bdnews24.com - Home http://bangla.bdnews24.com/ The RSS feed of bdnews24.com en Bangladesh News 24 Hours Ltd. 2016-12-10 18:04:31.0 2016-12-10 18:04:31.0 Home customGroupedContent 1 2 Home samagrabangladesh সমগ্র বাংলাদেশ news-district 9945 1342030 কক্সবাজার প্রতিনিধি, বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম কক্সবাজার প্রতিনিধি, বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম 2017-05-30 08:46:09.0 2017-05-30 11:17:57.0 মোরায় কক্সবাজারে দুই শতাধিক বাড়িঘর বিধ্বস্ত মোরায় কক্সবাজারে দুই শতাধিক বাড়িঘর বিধ্বস্ত ঘূর্ণিঝড় মোরা উপকূলে আঘাত করায় দুই শতাধিক বাড়িঘর বিধ্বস্ত হওয়ার পাশাপাশি বেশ কিছু গাছপালা উপড়ে গেছে। ঘূর্ণিঝড় মোরা উপকূলে আঘাত করায় দুই শতাধিক বাড়িঘর বিধ্বস্ত হওয়ার পাশাপাশি বেশ কিছু গাছপালা উপড়ে গেছে। false http://bangla.bdnews24.com/samagrabangladesh/article1342030.bdnews false http://d30fl32nd2baj9.cloudfront.net/bangla-media/2017/05/30/mora-coxbazar-03.jpg/ALTERNATES/w300/Mora-Coxbazar-03.jpg
ঘণ্টায় ১০০ কিলোমিটারের বেশি গতির বাতাস নিয়ে মঙ্গলবার ভোর ৬টার দিকে কুতুবদিয়ার কাছ দিয়ে কক্সবাজার-চট্টগ্রাম উপকূল অতিক্রম শুরু করে ঘূর্ণিঝড়টি।

সেন্টমার্টিন ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান নূর আহম্মদ বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “এ ইউনিয়নে দেড় শতাধিক বাড়িঘর বিধ্বস্ত হয়েছে। অনেক জায়গায় গাছপালা উপড়ে গেছে।

“আশপাশে যতদূর দেখেছি তাতে কমপক্ষে ৭০ ভাগ কাঁচা ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত হয়েছে বলে আমার মনে হচ্ছে। অগণিত সংখ্যক গাছপালা ভেঙে গেছে। আমার নিজের সেমিপাকা বাড়িটিরও আংশিক ভেঙে গেছে।”

ভোর ৬টার দিকে ঘূর্ণিঝড়টি সেন্টমার্টিনে আঘাত হানে জানিয়ে তিনি সকাল ৮টায় বলেন, এখানে এখন প্রচণ্ড ঝড়ো বাতাসের সঙ্গে মাঝারি বৃষ্টিপাত হচ্ছে।

তবে ঝড়ের আগেই সবাই আশ্রয়কেন্দ্রসহ উঁচু ভবনগুলোয় আশ্রয় নিয়েছে বলে তিনি জানান। সকাল ৮টা পর্যন্ত তিনি কোনো হতাহতের খবর পাননি বলেও জানান।

টেকনাফের সাবরাং ইউনিয়ন এলাকায়ও বেশ কিছু বাড়িঘর বিধ্বস্ত হয়েছে, উপড়ে গেছে কিছু গাছপালা। এছাড়া কিছু লোক আহত হয়েছে বলে শুনেছেন সাবরাং ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান নূর হোসেন। তবে তিনি আহতদের সম্পর্কে নির্দিষ্ট কোনো তথ্য দিতে পারেননি।

কক্সবাজার আবহাওয়া অফিসের সহকারী আবহাওয়াবিদ এ কে এম নাজমুল হক বলেন, ভোর ৬টার দিকে কক্সবাজার উপকূলে আঘাত হানে মোরা। তার আগে থেকেই হালকা বৃষ্টিপাত হচ্ছে। এখানে বেশ কিছু গাছপালা উপড়ে গেছে।

জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা মো. সাইফুল ইসলাম জয় জানান, এ জেলায় ৫৩৮টি আশ্রয়কেন্দ্রে দুই লাখের অধিক মানুষ আশ্রয় নিয়েছে। তাদের পর্যাপ্ত খাবার সরবরাহ করা হয়েছে।

