কী বলব? স্পর্ধাই বলব, হাই কোর্টকে অমান্য করে, হাই কোর্টকে অবমাননা করে জামিনের আবেদন শুনেছেন ঠিকই কিন্তু আদেশ দেবেন ৫ জুলাই। আদালত অবমাননা এর চাইতে আর বড় কী হতে পারে?”

তিনি বলেন, “কেন  ম্যাজিস্ট্রেট মানে না? কেন হাই কোর্টকে অবজ্ঞা করে? সুপ্রিম কোর্টের মান-মর্যাদা, উজ্জ্বল ভাবমূর্তি কেন তারা নষ্ট করতে পারেন? একটি মাত্র কারণে, তারা জানে যে, তাদেরকে এখন সুপ্রিম কোর্টের কাছে জবাবদিহি করতে হবে না, হয় না। তারা এখন নির্বাহী বিভাগের অধীনে কাজ করেন।”

মওদুদ আহমদ বলেন, “বেগম খালেদা জিয়া অবশ্যই মুক্তি পাবেন। কত দেরি করাবেন আপনারা, কত কৌশল করবেন, কতভাবে আপনারা বিলম্বিত করবে। জামিন তার হবেই। তিনি মুক্তি হয়ে আসবেন এবং তাকে নিয়েই আমরা নির্বাচন করব।”

সংগঠনের উপদেষ্টা মেহেদী হাসান পলাশের সভাপতিত্বে ও সভাপতি মুহাম্মদ সাইদুর রহমানের পরিচালনায় আলোচনা সভায় বিএনপির সহ-প্রচার সম্পাদক শামীমুর রহমান শামীম, নির্বাহী কমিটির সদস্য আবু নাসের মুহাম্মদ রহমাতুল্লাহ, জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম যুক্তরাজ্য শাখার সভাপতি আনোয়ার হোসেন, বাংলাদেশ লেবার পার্টির একাংশের মহাসচিব হামদুল্লাহ আল মেহেদি প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।

]]>
1504869 https://d30fl32nd2baj9.cloudfront.net/media/2018/06/11/noakhali-moudud.jpg/ALTERNATES/w300/noakhali-moudud.jpg ফাইল ছবি
4 2 Home bangladesh_bn বাংলাদেশ news-bn 199 1509864 নিজস্ব প্রতিবেদক, বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম নিজস্ব প্রতিবেদক, বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম 2018-06-23 18:33:28.0 2018-06-23 18:33:28.0 হিমালয়ের লাকপা রি চূড়ায় তিন বাংলাদেশি হিমালয়ের লাকপা রি চূড়ায় তিন বাংলাদেশি হিমালয় পর্বতমালার উত্তর-পূর্বে অবস্থিত লাকপা রি পর্বতশৃঙ্গে প্রথমবারের মত বাংলাদেশের লাল-সবুজ পতাকা উড়িয়ে এলেন বাংলাদেশের তিন অভিযাত্রী। হিমালয় পর্বতমালার উত্তর-পূর্বে অবস্থিত লাকপা রি পর্বতশৃঙ্গে প্রথমবারের মত বাংলাদেশের লাল-সবুজ পতাকা উড়িয়ে এলেন বাংলাদেশের তিন অভিযাত্রী। false https://bangla.bdnews24.com/bangladesh/article1509864.bdnews false https://d30fl32nd2baj9.cloudfront.net/media/2018/06/23/lhakpa-85.jpg/ALTERNATES/w300/lhakpa-85.jpg লাকপি রি’র চূড়ায় বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা হাতে তিন অভিযাত্রী
বাংলা মাউন্টেইনিয়ারিং অ্যান্ড ট্রেকিং ক্লাবের পর্বতারোহী এম এ মুহিত, বাহলুল মজনু ও শায়লা পারভীন গত ১৭ মে ২৩ হাজার ১১৩ ফুট উচ্চতার লাকপা রি শৃঙ্গে পৌঁছান।

শনিবার সকালে জাতীয় প্রেস ক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে ট্রেকিং ক্লাব ও স্পন্সর প্রতিষ্ঠানগুলোর কর্মকর্তাদের হাতে পতাকা প্রত্যার্পণ করেন তিন অভিযাত্রী।

সংবাদ সম্মেলন পরিচালনা করেন অ্যান্টার্কটিকা ও সুমেরু অভিযাত্রী ইনাম আল হক। অভিযানের দলনেতা এম এ মুহিত লাকপা রি অভিযানের স্লাইড দেখান। দলের অন্য দুই অভিযাত্রী বাহলুল মজনু, শায়লা পারভীন শোনান তাদের অভিজ্ঞতা।

লাকপি রি’র চূড়ায় নেপালী শেরপাদের সঙ্গে বাংলাদেশের তিন পর্বতারোহী

লাকপি রি’র চূড়ায় নেপালী শেরপাদের সঙ্গে বাংলাদেশের তিন পর্বতারোহী

গণস্বাক্ষরতা অভিযানের নির্বাহী পরিচালক রাশেদা কে চৌধুরীও সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন।

লাকপা রি জয়ের লক্ষ্যে বাংলাদেশের পর্বতারোহী দলটি গত ২৯ এপ্রিল নেপালের উদ্দেশ্যে ঢাকা ত্যাগ করে। ৪ মে নেপালের রসুয়াগাড়ি সীমান্ত পার হয়ে তারা তিব্বতের ক্যারুং ও তিংরি অতিক্রম করেন।

পরে ৮ মে বেইজ ক্যাম্পে পোঁছান তারা। বেইজ ক্যাম্পে চার রাত ও মিডল ক্যাম্পে এক রাত কাটিয়ে তারা ১৩ মে প্রায় ২১ হাজার ফুট উচ্চতায় অ্যাডভান্স বেইজ ক্যাম্পে পৌঁছান।

১৭ মে রাত আড়াইটার দিকে অ্যাডভান্সড বেইজ ক্যাম্প থেকে তিন শেরপাকে সঙ্গে নিয়ে বাংলাদেশের তিন পর্বতারোহী চূড়ান্ত –আরোহন শুরু করেন।

প্রায় ২০০০ ফুট খাড়া হিমবাহ ও পাথরের দেয়ালে আইস-অ্যাক্স, ক্রাম্পন ও জুমারের সাহায্যে কষ্টসাধ্য আরোহন শেষে ১৭ মে নেপাল সময় বিকাল ৩টায় বাংলাদেশের তিন পর্বতারোহী লাকপা রি শীর্ষে আরোহন করেন।

দুর্গম লাকপা রি জয়ের পথে

দুর্গম লাকপা রি জয়ের পথে

এর আগে এম এ মুহিত দুই বার এভারেস্ট আরোহন করেছেন। বাহলুল মজনু পাঁচটি এবং শায়লা পারভীন একটি ছয় হাজার মিটার পর্বতারোহন করেছেন।

এম এ মুহিত বলেন, “এই অভিযানে আমরা পুরোটা সময় জুড়েই এভারেস্ট অভিযাত্রীদের সঙ্গে বেইজ ক্যাম্প ছিলাম। মিডল থেকে একেবারে অ্যাডভান্সড বেইজ ক্যাম্প অবধি এভারেস্ট সামিটের অভিযাত্রীরা আমাদের পাশেই ছিল। শায়লা ও মজনুর মনে হয়েছে, ওরা এভারেস্ট অভিযানেই আছে। প্রায় দুই-আড়াইশ শেরপা তাঁবু গেড়ে আছে।”

পুরো ট্রেইলে বরফের অনেকগুলো নদী পার হতে হয়েছে বলে জানান মুহিত।

“হিমবাহের নিচে বরফের লুকানো নদী। সেই নদী পার হতে হয়েছে, যাকে গ্লেসিয়া বলি। ১৯ হাজার ফুট উচ্চতার মিডল ক্যাম্পে যেতে রংবুক গ্লেসিয়া, খারদা গ্লেসিয়া অতিক্রম করতে হয়েছে। ১২ মে মিডল ক্যাম্পে পৌঁছে মাত্র একদিন সেখানে ছিলাম। ১৩ মে সকাল ৮টার দিকে আমরা অ্যাডভান্সড বেইজ ক্যাম্পের উদ্দেশ্যে রওনা হই।

দুর্গম লাকপা রি জয়ের পথে

দুর্গম লাকপা রি জয়ের পথে

“রংবুক গ্লেসিয়া, পাথরের উপর দিয়ে আমরা চলছি। নিচে বরফের নদী। পথে পথে আইসবার্গ।সূর্যের আলো পড়ছে বরফের ওপর, অসাধারণ সব দৃশ্য! সেখানে না গেলে বোঝা যাবে না।”

১৩ মে বিকালে মুহিত, মজনু ও শায়লারা যখন অ্যাডভান্সড বেইজ ক্যাম্পে পৌঁছালেন, তখন বেশ বরফ পড়ছিল। আবহাওয়া একটু বেশি ঠাণ্ডা। 

“আমাদের আগে একটা দল পৌঁছে গিয়েছিল। তারা তাঁবু রেডি করে রেখেছিল। আমরা সাড়ে ৪টায় পৌঁছালাম। দূরে লাকপা রি দেখা যাচ্ছিল। অ্যাডভান্সড বেইজ ক্যাম্প থেকে যার উচ্চতা ২১ হাজার ফুট (৬৪০০ মিটার)। অ্যাডভান্স বেইজ ক্যাম্প থেকে ডান দিকে চলে গেছে এভারেস্টের পথ, ক্যাম্প-ওয়ান নর্থ পোল, এভারেস্ট সামিট। এই অ্যাডভান্স বেইজ ক্যাম্প থেকেই ডান দিকে রংবুক গ্লেসিয়া ক্রস করে যেতে হয় লাকপা রি’র দিকে।”

অভিযাত্রীদের দল অ্যাডভান্স বেইজ ক্যাম্পে অবস্থান করে চার দিন। পরে ১৭ মে নেপাল সময় রাত আড়াইটার দিকে দাওয়া তেনজিং শেরপা, নিমা দরজি শেরপার নেতৃত্বে পথ চলা শুরু হয় তাদের।  

“প্রধান শেরপা তেনজিং শেরপা পথটা দেখে আসে । এর আগে ইউরোপিয়ানদের অভিযান ব্যর্থ হওয়ায় আমরা জানতাম না, অভিযানে ঠিক কোন দিক দিয়ে উঠতে হবে।”

দুর্গম লাকপা রি জয়ের পথে

দুর্গম লাকপা রি জয়ের পথে

এর মধ্যেই ঘটে বিপত্তি। বরফের নদীতে পা হড়কান শায়লা পারভীন। তার ভাষ্যে, সে অভিজ্ঞতা ছিল ‘ভয়াবহ’, যেন মৃত্যুকে খু্ব কাছ থেকে দেখা।

মুহিত বলেন, “আমরা প্রত্যেকে পরস্পরের সাথে দড়ি বাঁধা অবস্থায় ছিলাম। পথ খাড়া ছিল। বিথী পড়ে গেলে, আমরা সবাই তাকে উদ্ধারে ব্যস্ত হয়ে পড়লাম। ভার্টিকাল ওয়েতে মেইন রোপ ধরে যাচ্ছিলাম আমরা। সামনে এল খাড়া দেওয়াল। তারপর আইস ক্রু, স্নো বার ইউজ করে আমরা ফিক্সড রোপ লাগালাম। এতে বেশ সময় লাগল।”

মুহিতদের মেইন রোপ ছিল ৩০০ মিটার। বারবার সেই রোপ খুলে আবার লাগাতে গিয়ে সামিট তিন ঘণ্টা পিছিয়ে যায় বলে জানান মুহিত।

লাকপা রি চূড়া খুব সামনে, বাকি মাত্র ১০০ মিটার। কিন্তু সামনে বাধা খাড়া দেওয়াল ‘রক পার্ট’।সেই রক পার্ট সন্তর্পনে পার হতে হয়েছে বলে জানান তিনি।

দুর্গম লাকপা রি জয়ের পথে

দুর্গম লাকপা রি জয়ের পথে

“এর আগে আমি অনেক রক পার্টে গিয়েছি, কিন্তু এত লম্বা রক পার্ট কোথাও ছিল না। আমাদের সামনে তখন লম্বা রক ফেইস, তার মধ্যে অনেক লুজ রক ছিল। ক্রাম্পন পরে হাঁটতে কষ্ট হচ্ছিল।”

অভিযাত্রী দলের শেরপারা এই রক পার্ট ডিঙ্গিয়ে চলে গেলেন চূড়ায়।

“সামনে তখন বরফ। শেরপারা রোপটা বেঁধে দিলেন। আমরা তখন উঠে গেলাম। চূড়ায় প্রথমবারের মতো উড়ল একটি দেশের পতাকা। দেশটির নাম বাংলাদেশ।”

লাকপা রি অভিযানে পৃষ্ঠপোষকতা করেছে প্যারাগন এগ্রো লিমিটেড, আরলা ফুডস বাংলাদেশ লিমিটেড, এমকে এন্টারপ্রাইজেস লিমিটেড, আজিম গ্রুপ।সংবাদ সম্মেলনে প্রতিষ্ঠানগুলোর শীর্ষ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

১৯২১ সালে ইংরেজ পর্বতারোহী জর্জ মেলোরি প্রথমবারের মতো এই শৃঙ্গ জয় করেন।মহালানগর রেঞ্জ থেকে তিনি এই পর্বতশৃঙ্গ জয় করেছিলেন।

]]>
1509861 https://d30fl32nd2baj9.cloudfront.net/media/2018/06/23/lhakpa-85.jpg/ALTERNATES/w300/lhakpa-85.jpg লাকপি রি’র চূড়ায় বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা হাতে তিন অভিযাত্রী 1509860 https://d30fl32nd2baj9.cloudfront.net/media/2018/06/23/lhakpa-84.jpg/ALTERNATES/w300/lhakpa-84.jpg লাকপি রি’র চূড়ায় নেপালী শেরপাদের সঙ্গে বাংলাদেশের তিন পর্বতারোহী 1509862 https://d30fl32nd2baj9.cloudfront.net/media/2018/06/23/lhakpa-48.jpg/ALTERNATES/w300/lhakpa-48.jpg দুর্গম লাকপা রি জয়ের পথে 1509863 https://d30fl32nd2baj9.cloudfront.net/media/2018/06/23/lhakpa-55.jpg/ALTERNATES/w300/lhakpa-55.jpg দুর্গম লাকপা রি জয়ের পথে 1509858 https://d30fl32nd2baj9.cloudfront.net/media/2018/06/23/lhakpa-61.jpg/ALTERNATES/w300/lhakpa-61.jpg দুর্গম লাকপা রি জয়ের পথে 1509859 https://d30fl32nd2baj9.cloudfront.net/media/2018/06/23/lhakpa-62.jpg/ALTERNATES/w300/lhakpa-62.jpg দুর্গম লাকপা রি জয়ের পথে
5 2 Home samagrabangladesh সমগ্র বাংলাদেশ news-district 9945 1509786 নিউজ ডেস্ক, বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম নিউজ ডেস্ক, বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম 2018-06-23 15:25:25.0 2018-06-23 15:25:25.0 মাদকবিরোধী অভিযানের মধ্যে গুলিতে নিহত ৩ মাদকবিরোধী অভিযানের মধ্যে গুলিতে নিহত ৩ আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর মাদকবিরোধী অভিযানের মধ্যে আরও তিনজন গুলিতে নিহত হয়েছেন। আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর মাদকবিরোধী অভিযানের মধ্যে আরও তিনজন গুলিতে নিহত হয়েছেন। false https://bangla.bdnews24.com/samagrabangladesh/article1509786.bdnews false https://d30fl32nd2baj9.cloudfront.net/media/2016/06/07/03_security_tribunal_030516.jpg/ALTERNATES/w300/03_Security_Tribunal_030516.jpg
তাদের মধ্যে সিরাজগঞ্জে একজন নিহত হয়েছেন পুলিশের সঙ্গে কথিত বন্দুকযুদ্ধে। আর পুলিশের দাবি, টাঙ্গাইলে একজন নিহত হয়েছেন দুই দল মাদক কারবারির মধ্যে বন্দুকযুদ্ধে। এছাড়া চুয়াডাঙ্গায় একজনের গুলিবিদ্ধ লাশ উদ্ধারের খবর দিয়েছে পুলিশ।

প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে মে মাসে মাদকবিরোধী অভিযান শুরুর পর প্রতি রাতে ‘বন্দুকযুদ্ধে মাদক বিক্রেতাদের’ নিহত হওয়ার খবর দিচ্ছিল আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

এ নিয়ে মানবাধিকার সংগঠনগুলো প্রশ্ন তোলার পর এখন ‘মাদক বিক্রেতাদের নিজেদের গোলাগুলিতে’ বা অজ্ঞাতপরিচিত খুনির গুলিতে নিহতের খবর আসছে। গত এক মাসে দেড় শতাধিক নিহত হয়েছে।

নিহতরা সবাই মাদক কারবারি বলে পুলিশের ভাষ্য। বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম প্রতিনিধিরা পাঠিয়েছেন শুক্রবার রাতে নিহতদের খবর:

সিরাজগঞ্জে পুলিশের সঙ্গে কথিত বন্দুকযুদ্ধে নিহত ১

সিরাজগঞ্জে পুলিশের সঙ্গে কথিত বন্দুকযুদ্ধে নিহত ব্যক্তির নাম জাহাঙ্গীর হোসেন। ৩২ বছর বয়সী জাহাঙ্গীর জেলা শহরের রেলওয়ে কলোনি পূর্বপাড়া মহল্লার হাতেম আলীর ছেলে।

সদর থানার ওসি মোহাম্মদ দাউদ বলেন, “শুক্রবার রাতে জেলা শহরের মাদকপল্লী হিসাবে খ্যাত মাহমুদপুর খেলার মাঠে মাদক লেনদেন হচ্ছে এমন গোপন খবর আসে। পুলিশ রাত ২টার দিকে অভিযান চালালে সংঘবদ্ধ মাদক ব্যবসায়ীরা পুলিশকে লক্ষ করে গুলি চালায়।

“আত্মরক্ষার্থে পুলিশ পাল্টা গুলি চালায়। একপর্যায়ে মাদক ব্যবসায়ীরা পিছু হটে। পরে ঘটনাস্থল থেকে গুলিবিদ্ধ মাদক ব্যবসায়ী জাহাঙ্গীরকে উদ্ধার সদর হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।”

ঘটনাস্থল থেকে একটি রিভলবার, চারটি গুলি, ১০৫টি ইয়াবা ও ২৫ বোতল ফেনসিডিল উদ্ধার করা হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, নিহত জাহাঙ্গীরের বিরুদ্ধে সদর থানায় সাতটি মাদক মামলা রয়েছে।

অভিযানকালে এসআই জয়দেব কুমারসহ দুই কনস্টেবল আহত হলেও তারা প্রাথমিক চিকিৎসায় সুস্থ হন বলে জানান ওসি মোহাম্মদ দাউদ।

চুয়াডাঙ্গায় পুলিশ উদ্ধার করেছে মাদক বিক্রেতার গুলিবিদ্ধ লাশ

চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গা উপজেলায় মাদক বিক্রেতার গুলিবিদ্ধ লাশ উদ্ধারের খবর দিয়েছে পুলিশ।

আলমডাঙ্গা থানার এস আই নাজিম উদ্দিন জানান, শনিবার সকাল ১০টায় সাতকপাট এলাকা থেকে লাশটি উদ্ধার করা হয়।

নিহত ওল্টু হোসেন (২৬) গোবিন্দপুর স্টেশনপাড়ার মহসিন আলীর ছেলে। তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন ধরনের মামলা রয়েছে বলে পুলিশের ভাষ্য।

এস আই নাজিম বলেন, এলাকাবাসীর কাছে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে লাশ উদ্ধার করে।

“তার বুকের ডান পাশে ও মাথায় গুলি করা হয়েছে। অজ্ঞাতপরিচয় দুর্বৃত্তরা তাকে হত্যা করেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তার বিরুদ্ধে আলমডাঙ্গা থানায় মাদকদ্রব্যসহ বিভিন্ন ধরনের ১০-১২টি মামলা রয়েছে।”

লাশ ময়নাতদন্তের জন্য চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হবে বলে তিনি জানান।

টাঙ্গাইলে ‘বন্দুকযুদ্ধে মাদক বিক্রেতা’ নিহত

টাঙ্গাইল সদর উপজেলায় দুই দল মাদক কারবারির মধ্যে বন্দুকযুদ্ধে একজন গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা গেছেন বলে পুলিশ জানিয়েছে।

সদর থানার ওসি সাইদুর রহমান বলেন, শুক্রবার রাতে চারাবাড়ী এলাকায় গোলাগুলির এ ঘটনা ঘটে।

নিহত মান্নান টাঙ্গাইলশহরের কান্দাপাড়া এলাকার বাসিন্দা। মান্নান টাঙ্গাইলের শীর্ষ ইয়াবা কারবারি বলে পুলিশের ভাষ্য।

ওসি সাইদুর বলেন, “চারাবাড়ী এলাকায় মাদক ব্যবসায়ীদের দুই গ্রুপের মধ্যে বন্দুকযুদ্ধে মাদক ব্যবসায়ী মান্নান নিহত হন। পুলিশ গিয়ে লাশ উদ্ধার করে। সে জেলার শীর্ষ ইয়াবা ব্যবসায়ী হিসেবে পরিচিত।”

পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে একটি বিদেশি পিস্তল, ছয়টি গুলি ও ২০০ ইয়াবা উদ্ধার করেছে বলে তিনি জানান।

]]>
1164009 https://d30fl32nd2baj9.cloudfront.net/media/2016/06/07/03_security_tribunal_030516.jpg/ALTERNATES/w300/03_Security_Tribunal_030516.jpg
6 2 Home samagrabangladesh সমগ্র বাংলাদেশ news-district 9945 1509775 যশোর প্রতিনিধি, বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম যশোর প্রতিনিধি, বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম 2018-06-23 14:35:58.0 2018-06-23 14:35:58.0 যশোরে যুবলীগ নেতা খুন যশোরে যুবলীগ নেতা খুন যশোর শহরে বোমা ফাটিয়ে ছুরি মেরে যুবলীগের এক স্থানীয় নেতাকে হত্যা করা হয়েছে। যশোর শহরে বোমা ফাটিয়ে ছুরি মেরে যুবলীগের এক স্থানীয় নেতাকে হত্যা করা হয়েছে। false https://bangla.bdnews24.com/samagrabangladesh/article1509775.bdnews false https://d30fl32nd2baj9.cloudfront.net/media/2018/06/23/jessore-murder.jpg/ALTERNATES/w300/Jessore-Murder.jpg
নিহত আরাফাত রহমান লিটন শহরের ঘোপ সেন্ট্রাল রোড এলাকার আব্দুল মুন্না মনুর ছেলে। তিনি এক সময় শহর যুবলীগের যুগ্ম সম্পাদক ছিলেন।

যশোর কোতোয়ালি থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আবুল বাসার মিয়া জানান, শুক্রবার রাতে ঘোপ সেন্ট্রাল রোডে স্থানীয় আওয়ামী লীগ কার্যালয়ের সামনে হামলার শিকার হন লিটন। চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নেয়ার পথে শনিবার ভোরে তার মৃত্যু হয়।

স্থানীয়রা জানান, যুবলীগ নেতা লিটন ও তার সহযোগী মিলন স্থানীয় আওয়ামী লীগ কার্যালয়ের সামনে বসেছিলেন। রাত ১০টার দিকে একদল যুবক এসে কয়েকটি হাতবোমা ফাটায় এবং লিটনকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করে পালিয়ে যায়।

ওই সময় লিটনের সঙ্গে থাকা মিলনও বোমার স্লিন্টারে আহত হন। পরে এলাকার লোকজন তাদের উদ্ধার করে যশোর জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যায়।

সেখানে লিটনের অবস্থার অবনতি হলে তাকে ঢাকায় নিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দেন চিকিৎসক। অ্যাম্বুলেন্সে করে ঢাকায় নেওয়ার পথে শনিবার ভোরে তার মৃত্যু হয়।

কারা লিটনকে হত্যা করে থাকতে পারে সে বিষয়ে তার পরিবার বা পুলিশ স্পষ্ট কোনো ধারণা দিতে পারেনি।

]]>
1509773 https://d30fl32nd2baj9.cloudfront.net/media/2018/06/23/jessore-murder.jpg/ALTERNATES/w300/Jessore-Murder.jpg 1509774 https://d30fl32nd2baj9.cloudfront.net/media/2018/06/23/jessore-murder-2.jpg/ALTERNATES/w300/Jessore-Murder-2.jpg
7 2 Home bangladesh_bn বাংলাদেশ news-bn 199 1509868 সংসদ প্রতিবেদক, বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম সংসদ প্রতিবেদক, বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম 2018-06-23 18:46:10.0 2018-06-23 18:46:10.0 কোচিং বাণিজ্যে জড়িত শিক্ষদের বদলি করা হচ্ছে: শিক্ষামন্ত্রী কোচিং বাণিজ্যে জড়িত শিক্ষদের বদলি করা হচ্ছে: শিক্ষামন্ত্রী দীর্ঘদিন একই কর্মস্থলে থাকা শিক্ষকদের মধ্যে কোচিং বাণিজ্যে জড়িয়ে পড়ার প্রবণতা রয়েছে জানিয়ে শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ বলেছেন, এসব শিক্ষকদের বদলির কার্যক্রম চলছে। দীর্ঘদিন একই কর্মস্থলে থাকা শিক্ষকদের মধ্যে কোচিং বাণিজ্যে জড়িয়ে পড়ার প্রবণতা রয়েছে জানিয়ে শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ বলেছেন, এসব শিক্ষকদের বদলির কার্যক্রম চলছে। false https://bangla.bdnews24.com/bangladesh/article1509868.bdnews false https://d30fl32nd2baj9.cloudfront.net/media/2016/07/23/15_nurul-islam-nahid_ap_230716_006.jpg/ALTERNATES/w300/15_Nurul+Islam+Nahid_AP_230716_006.jpg ফাইল ছবি
শনিবার জাতীয় সংসদে প্রশ্নোত্তরে জাসদের সংসদ সদস্য নাজমুল হক প্রধানের প্রশ্নের জবাবে শিক্ষামন্ত্রী একথা বলেন।

স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে বিকাল ৫টায় সংসদ অধিবেশন শুরু হয়।

প্রশ্নোত্তরে নাহিদ বলেন, “বিভিন্ন পর্যায়ে গঠিত মনিটরিং কমিটির তৎপরতায় কোচিং বাণিজ্য বন্ধে অগ্রগতি সাধিত হয়েছে। এই কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে কোচিং বাণিজ্যে জড়িত শিক্ষকদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।”

চট্টগ্রামের সামশুল হক চৌধুরীর প্রশ্নের জবাবে প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, মায়েদের টিফিনবক্সে বাসায় তৈরি খাবার দিয়ে তাদের সন্তানদের স্কুলে পাঠাতে উদ্বুদ্ধ করা হয়েছে। এর ফলে ৯৬ শতাংশ শিক্ষার্থী তাদের মায়ের দেওয়া খাবার নিয়ে বিদ্যালয় আসছে।

মৌলভীবাজারের আব্দুল মতিনের প্রশ্নের জবাবে গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন বলেন, “কিছু ভূমির মালিক রাজউকের অনুমোদিত নকশা ছাড়াই ভবন নির্মাণ করে বলেই বিল্ডিং কোড যথাযথ অনুসরণ করা হয় না।”

মুহিবুর রহমান মানিকের প্রশ্নের জবাবে সমাজকল্যাণমন্ত্রী রাশেদ খান মেনন জানান, বর্তমানে দেশে হিজড়া জনগোষ্ঠীর ওপর কোনো জরিপ নেই। তবে সমাজসেবা অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, এদের সংখ্যা ১১ হাজার ৩৯ জন।

]]>
1187471 https://d30fl32nd2baj9.cloudfront.net/media/2016/07/23/15_nurul-islam-nahid_ap_230716_006.jpg/ALTERNATES/w300/15_Nurul+Islam+Nahid_AP_230716_006.jpg ফাইল ছবি
8 2 Home bangladesh_bn বাংলাদেশ news-bn 199 1509820 জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক, বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক, বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম 2018-06-23 17:23:35.0 2018-06-23 17:23:35.0 রোহিঙ্গাদের দেখতে আসছেন জাতিসংঘ মহাসচিব, বিশ্ব ব্যাংক প্রধান রোহিঙ্গাদের দেখতে আসছেন জাতিসংঘ মহাসচিব, বিশ্ব ব্যাংক প্রধান রোহিঙ্গাদের পরিস্থিতি দেখতে, তাদের দুর্দশার কথা তাদের মুখ থেকে শুনতে বাংলাদেশে আসছেন জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস ও বিশ্ব ব্যাংক প্রেসিডেন্ট জিম ইয়ং কিম। রোহিঙ্গাদের পরিস্থিতি দেখতে, তাদের দুর্দশার কথা তাদের মুখ থেকে শুনতে বাংলাদেশে আসছেন জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস ও বিশ্ব ব্যাংক প্রেসিডেন্ট জিম ইয়ং কিম। false https://bangla.bdnews24.com/bangladesh/article1509820.bdnews false https://d30fl32nd2baj9.cloudfront.net/media/2018/06/23/jim-yong-kim-guterres.jpg/ALTERNATES/w300/Jim-Yong-Kim-Guterres.jpg জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস ও বিশ্ব ব্যাংক প্রেসিডেন্ট জিম ইয়ং কিম
এমন এক সময়ে তারা এই সফরে আসছেন, যখন রাখাইন রাজ্যে সেনাবাহিনীর ‘জাতিগত নির্মূল অভিযান’ নিয়ে মিয়ানমার সরকারের ওপর আন্তর্জাতিক চাপ ক্রমশ বাড়ছে।  

বিশ্ব ব্যাংকের ঢাকা অফিসের মুখপাত্র মেহরিন আহমেদ মাহবুব বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে জানান, জিম ইয়ং কিম আগামী ১ ও ২ জুলাই কক্সবাজার সফর করবেন। 

জাতিসংঘের ঢাকা অফিস এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো ঘোষণা না দিলেও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা  আন্তোনিও গুতেরেসের বাংলাদেশে আসার বিষয়টি বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে নিশ্চিত করেছেন।

কর্মকর্তারা আশা করছেন, জাতিসংঘ মহাসচিব ও বিশ্ব ব্যাংক প্রেসিডেন্ট দুজনই ঢাকা পৌঁছাবেন ৩০ জুন সন্ধ্যায়। আগামী ২ জুলাই তাদের কক্সবাজারে রোহিঙ্গা ক্যাম্প ঘুরে দেখার কথা রয়েছে।

এর আগে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত গত ১৮ জুন সাংবাদিকদের বলেছিলেন, জাতিসংঘ মহাসচিব ও বিশ্ব ব্যাংক প্রেসিডেন্ট তাদের আসন্ন বাংলাদেশ সফরে কক্সবাজারে রোহিঙ্গাদের আশ্রয় শিবিরেও যাবেন। 

বিশ্ব ব্যাংক কক্সবাজারে আশ্রয় নিয়ে থাকা রোহিঙ্গাদের সহায়তায় কয়েক কিস্তিতে ৪০ থেকে ৫০ কোটি ডলার দিতে পারে বলে সে সময় জানিয়েছিলেন অর্থমন্ত্রী।  