“মোরা কক্সবাজারের টেকনাফ ও সেন্টমার্টিনে আঘাত হেনেছে। এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে ঘরবাড়ি ও গাছপালার। তবে কোনো ধরনের হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।”

কক্সবাজার জেলা প্রশাসন জানিয়েছে, উপকূলীয় এলাকার দুই লক্ষাধিক মানুষকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। খুলে দেওয়া হয়েছে জেলার ৫৩৮টি আশ্রয়কেন্দ্র। গঠন করা হয়েছে ৮৮টি মেডিকেল টিম। প্রস্তুত রাখা হয়েছে দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্মসূচির আওতায় ৪১৪টি ইউনিটের ছয় হাজার স্বেচ্ছাসেবক ও রেড ক্রিসেন্টের ১৫ হাজার স্বেচ্ছাসেবক। আশ্রয়কেন্দ্রে আসা লোকজনের নিরাপত্তার পাশাপাশি নেওয়া হয়েছে খাদ্য সরবরাহেরও ব্যবস্থা।

]]>
1342029 http://d30fl32nd2baj9.cloudfront.net/bangla-media/2017/05/30/mora-coxbazar-03.jpg/ALTERNATES/w300/Mora-Coxbazar-03.jpg 1342028 http://d30fl32nd2baj9.cloudfront.net/bangla-media/2017/05/30/mora-coxbazar-02.jpg/ALTERNATES/w300/Mora-Coxbazar-02.jpg 1342044 http://d30fl32nd2baj9.cloudfront.net/bangla-media/article1342044.bdnews/ALTERNATES/w300/MORA-Coxbazar.jpg
2 2 Home bangladesh_bn বাংলাদেশ news-bn 199 1342027 জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক, বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক, বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম 2017-05-30 08:14:49.0 2017-05-30 11:18:41.0 উপকূল অতিক্রম করছে মোরা উপকূল অতিক্রম করছে মোরা ঘণ্টায় একশ কিলোমিটারের বেশি গতির বাতাস নিয়ে বাংলাদেশের উপকূলরেখা অতিক্রম করতে শুরু করেছে প্রবল ঘূর্ণিঝড় মোরা। ঘণ্টায় একশ কিলোমিটারের বেশি গতির বাতাস নিয়ে বাংলাদেশের উপকূলরেখা অতিক্রম করছে প্রবল ঘূর্ণিঝড় মোরা। false http://bangla.bdnews24.com/bangladesh/article1342027.bdnews false http://d30fl32nd2baj9.cloudfront.net/media/2017/05/30/01_mora_cox-s-bazaar_storm_mm_30052017_0035.jpg/ALTERNATES/w300/01_Mora_Cox%27s+Bazaar_Storm_MM_30052017_0035.jpg
এর প্রভাবে বৃষ্টির সঙ্গে চলছে প্রচণ্ড ঝড়ো হাওয়া। প্রাথমিকভাবে কুতুবদিয়া, কক্সবাজার, টেকনাফ ও সেন্টমার্টিনে বেশ কিছু কাঁচা ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত এবং গাছপালা ভেঙে পড়েছে বলে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব গোলাম মোস্তাফা জানিয়েছেন।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের পরিচালক সামছুদ্দিন আহমেদ জানান, মঙ্গলবার ভোর ৬টার দিকে ঘূর্ণিঝড়টি কক্সবাজার-চট্রগ্রাম উপকূল অতিক্রম শুরু করে।

“ওই সময় বাতাসের গতিবেগ কোথাও কোথাও ঘণ্টায় ১০০ কিলোমিটারের বেশি ছিল। ঘূর্ণিঝড়টি উপকূল অতিক্রম করে পুরোপুরি স্থলভাগে আসতে কয়েক ঘণ্টা সময় লাগতে পারে।”

আবহাওয়া অফিস চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার সমুদ্র বন্দরে ১০ নম্বর মহাবিপদ সংকেত এবং মংলা ও পায়রা সমুদ্র বন্দরকে ৮ নম্বর মহাবিপদ সংকেত দেখিয়ে যেতে বলেছে।

উপকূলীয় জেলা কক্সবাজার, চট্টগ্রাম, নোয়াখালী, লক্ষ্মীপুর, ফেনী, চাঁদপুর এবং অদূরবর্তী দ্বীপ ও চরগুলো ১০ নম্বর মহাবিপদ সংকেতের আওতায় রয়েছে।