সেনাবাহিনীর দমন-পীড়নের মুখে পালিয়ে আসা চার লাখের মত রোহিঙ্গা গত কয়েক দশক ধরে বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়ে আছে। গতবছর ২৫ অগাস্ট রাখাইনে নতুন করে দমন অভিযান শুরুর পর রোহিঙ্গা সীমান্ত পেরিয়ে বাংলাদেশে ঢুকেছে আরও প্রায় সাত লাখ রোহিঙ্গা।

জাতিসংঘ ওই অভিযানকে ‘জাতিগত নির্মূল অভিযান’ বলে আসছে। আন্তর্জাতিক পর্যায়ে এ রোহিঙ্গা সঙ্কটকে এশিয়ার এ অঞ্চলে সাম্প্রতিক সময়ের সবচেয়ে বড় শরণার্থী সমস্যা হিসেবে দেখা হচ্ছে।

রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নিতে মিয়ানমার সরকার গত বছরের ২৩ নভেম্বর বাংলাদেশের সঙ্গে একটি চুক্তি সই করলেও নানা জটিলতায় বিষয়টি এগোয়নি।

জাতিসংঘসহ আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলো বলে আসছে,বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়ে থাকা শরণার্থীরা যাতে স্বেচ্ছায়, নিরাপদে এবং সম্মানের সঙ্গে নিজেদের দেশে ফিরে যেতে পারে এবং এই প্রত্যাবাসন যাতে আন্তর্জাতিক নিয়ম অনুসরণ করে হয়, তা নিশ্চিত করার পরিবেশ তৈরি করতে হবে মিয়ানমারকে।

জাতিসংঘ মহাসিচব গুতেরেসও সে সময় উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেছিলেন, আন্তর্জাতিক মানদণ্ড বজায় রাখতে ওই চুক্তি করার সময় জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয় সংস্থা ইউএনএইচসিআরকে সঙ্গে রাখা জরুরি ছিল।

গুতেরেস এর আগেও ইউএনএইচসিআরের শীর্ষ পদে থাকা অবস্থায় ২০০৮ সালে কক্সবাজারে রোহিঙ্গা আশ্রয় কেন্দ্র পরিদর্শনে এসেছিলেন। জাতিসংঘ মহাসচিবের দায়িত্ব নেওয়ার পর বাংলাদেশে এটাই হবে তার প্রথম সফর। অবশ্য বিশ্ব ব্যাংক প্রেসিডেন্ট জিম ইয়ং কিম দুই বছর আগেই একবার বাংলাদেশ ঘুরে গেছেন।

এবারের সফরে তারা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলীর সঙ্গেও বৈঠক করবেন।

এদিকে লাখ লাখ রোহিঙ্গাকে যেভাবে মিয়ানমার থেকে বিতাড়িত করা হয়েছে, আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতে তার বিচার করা যায় কি না- সেই প্রশ্নে একজন কৌঁসুলির আবেদনে সম্প্রতি মিয়ানমারের ব্যাখ্যা জানতে চেয়েছে হেগের ওই আদালত। মিয়ানমার সরকারকে এর জন্য ২৭ জুলাই পর্যন্ত সময় দেওয়া হয়েছে।

]]>
1509781 https://d30fl32nd2baj9.cloudfront.net/media/2018/06/23/jim-yong-kim-guterres.jpg/ALTERNATES/w300/Jim-Yong-Kim-Guterres.jpg জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস ও বিশ্ব ব্যাংক প্রেসিডেন্ট জিম ইয়ং কিম
9 2 Home business_bn বাণিজ্য news-bn 213 1509742 জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম 2018-06-23 12:17:24.0 2018-06-23 12:17:24.0 চাল আদমানিতে শুল্ক আরোপে বাড়ছে ধানের দাম চাল আদমানিতে শুল্ক আরোপে বাড়ছে ধানের দাম নতুন অর্থবছরের বাজেটে চাল আমদানিতে নতুন করে শুল্ক আরোপের পর দেশে ধানের দাম বাড়তে শুরু করেছে। নতুন অর্থবছরের বাজেটে চাল আমদানিতে নতুন করে শুল্ক আরোপের পর দেশে ধানের দাম বাড়তে শুরু করেছে। false https://bangla.bdnews24.com/business/article1509742.bdnews false https://d30fl32nd2baj9.cloudfront.net/media/2014/11/30/21_rice-mill_chatal_ashuganj_301114_0027.jpg/ALTERNATES/w300/21_Rice+Mill_Chatal_Ashuganj_301114_0027.jpg ফাইল ছবি
ঈদের পরে বেচাবিক্রি কম থাকায় এবং আমদানি কমে আসায় চালের বাজারে শুল্কের প্রভাব এখনও সেভাবে দেখা যাচ্ছে না। তবে ধানের দাম বাড়ার কারণে মোটা চালের পাশাপাশি ভালো মানের সরু চালের দাম বাড়তে পারে বলে আভাস দিয়েছেন ব্যবসায়ীরা।

আর খাদ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক বলছেন, সরকারি গুদামে খাদ্যশষ্যের পর্যাপ্ত মজুদ থাকায় সরকার এবার আমদানি না করে দেশের ভেতর থেকেই চাল সংগ্রহ করবে।

জুনের শুরুতে ২০১৮-১৯ অর্থবছরের বাজেট উপস্থাপনের সময় চাল আমদানির উপর আবারও ২৮ শতাংশ শুল্ক আরোপের ঘোষণা দেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত।

কৃষকের উৎপাদিত ধান চালের ‘ন্যায্যমূল্য প্রাপ্তি নিশ্চিত করতে’ চাল আমদানিতে রেয়াতি সুবিধা প্রত্যাহার করে এই শুল্ক আরোপ করেন তিনি।

গত বছর এপ্রিলের শুরুতে আগাম বৃষ্টি ও বন্যার কারণে ফসলহানি ও মজুদ তলানিতে নেমে আসায় চাল আমদানিতে শুল্ক ২৮ শতাংশ থেকে ২ শতাংশে নামিয়ে আনা হয়েছিল।

বাংলাদেশ অটো মেজর অ্যান্ড হাসকিং মিল ওনার্স অ্যাসোসিশেনের সাধারণ সম্পাদক কে এম লায়েক আলী শুক্রবার বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “সরকার চায় কৃষক ধানের দাম পাক, কৃষক দাম পেলে চালের দাম তো বেশি হতেই পারে।”

নতুন করে শুল্ক আরোপের পর আর চাল আমদানি হচ্ছে না জানিয়ে লায়েক আলী বলেন, এই সময়ে ধানের দাম মণপ্রতি ১০০-১৫০ টাকা বেড়েছে।

“নির্বাচন নিয়ে সরকার সচেতন আছে, কৃষক না ভোক্তাদের সুবিধা দিয়ে তাদের লাভ হবে তা তারা ভালো বোঝেন। এ নিয়ে আমরা কিছু বলতে চাই না। আমরা কৃষকদের কাছ থেকে ধান কিনে চাল বিক্রি করি।”

ফাইল ছবি

ফাইল ছবি

কুষ্টিয়ার আটতারা রাইস মিলের মালিক রেজন আলীও বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, আমদানির চালে শুল্ক আরোপের পর থেকে প্রতি মণ ধানের দাম দেড়শ টাকার মত করে বেড়েছে।

“ধানের দাম বাড়লে চালের দাম তো বাড়াতেই হবে। ধানের দাম যে হারে বেড়েছে, তাতে চাল কেজিতে দাম ২/১ টাকা বাড়তে পারে।”

শুক্রবার সাপ্তাহিক ছুটির দিনে ঢাকার কারওয়ান বাজারে ৫০ কেজি ওজনের এক বস্তা নাজিরশাইল ২৮০০-৩০০০ টাকা, মিনিকেট ২৭০০-২৮০০ টাকা এবং বিআর-২৮ চাল ২১০০-২২০০ টাকায় বিক্রি হয়েছে।

আর চালের পাইকারি আড়ত বাবুবাজারের কয়েকটি দোকানে নাজিরশাইলের বস্তা ২৭৫০-২৯০০ টাকা, মিনিকেট ২৬০০-২৭৫০ টাকা, বিআর-২৮ চাল ২১০০-২১৫০ টাকা এবং বিআর-২৯ হাসকি (অর্ধসিদ্ধ বিআর-২৮ চাল) ২০০০-২১০০ টাকায় বিক্রি হতে দেখা গেছে। রোজার ঈদের আগেও একই দামে চাল বিক্রি করেছেন বলে বিক্রোতারা জানিয়েছেন।

টিসিবির তথ্য অনুযায়ী, শুক্রবার ঢাকায় নাজিরশাইল ও মিনিকেট চাল ৫৮-৬৬ টাকা, পাইজাম ও লতা ৪৮-৫৪ টাকা এবং স্বর্ণা ও চায়না ইরি ৩৮-৪২ টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়েছে।

কারওয়ান বাজারের চালের দোকান ফিরোজ অ্যান্ড সন্সের মালিক ইসমাইল হোসেন খোকন বলেন, “জুন মাসে চালের দামে কোনো পরিবর্তন হয়নি। চালের দাম বাড়বে কি না, কতটা বাড়বে তা আগামী সপ্তাহে হয়ত বোঝা যাবে।”

বাবুবাজারের আলোক চাঁন রাইস এজেন্সির দোকানি মো. সেলিমের ধারণা, চাল আমদানিতে শুল্ক আরোপ হওয়ায় ভারতসহ বিদেশ থেকে আসা চালের দাম বাড়বে।

তিনি বলেন, “এখনতো আগের কেনা চালই বিক্রি করছি। ঈদের খরা কাটলে মোকাম থেকে চাল কেনার পর আসল বাজার বোঝা যাবে।”

তবে কারওয়ান বাজারের হাজী ইসমাইল অ্যান্ড সন্সের মালিক জসিম উদ্দিন মনে করেন, জাতীয় নির্বাচনের বছরে চালের দাম অবশ্যই নিয়ন্ত্রণে রাখবে সরকার।

ধানের মৌসুম শেষ হওয়ার পর চাল আমদানিতে শুল্ক আরোপ হওয়ায় কৃষকের লাভবান হওয়ার তেমন কোনো সুযোগ নেই মন্তব্য করে এই ব্যবসায়ী বলেন, “সিজনের ধান তো বিক্রি হয়ে গেছে।”

শুল্ক আরোপ হওয়ায় চাল আমদানি কিছুটা কমবে জানিয়ে খাদ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. আরিফুর রহমান অপু বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “ভালো খবর হচ্ছে আমদানি কমলেও দেশে চালের অভাব নেই। চাল আমদানিতে ট্যাক্স বসিয়েছে বলে ধানের দাম একটু বাড়াতে হবে, সে হিসেবে হয়ত দু’এক টাকা দাম বেড়েছে।”

ফাইল ছবি

ফাইল ছবি

দেশে মোটা চালের ভোক্তা বেশি জানিয়ে মহাপরিচালক বলেন, “এই চালের দাম কেজিতে দু’এক টাকা বাড়তে পারে। যদি বাড়ে তবে টার্গেট গ্রুপকে ওএমএস দেব।”

গত বছর ৪০ লাখ টান চাল আমদানির তথ্য দিয়ে তিনি বলেন, এবার সরকারি মজুদ পরিস্থিতি ‘বেশ ভালো’। আরও ৫-৬ মাস চালের কোনো সমস্যা হবে না, আমদানিরও দরকার হবে না।

তবে আমদানি শুল্ক বাড়ায় বাসমতি ও ভালো মানের চিকন চালের দাম বাড়তে পারে বলে ধারণা দেন খাদ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক।

খাদ্য মন্ত্রণালয়ের খাদ্য পরিকল্পনা ও পরিধারণ ইউনিটের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে সরকারি গুদামে ১৩ লাখ ২৩ হাজার মেট্রিক টন খাদ্যশস্য মজুদ আছে।

এর মধ্যে ১০ লাখ ৬৬ হাজার টন চাল এবং ২ লাখ ৫৭ হাজার টন গম। এছাড়া খালাসের অপেক্ষায় বন্দরে আছে ৫২ হাজার টন খাদ্যশস্য।

সরকারি ভাষ্য অনুযায়ী, গত বছরের ১ জুলাই থেকে গত ১১ জুন পর্যন্ত বেসরকারিভাবে ৮৩ লাখ ২০ হাজার টন খাদ্যশস্য আমদানি হয়েছে। এর মধ্যে ২৯ লাখ ৪৪ হাজার টন চাল এবং ৫৩ লাখ ৭৬ হাজার টন গম।

এই সময়ে সরকারিভাবে আমদানি হয়েছে ১৫ লাখ ৯২ হাজার টন খাদ্যশস্য। এর মধ্যে ১১ লাখ ১৬ হাজার টন চাল এবং ৪ লাখ ৭৬ হাজার টন গম।

]]>
889836 https://d30fl32nd2baj9.cloudfront.net/media/2014/11/30/21_rice-mill_chatal_ashuganj_301114_0027.jpg/ALTERNATES/w300/21_Rice+Mill_Chatal_Ashuganj_301114_0027.jpg ফাইল ছবি 889819 https://d30fl32nd2baj9.cloudfront.net/media/2014/11/30/21_rice-mill_chatal_ashuganj_301114_0007.jpg/ALTERNATES/w300/21_Rice+Mill_Chatal_Ashuganj_301114_0007.jpg ফাইল ছবি 1350934 https://d30fl32nd2baj9.cloudfront.net/media/2017/06/16/23_rice-market_170317_0007.jpg/ALTERNATES/w300/23_Rice-Market_170317_0007.jpg ফাইল ছবি
10 2 Home samagrabangladesh সমগ্র বাংলাদেশ news-district 9945 1509767 ফরিদপুর প্রতিনিধি, বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম ফরিদপুর প্রতিনিধি, বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম 2018-06-23 14:12:53.0 2018-06-23 14:17:25.0 ‘পুলিশের সামনে’ মুক্তিপণ লেনদেন ফেরেনি আলাউদ্দিন ‘পুলিশের সামনে’ মুক্তিপণ লেনদেন, ফেরেনি আলাউদ্দিন অপহরণের পর পুলিশের উপস্থিতিতে মুক্তিপণ দিয়েও কিশোর সন্তানকে ফিরে পাননি বলে অভিযোগ করেছেন ফরিদপুরে এক মা। অপহরণের পর পুলিশের উপস্থিতিতে মুক্তিপণ দিয়েও কিশোর সন্তানকে ফিরে পাননি বলে অভিযোগ করেছেন ফরিদপুরে এক মা। false https://bangla.bdnews24.com/samagrabangladesh/article1509767.bdnews false https://d30fl32nd2baj9.cloudfront.net/media/2018/06/23/faridpur-ontor.jpg/ALTERNATES/w300/faridpur-ontor.jpg
নগরকান্দা উপজেলার পাগলপাড়া গ্রামের গ্রিস প্রবাসী আবুল হোসেনের স্ত্রী জান্নাতি বেগম ফরিদপুর প্রেসক্লাবে শুক্রবার এক সংবাদ সম্মেলনে এই অভিযোগ করেন।

তবে পুলিশ মুক্তিপণ লেনদেন বিষয়ে কিছু জানে না বলে দাবি করেছে। মুক্তিপণ দিতে নিষেধ করা হয়েছিল বলেও পুলিশের দাবি।

আর এ ঘটনায় তিনজন আটক হয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে জান্নাতি বেগম বলেন, তার বড় ছেলে আলাউদ্দিন অন্তর তালমা নাজিমউদ্দিন উচ্চবিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণির ছাত্র। গত ৭ জুন সন্ধ্যার পর নামাজ পড়ার জন্য বাড়ি থেকে বের হয়ে আর ফেরেনি। রাত ১০টার পর যোগাযোগের চেষ্টা করে তার মোবাইল ফোন বন্ধ দেখা যায়। এর পরদিন নগরকান্দা থানায় জিডি করা হয়।

“জিডি করে বাসায় ফিরতেই অন্তরের মোবাইল ফোন থেকে আমার মোবাইল ফোনে একটি মেসেজ আসে। তাতে অন্তরকে অপহরণের কথা জানিয়ে পাঁচ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হয়। এটা আমি পুলিশ ও র‌্যাব অফিসে গিয়ে জানিয়ে আসি।”

তিনি বিভিন্ন জায়গায় ঘুরেও কোনো কিনারা করতে পারেননি জানিয়ে বলেন, পরে ১৪ জুন মুক্তিপণ দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়। অপহরণকারীরা ভাঙ্গার একটি স্কুলে যেতে বলে। কিছুক্ষণ পর তারা তালমা জাইল্যা ব্রিজের কাছে যেতে বলে। তারপর রাতে তারা কোনাগাঁও চকের একটি শ্যালো মেশিনঘরে টাকা রাখতে বলে।

“আমি নগরকান্দা থানার এসআই কবির ও অন্য দুইজন পুলিশকে নিয়ে সেখানে যাই। পুলিশকে আড়ালে রেখে সামান্য দূরে মেশিনঘরে একটি হাঁড়ির মধ্যে আমি ১ লাখ ৪০ হাজার টাকা রেখে আসি। কিছুক্ষণ পর ছোট্ট টর্চের আলো জ্বালিয়ে দুইজন লোক ওই ঘরে ঢোকে। পুলিশও তাদের দেখে। পুলিশ বলল, ‘টাকা যায় যাক, এখন ওদের ধরা যাবে না। টাকা গেলে টাকা পাওয়া যাবে, ছেলে গেলে ফিরে আসবে না।’ তারা টাকা নিয়ে চলে যায়।”

পুলিশের বিরুদ্ধে জান্নাতি বেগম আরও অভিযোগ করেছেন, “দেওয়ার আগে টাকাগুলো গুনে দেখেন নগরকান্দা থানার এসআই লুৎফর।”

টাকা দেওয়ার আগে তিনি তার পরিবারের লোকজন ও পুলিশকে নিয়ে বৈঠক করেন বলে তার দাবি।

এ বিষয়ে নগরকান্দা থানার ওসি সৈয়দ লুৎফর রহমান বলেন, এ ঘটনায় মামলা হয়েছে। পুলিশ তিনজনকে আটক করেছে।

“মুক্তিপণের টাকা লেনদেনের ব্যাপারে আমি কিছু জানি না।”

নগরকান্দা সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মো. মহিউদ্দিন বলেন, “জিডির পরদিন ৯ জুন অন্তর মোটরসাইকেলে করে ফরিদপুর আসে বলে জানতে পেরেছি। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।”

মুক্তিপণের টাকা লেনদেনের ব্যাপারে তিনি বলেন, “আমি টাকা দিতে না করেছিলাম।”

]]>
1509766 https://d30fl32nd2baj9.cloudfront.net/media/2018/06/23/faridpur-ontor.jpg/ALTERNATES/w300/faridpur-ontor.jpg
11 2 Home samagrabangladesh সমগ্র বাংলাদেশ news-district 9945 1509752 দিনাজপুর প্রতিনিধি বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম দিনাজপুর প্রতিনিধি বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম 2018-06-23 13:24:38.0 2018-06-23 13:24:56.0 দিনাজপুরে ছুরিকাঘাতে তরুণ নিহত দিনাজপুরে ছুরিকাঘাতে তরুণ নিহত দিনাজপুর শহরের কসবা এলাকায় ছুরিকাঘাতে এক তরুণ নিহত হয়েছেন। দিনাজপুর শহরের কসবা এলাকায় ছুরিকাঘাতে এক তরুণ নিহত হয়েছেন। false https://bangla.bdnews24.com/samagrabangladesh/article1509752.bdnews false https://d30fl32nd2baj9.cloudfront.net/media/2018/06/23/dinajpur-iroze.jpg/ALTERNATES/w300/Dinajpur-Iroze.jpg ইরোজ উদ্দিন আহমেদ
কোতোয়ালি থানার ওসি রেদওয়ানুর রহিম জানান, শুক্রবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে ইরোজ উদ্দিন আহমেদ (৩০) নামে এই তরুণ নিহত হন।

ইরোজ দিনাজপুরে শহরের কসবা এলাকার ময়েজ উদ্দিনের ছেলে।

ময়েজ বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, তাদের বাড়ির কাছেই কয়েকজন তার ছেলেকে ছুরিকাঘাত করে পালিয়ে যায়। তাকে দিনাজপুর এম আব্দুর রহিম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পর তার মৃত্যু হয়।

ঘটনার পরপরই হত্যায় জড়িতদের ধরতে পুলিশ অভিযানে নামে জানিয়ে ওসি রহিম বলেন, চেষ্টা চালিয়েও সন্দেহভাজন হামলাকারীদের কাউকে পাওয়া যায়নি। এ ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে।

]]>
1509751 https://d30fl32nd2baj9.cloudfront.net/media/2018/06/23/dinajpur-iroze.jpg/ALTERNATES/w300/Dinajpur-Iroze.jpg ইরোজ উদ্দিন আহমেদ
12 2 Home politics_bn রাজনীতি news-bn 198 1509750 নিজস্ব প্রতিবেদক, বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম নিজস্ব প্রতিবেদক, বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম 2018-06-23 13:15:54.0 2018-06-23 13:51:49.0 নতুন ভবনে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয় নতুন ভবনে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয় বাংলাদেশের স্বাধীনতা-সংগ্রামে নেতৃত্বদানকারী দল আওয়ামী লীগের নতুন ১০ তলা ভবন চালু হল দলের ৬৯তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর দিনে। বাংলাদেশের স্বাধীনতা-সংগ্রামে নেতৃত্বদানকারী দল আওয়ামী লীগের নতুন ১০ তলা ভবন চালু হল দলের ৬৯তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর দিনে। false https://bangla.bdnews24.com/politics/article1509750.bdnews false https://d30fl32nd2baj9.cloudfront.net/media/2018/06/22/awami-league-party-office-220618-0005.jpg/ALTERNATES/w300/awami-league-party-office-220618-0005.jpg বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে নবনির্মিত ১০ তলা ভবনের নামফলক। ছবি: আব্দুল্লাহ আল মমীন
দলীয় সভানেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা শনিবার সকালে দলীয় পতাকা ও জাতীয় পতাকা উত্তোলন করার মাধ্যমে ২৩ বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে নতুন এই ভবনের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন।

এর আগে সূর্যোদয়ের ক্ষণে বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে কেন্দ্রীয় কার্যালয় ও সারা দেশের কার্যালয়ে জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলনের মধ্য দিয়ে আওয়ামী লীগের ৬৯তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীর কর্মসূচি শুরু হয়।

সকাল ৯টায় ধানমণ্ডির ৩২ নম্বর সড়কে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন শেখ হাসিনা। এরপর আওয়ামী লীগ সভেনত্রী হিসাবে দলের কেন্দ্রীয় নেতাদের নিয়ে তিনি বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে ফুল দেন।

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলেক্ষ সকাল ১০টায় তিনি বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে আওয়ামী লীগের নতুন কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে যান। সেখানে তিনি জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন। আর দলীয় পতাকা উত্তোলন করেন দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।

এ সময় জাতীয় সংগীত ও দলীয় সংগীত পরিবেশন করা হয়। বেলুন ও পয়রা উড়িয়ে উদ্বোধন হয় আওয়ামী লীগের প্রধান কার্যালয়ের নতুন ভবনের।

আওয়ামী লীগ নেতারা পরে সেখানে দাঁড়িয়ে মোনাজাতে অংশ নেন।  ভবনের সামনে একটি বকুল গাছের চারা রোপণ করেন বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা।

ঢাকার বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের নব নির্মিত ১০ তলা এই ভবন আগামী শনিবার দলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে উদ্বোধন করবেন দলীয় সভানেত্রী ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ছবি: আব্দুল্লাহ আল মমীন

ঢাকার বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের নব নির্মিত ১০ তলা এই ভবন আগামী শনিবার দলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে উদ্বোধন করবেন দলীয় সভানেত্রী ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ছবি: আব্দুল্লাহ আল মমীন

উদ্বোধনের আনুষ্ঠানিকতা শেষে নতুন কার্যালয়ের বিভিন্ন তলা ঘুরে দেখে তিনি নবম তলায় সভানেত্রীর জন্য নির্ধারিত কক্ষে গিয়ে বসেন।

নিজস্ব অর্থায়নে দশ কোটি টাকা ব্যয়ে আট কাঠা জমির ওপর নির্মিত দৃষ্টিনন্দন এই ভবনটিই এখন থেকে আওয়ামী লীগের স্থায়ী ঠিকানা হিসেবে ব্যবহৃত হবে।

দলের কেন্দ্রীয় নেতারা জানান, নতুন ভবন উদ্বোধনের পর আওয়ামী লীগের সব সাংগঠনিক কার্যক্রম এ কার্যালয় থেকেই চলবে।

আর ধানমণ্ডিতে আওয়ামী লীগ সভানেত্রীর কার্যালয়ে দলের নির্বাচনী কার্যক্রম ও সিআরআইসহ দলের অন্যান্য সংস্থার গবেষণামূলক কর্মকাণ্ড পরিচালিত হবে।

ভবনটির প্রথম থেকে তৃতীয় তলা পর্যন্ত প্রতিটি ফ্লোর ৪ হাজার ১০০ বর্গফুট। চতুর্থ তলা থেকে উপরের সবগুলো ফ্লোর ৩ হাজার ১০০ বর্গফুটের।

ঢাকার বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের নব নির্মিত ভবনের নিচতলায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ভাস্কর্য। ছবি: আব্দুল্লাহ আল মমীন

ঢাকার বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের নব নির্মিত ভবনের নিচতলায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ভাস্কর্য। ছবি: আব্দুল্লাহ আল মমীন

চতুর্থ ও পঞ্চম তলায় সাজানো হয়েছে দলের অফিস, ডিজিটাল লাইব্রেরি ও মিডিয়া রুম। ষষ্ঠ তলায় সম্মেলন কক্ষ; সপ্তম তলা বরাদ্দ দলের কোষাধ্যক্ষের জন্য।

অষ্টম তলায় সাধারণ সম্পাদকের অফিস। নবম তলায় বসবেন দলের সভানেত্রী। তার নিরাপত্তা নিশ্চিতে এই ফ্লোরটি ‘বুলেটপ্রুফ’ করা হয়েছে। দশম তলায় রয়েছে ক্যাফেটেরিয়া।

ভবন ঘুরে দেখা যায়, দলের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের জন্য রয়েছে সুপরিসর কক্ষ। সভাপতির কক্ষের সঙ্গে রয়েছে বিশ্রামাগার ও নামাজের জায়গা।

দ্বিতীয় তলায় মাঝখানে কনফারেন্স রুম আর দুই পাশে বেশ কিছু কক্ষ রয়েছে। কনফারেন্স রুমে ৩৫০ জনের বসার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।

তৃতীয় তলায়ও ২৪০ জনের বসার ব্যবস্থা থাকছে। এই ফ্লোরের সামনের অংশে আছে ‘ওপেন স্কাই টেরেস’। আর ভবনের চতুর্থ ও পঞ্চম তলায় দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয় ছাড়াও সহযোগী-ভ্রাতৃপ্রতীমসহ সমমনা অন্যান্য সংগঠনের কার্যালয় রয়েছে।

এছাড়া ভবনে রয়েছে ভিআইপি লাউঞ্জ, সাংবাদিক লাউঞ্জ, ডরমিটরি ও ক্যান্টিন। আধুনিক সুযোগ সুবিধা সম্বলিত এই পুরো ভবনটি থাকবে ওয়াইফাইয়ের আওতায়।

বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে নবনির্মিত ১০ তলা ভবনের নামফলক। ছবি: আসিফ মাহমুদ অভি

বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে নবনির্মিত ১০ তলা ভবনের নামফলক। ছবি: আসিফ মাহমুদ অভি

কার্যালয়ের সামনে স্টিলের বড় অক্ষরে লেখা রয়েছে, ‘বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ’। পাশেই দলীয় প্রতীক নৌকা।

সবার উপরে রয়েছে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ম্যুরাল। এরপর দুটি ম্যুরালে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে মুক্তিযুদ্ধ এবং সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে পাকিস্তানি বাহিনীর আত্মসমর্পণের দৃশ্য।

২০০৪ সালের ২১ অগাস্ট গ্রেনেড হামলায় নিহতদের স্মরণে ভবনের সামনে একটি স্থায়ী স্মৃতিসৌধ নির্মাণেরও পরিকল্পনা রয়েছে বলে আওয়ামী লীগ নেতারা জানান।

দলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর কবির নানক বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “আওয়ামী লীগের ৬৯ বছরের ইতিহাসে এটাই প্রথম স্থায়ী অফিস এবং এটাই দেশের সকল রাজনৈতিক দলের ইতিহাসে সর্বাধুনিক পার্টি অফিস।

“লক্ষ্য ছিল দুই বছরের মধ্যে কাজ শেষ করা। সেই হিসাবে আগামী সেপ্টেম্বরে ভবন নির্মাণ সম্পন্ন হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু তার চার মাস আগেই শেষ হয়েছে।”

বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে আওয়ামী লীগের কার্যালয়টি সরকারি জমি লিজ নিয়ে করা হয়েছিল। সেখানেই গড়ে তোলা হয়েছে নতুন এই ভবন।

ঢাকার বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের নবনির্মিত ১০ তলা এই ভবন আগামী শনিবার দলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে উদ্বোধন করবেন দলীয় সভানেত্রী ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ছবি: আসিফ মাহমুদ অভি

ঢাকার বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের নবনির্মিত ১০ তলা এই ভবন আগামী শনিবার দলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে উদ্বোধন করবেন দলীয় সভানেত্রী ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ছবি: আসিফ মাহমুদ অভি

ওই জমি ৯৯ বছরের জন্য সরকারের কাছ থেকে লিজ নেওয়ার পর ২০১৬ সালের সেপ্টেম্বরে ভবন নির্মাণের কাজে হাত দেওয়া হয়। নির্মাণ কাজ চলে পূর্তমন্ত্রীর সরাসরি তত্ত্বাবধানে।

বিল্ডিং কোড মেনে সামনের দিকে রাস্তা থেকে ১০ ফুট এবং পেছনের দিকে ১৭ ফুট জায়গা ছেড়ে মোট জমির ৬৫ শতাংশ ব্যবহার করে ভবনটি তৈরি করা হয়েছে বলে মন্ত্রী মোশাররফ হোসেন জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, “নির্বাচনের আগে দলের নেতাকর্মীদের জন্য নতুন কার্যালয় একটি উপহার।”

প্রতিষ্ঠার পর থেকে আওয়ামী লীগের অফিস স্থানান্তরের ঘটনা ঘটেছে অন্তত আটবার। পুরান ঢাকার কে এম দাশ লেনের রোজ গার্ডেনে ১৯৪৯ সালের ২৩ জুন আত্মপ্রকাশ করে আওয়ামী লীগ। শুরুর দিকে শীর্ষস্থানীয় নেতাদের বাসায় বসে দল পরিচালনার নীতি-কর্মসূচি গ্রহণ করা হত, কোনো অফিস ছিল না।