ভোলা, বরগুনা, পটুয়াখালী, বরিশাল, পিরোজপুর, ঝালকাঠি, বাগেরহাট, খুলনা, সাতক্ষীরা এবং অদূরবর্তী দ্বীপ ও চরগুলোর ক্ষেত্রে ৮ নম্বর মহাবিপদ সংকেত প্রযোজ্য হবে।

মোরার প্রভাবে উপকূলীয় জেলাগুলোর নিম্নাঞ্চল স্বাভাবিক জোয়ারের চেয়ে ৪ থেকে ৫ ফুট বেশি উচ্চতার জলোচ্ছ্বাসে প্লাবিত হতে পারে বলে আভাস দিয়ে রেখেছে আবহাওয়া অফিস। তবে ভাটার সময় ঝড়টি উপকূল অতিক্রম শুরু করায় জলোচ্ছ্বাস ভয়ঙ্কর হয়ে উঠতে পারেনি বলে কক্সবাজার জেলা প্রশাসনের এনডিসি তাহমিদুর রহমান জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, “সকাল থেকে প্রবল বেগে ঝড়ো হাওয়া বইছে। সঙ্গে প্রচর বৃষ্টি। রাস্তাঘাটে মানুষ নেই। বেশ কিছু কাঁচাঘর ও গাছপালা বিধ্বস্ত হয়েছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে সকালেও লোকজনকে আশ্রয় কেন্দ্রে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।”

সাগর উত্তাল থাকায় সব মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত নিরাপদ আশ্রয়ে থাকতে বলেছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার কারণে চট্টগ্রাম বন্দরের সব কার্যক্রম বন্ধ রাখা হয়েছে। বিআইডব্লিউটিএ সোমবার বিকাল থেকেই সারা দেশে সব ধরনের নৌযান চলাচল বন্ধ রেখেছে। মঙ্গলবার সকাল থেকে চট্টগ্রামের শাহ আমানত ও কক্সবাজার বিমানবন্দরে উড়োজাহাজ ওঠা-নামাও বন্ধ।

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের নিয়ন্ত্রণ কক্ষের কর্মকর্তা জলিল উদ্দিন ভুঁইয়া জানান, ছয় জেলায় ৩ লাখ ১৭ হাজারের বেশি লোককে রাতেই নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। বেলা ১০টা পর্যন্ত হতাহতের কোনো তথ্য তারা পাননি।

গতিপথ

জ্যেষ্ঠ আবহাওয়াবিদ আবদুর রহমান খান জানান, ঘূর্ণিঝড়টির অগ্রভাগ ভোর ৬টার দিকে সেন্টমার্টিন-টেকনাফ উপকূল স্পর্শ করে। সে সময় ওই এলাকায় বইতে শুরু করে তীব্র ঝড়ো হাওয়া।

রাতভর থেমে থেমে দমকা হাওয়ার পর সকাল সাড়ে ৭টার দিকে কুতুবদিয়া উপজেলায় ঝড়ের ধাক্কা লাগে।

আবহওয়ার সর্বশেষ বুলেটিনে বলা হয়, ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রের ৬৪ কিলোমিটারের মধ্যে বাতাসের একটানা সর্বোচ্চ গতিবেগ ছিল ঘন্টায় ৮৯ কিলোমিটার, যা দমকা বা ঝড়ো হাওয়ার আকারে ১১৭ কিলোমিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি পাচ্ছিল।

তবে আবদুর রহমান জানিয়েছেন, ঘূর্ণিঝড় আঘাত হানার পর টেকনাফে বাতাসের সর্বোচ্চ গতিবেগ ছিল ঘণ্টায় ১৩৫ কিলোমিটার।

কক্সবাজারে ১১৪ কিলোমিটার, চট্টগ্রামে ১২৮ কিলোমিটার এবং কুতুবদিয়ায় ৮৪ কিলোমিটার পর্যন্ত বাতাসের গতি রেকর্ড করা হয়েছে।

তিনি বলেন, “চট্টগ্রাম-কক্সবাজারের মাঝখান দিয়ে সাতকানিয়া ও আশপাশ এলাকা হয়ে পার হওয়ার সময় প্রচুর বৃষ্টি ঝরিয়ে যাবে এই ঘূর্ণিঝড়। উপকূল অতিক্রম শেষ করে তা স্থল নিম্নচাপে পরিণত হলে ধীরে ধীরে দুর্বল হয়ে পড়বে।”

বর্তমানে মোরার যে গতিপথ, তাতে বাংলাদেশ পার হয়ে ত্রিপুরা, মনিপুর, মেঘালয় পর্যন্ত এর প্রভাব থাকতে পারে।

ঘূর্ণিঝড়টি স্থল নিম্নচাপে পরিণত হলে মহাবিপদ সংকেত নামিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্ত হবে বলে আবহাওয়া অধিদপ্তরের পরিচালক সামছুদ্দিন আহমেদ জানান।

“ঘূর্ণিঝড় কেটে গেলেও সাগর উত্তাল থাকবে, সেজন্য সমুদ্রবন্দরের সতর্কবার্তা থাকবে। তবে আমাদের অপেক্ষা করতে হবে।”

প্রবল বৃষ্টি ঝরাবে মোরা

বুয়েটের ইন্সটিটিউট অব ওয়াটার অ্যান্ড ফ্লাড ম্যানেজমেন্ট (আইডব্লিউএফএম)-এর পর্যবেক্ষণে বলা হয়েছে, ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে মঙ্গলবার সকাল থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় কক্সবাজার ও আশপাশের এলাকায় ১২৮ মিলিমিটার থেকে ২৫৬ মিলিমিটার পর্যন্ত বৃষ্টি হতে পারে।

ইনস্টিটিউটের সিনিয়র রিসার্চ ফেলো মোহন কুমার দাস বলেন, “সাগরে দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমী বায়ু কার্যকর রয়েছে। সেই সঙ্গে ভারি জলীয় বাষ্প নিয়ে ঘূর্ণিঝড়টি উপকূল অতিক্রম করার পথে অতি ভারি বর্ষণ হতে পারে।”

৬৫ থেকে ১১৪ মিলিমিটার বৃষ্টিপাতকে তাকে ‘ভারি বর্ষণ’, ১১৫ থেকে ২০৫ মিলিমিটার পর্যন্ত ‘অতি ভারি বর্ষণ’ এবং ২০৫ মিলিমিটারের বেশি হলে তাকে ‘চরম ভারি বর্ষণ’ বলেন আবহাওয়াবিদরা।

প্রতিজেলায় ১০ লাখ টাকা বরাদ্দ

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব গোলাম মোস্তাফা জানান, ঘূর্ণিঝড় মোকাবেলায় রাতভর ব্যাপক প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।

ভোর রাত পর্যন্ত তিন লাখের বেশি মানুষকে আশ্রয় কেন্দ্রে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। দুযোগ পরবর্তী পরিস্থিতি মোকাবেলায় প্রতি জেলায় ১০ লাখ টাকা করে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।

মন্ত্রণালয়ের নিয়ন্ত্রণ কক্ষ সবসময় পরিস্থিতি জেনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিচ্ছে এবং স্বেচ্ছ্বাসেবক দলের কাজ তদারক করছে।

“কোনোভাবেই জীবনের যাতে ক্ষতি না হয় সে চেষ্টা করছি আমরা। সাময়িকভাবে মালামালের ক্ষতি হলেও তা পুষিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করা হবে।”