১৯৫৩ সালে কানকুন বাড়ি লেইনে অস্থায়ী একটি অফিস ব্যবহার করা হত। ১৯৫৬ সালে পুরান ঢাকার ৫৬, সিমসন রোডের ঠিকানায় যায় আওয়ামী লীগের অফিস।

১৯৬৪ সালের ২৫ জানুয়ারি আওয়ামী লীগের তৎকালীন সাধারণ সম্পাদক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ৯১, নবাবপুর রোডে দলীয় অফিস নেন। এর কিছু দিন পর অস্থায়ীভাবে সদরঘাটের রূপমহল সিনেমা হলের গলিতে বসা শুরু করেন আওয়ামী লীগ নেতারা। পরে পুরানা পল্টনে দুটি স্থানে দীর্ঘদিন দলের অফিস ছিল।

১৯৮১ সালের দিকে বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা দলের দায়িত্ব নেওয়ার পর আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের ঠিকানা হয় ২৩, বঙ্গবন্ধু এভিনিউ। এবার সেখানেই স্থায়ী ভবন পেল আওয়ামী লীগের প্রধান কার্যালয়।

]]>
1509457 https://d30fl32nd2baj9.cloudfront.net/media/2018/06/22/awami-league-party-office-220618-0005.jpg/ALTERNATES/w300/awami-league-party-office-220618-0005.jpg বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে নবনির্মিত ১০ তলা ভবনের নামফলক। ছবি: আব্দুল্লাহ আল মমীন 1509359 https://d30fl32nd2baj9.cloudfront.net/media/2018/06/22/awami-league-party-office-220618-0003.jpg/ALTERNATES/w300/awami-league-party-office-220618-0003.jpg ঢাকার বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের নব নির্মিত ১০ তলা এই ভবন আগামী শনিবার দলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে উদ্বোধন করবেন দলীয় সভানেত্রী ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ছবি: আব্দুল্লাহ আল মমীন 1509360 https://d30fl32nd2baj9.cloudfront.net/media/2018/06/22/awami-league-party-office-220618-0007.jpg/ALTERNATES/w300/awami-league-party-office-220618-0007.jpg ঢাকার বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের নব নির্মিত ভবনের নিচতলায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ভাস্কর্য। ছবি: আব্দুল্লাহ আল মমীন 1509456 https://d30fl32nd2baj9.cloudfront.net/media/2018/06/22/awami-league-party-office-220618-0015.jpg/ALTERNATES/w300/awami-league-party-office-220618-0015.jpg বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে নবনির্মিত ১০ তলা ভবনের নামফলক। ছবি: আসিফ মাহমুদ অভি 1509460 https://d30fl32nd2baj9.cloudfront.net/media/2018/06/22/awami-league-party-office-220618-0016.jpg/ALTERNATES/w300/awami-league-party-office-220618-0016.jpg ঢাকার বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের নবনির্মিত ১০ তলা এই ভবন আগামী শনিবার দলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে উদ্বোধন করবেন দলীয় সভানেত্রী ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ছবি: আসিফ মাহমুদ অভি
13 2 Home sport_bn খেলা news-bn 210 1509749 স্পোর্টস ডেস্ক বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম স্পোর্টস ডেস্ক বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম 2018-06-23 13:11:09.0 2018-06-23 13:11:09.0 সুইডেনের বিপক্ষে ঘুরে দাঁড়াতে ‘প্রস্তুত’ জার্মানি সুইডেনের বিপক্ষে ঘুরে দাঁড়াতে ‘প্রস্তুত’ জার্মানি মেক্সিকোর কাছে হারের পর জার্মানিকে ঘিরে ওঠা সব প্রশ্নের জবাব সুইডেনের বিপক্ষে ম্যাচে দিতে চান ইওয়াখিম লুভ। জার্মান কোচ জানিয়েছেন, ঘুরে দাঁড়াতে প্রস্তুত তার দল। মেক্সিকোর কাছে হারের পর জার্মানিকে ঘিরে ওঠা সব প্রশ্নের জবাব সুইডেনের বিপক্ষে ম্যাচে দিতে চান ইওয়াখিম লুভ। জার্মান কোচ জানিয়েছেন, ঘুরে দাঁড়াতে প্রস্তুত তার দল। false https://bangla.bdnews24.com/sport/article1509749.bdnews false https://d30fl32nd2baj9.cloudfront.net/media/2018/06/23/germany.jpg/ALTERNATES/w300/germany.jpg
১৯৬২ সালে ব্রাজিলের পর প্রথম দল হিসেবে বিশ্বকাপ ধরে রাখার লক্ষ্যে রাশিয়া যাওয়া জার্মানিকে ফেভারিটের তালিকায় উপরের দিকে রাখছিলেন সবাই। কিন্তু মেক্সিকোর কাছে ১-০ গোলের অপ্রত্যাশিত হারে বড় ধাক্কা লেগেছে সেই স্বপ্নে।

নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে শনিবার সোচিতে বাংলাদেশ সময় রাত ১২টায় সুইডেনের মুখোমুখি হবে চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা।

আগের দুই বিশ্বকাপের চ্যাম্পিয়ন ইতালি ও স্পেন পরের আসরে ফিরেছে গ্রুপ পর্ব থেকেই। বিশ্বকাপ শিরোপা তাই ধরে রাখা কঠিন মেনে নিজেদের সেরাটা দিতে চান লুভ।

“আমরা বিশ্বকাপের বর্তমান চ্যাম্পিয়ন ও কনফেডারেশন্স কাপ জয়ী। ফলে আমরা যে পরিস্থিতির মুখোমুখি হচ্ছি তা ভিন্ন। আপনি যদি এমন অবস্থায় থাকেন, সবাই আপনার বিপক্ষে খেলতে অনুপ্রাণিত হবে।”

“জয়ের পর জয়ের ক্ষুধা ধরে রাখা শক্ত, আমরা এটা দেখেছি। স্পেন আধিপত্য বিস্তার করতে পারেনি এবং ঐ ভাগ্যই বরণ করেছে (গ্রুপ পর্ব থেকে বাদ)। পরিষ্কারভাবেই এই কৃতিত্ব আবারও অর্জন করা সহজ নয়। ... আমাদের ঘুরে দাঁড়াতেই হবে।”

“যদি আমরা জিতি, আমরা শিরোপা লড়াইয়ে ফিরে আসব।...  আমরা আগামীকালের (শনিবার) অপেক্ষায় আছি, এর বাইরে নয়।”

মেক্সিকোর বিপক্ষে হারের পর সমালোচনার মুখে পড়েছেন মিডফিল্ডার অভিজ্ঞ মিডফিল্ডার মেসুত ওজিল। শিষ্যের পাশেই থাকলেন লুভ। তবে ইঙ্গিত দিয়েছেন ফরোয়ার্ড মারিও গোমেজের দলভুক্তির।

“শুধু ওজিলই সমালোচনার মুখে পড়েনি, সব খেলোয়াড়ই সমালোচকদের আক্রমণের শিকার। এটা খুবই স্বাভাবিক। আমরা স্বতন্ত্র খেলোয়াড় বা আপনারা তাদের নিয়ে কি ভাবছেন তা নিয়ে কথা বলবই না। ওজিলের ক্ষেত্রে আমার নিজস্ব মত আছে। খেলোয়াড় হিসেবে আমি তাকে উপরের দিকেই রাখব।”

]]>
1509748 https://d30fl32nd2baj9.cloudfront.net/media/2018/06/23/germany.jpg/ALTERNATES/w300/germany.jpg
14 2 Home sport_bn খেলা news-bn 210 1509778 স্পোর্টস ডেস্ক, বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম স্পোর্টস ডেস্ক, বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম 2018-06-23 14:40:05.0 2018-06-23 17:54:43.0 বিশ্বকাপে মারামারি করা সমর্থকদের বিতাড়িত করতে বলেছে আর্জেন্টিনা বিশ্বকাপে মারামারি করা সমর্থকদের বিতাড়িত করতে বলেছে আর্জেন্টিনা ক্রোয়েশিয়া সমর্থকদের সঙ্গে মারামারিতে জড়িত আর্জেন্টাইন সমর্থকদের আটক করে বিতাড়িত করতে রাশিয়ার প্রতি আহ্বান জানিয়েছে আর্জেন্টিনা। ঘটনার নিন্দা জানিয়েছে ফিফা। ক্রোয়েশিয়া সমর্থকদের সঙ্গে মারামারিতে জড়িত আর্জেন্টাইন সমর্থকদের আটক করে বিতাড়িত করতে রাশিয়ার প্রতি আহ্বান জানিয়েছে আর্জেন্টিনা। ঘটনার নিন্দা জানিয়েছে ফিফা। false https://bangla.bdnews24.com/sport/article1509778.bdnews false https://d30fl32nd2baj9.cloudfront.net/media/2018/06/23/fifa.jpg/ALTERNATES/w300/fifa.jpg
নিজনি নভগোগ্রাদে গত বৃহস্পতিবার আর্জেন্টিনা-ক্রোয়েশিয়া ম্যাচে গ্যালারিতে দুই দলের কিছু সমর্থকদের মারামারি করার ভিডিও ফুটেজ প্রকাশ পায়।

রাশিয়া বিশ্বকাপের আয়োজক কমিটি জানায়, ম্যাচের পর সাত আর্জেন্টাইন সমর্থককে পুলিশ গ্রেপ্তার করে। ওই ম্যাচে ক্রোয়েশিয়ার কাছে ৩-০ গোলে হেরে আর্জেন্টিনার নকআউট পর্বে ওঠা শঙ্কার মধ্যে পড়ে যায়।

আর্জেন্টিনার নিরাপত্তা মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে বলেছে, ভিডিও থেকে তারা চার আর্জেন্টাইন সমর্থককে সনাক্ত করেছে এবং রুশ কর্তৃপক্ষকে দ্রুত তাদের আটক করতে বলেছে যাতে তাদের আর্জেন্টিনায় ফেরত পাঠানো যায়।

এদিকে ক্রোয়েশিয়ান ফুটবল ফেডারেশনও জানিয়েছে, ভিডিও থেকে নিজেদের সমর্থকদের সম্পর্কে তথ্য পাওয়া নিয়ে কাজ করছে তারা। সমর্থকদের ওই মারামারির ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে ফিফাও।

]]>
1509777 https://d30fl32nd2baj9.cloudfront.net/media/2018/06/23/fifa.jpg/ALTERNATES/w300/fifa.jpg
15 2 Home world_bn বিশ্ব news-bn 200 1509738 নিউজ ডেস্ক, বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম নিউজ ডেস্ক, বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম 2018-06-23 11:21:29.0 2018-06-23 11:36:48.0 এবার ইউরোপের গাড়িতে শুল্ক বসানোর হুমকি ট্রাম্পের এবার ইউরোপের গাড়িতে শুল্ক বসানোর হুমকি ট্রাম্পের শুল্ক নিয়ে পাল্টাপাল্টির মধ্যেই ইউরোপের সঙ্গে ‘বাণিজ্য যুদ্ধ’ আরও এগিয়ে নেওয়ার হুমকি এসেছে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কাছ থেকে। শুল্ক নিয়ে পাল্টাপাল্টির মধ্যেই ইউরোপের সঙ্গে ‘বাণিজ্য যুদ্ধ’ আরও এগিয়ে নেওয়ার হুমকি এসেছে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কাছ থেকে। false https://bangla.bdnews24.com/world/article1509738.bdnews false https://d30fl32nd2baj9.cloudfront.net/media/2018/06/23/eu-cars.jpg/ALTERNATES/w300/EU-cars.jpg
মার্কিন পণ্যে ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) পাল্টা শুল্ক কার্যকরে খাপ্পা ট্রাম্প এবার ইউরোপ থেকে আমদানি করা গাড়িতে ২০ শতাংশ শুল্ক আরোপের হুমকি দিয়েছেন বলে জানিয়েছে রয়টার্স।

অ্যালুমিনিয়াম ও ইস্পাতে যুক্তরাষ্ট্রের দেওয়া ১০ ও ২৫ শতাংশ শুল্কের প্রতিক্রিয়ায় হুইস্কি, মোটরসাইকেল, জুতা, কয়েক ধরনের কাপড়, ওয়াশিং মেশিন ও কমলার রসসহ বেশকিছু পণ্যে ২৫ থেকে ৫০ শতাংশ পাল্টা শুল্ক বসিয়েছে ইইউ। শুক্রবার থেকে তা কার্যকরও হচ্ছে।

জোটের ২৮টি দেশে যুক্তরাষ্ট্রের রপ্তানি করা প্রায় ৩২০ কোটি মূল্যের পণ্য থেকে এই শুল্ক নেওয়ার লক্ষ্য ঠিক করেছে ইউরোপ।

মার্কিন পণ্যে ইইউ-র শুল্ক কার্যকরের ঘটনাই তাঁতিয়ে তুলেছে দেশটির প্রেসিডেন্টকে।

“যদি এই শুল্ক ও বাধা সরিয়ে নেওয়া না হয়, তুলে নেওয়া না হয়, আমরা যুক্তরাষ্ট্রে আসা তাদের সব ধরনের গাড়িতে ২০ শতাংশ শুল্ক বসাবো। সেগুলোকে (গাড়ি) এখানেই বানাও,” শুক্রবারে টুইটারে দেওয়া হুমকিতে  ট্রাম্প এমনটাই বলেন।

আমদানি করা স্বয়ংক্রিয় গাড়ি যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তাকে ঝুঁকিপূর্ণ করে তুলছে কিনা, মাসখানেক আগে থেকেই ট্রাম্প প্রশাসন তা খতিয়ে দেখার কাজ শুরু করেছে। অগাস্টের আগেই এ কাজ শেষ হবে বলে আশা মার্কিন বাণিজ্যমন্ত্রী উইলবার রসের।

ইইউ থেকে আমদানি করা ব্যক্তিগত গাড়ির ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রে এখনই আড়াই শতাংশ শুল্ক দিতে হয়; পিকআপ ট্রাকের ক্ষেত্রে এর পরিমাণ আরও বেশি, ২৫ শতাংশ।

বিপরীতে যুক্তরাষ্ট্রের গাড়িতে ইউরোপীয় ইউনিয়নের আরোপ করা শুল্কের পরিমাণ মাত্র ১০ শতাংশ।

ইউরোপের শীর্ষ গাড়ি নির্মাতা প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে ফোকসভাগেন, দেইমলার ও বিএমডব্লিউর মতো অনেকেরই যুক্তরাষ্ট্রে কারখানা আছে।

জার্মান গাড়ি নির্মাতা প্রতিষ্ঠানগুলো যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণাঞ্চলীয় রাজ্যগুলোতেই যত গাড়ি সংযুক্ত করে, সে পরিমাণ গাড়ি তারা জার্মানি থেকে যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানি করে না বলে খাত সংশ্লিষ্ট তথ্যের বরাত দিয়ে জানিয়েছে রয়টার্স।

শুক্রবার টুইটারে দেওয়া ট্রাম্পের হুমকির পরপরই ইউরোপের গাড়ি নির্মাতা প্রতিষ্ঠানগুলোর শেয়ারের দাম পড়তে থাকে। ফোর্ড ও জেনারেল মটরসের মতো মার্কিন গাড়ি নির্মাতা কোম্পানিগুলোর দরও খানিকটা কমে যায়; সময় গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে অবশ্য এ চিত্র পাল্টাতে থাকে, শেষ পর্যন্ত মার্কিন কোম্পানিগুলোর শেয়ার মূল্য দিন শুরুর অবস্থানের ওপরেই থাকে।    

আমদানি করা গাড়িতে শুল্ক বসানো নিয়ে বেশ কয়েকমাস ধরেই কাজ করছে ট্রাম্প প্রশাসন। ট্রাম্পের হুমকির পর কয়েক মাসের মধ্যে চীন ও ইউরোপের গাড়িতে মোটা অংকের শুল্ক বসতে যাচ্ছে বলেই ধারণা। তবে এ পদক্ষেপ ইউরোপ ও চীন থেকে আমদানি করা মার্কিন গাড়ির খাতকে ‘একেবারেই ধ্বসিয়ে দিতে পারে’ বলেও শঙ্কা পর্যবেক্ষকদের। 

অভ্যন্তরীণ শিল্পের সুরক্ষা ও যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের জন্য দেশের ভেতরেই আরও চাকরির সুযোগ বাড়াতে বিভিন্ন দেশ থেকে আমদানি করা পণ্যে শুল্ক বসানোর পরিকল্পনা নিয়েছেন ট্রাম্প। এরই মধ্যে চীন থেকে আমদানি করা বাৎসরিক সাড়ে ৪০০ বিলিয়ন ডলার মূল্যে বসেছে নতুন শুল্ক। পাল্টা পদক্ষেপে হাজারের ওপর মার্কিন পণ্যে শুল্ক দিয়েছে বেইজিংও।

উত্তর আমেরিকার দেশগুলোর সঙ্গে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি পর্যালোচনার কথা বলে মেক্সিকো ও কানাডার সঙ্গেও দূরত্ব সৃষ্টি হয়েছে নতুন মার্কিন প্রশাসনের।

চীন ও ইউরোপের পাশাপাশি উত্তর আমেরিকার সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের এ পাল্টাপাল্টি শুল্কের লড়াই বিশ্ববাজারের পরিস্থিতির অবনতি ঘটাবে বলেই শঙ্কা বিশ্লেষকদের। 

]]>
1509703 https://d30fl32nd2baj9.cloudfront.net/media/2018/06/23/eu-cars.jpg/ALTERNATES/w300/EU-cars.jpg
16 2 Home samagrabangladesh সমগ্র বাংলাদেশ news-district 9945 1509799 টাঙ্গাইল প্রতিনিধি, বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম টাঙ্গাইল প্রতিনিধি, বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম 2018-06-23 15:49:35.0 2018-06-23 15:49:35.0 বিদ্যুৎ বিল বকেয়া, হাসপাতালের লাইন কেটে দিল পিডিবি বিদ্যুৎ বিল বকেয়া, হাসপাতালের লাইন কেটে দিল পিডিবি বিদ্যুৎ বিল বকেয়া থাকায় টাঙ্গাইল সদর হাসপাতালেরর সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেয় জেলা বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (পিডিবি); ফলে প্রায় দুই ঘণ্টা বিদ্যুতহীন থাকে হাসপাতালটি। বিদ্যুৎ বিল বকেয়া থাকায় টাঙ্গাইল সদর হাসপাতালেরর সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেয় জেলা বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (পিডিবি); ফলে প্রায় দুই ঘণ্টা বিদ্যুতহীন থাকে হাসপাতালটি। false https://bangla.bdnews24.com/samagrabangladesh/article1509799.bdnews false https://d30fl32nd2baj9.cloudfront.net/media/2018/06/23/tangail-hospital-230618.jpg/ALTERNATES/w300/tangail-hospital-230618.jpg
শনিবার বেলা সোয়া ১০টার দিকে হাসপাতালের বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করার পর বিল পরিশোধের প্রতিশ্রুতিতে বেলা ১২টার দিকে পুনরায় সংযোগ দেওয়া হয় বলে টাঙ্গাইল বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (পিডিবি) নির্বাহী প্রকৌশলী মো. শাহাদত আলী জানান।

হাসপাতাল প্রায় দুই ঘণ্টা বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন থাকায় ভোগান্তিতে পড়ে রোগী ও তাদের স্বজনরা।

শাহাদত আলী বলেন, গত তিন বছর বিদ্যুতের বিল না দেওয়ায় ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট টাঙ্গাইল সদর হাসপাতালের কাছে বিদ্যুৎ বিভাগের এক কোটি ২৪ লাখ টাকা বকেয়া রয়েছে। এ বিষয়ে জেলা বিদ্যুৎ বিভাগের পক্ষ থেকে চার বার চিঠি দেওয়া হয়েছে।

“কিন্তু হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে কোনো সাড়া না পাওয়ায় আজ (শনিবার) তাদের বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়।”

সংযোগ বিচ্ছিন্ন করার পর হাসপাতালের একটি প্রতিনিধি দল এসে তিন দিনের মধ্যে বকেয়া বিল পরিশোধের অঙ্গীকার করলে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের অনুমতিতে পুনরায় বিদ্যুৎ সংযোগ দেওয়া হয় বলে জানান তিনি।

এই ব্যাপারে হাসপাতালের পরিচালক শরিফুল ইসলাম মিয়ার সঙ্গে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, “বিষয়টি শুনেছি। আমি ঢাকা থেকে টাঙ্গাইলে আসছি। হাসপাতালে পৌঁছার পর বিস্তারিত জানাতে পারব।”

হাসপাতালের আরএমও লোকমান আহমেদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনিও ট্রেনিং এ আছেন বলে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করার জন্য বলেন।

]]>
1509798 https://d30fl32nd2baj9.cloudfront.net/media/2018/06/23/tangail-hospital-230618.jpg/ALTERNATES/w300/tangail-hospital-230618.jpg
17 2 Home world_bn বিশ্ব news-bn 200 1509797 নিউজ ডেস্ক, বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম নিউজ ডেস্ক, বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম 2018-06-23 15:44:39.0 2018-06-23 16:07:38.0 অভিবাসী শিশুর ক্রন্দনরত ছবি: সংশোধনী দিল টাইমস অভিবাসী শিশুর ক্রন্দনরত ছবি: সংশোধনী দিল টাইমস কাগজপত্রহীন অভিবাসীদের কাছ থেকে সন্তানদের আলাদা করার নীতি বাস্তবায়নে মার্কিন প্রশাসনের কড়াকড়ি বোঝাতে অনলাইন নিবন্ধের সঙ্গে হন্ডুরাসের দুই বছর বয়সী একটি শিশুর কান্নার যে ছবি ছাপা হয়েছিল, তার সংশোধনী দিয়েছে টাইমস ম্যাগাজিন। কাগজপত্রহীন অভিবাসীদের কাছ থেকে সন্তানদের আলাদা করার নীতি বাস্তবায়নে মার্কিন প্রশাসনের কড়াকড়ি বোঝাতে অনলাইন নিবন্ধের সঙ্গে হন্ডুরাসের দুই বছর বয়সী একটি শিশুর কান্নার যে ছবি ছাপা হয়েছিল, তার সংশোধনী দিয়েছে টাইমস ম্যাগাজিন। false https://bangla.bdnews24.com/world/article1509797.bdnews false https://d30fl32nd2baj9.cloudfront.net/media/2018/06/23/time-immigration.jpg/ALTERNATES/w300/time-immigration.jpg
যুক্তরাষ্ট্র-মেক্সিকো সীমান্তের কাছে টেক্সাসের ম্যাকআলেনে গত ১২ জুন ক্রন্দনরত ইয়ানেলা সানচেজের ওই ছবি তুলেছিলেন পুলিৎজারজয়ী আলোকচিত্রী জন মুর।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ঝড় তোলা ছবিটিকে টাইমস তাদের ২ জুলাই সংখ্যার প্রচ্ছদে ব্যবহারের জন্য মনোনীত করে। যদিও পরে এক সংশোধনীতে তারা জানায়, ছবিতে ইয়ানেলাকে মা সান্ড্রার কাছ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ার পর কাঁদছে মনে হলেও আদতে দুজনকে আলাদা করা হয়নি। মা-মেয়ে এখনো একসঙ্গে আছেন বলেও অনুমান তাদের।

এনবিসি জানিয়েছে, কাগজপত্রহীন অভিবাসীদের নিয়ে ট্রাম্প প্রশাসনের কড়াকড়ি বিষয়ক মঙ্গলবার প্রকাশিত একটি অনলাইন নিবন্ধে ছবিটি ব্যবহার করা হয়। 

“নিবন্ধটির মূল ভার্সন কাঁদতে থাকা শিশুটির গন্তব্য ভুলভাবে উপস্থাপন করছে। সীমান্তে টহলের দায়িত্বে থাকা মার্কিন বর্ডার পেট্রল এজেন্টরা তাকে সরিয়ে নেয়নি। (ছবি তোলার পর) মা-ই শিশুটিকে তুলে নেয়, পরে দুজনকেই সরিয়ে নেওয়া হয়,” নিবন্ধের সংশোধনীতে পরে জানায় টাইমস কর্তৃপক্ষ।

ছবিটির আলোকচিত্রী মুর-ই ভুলটি ধরতে পেরে কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করেন এবং এরপরই এটি সংশোধন করা হয়, জানিয়েছে নিউ ইয়র্ক ভিত্তিক এ ম্যাগাজিন। 

অভিবাসীদের কাছ থেকে সন্তানদের জোর করে সরিয়ে রাখার কার্যক্রম বন্ধে বুধবার ট্রাম্প নির্দেশ দেওয়ার আগেই তার প্রশাসনের ‘জিরো টলারেন্স’ দুই হাজার তিনশ শিশুকে পিতামাতার কাছ থেকে বিচ্ছিন্ন করে ফেলে বলে ধারণা মার্কিন গণমাধ্যমগুলোর। 

মুরের ছবিতে সেই শিশুদের আতঙ্কই ফুটে উঠেছে বলে ভাষ্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারকারীদের। যদিও ছবি তোলার পর সান্ড্রা ও ইয়ানেলাকে আলাদা করা হয়েছিল কিনা, তা নিশ্চিত হতে পারেননি পুলিৎজারজয়ী আলোকচিত্রী।

 

“যদিও বর্তমান নীতিতে এমনটা হওয়ার বাস্তব সম্ভাবনাই বিদ্যমান,” ওয়াশিংটন পোস্টকে দেওয়া মন্তব্যে এমনটাই বলেছিলেন মুর। 

টাইমসের প্রধান সম্পাদক এডওয়ার্ড ফেলসেনথাল অবশ্য তার ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদ প্রতিবেদনে মুরের ছবি ব্যবহারের পক্ষেই অবস্থান নিয়েছেন।

শুক্রবার দেওয়া এক বিবৃতিতে তিনি বলেছেন, দুই বছর বয়সী ইয়ানেলার ক্রন্দনরত ছবিই বর্তমান বাস্তবতার প্রতিনিধিত্ব করছে।

তবে হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র সারাহ স্যান্ডার্সের মতো অভিবাসীদের নিয়ে ট্রাম্প প্রশাসনের কট্টর অবস্থানের সমর্থনকারীরা এ ছবি ব্যবহার করে মার্কিন নাগরিকদের ভুল বোঝানোর দায়ে টাইমস ও অন্যান্য মার্কিন সংবাদমাধ্যমগুলোকে অভিযুক্ত করেছেন।

এর আগে বৃহস্পতিবার ব্রিটিশ দৈনিক ডেইলি মেইলকে ইয়ানেলার বাবা জানান, মা-মেয়ে এখন একসঙ্গে আছে বলে ওয়াশিংটনে থাকা হন্ডুরাসের এক কর্মকর্তা তাকে নিশ্চিত করেছেন।

আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর বিস্তৃত তল্লাশির সময় ছাড়া সান্ড্রা ও ইয়ানেলা কখনোই আলাদা ছিল না বলেও ওই কর্মকর্তার বরাত দিয়ে জানান ৩২ বছর বয়সী ভারেলা।

“যখন আমি মেয়ের ওই ছবি দেখি, তখন কেমন লাগছিল তা আপনি ধারণাও করতে পারবেন না। আমার হৃদয় ভেঙে গিয়েছিল, একজন বাবার পক্ষে এ ধরনের কিছু দেখা ভীষণ কষ্টের। যদিও তারা এখন বিপদমুক্ত বলেই জানতে পেরেছি আমি, সীমান্ত অভিমুখে যাত্রার সময়ের চেয়েও তারা এখন বেশি নিরাপদ,” বলেন তিনি।    

অবৈধভাবে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের দায়ে এর আগেও একদফা গ্রেপ্তার হয়েছিলেন সান্ড্রা, ২০১৩ সালে তাকে ফেরতও পাঠানো হয়।

ইমিগ্রেশন ও কাস্টমস এনফোর্সমেন্টের এক প্রতিনিধি এনবিসিকে জানান, সান্ড্রাকে গত রোববার হেফাজতে নেওয়ার পর সোমবার তাকে দিলেইর সাউথ টেক্সাস ফ্যামিলি রেসিডেন্সিয়াল সেন্টারে স্থানান্তরিত করা হয়েছে।

ইয়ানেলার ব্যাপারে কোনো তথ্য না মিললেও সে মায়ের সঙ্গেই ফ্যামিলি ডিটেনশন সেন্টারেই আছে বলে অনুমান মার্কিন গণমাধ্যমগুলোর।

]]>
1509761 https://d30fl32nd2baj9.cloudfront.net/media/2018/06/23/time-immigration.jpg/ALTERNATES/w300/time-immigration.jpg
18 2 Home bangladesh_bn বাংলাদেশ news-bn 199 1509643 নিউজ ডেস্ক বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম নিউজ ডেস্ক বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম 2018-06-23 01:00:11.0 2018-06-23 02:56:51.0 মালয়েশিয়ায় লোক পাঠানোর প্রক্রিয়া স্থগিত এজেন্সিতে সিন্ডিকেটের ভূত: লোক নেওয়ার প্রক্রিয়া স্থগিত করেছে মালয়েশিয়া বাংলাদেশ থেকে দশটি এজেন্সির মাধ্যমে যে প্রক্রিয়ায় মালয়েশিয়ায় জনশক্তি রপ্তানি চলছিল, তা স্থগিত করেছে দেশটির সরকার।    বাংলাদেশ থেকে দশটি এজেন্সির মাধ্যমে যে প্রক্রিয়ায় মালয়েশিয়ায় জনশক্তি রপ্তানি চলছিল, তা স্থগিত করেছে দেশটির সরকার।    false https://bangla.bdnews24.com/bangladesh/article1509643.bdnews false https://d30fl32nd2baj9.cloudfront.net/media/2013/08/27/09_g2g-malaysia_270813.jpg/ALTERNATES/w300/09_G2G+Malaysia_270813.jpg
প্রবাসী এক বাংলাদেশি ব্যবসায়ীর নেতৃত্বে একটি মানবপাচার চক্র মালয়েশিয়ার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে যোগসাজশে ওই এজেন্সিগুলোকে নিয়ে সিন্ডিকেট করে শ্রমিকদের কাছ থেকে দুই বছরে অন্তত ২০০ কোটি রিঙ্গিত হাতিয়ে নিয়েছে বলে অভিযোগ ওঠার পর দেশটির সরকার এই সিদ্ধান্ত নিল। 

মালয়েশিয়ার মানবসম্পদ মন্ত্রী এম কুলাসেগারানকে উদ্ধৃত করে দেশটির ইংরেজি সংবাদমাধ্যম স্টার অনলাইন জানিয়েছে, ওই চক্রের বিষয়ে তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত এই স্থগিতাদেশ বহাল থাকবে।

শুক্রবার স্টার অনলাইনের এক অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে বলা হয়, ওই চক্রটি মালয়েশিয়া সরকারের উপরের মহলে যোগসাজশের মাধ্যমে বাংলাদেশে এজেন্ট অনুমোদন দিয়ে একচেটিয়া কারবার গড়ে তুলেছে।