]]>
1342093 http://d30fl32nd2baj9.cloudfront.net/media/2017/05/30/01_mora_cox-s-bazaar_storm_mm_30052017_0035.jpg/ALTERNATES/w300/01_Mora_Cox%27s+Bazaar_Storm_MM_30052017_0035.jpg 1342094 http://d30fl32nd2baj9.cloudfront.net/media/2017/05/30/01_mora_cox-s-bazaar_storm_mm_30052017_0036.jpg/ALTERNATES/w300/01_Mora_Cox%27s+Bazaar_Storm_MM_30052017_0036.jpg 1342095 http://d30fl32nd2baj9.cloudfront.net/media/2017/05/30/01_mora_cox-s-bazaar_storm_mm_30052017_0038.jpg/ALTERNATES/w300/01_Mora_Cox%27s+Bazaar_Storm_MM_30052017_0038.jpg 1342096 http://d30fl32nd2baj9.cloudfront.net/media/2017/05/30/01_mora_cox-s-bazaar_storm_mm_30052017_0041.jpg/ALTERNATES/w300/01_Mora_Cox%27s+Bazaar_Storm_MM_30052017_0041.jpg 1342097 http://d30fl32nd2baj9.cloudfront.net/media/2017/05/30/01_mora_cox-s-bazaar_storm_mm_30052017_0046.jpg/ALTERNATES/w300/01_Mora_Cox%27s+Bazaar_Storm_MM_30052017_0046.jpg 1342098 http://d30fl32nd2baj9.cloudfront.net/media/2017/05/30/01_mora_cox-s-bazaar_storm_mm_30052017_0001.jpg/ALTERNATES/w300/01_Mora_Cox%27s+Bazaar_Storm_MM_30052017_0001.jpg 1342099 http://d30fl32nd2baj9.cloudfront.net/media/2017/05/30/01_mora_cox-s-bazaar_storm_mm_30052017_0006.jpg/ALTERNATES/w300/01_Mora_Cox%27s+Bazaar_Storm_MM_30052017_0006.jpg 1342101 http://d30fl32nd2baj9.cloudfront.net/media/2017/05/30/01_mora_cox-s-bazaar_storm_mm_30052017_0009.jpg/ALTERNATES/w300/01_Mora_Cox%27s+Bazaar_Storm_MM_30052017_0009.jpg 1342102 http://d30fl32nd2baj9.cloudfront.net/media/2017/05/30/01_mora_cox-s-bazaar_storm_mm_30052017_0012.jpg/ALTERNATES/w300/01_Mora_Cox%27s+Bazaar_Storm_MM_30052017_0012.jpg 1342103 http://d30fl32nd2baj9.cloudfront.net/media/2017/05/30/01_mora_cox-s-bazaar_storm_mm_30052017_0017.jpg/ALTERNATES/w300/01_Mora_Cox%27s+Bazaar_Storm_MM_30052017_0017.jpg 1342104 http://d30fl32nd2baj9.cloudfront.net/media/2017/05/30/01_mora_cox-s-bazaar_storm_mm_30052017_0021.jpg/ALTERNATES/w300/01_Mora_Cox%27s+Bazaar_Storm_MM_30052017_0021.jpg 1342105 http://d30fl32nd2baj9.cloudfront.net/media/2017/05/30/01_mora_cox-s-bazaar_storm_mm_30052017_0033.jpg/ALTERNATES/w300/01_Mora_Cox%27s+Bazaar_Storm_MM_30052017_0033.jpg 1342033 http://d30fl32nd2baj9.cloudfront.net/media/2017/05/30/mora-coxbazar-01.jpg/ALTERNATES/w300/Mora-Coxbazar-01.jpg 1342034 http://d30fl32nd2baj9.cloudfront.net/media/2017/05/30/mora-coxbazar-03.jpg1/ALTERNATES/w300/Mora-Coxbazar-03.jpg 1342026 http://d30fl32nd2baj9.cloudfront.net/media/2017/05/30/mora-chandpur.jpg/ALTERNATES/w300/MORA-Chandpur.jpg 2 news-bn বাংলাদেশ 199 1342005 2017-05-29 23:57:43.0 ঘূর্ণিঝড় মোরার সর্বশেষ 2 news-bn বাংলাদেশ 199 1341970 2017-05-29 22:26:32.0 আশ্রয়কেন্দ্রে কয়েক লাখ মানুষ
3 2 Home bangladesh_bn বাংলাদেশ news-bn 199 1341626 নিজস্ব প্রতিবেদক, বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম নিজস্ব প্রতিবেদক, বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম 2017-05-29 14:17:08.0 2017-05-29 14:17:08.0 বিচার বিভাগকে বিক্ষুব্ধ করবেন না: প্রধান বিচারপতি বিচার বিভাগকে বিক্ষুব্ধ করবেন না: প্রধান বিচারপতি আইন মন্ত্রণালয়কে আইনের ব্যাখ্যা দেওয়ার চেষ্টা থেকে বিরত থাকার নির্দেশ দিয়ে প্রধান বিচারপতি এসকে সিনহা বলেছেন, এমন কিছু করা নির্বাহী বিভাগের উচিৎ হবে না, যাতে বিচার বিভাগ বিক্ষুব্ধ হয়। আইন মন্ত্রণালয়কে আইনের ব্যাখ্যা দেওয়ার চেষ্টা থেকে বিরত থাকার নির্দেশ দিয়ে প্রধান বিচারপতি এসকে সিনহা বলেছেন, এমন কিছু করা নির্বাহী বিভাগের উচিৎ হবে না, যাতে বিচার বিভাগ বিক্ষুব্ধ হয়। false http://bangla.bdnews24.com/bangladesh/article1341626.bdnews false http://d30fl32nd2baj9.cloudfront.net/media/2017/05/08/high-court_mm_180516_0008.jpg/ALTERNATES/w300/High+Court_MM_180516_0008.jpg
বিচারকদের চাকরিবিধির গেজেট প্রকাশ নিয়ে সোমবার আপিল বিভাগের শুনানিতে সুপ্রিম কোর্টের পরামর্শ ছাড়া প্রেষণে থাকা বিচারকের বিদেশযাত্রা প্রসঙ্গে প্রধান বিচারপতির এ বক্তব্য আসে।

অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলমকে তিনি বলেন, “আপনারা যদি আইন না জানেন, তাহলে আমাদের কাছে ব্যাখ্যা চাইবেন।… সংবিধান অনুসারে ব্যাখ্যা আমরা দেব। নির্বাহী নয়। এগুলো মনে করে চলবেন।

অধস্তন আদালতের বিচারকদের চাকরির শৃঙ্খলা ও আচরণ সংক্রান্ত বিধিমালার গেজেট প্রকাশ না করে সোমবার আবারও সময়ের আবেদন করেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম।

আড়াই বছরের বেশি সময় ধরে আটকে থাকা ওই গেজেট প্রকাশে সরকার আরও সময় চাওয়ায় প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন ৭ বিচারকের আপিল বেঞ্চ উষ্মা প্রকাশ করে এবং শুনানি শেষে আরও দুই সপ্তাহ সময় দেওয়া হয়।

শুনানির শুরুতে অ্যাটর্নি জেনারেল সময়ের আবেদন জমা দিলে প্রধান বিচারপতি জানতে চান, “এটা কী?”

অ্যাটর্নি জেনারেল তখন বলেন, “সময়।”

তখন প্রধান বিচারপতি বলেন, “কারণটা কী?”

অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, “প্রসেস চলছে।”

প্রধান বিচারপতি বলেন, “আমরা হাসব না কাঁদব? হাসতে গেলেওতো কষ্ট হয়। যাই হোক, আমি কিছু বলছি না। স্বাধীনতার ৪৫ বছর পার হয়ে গেছে। কিছু ত্রুটি রয়ে গেছে। কিছু অনিয়ম আছে। এগুলো নিয়ে সারাজীবন নয়। আমরা চাচ্ছি একটা সিস্টেমে চলে আসতে। প্রধান বিচারপতি অনিয়ম থেকে নিয়মে আসতে গেলে বলে, গেল গেল।”

এরপর প্রেষণে থাকা বিচারকদের প্রেষণে প্রশিক্ষণ নিতে বিদেশে পাঠানো নিয়ে সুপ্রিম কোর্ট আর আইন মন্ত্রণালয়ের সাম্প্রতিক টানাপড়েনের প্রসঙ্গ আসে প্রধান বিচারপতির কথায়। 

“পত্রিকায় বলা হয়, প্রধান বিচারপতির সঙ্গে সরকারের দ্বন্দ্ব। আপনার মিনিস্ট্রিকে (আইন মন্ত্রণালয়) বলবেন, জেনারেল ক্লজ অ্যাক্টের ২১ পড়তে। সরকারকে বলবেন, যেসব বিচারক প্রেষণে আছে, তারা সরকারি কর্মচারী না। সুপ্রিম কোর্ট জানতে চেয়েছিল প্রেষণে থাকাদের মধ্যে কারা বিদেশে যায় তাদের নাম।”

নিম্ন আদালতের বিচারকদের প্রশিক্ষণ দিতে গত ২৮ র্মাচ আইন ও বিচার বিভাগের সঙ্গে অস্ট্রেলিয়ার ওয়েস্টার্ন সিডনি বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি সমঝোতা স্মারক সই হয়। এর প্রথম ধাপে প্রেষণে ১৭ জন বিচারককে বিভিন্ন মেয়াদে অস্ট্রেলিয়া পাঠানোর জন্য ৩ মে একটি অফিস আদেশ জারি করে আইন মন্ত্রণালয়।