বাংলাদেশ থেকে মালয়েশিয়ায় লোক পাঠাতে যেখানে মাথাপিছু দুই হাজার রিংগিত খরচ হওয়ার কথা, সেখানে এজেন্টরা বাংলাদেশি শ্রমিকদের কাছ থেকে ২০ হাজার রিংগিত আদায় করছে। এর অর্ধেক টাকা যাচ্ছে ওই চক্রের হাতে, যার বিনিময়ে তারা ওয়ার্ক পারমিট ও উড়োজাহাজের টিকেটের ব্যবস্থা করে দিচ্ছে। 

স্টার অনলাইন বলছে, এই প্রক্রিয়ায় ২০১৬ সাল থেকে এ পর্যন্ত এক লাখের বেশি বাংলাদেশি শ্রমিক মালয়েশিয়ায় গেছে। আরও অন্তত একলাখ লোক মালয়েশিয়ায় যাওয়ার অপেক্ষায় আছে। 

মালয়েশিয়ার মানবসম্পদ মন্ত্রী বলেন, “বিগত সরকারের সময়ে মানবসম্পদ আমদানির বিষয়টি পরিচালনা করা হয়েছে ব্যক্তিগত ব্যবসার কায়দায়, যাতে কেবল ব্যক্তিবিশেষই লাভবান হয়।”

তিনি বলেন, যেভাবে বাংলাদেশ থেকে মালয়েশিয়ায় জনশক্তি নেওয়া হচ্ছিল তাতে শ্রমিকদের কাছ থেকে মোটা অংকের বাড়তি অর্থ আদায় করা হচ্ছিল, আর তা যাচ্ছিল দুই দেশের কিছু দালালের পকেটে।  

“আমরা এ নিয়ে তদন্ত করছি। সমস্যাগুলো দূর করার প্রক্রিয়াও ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে। বিভিন্ন পর্যায়ে আলোচনা শুরু হয়েছে; আমার বিশ্বাস, শিগগিরই আমরা একটি সমাধান খুঁজে বের করতে পারব।”

মালয়েশিয়ার মানবসম্পদ মন্ত্রী এম কুলাসেগারান

মালয়েশিয়ার মানবসম্পদ মন্ত্রী এম কুলাসেগারান

কুলাসেগারান জানান, তার আগ পর্যন্ত মালয়েশিয়া সরকার পুরনো পদ্ধতিতে (জি টু জি) ফিরে যাবে, যাতে আবেদন প্রক্রিয়া চালু রাখা যায়। 

এ বিষয়ে বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের কনটেন্ট পার্টনার ডয়চে ভেলের প্রশ্নের জবাবে প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রী নুরুল ইসলাম বিএসসি বলেছেন, তিনি এ বিষয়ে কিছু জানেন না।

আর মালয়েশিয়ায়  বাংলাদেশ দূতাবাসের লেবার কাউন্সিলর সাইদুল ইসলাম ডয়চে ভেলেকে বলেছেন, তারা সংবাদ মাধ্যমে খবরটি দেখেছেন৷ তবে মালয়েশিয়া সরকারের তরফ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে তাদের কিছু জানানো হয়নি৷

প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা জাহাঙ্গীর আলম বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম প্রতিবেদক গোলাম মুজতবা ধ্রুবকে বলেন, “বাংলাদেশের দশটি এজেন্সি এখন মালয়েশিয়ায় লোক পাঠায়। যারা কাজটি করে তারা প্রত্যেকেই বাংলাদেশে থাকে। মালয়েশিয়া স্টারের ওই প্রতিবেদনটি আমি পড়েছি। সেখানে যে প্রবাসী বাংলাদেশির কথা বলা হচ্ছে তার বিষয়ে কোনো তথ্য আমার জানা নেই।”

তবে মন্ত্রণালয়ের একজন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “আগে আমিন নামে একজন লোক পাঠাত। কথিত আছে সে মালয়েশিয়ার এমপি মন্ত্রীদের সঙ্গে যোগসাজশে বাংলাদেশে দশ এজেন্সিকে ঠিক করে দিয়েছে।”

মালয়েশিয়ার স্টার অনলাইনের প্রতিবেদনে বলা হয়, জনশক্তি রপ্তানিকারকদের এজেন্সিগুলোকে নিয়ে গঠিত ওই চক্রের হোতা একজন বাংলাদেশি ব্যবসায়ী, যিনি মালয়েশিয়ায় দাতো শ্রী উপাধি পেয়েছেন।

বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়া- দুই জায়গাতেই রাজনৈতিক মহলে তার প্রভাব প্রতিপত্তি রয়েছে। ফলে ২০১৬ সালে দুই দেশের সরকারের চুক্তির মাধ্যমে যখন ‘জিটুজি প্লাস’ পদ্ধতিতে মাত্র ১০টি জনশক্তি রপ্তানিকারক এজেন্সিকে বাংলাদেশ থেকে মালায়েশিয়ায় লোক পাঠানোর অনুমতি দেওয়া হয়, তার পেছনেও ওই ব্যবসায়ীর হাত ছিল বলে উঠে এসেছে পত্রিকাটির অনুসন্ধানে।

দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশ মালয়েশিয়া বাংলাদেশের জনশক্তি রপ্তানির গুরুত্বপূর্ণ বাজার। সরকারি হিসাবে পাঁচ লাখের বেশি নিবন্ধিত বাংলাদেশি সেখানে বিভিন্ন পেশায় কাজ করেন; যদিও বাস্তবে এই সংখ্যা আরও বেশি বলে সংশ্লিষ্টদের ধারণা।

দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পর ২০১৩ সালে দুই দেশের সরকারি পর্যায়ে (জি টু জি) পদ্ধতিতে বাংলাদেশ থেকে জনশক্তি নিতে শুরু করে মালয়েশিয়া। কিন্তু ওই প্রক্রিয়ায় মালয়েশিয়ার ‘প্ল্যান্টেশন’ খাতে কাজ করতে আগ্রহীর সংখ্যা কম হওয়ায় সে সময় ভালো সাড়া মিলছিল না।

পরে মালয়েশিয়া জনশক্তির জন্য বাংলাদেশকে তাদের ‘সোর্স কান্ট্রির’ তালিকাভুক্ত করে। ফলে সেবা, উৎপাদন, নির্মাণসহ অন্যান্য খাতেও বাংলাদেশি কর্মী নেওয়ার সুযোগ তৈরি হয়।

মালয়েশিয়া সরকার তাদের পাঁচটি খাতে সরকারি-বেসরকারি পর্যায়ের সমন্বয়ে ‘জিটুজি প্লাস’ পদ্ধতিতে বাংলাদেশ থেকে কর্মী নিতে রাজি হওয়ার পর ২০১৬ সালে ঢাকায় দুই দেশের মধ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়। পাঁচ বছর মেয়াদী এই চুক্তির আওতায় লোক পাঠানোর অনুমতি দেওয়া হয় ওই দশটি জনশক্তি রপ্তানিকারক এজেন্সিকে।

একটি সূত্রের বরাত দিয়ে স্টার অনলাইন লিখেছে, ওই দশ এজেন্সির মধ্যে কয়েকটি ছিল রাতারাতি গজিয়ে ওঠা কোম্পানি। মালয়েশীয় চাকরিদাতা ও বাংলাদেশি শ্রমিকদের মধ্যে দালালের ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়ে অর্থ হাতিয়ে নেওয়াই ছিল সেসব কোম্পানি গড়ে তোলার উদ্দেশ্য।

এসব কোম্পানি শ্রমিকদের কাছ থেকে জনপ্রতি ২০ হাজার রিংগিত আদায় করে। অথচ দুই সরকারের চুক্তি অনুযায়ী বিমানভাড়াসহ সব মিলিয়ে এজেন্টের খরচ পড়ে দুই হাজার রিংগিতের কম।   

ভাগ্য ফেরাতে কাজ নিয়ে মালয়েশিয়ায় পাড়ি জমানো বাংলাদেশি শ্রমিকদের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ হাতিয়ে নিয়ে ওই চক্রের হোতা সেই ব্যবসায়ী দিনে দিনে আরও ধনী হয়েছেন; আর তার সহযোগীরাও বিলাসী জীবন যাপন করছে বলে তথ্য দিয়েছে স্টার অনলাইন।  

পত্রিকাটি লিখেছে, ৫০ এর কাছাকাছি বয়সী ওই ব্যবসায়ী ১৫ বছর আগে এক মালয়েশীয় নারীকে বিয়ে করে সেদেশেই স্থায়ীভাবে বসবাস করছেন। মানব পাচার থেকে ‘লাভের’ একটি অংশ তিনি দুই দেশের সরকারি কর্মকর্তা ও রাজনীতিবিদদের পেছনেও ব্যয় করেছেন।

এই চক্রের কর্মকাণ্ড মসৃণভাবে চালিয়ে নিতে এবং বাংলাদেশ থেকে লোক পাঠানোর অনুমতি পাওয়া ১০ কোম্পানির স্বার্থ রক্ষার জন্য ওই ব্যবসায়ী ‘সিসটেম পেরখিদমাতান পেকেরজা অ্যাসিং (এসপিপিএ)’ নামে একটি অনলাইন নিবন্ধন ব্যবস্থাও গড়ে তুলেছেন। মালয়েশীয় চাকরিদাতারা কেবল এই প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমেই বৈধভাবে বাংলাদেশি কর্মী নিতে পারেন। 

স্টার অনলাইন লিখেছে, এসপিপিএ-এর মাধ্যমে বাংলাদেশ থেকে কর্মী নেওয়ার সময় চাকরিদাতাদের কাছ থেকে মাথাপিছু ৩০৫ রিংগিত করে নেওয়া হয় সার্ভিস চার্জ হিসেবে। আর এই অনলাইন ব্যবস্থাপনা পরিচালনা করা হয় বেসটিনেট এসডিএন বিএইচডি নামের একটি কোম্পানির মাধ্যমে।

এই বেসটিনেটই আবার ফরেন ওয়ার্কার্স সেন্ট্রালাইজড ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (এফডব্লিউসিএমসি) নামের আরেকটি অনলাইন প্ল্যাটফর্ম তৈরি করেছে, যা মালয়েশিয়ার অভিবাসন দপ্তর বিদেশি শ্রমিকদের ভিসার আবেদন প্রক্রিয়া করতে ব্যবহার করে।   

মালয়েশিয়ায় বিদেশি শ্রমিক নিয়োগে পরামর্শ সেবা দেওয়া একটি কোম্পানির মালিক চিরারা কানান স্টার অনলাইনকে বলেন, এসপিপিএ চালু হওয়ার আগে বাংলাদেশ থেকে শ্রমিক নেওয়ার খরচ অনেক কম ছিল৷ তখন বাংলাদেশ থেকে শ্রমিকদের মালয়েশিয়ায় যেতে ৭ থেকে ৮ হাজার রিংগিত লাগত। আর এখন মধ্যস্বত্ত্বভোগীরা শ্রমিকদের কাছ থেকে মোটা টাকা হাতিয়ে নেয়।

চিরারা জানান, আগে যারা সরকার অনুমোদিত রিক্রুটিং এজেন্সি হিসেবে কাজ করত, জিটুজি প্লাস চালু হওয়ার পর তারা এখন অনুমোদিত দশ এজেন্সির সাব-এজেন্ট হিসেবে কাজ করে৷ গ্রামাঞ্চলের মানুষ এসব সাব-এজেন্টদের মাধ্যমেই অনুমোদিত দশ এজেন্টের কাছে যায়৷ ফলে তাদের ঘাটে ঘাটে টাকা দিতে হয়।

মালয়েশিয়ার স্টার অনলাইন তাদের শুক্রবারের প্রতিবেদনে ওই চক্রের হোতার নাম প্রকাশ করেনি। তবে বেসটিনেটের পরিচালক আমিনুল ইসলাম বিন আব্দুল নূর বেশ কিছু দিন ধরেই নানা কারণে মালয়েশিয়ায় আলোচনায় রয়েছেন। 

সম্প্রতি মালয়েশিয়ায় সরকার বদলের পর দাতো শ্রী উপাধি পাওয়া এই ব্যবসায়ীকে নিয়ে তদন্ত শুরু হয়। স্থানীয় গণমাধ্যমে খবর আসে, নাজিব রাজাক সরকারের মন্ত্রী,এমপিদের ঘুষ দিয়ে দাতো আমিন তার চক্রের জাল ছড়িয়েছেন। 

অভিযোগ রয়েছে এসপিপিএ, জেআর জয়েন্ট, বেসটিনেট ও সিনেরফ্লাক্স নামে চারটি কোম্পানির মালিক আমিনকে এ কাজে সবচেয়ে বেশি সহযোগিতা দিয়েছেন মালয়েশিয়ার সাবেক উপপ্রধানমন্ত্রী জাহিদ হামিদি ও সাবেক শ্রমমন্ত্রী আজমিন খালিদ।

দেশটির বর্তমান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহিউদ্দিন ইয়াসিনও এক সময় আমিনের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছিলেন বলে সম্প্রতি মালয়েশিয়ার সংবাদমাধ্যমে খবর আসে, যদিও মহিউদ্দিন ইয়াসিন সে অভিযোগ অস্বীকার করে আসছেন।   

]]>
664446 https://d30fl32nd2baj9.cloudfront.net/media/2013/08/27/09_g2g-malaysia_270813.jpg/ALTERNATES/w300/09_G2G+Malaysia_270813.jpg 1509688 https://d30fl32nd2baj9.cloudfront.net/media/2018/06/23/amin.jpg/ALTERNATES/w300/amin.jpg 1509689 https://d30fl32nd2baj9.cloudfront.net/media/2018/06/23/m-kulasegaran.jpg/ALTERNATES/w300/M-Kulasegaran.jpg মালয়েশিয়ার মানবসম্পদ মন্ত্রী এম কুলাসেগারান 1509690 https://d30fl32nd2baj9.cloudfront.net/media/2018/06/23/sppa.jpg/ALTERNATES/w300/SPPA.jpg
19 2 Home bangladesh_bn বাংলাদেশ news-bn 199 1509509 গোলাম মুজতবা ধ্রুব, নিজস্ব প্রতিবেদক, বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম গোলাম মুজতবা ধ্রুব, নিজস্ব প্রতিবেদক, বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম 2018-06-22 19:43:43.0 2018-06-22 21:51:13.0 ‘এমপিপুত্রের’ গাড়িচাপায় মৃত্যু: টাকার বিনিময়ে আপসের ‘প্রস্তাব’ ‘এমপিপুত্রের’ গাড়িচাপায় মৃত্যু: টাকার বিনিময়ে আপসের ‘প্রস্তাব’ সংসদ সদস্য একরামুল করিম চৌধুরীর পরিবারের মালিকানাধীন একটি গাড়ির চাপায় প্রাণহানির ঘটনায় দায়ের করা মমলা প্রত্যাহারের জন্য এমপির পক্ষ থেকে টাকার বিনিময়ে আপসের প্রস্তাব পেয়েছে নিহতের পরিবার। সংসদ সদস্য একরামুল করিম চৌধুরীর পরিবারের মালিকানাধীন একটি গাড়ির চাপায় প্রাণহানির ঘটনায় দায়ের করা মমলা প্রত্যাহারের জন্য এমপির পক্ষ থেকে টাকার বিনিময়ে আপসের প্রস্তাব পেয়েছে নিহতের পরিবার। false https://bangla.bdnews24.com/bangladesh/article1509509.bdnews false https://d30fl32nd2baj9.cloudfront.net/media/2018/06/21/shabab-karim-02.jpg/ALTERNATES/w300/Shabab-Karim-02.jpg শাবাব চৌধুরী
গত মঙ্গলবার রাতে ওই দুর্ঘটনায় নিহত সেলিম ব্যাপারীর (৫৫) পরিবার বলছে, অন্তত ‘মাস চলার মত’ কিছু টাকা ব্যাংকে ফিক্সড ডিপোজিট করে দেওয়ার বিনিময়ে মামলা তুলে নেওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে তাদের।