এরপর ৯ মে ‘বিচার বিভাগীয় কর্মকর্তাগণের বিদেশ গমনের ক্ষেত্রে আবশ্যিকভাবে সুপ্রিম কোর্টের পরামর্শ গ্রহণ সংক্রান্ত’ একটি সার্কুলার জারি করে সুপ্রিম কোর্ট। প্রেষণে থাকা বিচার বিভাগীয় কর্মকর্তাদের সুপ্রিম কোর্টের পরামর্শ ছাড়া বিদেশে না যেতে নির্দেশ দেওয়া হয় সেখানে। এই নির্দেশ না মানলে শৃঙ্খলা ভঙ্গের জন্য বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে সেখানে হুঁশিয়ার করা হয়।

এরপর গত ১৬ মে আইন মন্ত্রণালয় থেকে সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেলের কাছে একটি চিঠি পাঠানো হয়। রাষ্ট্রপতির অনুমোদন নিয়ে গতবছর মন্ত্রণালয় থেকে জারি করা একটি পত্রের বরাতে সেখানে বলা হয়, অধস্তন আদালতের বিচারকরা প্রেষণে থাকলে তাদের বিদেশযাত্রার ক্ষেত্রে সুপ্রিম কোর্টের পরামর্শ নেওয়ার আবশ্যকতা নেই।

আইন মন্ত্রণালয় রাষ্ট্রপতির অনুশাসনের কথা বললেও সুপ্রিম কোর্ট ২৩ মে আরেকটি পরিপত্র জারি করে ওই ১৭ জনকে বিদেশ না পাঠানোর নির্দেশনাই বহাল রাখে।

সোমবারের শুনানিতে সেই প্রসঙ্গে প্রধান বিচারপতি বলেন, “যত বিচার বিভাগীয় কর্মকর্তা ডেপুটেশনে দিয়েছি, যদি তাদের প্রত্যাহার করি, তাহলে কারও কিছু করার নেই। বিচারকদের ডেপুটেশনে দিয়ে নির্বাহী বিভাগের সঙ্গে সুষ্ঠুভাবে কাজ করার জন্য হাত বাড়িয়ে দিয়েছি। ১৮৯৭ সালের সেকশন জেনারেল ক্লজ অ্যাক্ট ২১ দেখেন। যদি না হয় এটা ডিলিট করে দেন। এটা এতো দিন ধরে চলে আসছে।”

অ্যাটর্নি জেনারেলকে তিনি বলেন, “আপনারা বিচার বিভাগকে বিক্ষুব্ধ করবেন না, রাষ্ট্রপতির অনুশাসন বলে এমন কিছু করতে পারেন না। রাষ্ট্রপতির কাছে কোনো ফাইল পাঠিয়ে যদি করতে বলা হয় তখন তিনি করেন, আর ‘না’ বললে ‘না’ বলেন। তাই বলছি ভুল ব্যাখ্যা দেওয়া হয়।

“তারা মনে করে সুপ্রিম কোর্টকে আদেশ করবে, তা ভুল করবে। তারা আইন না জেনে একের পর এক ব্যবধান সৃষ্টি করছে। রাষ্ট্র এ রকম করতে পারে না। সুপ্রিম কোর্টের প্রত্যোকটা সিদ্ধান্ত সিনিয়র বিচারকরা চিন্তা করে নেয়। তারা (আইন মন্ত্রণালয়) যদি মনে করে যে, আইনের একটা ব্যাখ্যা দাঁড় করিয়ে দিবে তাহলে খুব ভুল করবে।”

নির্বাহী বিভাগকে আইনের ব্যাখ্যা না দেওয়ার পরামর্শ দিয়ে প্রধান বিচারপতি বলেন, “অল্প বিদ্যা ভয়ঙ্কর! মারাত্মক হয়ে যাবে! তারা যদি আইনের ব্যাখ্যা দিয়ে বলে এটাই কারেক্ট, খুব ভুল হবে।”

]]>
1331518 http://d30fl32nd2baj9.cloudfront.net/media/2017/05/08/high-court_mm_180516_0008.jpg/ALTERNATES/w300/High+Court_MM_180516_0008.jpg 2 news-bn বাংলাদেশ 199 1331520 2017-05-08 11:01:21.0 সুপ্রিম কোর্ট থেকে বঙ্গভবন-গণভবন কত দূর: আপিল বিভাগ