নিহত সেলিম ব্যাপারী দুই যুগের বেশি সময় ধরে নাওয়ার প্রোপার্টিজের গাড়িচালক হিসেবে চাকরি করে আসছিলেন। গত মঙ্গলবার রাতে ঢাকার বিমানবন্দর সড়কে একটি গাড়ির ধাক্কায় তিনি নিহত হন।

ওই গাড়ির মালিক নোয়াখালী সদরে আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্য একরামুল করীম চৌধুরীর স্ত্রী কামরুন্নাহার শিউলীর। এই সাংসদপত্নী নোয়াখালীর কবিরহাট উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান।

দুজন প্রত্যক্ষদর্শী দাবি করেছেন, দুর্ঘটনার সময় ওই গাড়িটি চালাচ্ছিলেন সাংসদপুত্র শাবাব চৌধুরী। অন্যদিকে শাবাবের মায়ের ভাষ্য, দুর্ঘটনার সময় গাড়িটি চালাচ্ছিলেন তাদের একজন ড্রাইভার, শাবাব নয়।

সেলিম ব্যাপারী যেখানে চাকরি করতেন, সেই নাওয়ার প্রোপার্টিজের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ইমরান হোসেন বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, এমপি একরামুল করিম চৌধুরী বৃহস্পতিবার রাতে তাকে ফোন করে ‘সমঝোতার প্রস্তাব’ দেন।

“তিনি চান, নিহতের পরিবারের পাশে থাকার বিনিময়ে তারা কাফরুল থানায় করা মামলা প্রত্যাহার করে নেবে। ফোনে কথা বলার পর এমপি সাহেব আমার বারিধারার অফিসে লোক পাঠিয়েছিলেন সমঝোতার বিষয়ে আলোচনার জন্য।”

ইমরান হোসেন জানান, সাংসদ বা তার পরিবার বা পুলিশের কেউ ওই বৈঠকে ছিল না। তবে নিহত সেলিম ব্যাপারীর স্ত্রী, মেয়ে, মেয়ের জামাইসহ কয়েকজন আত্মীয় সেখানে ছিলেন।

নিহত সেলিম ব্যাপারী

নিহত সেলিম ব্যাপারী

“সেলিম ছিল পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি। তার পরিবার যেন বাঁচতে পারে সেজন্য ৩০ লাখ টাকার একটা ফিক্সড ডিপোজিট করে দিতে এমপি সাহেবকে অনুরোধ করেছি।”

সেলিমের পরিবার সমঝোতায় রাজি কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, “টাকা পয়সা দিয়ে তো জীবনের দাম হবে না। আবার মামলা চালিয়েই বা কী হবে? পরিবারটির দিকে তাকিয়েই মূলত এমপি সাহেবের সমঝোতার প্রস্তাবে সাড়া দিয়েছি। এমপি সাহেব কথা দিয়েছেন, দুই একদিনের মধ্যে এর মীমাংসা করবেন। তার প্রতি আমরা আস্থা রেখেছি।”

সমঝোতার বিষয়ে জানতে চাইলে সেলিম ব্যাপারীর মেয়ের জামাই আরিফ ভূঁইয়া বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “গতকাল রাতে ইমরান স্যারের অফিসে আমরা এমপি সাহেবের লোকজনের সাথে সমঝোতার বিষয়ে কথা বলেছি। এখানে ইমরান স্যার যা সিদ্ধান্ত দেবেন সেটাই আমাদের পরিবারের সিদ্ধান্ত।”

সমঝোতার প্রস্তাবের বিষয়ে কথা বলতে বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের পক্ষ থেকে নোয়াখালী-৪ আসনের সংসদ সদস্য একরামুল করিম ও তার স্ত্রী কামরুন্নাহার শিউলির সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তারা ফোন ধরেননি।

সেই রাতে দুর্ঘটনার পর গাড়ি অনুসরণ করে ন্যাম ভবনে গিয়ে এর সঙ্গে এমপিপুত্র শাবাবের ‘সম্পৃক্ততার কথা’ জানতে পারেন শামীম আশরাফি নামে ধানমণ্ডি এলাকার এক ব্যবসায়ী। রাতেই তিনি কাফরুল থানায় গিয়ে বিষয়টি অবহিত করেন।

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে সেদিন তিনি বলেন, তিনি ও তার এক বন্ধু একটি টয়োটা হ্যারিয়ার গাড়িতে ছিলেন। রাত ১০টার পরে বনানী পার হয়ে ধানমণ্ডি যাওয়ার পথে একটি সাদা অডি গাড়িকে একটা মটরসাইকেল অনুসরণ করছে দেখে কৌতূহলবশত পিছু নেন।

শাবাব চৌধুরী, ফেইসবুক থেকে নেওয়া ছবি

শাবাব চৌধুরী, ফেইসবুক থেকে নেওয়া ছবি

“এক পর্যায়ে গাড়িটি ন্যাম ভবনে ঢুকে পড়ে। সেই সঙ্গে মোটরসাইকেলটি ঢুকে পড়ে। পরে আমরাও ঢুকে পড়ি। ন্যাম ভবনে প্রবেশ করার আগে গার্ডকে জিজ্ঞাসা করতেই সে জানায়, ওই গাড়িতে নোয়াখালী-৪ আসনের সংসদ সদস্য একরামুল করিমের ছেলে শাবাব চৌধুরী আছেন।

“গাড়ির কাছে গিয়ে দেখি শাবাব চৌধুরী মটরসাইকেলের আরোহীর মোবাইল ফোন কেড়ে নিয়ে তাকে কিল-ঘুষি মারতে চাইছেন। আমি এগিয়ে গিয়ে ওকে মারছেন কেন প্রশ্ন করে নিজের পরিচয় দিই। শাবাব চৌধুরী মোটরসাইকেল আরোহীর ফোন কেড়ে নিয়ে ফোনের দাম দিতে চাইছেন কেন জানতে চাই।

“তখন শাবাব খুব স্বাভাবিক ও ভাবলেশহীনভাবে এগিয়ে এসে বলেন, একটা বাসের সাথে গাড়ির ধাক্কা লেগেছে। পরে মটরসাইকেল আরোহী বলেন, আপনার গাড়ির চাপায় একজন মারা গেছে। তার ভিডিও ফুটেজও আমার কাছে রয়েছে। এরপর ওই যুবক শাবাবকে বলেন, তোমার ভুল হয়েছে। যিনি মারা গিয়েছেন তার পরিবারের কাছে গিয়ে ক্ষমা চাও। তাদের ক্ষতিপূরণ দাও।

“কিন্তু শাবাব তাকে বলেন, আমরা সোসাইটির কোন লেভেল মেইনটেইন করি তা তো জানো। তোমরা চলে যাও। এমনটা হতেই পারে। এরপর মটরসাইকেলআরোহীকে উদ্দেশ করে উনি বলেন, ওর ফোনে ভিডিও আছে, তাই নিয়েছি। কত কোটি টাকা লাগবে বল, বিষয়টা তোমরা চেপে যাও।”

ন্যাম ভবনের ৫ নম্বর ব্লকের নৈশপ্রহরী নজরুল ইসলাম সেদিন বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “রাতে ন্যাম ভবনের ৫ ও ৪ নম্বর ব্লকের মাঝামাঝি শাবাব সাহেবকে ৫-৬ জন ছেলে-মেয়েসহ দেখা যায়। সেখানে কোনো ঝামেলা হয়েছে বলে মনে হয়। পরে তাদের গাড়িচালক নুরুল আমিন বলেন, তিনি সেদিন গাড়ি নিয়ে বের হননি। শাবাব সাহেব গাড়ি অ্যাক্সিডেন্ট করেছেন।

“ন্যাম ভবনের নিচে শাবাব সাহেবই গাড়ি রেখে যান। নুরুল আমিনকে বলি, আপনি গাড়িতে থাকলে তো সমস্যা হয়ে যেত।”

অবশ্য শাবাবের মা শিউলী সেদিন বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের কাছে দাবি করেন, নুরুল আমিনই দুর্ঘটনার সময় ‘গাড়ি চালাচ্ছিলেন’।

নুরুল আমিন কোথায়- জানতে চাইলে শিউলী বলেন, তারাও ওই গাড়িচালককে এখন ‘খুঁজে পাচ্ছেন না’।

দুর্ঘটনার বিষয়ে নুরুল আমিন বা শাবাব চৌধুরী- কারও বক্তব্যই জানতে পারেনি বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম।

সমঝোতার আলোচনার সময় দুর্ঘটনায় শাবাবের সম্পৃক্ততার বিষয়ে কথা হয়েছে কি না জানতে চাইলে নাওয়ার প্রোপার্টিজের এমডি ইমরান হোসেন বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “এমপি সাহেব সেটা সরাসরি স্বীকার না করলেও তাদের গাড়িতেই যে দুর্ঘটনা ঘটেছে এটা স্বীকার করেছেন। তিনি ভবিষ্যতেও সেলিম ব্যাপারীর পরিবারের পাশে থাকবেন বলে কথা দিয়েছেন।”

এদিকে গাড়িচাপায় একজনের মৃত্যুর পর মামলা হলে টাকার বিনিময়ে আপস রফার আইনি বৈধতা আছে কি না- সে প্রশ্নও উঠেছে।   

ফৌজদারী মামলার অভিজ্ঞ আইনজীবী প্রকাশ বিশ্বাস বলেন, “এটি জামিনযোগ্য মামলা হলেও আপসযোগ্য নয়। মামলায় বাদীর টেকনিক্যাল সাক্ষ্য দিয়ে বাদীকে রিলিফ নিতে হবে।”

সমঝোতার ব্যাপারে জানতে কাফরুল থানার ওসি সিকদার মোহাম্মদ শামিমের সঙ্গে কথা বলার চেষ্টা করা হলে ব্যস্ততার কথা বলে তিনি এড়িয়ে যান। পরে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই সুজন কর্মকারের মোবাইলে একাধিকবার কল করলেও তিনি ধরেননি।

তবে পুলিশের একাধিক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেছেন, যেহেতু নিহতের পরিবারের আর্থিক অবস্থা ভালো না, বেশি দিন মামলা চালানোর সামর্থ্য তাদের নেই, সেহেতু অর্থের বিনিময়ে সমঝোতার একটি সম্ভাবনা এখানে আছে।

মামলার সর্বশেষ অবস্থা জানতে চাইলে মহানগর পুলিশের গণমাধ্যম শাখার উপ কমিশনার মো. মাসুদুর রহমান বলেন, সিসিটিভি ফুটেজ দেখে জড়িতদের শনাক্ত করার চেষ্টা করছেন তারা।

“গাড়ির নম্বর দেখে আগামী রোববার বিআরটিএ থেকে কাগজপত্র তোলা হবে। এরপর গাড়িটি জব্দ করে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনি প্রক্রিয়া শুরু করবে পুলিশ।”

উভয়পক্ষের মধ্যে সমঝোতা হয়ে গেলে সেক্ষেত্রে আইনি প্রক্রিয়াটা কী হবে জানতে চাইলে এই পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, “সেটি আদালতের বিষয়। সমঝোতা হয়ে গেলে সেই কাগজপত্রসহ মামলা আদালতে পাঠানো হবে। আদালত যে সিদ্ধান্ত দেবে সেটি সবাইকে মানতে হবে। তবে সমঝোতার ক্ষেত্রে পুলিশ কোনো ভূমিকা পালন করছে না। পুলিশ তদন্তের কাজ করছে।”

]]>
1508821 https://d30fl32nd2baj9.cloudfront.net/media/2018/06/21/shabab-karim-02.jpg/ALTERNATES/w300/Shabab-Karim-02.jpg শাবাব চৌধুরী 1508823 https://d30fl32nd2baj9.cloudfront.net/media/2018/06/21/shahab-chowdhury-03.jpg/ALTERNATES/w300/Shahab-Chowdhury-03.jpg শাবাব চৌধুরী, ফেইসবুক থেকে নেওয়া ছবি 1508542 https://d30fl32nd2baj9.cloudfront.net/media/2018/06/20/accident-mohakhali-01.jpg/ALTERNATES/w300/accident-mohakhali-01.jpg নিহত সেলিম ভূইয়া
20 2 Home sport_bn খেলা news-bn 210 1509669 স্পোর্টস ডেস্ক, বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম স্পোর্টস ডেস্ক, বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম 2018-06-23 02:26:08.0 2018-06-23 16:24:19.0 শেষ পর্যন্ত ধৈর্য ধরার পুরস্কার দুটি গোল: কৌতিনিয়ো শেষ পর্যন্ত ধৈর্য ধরার পুরস্কার দুটি গোল: কৌতিনিয়ো যোগ করা সময়ের গোলে কোস্টা রিকাকে হারানোর পর ব্রাজিল মিডফিল্ডার কৌতিনিয়ো জানালেন, শেষ পর্যন্ত ধৈর্য ধরার পুরস্কার পেয়েছেন তারা। যোগ করা সময়ের গোলে কোস্টা রিকাকে হারানোর পর ব্রাজিল মিডফিল্ডার কৌতিনিয়ো জানালেন, শেষ পর্যন্ত ধৈর্য ধরার পুরস্কার পেয়েছেন তারা। false https://bangla.bdnews24.com/sport/article1509669.bdnews false https://d30fl32nd2baj9.cloudfront.net/media/2018/06/23/coutinho.jpg/ALTERNATES/w300/Coutinho.jpg
সেন্ত পিতার্সবুর্গে শুক্রবার রাশিয়া বিশ্বকাপের ‘ই’ গ্রুপের ম্যাচে কোস্টা রিকাকে ২-০ গোলে হারায় ব্রাজিল। যোগ করা সময়ের প্রথম মিনিটে নিচু শটে পাঁচ বারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের এগিয়ে নেন কৌতিনিয়ো। পরে দগলাস কস্তার বাড়ানো বল জালে পৌঁছে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন নেইমার।

পুরোটা সময় দারুণ খেলা কৌতিনিয়ো জিতেছেন ম্যাচসেরার পুরস্কার। তবে বার্সেলোনার এই মিডফিল্ডার জানান, তার কাছে ব্রাজিলের জয়ই গুরুত্বপূর্ণ।

“জয়টা ব্রাজিলের প্রাপ্য। (নিজের গোল নিয়ে) বলটা এলো কোনো বাধা  না পেয়ে এবং গাব্রিয়েল (জেসুস) ভালোভাবে আড়াল করে রাখল এবং আমিও গোল করতে পারলাম। তবে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ছিল দলের জয়।”

 “আমরা যেমনটা প্রত্যাশা করেছিলাম, ম্যাচটা তেমন কঠিন ছিল কিন্তু আমরা প্রথম মিনিট থেকে জয়ের লক্ষ্য নিয়ে খেলছিলাম। ম্যাচের শেষ পর্যন্ত আমরা ধৈর্য ধরেছি এবং গোল দুটি ছিল তার পুরস্কার।”

শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত হাল না ছাড়ার শিক্ষাটা দেওয়ার জন্য কোচ তিতের প্রতিও কৃতজ্ঞতা জানান কৌতিনিয়ো। প্রতিপক্ষ কোস্টা রিকার প্রশংসাও করেন তিনি।

“অনেক মানসম্পন্ন খেলোয়াড়, শক্তিশালী ডিফেন্স এবং মিডফিল্ড নিয়ে গড়া দল কোস্টা রিকা। আর আমাদের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় ছিল শেষ মিনিট পর্যন্ত হাল না ছাড়া। এটা এমন কিছু যেটা প্রফেসর (তিতে) সবসময়ই প্রাধান্য দেন… শেষ পর্যন্ত মানসিকভাবে শক্তিশালী থাকতে বলেন।”

]]>
1509668 https://d30fl32nd2baj9.cloudfront.net/media/2018/06/23/coutinho.jpg/ALTERNATES/w300/Coutinho.jpg